জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে পরীক্ষার পর প্রচুর সংখ্যক ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন বিষয় বেক এসেছে। যার ফলে চরম সমস্যায় পড়েছে রাজ্যের কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীরা। এ নিয়ে ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে এবিভিপি। বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীরা দেখা করেছে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে। উপাচার্য ছাত্রছাত্রীদের আশ্বাস দিয়েছেন অনতিবিলম্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তারপরেই ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়। সকালে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে শত শত ছাত্রছাত্রী বিক্ষোভে শামিল হয়েছিল। ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি অবিলম্বে যাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নতুন করে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করে।
Monthly Archives
June 2023
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রেলের নিচে কাঁটা পড়ে মৃত্যু হল অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির। ঘটনা মঙ্গলবার সকালে আমবাসা রেল স্টেশনে। কলকাতা আগরতলা এক্সপ্রেস আগরতলা ঢোকার মুখে আমবাসা স্টেশনের সামনে ঘটনাটি ঘটে।খবর পেয়ে আমবাসা জিআরপি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায় ধলাই জেলা হাসপাতালে। তবে মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ চেষ্টা করছে মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ঈদের আগে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে গবাদি পশু চুরির হিড়িক পড়েছে। কারো তিনটি, কারো একটি আবার কারো চার-পাঁচটি গবাদি পশু নিয়ে রাতের অন্ধকারে চম্পট দিচ্ছে চোরের দল। সোমবার রাতে গোলাঘাটি বিধানসভা কেন্দ্রের দুটি বাড়ি থেকে চারটি গবাদি পশু নিয়ে পালিয়ে যায় চোরের দল। অসহায় পরিবার গুলি। শুধু গোলাঘাটিতে নয় বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন গ্রামে গত রবিবার সোমবার রাতে অনেকগুলি গবাদি পশু চুরি হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের একটি অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সোমবার জম্মুতে একটি সমাবেশ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, পাকিস্তান সরকার বার বার পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দাবি জানিয়েও কিছু করে উঠতে পারবে না। রাজনাথ সিং জোর দিয়ে বলেছেন যে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে যদি জোর করে নিজেদের দখলে নেয় পাকিস্তান, তাহলেও PoK (পাক অধিকৃত কাশ্মীর) পাকিস্তানের হয়ে যাবে না।
ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরের মতো চতুর্দশ দেবতা মন্দিরেরও ট্রাস্ট গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে : মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
উৎসব মানেই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল অংশের মানুষের মিলনক্ষেত্র। রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী খাৰ্চি উৎসবও ব্যতিক্রম চতুর্দশ দেবতাবাড়ির খার্চি উৎসব রাজ্যের জাতি-জনজাতি মানুষের এক মিলনতীর্থ। রাজ্যবাসী অপেক্ষা করে থাকেন এই উৎসবের জন্য। আজ সকালে চতুর্দশ দেবতা মন্দির প্রাঙ্গণে ৭ দিনব্যাপী খার্চি উৎসব ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ত্রিপুরার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির এক গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। রাজ্যের এই ঐতিহ্যবাহী কৃষ্টি ও সংস্কৃতি দেশের যেকোন রাজ্যের সংস্কৃতির তুলনায় কোনও অংশে কম নয়। রাজ্যের জাতি-জনজাতির ঐতিহ্যবাহী মিশ্র সংস্কৃতিকে দেশের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং জনজাতি কল্যাণ দপ্তর নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরের মতো চতুর্দশ দেবতা মন্দিরেরও ট্রাস্ট গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিগতদিনে লক্ষ্য করা গেছে যে খার্চি উৎসব আয়োজনে সেরকম পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়নি। বর্তমান রাজ্য সরকার চতুর্দশ দেবতা মন্দিরের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সহ বিভিন্ন বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ করছে। খার্চি মেলায় আগত পূণ্যার্থীদের সুযোগ-সুবিধা প্রদানে উৎসব কমিটি যে সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা প্রশংসনীয় বলে মুখ্যমন্ত্রী অভিমত ব্যক্ত করেন।
এদিন অনুষ্ঠানে জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, রাজ্যের জাতি-জনজাতি অংশের জনগণ নিজস্ব ধারায় ধর্ম, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির পরম্পরা পালন করে আসছে। রাজ্য সরকার সকল অংশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতির বিকাশে উদ্যোগ নিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণে খাৰ্চি উৎসব কমিটির চেয়ারম্যান বিধায়ক রতন চক্রবর্তী বলেন, এ দিন ধরে লক্ষ লক্ষ পূণ্যার্থীর আগমনে খাৰ্চি উৎসব বর্তমানে মিলনতীর্থে পরিণত হয়েছে। এবারের খার্চি মেলায় দর্শনার্থীদের সুরক্ষায় সিসি টিভি, টিএসআর জওয়ান এবং সাদা পোষাকে পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। ফলে এবছরের খার্চি উৎসব অতীতের সব রেকর্ড ম্লান করে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ
করেন।
৭দিনব্যাপী খার্চি উৎসব ও প্রদর্শনী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, বিধায়ক স্বপ্না দেববর্মা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, পুরাতন আগরতলা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ শীল, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী ও অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক দেবপ্রিয় বর্ধন, পর্যটন দপ্তরের অধিকর্তা তপন দাস, জিরানীয়া মহকুমার মহকুমা শাসক শান্তিরঞ্জন চাকমা প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা সহ অন্যান্য অতিথিগণ বিভিন্ন দপ্তরের প্রদর্শনী স্টলগুলি পরিদর্শন করেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি দেশের জনগণ যে স্বপ্ন দেখে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার একমাত্র কারিগর দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নরেন্দ্র মোদিকে আবার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখার জন্য দেশের ও রাজ্যের জনগণের কাছে আবেদন রাখেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। নরেন্দ্র মোদির নয় বছর পূর্তি উপলক্ষে সারা দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়ে বিজেপি সরকার কাজ করছে । তারই অঙ্গ হিসেবে সোমবার 6 আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে জনসংযোগ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এদিন জনগণ দেশের প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা যেসব প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে , সে সমস্ত কর্মসূচির রিপোর্ট কার্ড হাতে তুলে দিয়ে জনগণের সাথে বার্তা আলাপ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। পাশাপাশি আগামী লোকসভা নির্বাচনে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জয়ী করার আহ্বানও রাখেন। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক বলেন জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি হয়ে এসে সবকিছু কাজ করে ফেলেছি আমি বলছি না, অনেক কাজ বাকি রয়ে গেছে সেগুলো পূরণ করব বলে আশ্বাস দেন জনগণকে।শ্রীমতি ভৌমিক এদিন রিপোর্ট কার্ড হাতে নিয়ে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি যান, কথা শোনেন তাদের সুখ-দুঃখের। বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রণাম করেন রীতিমতো পা ছুঁয়ে। বলেন মোদীজি পাঠিয়েছে আপনাদের কাছে, আপনারাই তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। আমি বলছি না সব কাজ করে ফেলেছে। তবে সব কাজ শেষ করার চেষ্টা রয়েছে অব্যাহত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক বলেন, গত একমাস ব্যাপী যতগুলি বাড়িতে প্রচার কর্মসূচিতে গিয়েছি প্রত্যেকেই স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দিয়েছে। বলছে মোদিজীর শাসনে আমরা খুবই খুশি। ফের আমরা কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদীজিকেই চাই।কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই প্রচার কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। আবারও প্রতিটি বাড়ি বাড়ি মানুষের মনের কথা শোনার জন্য যাবেন তিনি। প্রতিটি মানুষ যাতে সরকারি সমস্ত প্রকল্পের সুযোগ পেতে পারে তার জন্যই কাজ করে চলেছে সরকার।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- যে গাভী দুধ দেয় না, যে গাভী বাছুর দেয় না, সে গাভী কোন কৃষক পালতে চায় না, পাশাপাশি যে সন্তানের বুদ্ধি নাই, জ্ঞান নাই, শিক্ষা নাই সে সন্তানকেউ কোন অভিভাবক মেনে নিতে পারে না।বললেন তপশিলি জাতি কল্যাণ মন্ত্রী সুধাংশু দাস। পুঁথিগত বিদ্যায় শিক্ষিত হলেই পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা লাভ করা হয় না। শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে সমাজ সংস্কৃতি ও নাচ গান, আর্ট সহ সম্পূর্ণ নয় আনুষঙ্গিক গান থাকাটাও বাঞ্ছনীয়। তবেই শিক্ষার পূর্ণতা পায়। শুধুমাত্র বড় বড় ডিগ্রী নিয়ে বসে থাকলেই সমাজ জীবনে উচ্চ আসন পাওয়া যায় না। ডিগ্রীর সঙ্গে বুদ্ধি ও জ্ঞান থাকতে হয়। সোমবার রবীন্দ্র ভবনে আয়োজিত আর্ট সোসাইটির বার্ষিক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের তপশিলি জাতি কল্যাণ মন্ত্রী সুধাংশু দাস। মন্ত্রী ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, মাথায় রাখবেন শুধু বড় বড় ডিগ্রি রাখলেই শিক্ষিত হওয়া যায়না। তার সঙ্গে সামাজিক, পারিপার্শ্বিক সব বিষয়েই সম্যক ধারণা থাকতে হয়। আর্ট সোসাইটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশালগড়ের তরুণ বিধায়ক সুশান্ত দেব, আর্ট কলেজের অধ্যাপক অভিজিৎ ভট্টাচার্য প্রমূখ।
উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৭৫০ জন কৃতী ছাত্র-ছাত্রীকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সোমবার রাণীরবাজারের গীতাঞ্জলি হলঘরে ১০ মজলিশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৭৫০ জন কৃতী ছাত্র-ছাত্রীকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ক্ষুদ্র প্রয়াসের মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়ে সবর্ধনা দেন রাজ্য সরকারের পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।এদিন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য তাঁদের হাতে শুভেচ্ছা সরূপ মানপত্র, ফুলের তোড়া ,ডাইরি ,কলম মোমেন্টো তোলে দেন মন্ত্রী। এদিন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন এই কৃতী ছাত্র-ছাত্রীরা তাঁদের বাবা-মা, স্কুল সহ গোটা এলাকার নাম সারা রাজ্যে উজ্জ্বল করেছে। অনেক প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিকূলতাকে জয় করে তাঁরা তাঁদের জীবনের দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় পরীক্ষাতে সফল হয়েছে। তাঁদের লড়াই কে কুর্নিশ জানাতে এবং তাঁদের আনন্দের ভাগীদার হতে ও আগামীর শুভকামনা জানাতেই আজকে ওনার এই ক্ষুদ্র আয়োজন বলে। তাছাড়া আজকের অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ছাত্র-ছাত্রীরা নতুন আশা নিয়ে উচ্চশিক্ষায় সুশিক্ষিত হয়ে আলোকিত মানুষ হিসাবে দেশের এবং রাজ্যের সেবায় নিয়োজিত হওয়ার দৃপ্ত প্রতিজ্ঞা করবে বলে আশা ব্যাক্ত করেন তিনি ।পাশাপাশি লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও পারদর্শী হয়ে নিজেকে আলোকিত মানুষ হিসেবে তাঁরা গড়ে তুলবে এবং তাঁদের শিক্ষা গ্রহণে এবং ভালো ফলাফলের জন্য যেসব মানুষ ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা অবদান রেখেছেন, তাঁদের কথা সব সময় তাঁরা মনে রাখবে বলে অভিমত ব্যাক্ত করে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- অতীতকে ভুলে গেলে ভবিষ্যৎ জীবনে আর কিছুই থাকে না। তাই অতীতকে স্মরণ রেখেই ভবিষ্যতের পথে এগোতে হয়। জন্মদিনে চৌদ্দ দেবতার বাড়িতে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বললেন প্রদ্যুৎ কিশোর দেব বর্মন। চতুর্দশ দেবতার বাড়ির খার্চিপূজা ও মেলা রাজ আমল থেকেই হয়ে আসছে। রাজ আমলে তৎকালীন মহারাজা ত্রিলোচন ও মহারানী হীরাবতী শুরু করেছিলেন চতুর্দশ দেবতার বাড়িতে পূজা ও মেলার। পুরানে কথিত আছে মহাদেবের আশীর্বাদে জন্ম হয়েছিল ত্রিলোচনের। সেজন্য তৎকালীন রাজবাড়ীতে মহারানী হীরাবতী এই পূজার প্রচলন করেছিলেন। সে সময় খারচি পূজাটা ছিল শুধুমাত্র রাজ পরিবারেই সীমাবদ্ধ।পরবর্তীকালে যখন রাজবাড়ী স্থানান্তর হয় তখন বর্তমান চতুর্দশ দেবতার বাড়িতেই পূজা করা হতো। পরবর্তী সময়ে রাজ শাসনের অবসানের পর ত্রিপুরা রাজ্য সরকার প্রতি বছর এই পূজার আয়োজন করে থাকে। খারচি পুজোর এই দিনটিতেই জন্ম হয়েছিল রাজ বংশধর প্রদ্যুৎ কিশোর দেব বর্মনের। সেই জন্য অতীতের স্মৃতিচারণে সোমবার চতুর্দশ দেবতার বাড়িতে প্রথমে মঙ্গলচন্ডী ও পড়ে চতুর্দশ দেবতার পূজার্চনা করেন প্রদ্যুৎ কিশোর দেব বর্মন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রদ্যুৎকিশোর দেববর্মন বলেন, অতীতকে ভুলে গেলে নিরর্থক হয়ে যায় আমাদের ভবিষ্যৎ। তাই অতীতের স্মৃতিচারণায় ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় এই পূজার্চনা।চতুর্দশ দেবতার বাড়িতে এদিন সাংবাদিকরা প্রদ্যুৎ কিশোর দেব বর্মনকে অন্যান্য কয়েকটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মন সাংবাদিকদের সব কয়টি প্রশ্ন এড়িয়ে সাফ জবাব দিয়েছেন, ধর্মীয় স্থানে আমি কোন রাজনীতি করি না। ধর্ম এবং রাজনীতি দুটি বিষয়ে আমার কাছে সম্পূর্ণ আলাদা।
ডঃ বিধায়ক ভট্টাচার্যের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ৯ বছরের গৌরবময় পূর্তিতে স্বাস্থ্য শিবির
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দেশের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজীর দেশের প্রধান সেবক রূপে ৯ বছরের গৌরবময় পূর্তিতে এবং ৮ ই সেপ্টেম্বর বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসকে সামনে রেখে গত ২৫শে জুন রবিবার উত্তর ত্রিপুরা জেলার স্বনামধন্য ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ বিধায়ক ভট্টাচার্য্য এবং THE EARTH KEY FOUNDATION এর যৌথ উদ্যোগে উত্তর জেলার ধর্মনগরে পুরো পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন দীনদয়াল ভবন কমিউনিটি হলে এক বিশাল স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন হয়। উক্ত শিবিরে ডঃ বিধায়ক ভট্টাচার্য সহ রাজ্যের অন্যান্য স্বনামধন্য ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকগণ রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করেন। মোট ৪৬ জন রোগীকে বিনামূল্যে ফিজিওথেরাপির চিকিৎসা প্রদান করা হয়। উক্ত শিবিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ধর্মনগর মহকুমার মহকুমা পুলিশ আধিকারিক শ্রী দেবাশীষ সাহা মহাশয়, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিধায়িকা শ্রীমতি মলিনা দেবনাথ মহাশয়া, সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মনগর পুরপরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শ্রীমতি মঞ্জুনাথ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট গুণীজনেরা। তাছাড়া এদিনের এই স্বাস্থ্য শিবিরে রোগীদের ভিড় ছিল লক্ষ্যনীয়।
