জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগামী ১৪ মে মহেন্দ্র সিং ধোনি তাঁর ক্রিকেট জীবনের শেষ ম্যাচ খেলবেন। চেন্নাই সুপার কিংস সূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই খবর দিয়েছে। সেই খবর অনুসারে, চেন্নাই সুপারি কিংস যদি প্লে অফে উঠতে না পারলে ১৪ মে ধোনির কেরিয়ারে শেষ ম্যাচ হয়ে থাকবে।চেন্নাই সুপারি কিংসের এক পদস্থ কর্তা ইনসাইড স্পোর্টসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাত্কারে বলেছেন, এখনও পর্যন্ত আমাদের কাছে খবর আছে, আসন্ন আইপিএল ধোনির ক্রিকেট জীবনের শেষ ম্য়াচ হতে চলেছে। তবে ধোনি এখনও সরকারিভাবে দলকে কিছু জানায়নি। ধোনি তাঁর ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছেন।এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেটারে একান্তই নিজস্ব। দলের এই বিষয়ে বলার কিছু নেই। আইপিএল চেন্নাইতে দীর্ঘদিন বাদে ফিরে আসায় খুশি চেন্নাইয়ের বাসিন্দারা। তবে ধোনির অবসরের সিদ্ধান্ত রাজ্যবাসী ও ধোনি ভক্তদের হতাশ করেছে।ওই পদস্থকর্তা আরও বলেন, বেন স্টোকসে পাওয়ায় চেন্নাই সুপারকিংসের পাল্লা অনেকটাই ভারী হয়েছে। বেন স্টোকস একজন ম্যাচ উইনার খেলোয়াড় নন। দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতাও তাঁর রয়েছে। ধোনি চেন্নাই সুপার কিংসের দায়িত্ব ছাড়লে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব কার হাতে তুলে দেওয়া হবে,সে ব্যাপারে ধোনি সিদ্ধান্ত নেবেন। চেন্নাই সুপার কিংস শুধু ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে তৈরি করা হয়নি। দলে বেশ কয়েকজন বিদেশি ক্রিকেটার রয়েছেন। ফলে, সকলের সঙ্গে সকলের বোঝাপড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় রয়েছে। ধোনিকে খুব ভালোভাবেই সামলেছেন।
Monthly Archives
February 2023
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেডিকেল টিম ৬০ প্যারা ফিল্ড তুরস্কে সহায়তা দিয়ে দেশে ফিরে আসায় সেনাবাহিনী প্রধান তাদের অভিনন্দন জানান। ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে বলেছেন,’প্রয়োজনের সময়ে সহায়তা করার জন্য আমরা তুর্কি নাগরিকদের কাছ থেকে তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বার্তা পেয়েছি।’ উল্লেখ্য, ভূমিকম্পের জেরে তুরস্কের হাসপাতালে প্রায় ৩,৬০০ রোগীকে চিকিত্সা চলছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। গোটা বিশ্বের মানুষ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করে থাকে এই দিনটি। ব্যতিক্রম নয় ত্রিপুরাও। রাজ্যেও সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার উদযাপন করা হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়েও বিগত দিনের মতো এবার উদযাপিত হয় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এবছরের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মূল ভাবনা হল বহু ভাষায় শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থার রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তা। আর এই ভাবনাকে সামনে রেখেই বাংলাদেশ সহকারি হাইকমিশন কার্যালয়ে বর্ণময় নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় দিনটি। সকালে জাতির পিতার প্রতিকৃতি ও অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ দিয়ে শুরু হয় দিনের কর্মসূচি। এরপর ক্রমান্বয়ে চলে ভাষা শহীদদের স্মরণে নীরবতা পালন, দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা এবং বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সহকারি হাইকমিশন কার্যালয়ের সহকারী হাইকমিশনার আরিফ মহম্মদ , কমিশনের প্রধান সচিব সহ এই রাজ্যের বিশিষ্ট নাগরিকরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সরকারি ভাষা সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি সম্প্রতি সরকারি ভাষা সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি হিন্দিকে একমাত্র সরকারি ভাষা ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিন্দিকে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে ঘোষণা করে। শুধু তাই নয় ইংরেজি ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়া সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করে তা রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এ ধরনের মনোভাবের প্রতিবাদে অল ইন্ডিয়া সেভ এডুকেশন কমিটি এবছর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সারা ভারত প্রতিবাদ দিবস হিসাবে পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। গৃহীত কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে মঙ্গলবার রাজ্য এই দিনটি পালন করে সংগঠনের কর্মীরা। এদিন কমিটি আয়োজিত প্রতিবাদ দিবস কর্মসূচিটি হয় আগরতলা স্টেট মিউজিয়ামের সামনে ক্ষুদিরাম মূর্তির পাদদেশে। সেখানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহীদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে দাবী সম্মিলিত প্লেকার্ড হাতে নিয়ে কর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শনে শামিল হন। এতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্ব হরকিশোর ভৌমিক, অসিত দাস সহ আরো অনেকে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিনিয়ত আত্মহত্যার ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই রাজ্যের কোন না কোন এলাকা থেকে পুলিশ উদ্ধার করছে অস্বাভাবিক মৃতদেহ। এর মধ্যেই মঙ্গলবার সাত সকালে নিজ বাড়ি থেকেই উদ্ধার আরো এক গৃহবধুর রহস্যজনক ঝুলন্ত মৃতদেহ। ঘটনা রাজধানী আগরতলার জয়নগর এলাকায়। মৃত গৃহবধুর নাম শিপ্রা সাহা।বয়স ৩৮ বছর। গৃহবধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। তবে মৃত শিপ্রা সাহা নামে গৃহবধূর ছেলের অভিযোগ, তার মা কোনভাবেই ফাঁসিতে আত্মহত্যা করতে পারে না। তার বাবা সুব্রত সাহা প্রতিনিয়ত নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে তার মাকে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করত। এদিন সকালে গৃহবধূর ছেলে বাড়িতে ছিল না। কিছুক্ষণ পরে বাড়ি ফিরে এসে তার মার ঝুলন্ত মৃতদেহটি দেখতে পায় এবং তার বাবা সুব্রত সাহা পাশের ঘরের একটি টেবিলের মধ্যে বসে রয়েছে। গৃহবধূর ছেলে আরও অভিযোগ করেন তার মা যে জায়গাটিতে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করে সেই জায়গাতে ছিল না কোন চেয়ার। তাতেই সন্দেহ প্রকাশ করে মৃত গৃহবধুর ছেলে। চেয়ার ছাড়া কিভাবে তার মা গলায় দড়ি দিতে পারে। সেনিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে মায়ের মৃত্যুর জন্য বাবাকে দায়ী করে পুলিশের কাছে মামলা দায়ের করার কথাও জানান ছেলে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ধর্মনগর বাসির প্রতি আবেদন জানান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কিরন গিত্তে
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের সর্বত্র নির্বাচনোওর পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত উত্তর জেলার পরিস্থিতি এখনও শান্ত এবং কোন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক বা উস্কানিমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। তাই পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক রাখতে গত দুই মাস থেকে যেভাবে উত্তর জেলার সাধারণ মানুষ শান্তভাবে সম্প্রীতি বজায় রেখে চলছে তা যেন ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরও দৃঢ় অবস্থায় থাকে তা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের একগুচ্ছ আধিকারিক মঙ্গলবার ধর্মনগর পরিদর্শনে আসেন এবং স্থানীয় জেলা শাসক ও সমাহর্তা ও পুলিশ সুপারকে নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব জে কে সিনহা, ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ অমিতাভ রঞ্জন, অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ সৌরভ ত্রিপাঠী, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক কিরণ গিত্যে ,উত্তর জেলার শাসক এবং সমাহর্তা ডঃ নাগেশ কুমার বি, জেলা পুলিশ সুপার ডক্টর কিরণ কুমার। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কিরন গিত্তে একান্ত সাক্ষাৎকারে সাংবাদিকদের জানান যেভাবে উত্তর জেলার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা ভোটের পরবর্তী এবং ফলাফলের পরবর্তী সময় অক্ষুণা থাকবে বলে আশাবাদী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিনি ধর্মনগর বাসির প্রতি আবেদন জানান।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় ইতিমধ্যেই সংঘটিত হয়েছে একাধিক রাজনৈতিক সন্ত্রাসের ঘটনা। যা নিয়ে এখন সাধারন মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত। ফলাফল ঘোষণার আগেই যেভাবে সন্ত্রাস দেখা দিয়েছে, তা যেন অতীতকে হার মানিয়েছে এবার। রাজ্যের মাটিতে ফলাফলের আগে রাজনৈতিক সন্ত্রাস আগে কখনো কেউ প্রত্যক্ষ করেনি। তাই অনেকের মনেই আশঙ্কা যে ফলাফল ঘোষণা হবার পর এই সন্ত্রাস চরম আকার ধারণ করতে পারে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে অনুধাবন করে আগে থেকেই ময়দানে নেমে পড়েছে পুলিশ প্রশাসন। নতুন করে যাতে আর কোথাও কোন সন্ত্রাস সৃষ্টি না হয় এবং ফলাফল ঘোষণার পর পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে তার জন্য মহকুমা স্তরে চলছে পুলিশের জোরদার তৎপরতা। এবার এমনটাই দেখা গেল সদর আগরতলা শহরে। মঙ্গলবার রাজ্যের অন্যতম প্রধান থানা পশ্চিম থানায় সদরের এসডিপিওর পৌরহিত্যে অনুষ্ঠিত হলো এক সর্বদলীয় বৈঠক। বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেয়। ছিলেন সদরের অন্তর্গত বিভিন্ন থানা ও ফাড়ি গুলির দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকরাও। ফলাফল ঘোষণার আগে এবং পরবর্তী সময়ে যাতে সদর এলাকায় কোন ধরনের রাজনৈতিক সন্ত্রাস তৈরি না হয় তা নিয়ে আলোচনা হয় এই বৈঠকে। রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও সন্ত্রাস নিয়ে তাদের অভিমত তুলে ধরে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। সদরের এসডিপিও জানান, ফলাফল ঘোষণার পর কোন ধরনের সন্ত্রাস বরদাস্ত করা হবে না। পুলিশ কঠোর হাতেই সন্ত্রাস মোকাবেলা করে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নির্বাচন শেষ সমস্ত ধরনের রাজনৈতিক উত্তাপ শেষ। দলমত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই নিজ নিজ কর্মদ্যোগে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। আইন নিজের হাতে না নিয়ে প্রশাসনের সাহায্য নেওয়ার আবেদন রেখেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অধিকারী কিরণ গিত্তে। নির্বাচন উত্তর সন্ত্রাস বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সাথে সাথে নিজ নিজ কর্মে যোগদান করার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার রাজ্যের ২৩ টি মহকুমা সদরে মহকুমা শাসক অফিসে সব রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বদের নিয়ে শান্তি বৈঠক করেছেন মহকুমা শাসকগণ। আহ্বান একটাই সন্ত্রাস এই রাজ্যের ঐতিহ্য নয়, সন্ত্রাস বন্ধ করে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের শান্তিতে বসবাস করার আহ্বান রেখেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কিরণ গিত্বে। সারা দেশের কাছে যাতে রাজ্যের সুনাম অক্ষুন্ন থাকে তাতে দলমত নির্বিশেষে সবাই নির্বাচন কমিশনার কেস সার্বিক সহযোগিতা করার আহব্বানও জানিয়েছেন। একই আহ্বান রেখেছেন রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক , বলেন, নির্বাচন শেষ মানেই রাজনৈতিক হিংসার সমাপ্তি। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে প্রত্যেকে মিলে মিশে একই সহাবস্থানে থাকার আহ্বান রাখা হল পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এদিন পশ্চিম জেলার জেলাশাসক দেবপ্রিয় বর্ধন জেলার সমস্ত নাগরিকদের প্রতি আবেদন জানিয়ে বলেন , আইন কেউ হাতে তুলে নেবেন না, আপনাদের সেবায় সর্বদায় নিয়োজিত রয়েছে পুলিশ প্রশাসন সহ রাজ্য প্রশাসন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ফোন করুন প্রশাসনের কাছে।পশ্চিম জেলাশাসক অফিসে আহুত সাংবাদিক বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে আইন কেউ নিজের হাতে তুলে নিলে তাকে কঠোর হস্তে মোকাবেলা করবে প্রশাসন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্ররোচনামূলক বক্তব্য রাখছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।একজন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে প্ররোচনামূলক বক্তব্য শোভা পায় না। বললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার ।নির্বাচনের আগেও সন্ত্রাস নির্বাচনের পরেও সন্ত্রাস। সন্ত্রাসে যুক্ত থাকার অভিযোগ করছে শাসকবিরোধী সবকটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ।বিশেষ করে বিরোধী সিপিআইএম কংগ্রেস জোট এবং তিপড়া মথা দলের দিকেসন্ত্রাসের অভিযোগ উঠছে। কোথাও সিপিআইএম দলের দুষ্কৃতিকারীরা আক্রমণ করছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ওপর, কোথাও আবার কংগ্রেস দলের দুষ্কৃতিকারীরা আক্রমণ করছে আবার কোথাও বিজেপি দলের দুষ্কৃতিকারীরা আক্রমণ করছে বিরোধী দলের কর্মী সমর্থকদের ওপর। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি।হোয়াই এ বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ওপর ব্যাপক আক্রমণ সংঘটিত করিয়াছে সিপিআইএম দলের দুষ্কৃতিকারীরা। এদিকে বিশালগরে সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ সংঘটিত করছে বিজেপি দলের দুষ্কৃতিকারীরা। অভিযোগের সঙ্গে সঙ্গেই এলাকায় ছুটে যান বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার বিশালগড় ও কমলা সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থীরা। কথা বলেন আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। ক্ষোভ ব্যক্ত করেন বিরোধী দলনেতা, বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্ররোচনামূলক বক্তব্য রাখছেন, সেখানে কর্মীরা তো উশৃঙ্খলতা করবেই। নির্বাচনের আগের দিন থেকেই বিশালগড়ের নেহাল চন্দ্র নগর, রঘুনাথপুর, ঘনিয়ামারা, প্রভুরামপুর প্রভৃতি এলাকাগুলিতে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল দুষ্কৃতিকারীরা। এদিন বিরোধী দলনেতাকে কাছে পেয়ে বিস্তৃত বর্ণনা করলেন সেই ভয়ংকর আক্রমণ দৃশ্যের। বিরোধী দলনেতা বলেন শাসক দলের কর্মী সমর্থকরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে আক্রমণ সংঘটিত করছে। তবে এই ধরনের আক্রমণ করে বিরোধীদের কখনোই দমানো যাবে না। বিরোধী দলনেতা এদিন আরও বলেন, সারা ত্রিপুরা রাজ্যে এবারের নির্বাচনে নির্বাচক মন্ডলী বিরোধীদের ডাকে সাড়া দিয়েছে। যার ফলে শাসক দল ভয়ে আক্রমণ সংঘটিত করছে। বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার এদিন বিশালগড় মহকুমার আক্রান্ত সমস্ত পরিবার গুলির লোকজনদের সাথে দেখা করে তাদের খোঁজখবর নেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দুইজন বাংলাদেশীসহ ১৬ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে আগরতলা জিআরপি থানার পুলিশ।থানার ওসি রানা চ্যাটার্জি জানান, ধৃতদের মধ্যে তিনটি শিশু রয়েছে। ভারতীয় একজন টাউটের সাহায্যে তারা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দিয়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। পুলিশ আগাম খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রত্যেককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এদিনই তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করে দিয়েছে পুলিশ।
