জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিশালগড় মহকুমায় রাজনৈতিক সন্ত্রাস বন্ধ করার লক্ষ্যে চড়িলাম ব্লকের দ্বিতল ভবনে প্রশাসনের উদ্যোগে সর্বদলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় শনিবার। সংবাদে প্রকাশ, ১৬ ফেব্রুয়ারি বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর থেকেই বিশালগড় মহকুমা জুড়ে চলছে রাজনৈতিক সন্ত্রাস। প্রত্যেক রাজনৈতিক দল একে অপরের দিকে আঙ্গুল তুলে বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত রাজনৈতিক সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে আর তার থেকে রেহাই পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। সেই সমস্ত কাজগুলি বন্ধ করার সর্বদলীয় বৈঠক আয়োজন করা হয় প্রশাসনের উদ্যোগে ।উপস্থিত ছিলেন বিশালগড় মহকুমা শাসক বিনয় ভুষণ দাস। বিশালগড় মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রাহুল দাস, বিশালগড় থানার ওসি বাদল চন্দ্র সাহা সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা।
Monthly Archives
February 2023
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- অটোতে ফেলে যাওয়া ৫০ হাজার টাকা সমেত ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন অটোচালক। শহরে এখনও ভালো মানুষ রয়েছে বলে মন্তব্য করলেন হারানো টাকার মালিক।কর্নেল চৌমুহনী থেকে নন্দননগর যাওয়ার পথে অটো গাড়িতে ব্যাগ ফেলে নেমে যায় সুপারি বাগান এলাকার রাজিয়া দেববর্মা। অটো থেকে নামার তিন চার মিনিটের মাথায় রাজিয়া টের পেয়ে যায় তার ব্যাগ রয়ে গিয়েছে অটো গাড়িতে। সঙ্গে সঙ্গেই দ্বারস্থ হয় জিবি আউটপোস্টের ওসি প্রিতম চাকমার। ওসি প্রিতম চাকমা অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তৎপর হয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে অটোচালকের সাথে। সঙ্গে সঙ্গেই পেয়ে যায় অটোচালককে। ভালো মানুষ অটোচালক তার সততার নিদর্শন দেখিয়ে ফেরত দিয়ে দেয় নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা সহ ব্যাগটি।নন্দননগরে বাড়ি তৈরির শ্রমিকদের পেমেন্টের জন্য নগদ টাকা গুলি নিয়ে রওনা দিয়েছিল রাজিয়া দেববর্মা। কর্নেল চৌমুহনী থেকে জিবি বাজার এসে অটো পাল্টাতে গিয়ে হারানোর গল্পটি ঘটে। টাকা সমেত ব্যাগটি ফেরত পেয়ে রাজিয়া জানান, এই শহরে আজও রয়েছে অনেক ভালো মানুষ। বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় হাজারো খারাপ মানুষের মধ্যেও যে এখনও রয়েছে ভালোমানুষ তার ওই দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন সাধারণ অটোচালক। পেশায় অটোচালক হলেও সেজে সত্যিকারের বড় মনের মানুষ সেটাই এদিন দেখিয়ে দিল এই সমাজকে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নির্বাচনে আহত সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে রাজধানীর জিবি হাসপাতালে ছুটে যান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শ্রী সরকার জানান নির্বাচনের দিন ধনপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ও শালগরা কাকড়াবন বিধানসভা কেন্দ্রে বেশ কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে। সেখানে আক্রান্ত হয়েছে সিপিআইএম কর্মীরা। তবে আক্রান্ত হলেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে নিজেদের। বর্তমানে আহতরা প্রত্যেকেই সুস্থ আছেন হাসপাতালে।
বিজেপির জয়জয়কার ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সুনামি নিয়ে এসেছে রাজ্যের মানুষ : বিপ্লব
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কর্মসূচিতে শামিল হয়েছে ত্রিপুরার মানুষ। রাজ্যে এবার বিজেপির জয়জয়কার ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সুনামি নিয়ে এসেছে রাজ্যের মানুষ। আগেরবারের চেয়ে আরও বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি। বললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। উন্নয়নের নিরিখে এবারের ভোটে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে রাজ্যের গণদেবতারা। সকাল সাতটা থেকে রাত্রি ১১ টা পর্যন্ত ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। ভোট দিয়েছেন মোদি সরকারকে। এবারের ভোট ত্রিপুরায় সুনামিতে পরিণত করেছে গণদেবতারা। আরও বেশি আসন দিয়ে বিজেপিকে ক্ষমতার মসনদে বসানোর জন্য তৈরি হয়েছে মানুষ। আগামী দোসরা ফেব্রুয়ারি বিজেপি জয়ের হোলি খেলবে। সেখানে সকল অংশের মানুষের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। শুক্রবার বিধানসভা নির্বাচনে বিভিন্ন স্থানে আহত কর্মী সমর্থকদের দেখতে জিবি হাসপাতালে ছুটে গিয়েছেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। বলেন বিরোধী সিপিআইএম কংগ্রেস ও অন্যান্য দলের কর্মী সমর্থকরা হতাশায় পড়ে শাসক দলীয় কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ সংঘটিত করেছে। আমি তাদের আহ্বান জানাবো সন্ত্রাস না করে, ২ রা ফেব্রুয়ারি বিজেপির জয়ের উৎসবে শামিল হওয়ার জন্য। বিপ্লব কুমার দেব বলেন, সাধারণ ভোটাররা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নের নিরিখে স্বতঃস্ফূর্ত সারা দিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এই প্রথম রাজ্যে জনগণ নির্বিঘ্নে নিজেদের মতাধিকার প্রয়োগ করেছেন।এই জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জয় , এই জয় সাধারন মানুষের জয়। শুক্রবার সকাল থেকেই রাজ্যের প্রধান হাসপাতাল জিবি সহ সবকটি জেলা মহকুমা হাসপাতালে ছুটে যাচ্ছেন শাসকবিরোধী দুই দলের নেতৃবৃন্দ। প্রত্যেকের একটাই উদ্দেশ্য দলীয় কর্মী সমর্থকদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়া ও তাদের পাশে থাকার বার্তা প্রদান করা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- গণতন্ত্র ফিরেছে রাজ্যে, যার জন্য ভোট হয়েছে উৎসবের মেজাজে। গণদেবতাদের রায় পড়েছে বিজেপির দিকেই। ভোট শেষ হতেই মাতা ত্রিপুরার সুন্দরী মন্দিরে পুজো দিয়ে রাজ্য বাসীর মঙ্গল কামনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। গত প্রায় এক মাস ধরে চাঁদের হাট বসেছিল ত্রিপুরায়। গণতন্ত্রের সর্ববৃহৎ ভোট উৎসবে এ রাজ্যে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, চিত্র তারকা, বিরোধী দলের ডাবর তাবর নেতারা।জয়ের লক্ষ্যে প্রত্যেকেই ঝরিয়েছেন শরীরের কাল ঘাম। গত প্রায় দুই মাস ধরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা: মানিক সাহা নিজের জয় তথা গোটা দলের জয়ের লক্ষ্যে চষে বেরিয়েছেন রাজ্যের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। নিজ বিধানসভা এলাকায় প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে ডো মেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোট উৎসবের মাধ্যমে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন প্রতিটি রাজনৈতিক নেতৃত্ব। শুক্রবার সকালেই মুখ্যমন্ত্রী সোজা চলে যান মাতা ত্রিপুরার সুন্দরীর মন্দিরে। পুজোপাঠ করলেন রাজ্যবাসীর কল্যাণে।
মুখ্যমন্ত্রীর সাথে এদিন মাতা ত্রিপুরা সুন্দরীর পুজো দেন মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অভিষেক দেব রায়, ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্রা, আর কেপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্যের কৃষি পরিবহন ও পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় প্রমূখ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মজলিসপুর বিধানসভার অন্তর্গত রানিবাজার এলাকায় ১০৩২৩ শিক্ষকের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে শুক্রবার পুলিশ সদর দপ্তর ঘেরাও করেছে ১০৩২৩ চাকুরীচ্যুতরা। পরে একটি ডেপুটেশনে মিলিত হয় পুলিশ মহা নির্দেশকের সাথে। অভিযোগ জানানো হয় দুষ্কৃতীদের নামধাম দিয়ে। পুলিশ মহা নির্দেশক জানিয়েছেন খুব শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে প্রত্যেককে। মহা নির্দেশকের দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে সন্তোষ ব্যক্ত করেছেন চাকুরীচ্যুতরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- খোয়াইয়ে রাজনৈতিক সন্ত্রাসে উত্তপ্ত পরিবেশ।সিঙ্গিছড়ায় বাড়ি বাড়ি বিজেপি কর্মীদের উপর ব্যাপক হামলা চালায় বলে অভিযোগ বাম দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় আহত ১১ জন বিজেপি কর্মীসমর্থক। গুরুতর আহত ৩ জনকে নিয়ে আসা হয়েছে জিবি হাসপাতালে। অভিযোগ বৃহস্পতিবার ভোট শেষ হতেই হতাশাগ্রস্থ হয়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ শুরু করে দিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছে পুলিশ ও টিএসআর বাহিনী। বর্তমানে পরিস্থিত থমথমে বলে জানা যায়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয় গোটা রাজ্যজুড়ে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া। একপ্রকার উৎসবের আমেজে সকাল থেকে ভোট গ্রহণের কাজ। আর এতে সক্রিয়ভাবে সামিল হলেন সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে রাজ্যের হেভি ওয়েট ব্যক্তিরাও। এদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা। ৮ নং টাউন বড়দোয়ালি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবারও তিনি বিজেপি দলের প্রার্থী। নিজের জয় সম্পর্কে অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মহারানী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যের ৬০টি বিধানসভা কেন্দ্রের ৩৩৩৭টি বুথকেন্দ্রে এক যুগে শুরু হয় ইভিএম-এ ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া। সব কয়টি ভোট কেন্দ্রেই একপ্রকার উৎসবের আমেজে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সাতসকালে হাজির হন সাধারন ভোটাররা। এবারের এই নির্বাচনে অন্যতম একটি নজর কাড়া কেন্দ্র হল ৬ আগরতলা। এই কেন্দ্র থেকে টানা বেশ কয়েকবার নির্বাচিত হয়ে আসছেন সুদীপ রায় বর্মন। গেল বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির হয়ে জয়যুক্ত হন। পরবর্তী সময়ে ফের কংগ্রেসে যোগ দিলে, এবারো কংগ্রেসের টিকেটে সেখান থেকে লড়ছেন তিনি। নির্বাচনী এবার তার প্রধান প্রতিপক্ষ হলেন শাসক বিজেপির পাপিয়া দত্ত। এই ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে এবার মোট ভোটার রয়েছেন ৫২ হাজার ৬৫৭ জন। গত উপনির্বাচনে ৩১৬৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন সুদীপবাবু। তবে এবারের ফলাফল কি হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। রাজ্যের অন্যান্য কেন্দ্রের ভোটারদের মতো এই ৬ আগরতলা কেন্দ্রের ভোটাররাও উৎসবের মেজাজে এদিন প্রয়োগ করলেন তাদের ভোটাধিকার। গণদেবতাদের রায় কার দিকে তা স্পষ্ট হবে আগামী দুসরা মার্চ। তবে শুক্রবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় বিদ্যামন্দির স্কুলে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে কংগ্রেস প্রার্থী শ্রী রায় বর্মন অনেকটা আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান, এবারের নির্বাচনী ফলাফলের সর্বকালীন রেকর্ড তৈরি হবে এই কেন্দ্রে। কঠিন নির্বাচন উপনির্বাচনের যখন এত বাধার মধ্যেও উত্তীর্ণ, তখন মানুষের বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস, গণতন্ত্রকে জিয়ে রাখার তাগিদের ভিত্তিতেই রেকর্ড ব্যবধানে জয়ী হবেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাজ্যের ত্রয়োদশতম বিধানসভার নির্বাচন। এদিন সকাল থেকেই প্রতিটি কেন্দ্রে এক যুগে শুরু হয় ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া। নির্বাচন কমিশনের তরফে গোটা রাজ্যে ভোটকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন করায় অনেকটা ভয় মুক্ত পরিবেশেই ভোটাররা সাত সকালে ভোট কেন্দ্রমুখী হয় এদিন। ফলে প্রতিটি বুথ কেন্দ্রেই সকাল সকাল লক্ষ্য করা গেল ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। সাধারণ ভোটারদের সাথে এদিন নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার স্ত্রী পাঞ্চালি ভট্টাচার্যকে সাথে নিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন নিজের সরকারি আবাসন থেকে ঢিল ছড়া দূরত্বে থাকা শিশু বিহার স্কুলে। গণতন্ত্রের সর্ববৃহৎ উৎসবে শামিল হয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে এদিন বিরোধী দলনেতা সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হয়ে অনেকটা অভিযোগের সুরে বলেন, আমি আমার ভোট দিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী কিছু কিছু জায়গায় ভোট প্রহসনে পরিণত করার অভিযোগ উঠেছে।
