জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পাঁচ বছরে ৪১ হাজার ৯৪৯ টি চাকরি বামফ্রন্ট কল্পনাই করতে পারেনি। কমিউনিস্ট সরকার ২০১৩ থেকে ১৭সাল পর্যন্ত চাকরি দিয়েছে মাত্র ১৩ হাজার ৬৫৭ টি। এটাতেই প্রমাণিত কাদের মানসিকতা বড় , বর্তমান সরকারের মানসিকতা বড় বলেই এত চাকরি দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তথ্য সহকারে তুলে ধরলেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। কমিউনিস্ট বা বামফ্রন্ট যেটা ভাবতেও পারিনি , সেটা করে দেখিয়েছে বিজেপি সরকার। নির্বাচনের মুখে যারা শুধু অপপ্রচার করে ক্ষমতার মসনদ দখল করার খোয়াব দেখছে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে কথা বলা উচিত। কমিউনিস্টের ২০১৩ থেকে ১৭ সাল পর্যন্ত সাধারণ মানুষ চাকরি পেয়েছে মাত্র 13 হাজার ৬৫৭ জন। আর বিজেপি সরকার ২০২২ এর ১৬ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরি দিয়েছে ৪১ হাজার ৯৪৯টি। বেকারদের প্রতি সরকারের মানসিকতা আছে বলেই সেটা সম্ভব হয়েছে। বৃহস্পতিবার মহাকরণে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে বীরদর্পে ঘোষণা করলেন রাজ্য সরকারের তথ্য সংস্কৃতি ও খেল দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী এদিন আরো বলেন, ইতিমধ্যেই ২৪ হাজার ৩৩ টি চাকরি বেকাররা পেয়ে গেছে। বাকি চাকুরী যেগুলি পাইপলাইনে রয়েছে , সেগুলি হল ৫ হাজার জে আর বিটি ,৬০০০ স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ,টেটে ৩০০০ ,এবং হোম ডিপার্টমেন্টে এক হাজার পুলিশ নিয়োগ করা হবে। সর্বমোট ৪১ হাজার ৯৪৯ টি চাকরির অনুমোদন দিয়েছে ফিন্যান্স ডিপার্টমেন্ট। যেগুলি রাজ্যের ছেলেরাই পাবে। সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী কংগ্রেস সিপিএম এর মিতালী নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেন। বলেন গত ২৫ বছর যাদের সঙ্গে শত্রুতা ছিল, যারা শত শত কংগ্রেস কর্মীকে খুন করেছে , রক্তাক্ত করেছিল রাজ্যের ইতিহাস , আজ তাদের সঙ্গে মিলেই পেছনের দরজাদিয়ে ক্ষমতায় আসার খোয়াব দেখছে কংগ্রেস। সেটা কখনোই সম্ভব হবে না।
Monthly Archives
December 2022
রাজধানীতে কংগ্রেসের শক্তির মহড়া, ইয়ে তো ট্রেলার হে পিকচার আভি বাকি হে : গোপাল
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ইয়ে তো ট্রেলার হে পিকচার আভি বাকি হে, ডাক্তার মানিক সাহা রিটারমেন্টসে জানা পাড়েগা। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসই ক্ষমতায় আসবে। কংগ্রেসের লোক জমায়েত দেখে এই মন্তব্য করলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গোপাল চন্দ্র রায়। নির্বাচনের আগে রাজধানীতে শক্তির মহড়া দিল কংগ্রেস কংগ্রেস ভবন থেকে সুবিশাল একটি মিছিল বের হয়ে রাজধানী আগরতলা শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে রবীন্দ্র ভবনের সামনে গিয়ে এক সভায় মিলিত হয়। সভায় কংগ্রেসের জনজোয়ার দেখে নেতৃত্ব থেকে শুরু করে কর্মী সমর্থকরা সবাই উৎফলিত হয়ে ওঠে। জনজোয়ারে উচ্ছ্বাসিত প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গোপাল চন্দ্র রায় ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসবে বলে নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য যদিও ২০০৮এবং ২০১৩ বিধানসভা নির্বাচনে এর চেয়েও বেশি জনজোয়ার দেখে কংগ্রেসকে হতাশ হতে হয়েছিল। তখন সিপিএমের বিরুদ্ধে কংগ্রেস লড়েছিল। এবারের নির্বাচনে অবশ্য কংগ্রেস সিপিএম চোরি চোরি চুপকে চুপকে। ফলাফল কি হবে ,সেটা কংগ্রেস নেতৃত্বের ওরা ভাল করেই বুঝেছে। কেননা পার্শ্ববর্তী বাঙালি অধ্যুষিত রাজ্যপশ্চিমবঙ্গে এই দুই দলের কি হাল হয়েছে সেটা প্রত্যেকেরই চোখের সামনে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অজয় কুমার বলেন , ত্রিপুরায় বিজেপির উল্টো গণনা শুরু হয়ে গিয়েছে , বাইক বাহিনীর উল্টো গণনা শুরু হয়েছে , বিজেপি চাইছে আপনার ছেলে ওলা উবের চালাক, কিন্তু কংগ্রেস চাইছে আপনার ছেলে-মেয়ে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হোক। এই হচ্ছে দুটি দলের মধ্যে ফারাক। এবার আপনারাই চিন্তা করুন কাকে ভোট দেবেন। এদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষিয়ান কংগ্রেস নেতা সমীর রঞ্জন বর্মন বলেন, পাঁচ বছর মানুষ তাদের অপশাসন দেখেছে। এখন দলমত নির্বিশেষে এক হয়ে হাত চিহ্নে ভোট দিয়ে কংগ্রেসকে জয়যুক্ত করুন। কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ এদিনের সভা ও মিছিল থেকে সমস্ত কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের একজোট হয়ে নির্বাচনের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। এদিনের সভায় কংগ্রেস দলে পুনরায় যোগদান করেছে সদ্য পদত্যাগ করা বিজেপি বিধায়ক দিবা চন্দ্র রাঙ্খল ।
জনতার কলম ত্রিপুরা বিশালগড় প্রতিনিধি :- নিজের ঔরসজাত পুত্র ও পুত্রবধুর মারে হাত ভেঙ্গে গেল বৃদ্ধা মহিলার। ঘটনা বিবরনে জানা যায় বেশ কয়েকদিন ধরে পুত্র ও পুত্রবধূ মিলে ওই অসুস্থ বৃদ্ধাকে মারধর করে আসছিল। বৃহস্পতিবার সকালে গীতা রানীর কপালে নেমে আসে চরম অত্যাচার ও মারধর। এদিন সামান্য একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে পুত্র সঞ্জয় দাস ও তার স্ত্রী মিলে বেধড়কভাবে মারধর শুরু করে। গুরুতর মারে আহত হয়ে পড়েন জন্মদাতা মা। পরবর্তী সময়ে পার্শ্ববর্তী লোকেরা দেখতে পেয়ে আহত মহিলাকে উদ্ধার করে মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে। জানা যায় জাঙ্গালিয়া রবীন্দ্রনাথ কলোনী এলাকায় বাসিন্দা গীতা রানী দাসের ছেলে জয়ন্ত দাস বিয়ে করার পর বিভিন্ন নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েন। ঘটনায় আক্রান্ত মহিলা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান তার পুত্র ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে বিশালগড় থানায় মামলা করা হয়েছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- টি আর বি টিপরিচালিত টেট পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সারা রাজ্যের আটটি জেলাতে। টেট- পেপার টু পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। মূলত ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত যারা শিক্ষকতা করবে তাদের জন্যই এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজ্যের আটটি জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী রয়েছে পশ্চিম জেলায় ৫ হাজার ৬৪০ জন , সর্বনিম্ন পরীক্ষার্থী রয়েছে ঊনকোটি জেলায় চৌদ্দশ ৬৪ জন , তারপরে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় ৩৫৫২ জন, সিপাহীজলা জেলায় ৩৪৩২ জন, গোমতী জেলায় ২৮৯৪ জন , খোয়াই জেলায় ২৪৪৮ জন , উত্তর ত্রিপুরা জেলায় ২১১২ জন , ধলাই জেলায় ১৯৩২ জন। সকাল সাড়ে ১১ টার মধ্যে সমস্ত পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছিল। ১২টা থেকে শুরু হয়েছিল পরীক্ষা। সবকটি জেলায় শান্তিপূর্ণ ও সুশৃংখল ভাবে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ামক প্রত্যুষ রঞ্জন দেব।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সুমন দেব নামে এক নেশা কারবারিকে আটক করল পূর্ব থানার পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূর্ব থানার ওসি রানা চ্যাটার্জির নেতৃত্বে শহরের টাউন প্রতাপগড় রাম ঠাকুর বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি বাড়িতে হানা দিয়ে উদ্ধার করে ব্রাউন সুগার। আটক করা হয় সুমণ দেব নামে এক যুবককে। উদ্ধার করা বাউন সুগারের পরিমাণ ১৬/১৭ গ্রাম হবে। যার বাজার মূল্য এক লক্ষ টাকার উপরে। বৃহস্পতিবার পূর্ব থানায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ সংবাদ জানান সদরের এস ডি পি ও অজয় কুমার দাস।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাস্তায় কংগ্রেসের মিছিল। আটকে পড়েছিল টেট পরীক্ষার্থীরা। প্রায় ৫ মিনিট লেট হয়ে যাওয়ায় পরীক্ষায় বসতে পারলো না ৫-৬ জন পরীক্ষার্থী। উত্তেজনা কামিনীকুমার বিদ্যালয়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ডাকতে হয়েছে পুলিশকে। জীবনের চূড়ান্ত পরীক্ষায়ও লেট করে ফেলল ৬ মিনিট। ফলে অনেকেই হয়তো আর বসতে পারবে না টেট পরীক্ষায়। শেষ সুযোগটুকু হয়ে গেল হাতছাড়া। একেই বলে সময় এর নিয়মাবর্তিতা। কথায় আছে সময়কে যারা অবহেলা করে, তাদেরকেউ অবহেলা করে সময় , সময় যখন কোন কাজ করা যায় না , তখন আর কোন অজুহাতই টিকেনা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কামিনীকুমার বিদ্যালয় পরীক্ষা দিতে আসা টেট পরীক্ষার্থীদের মধ্যে জনা পাঁচেক পরীক্ষার্থীর ভাগ্যে দেখা গেল সেই বিড়ম্বনা। যদিও তাদের যুক্তি কংগ্রেসের মিছিলের জন্য আটকে পড়েছিল রাস্তায়। কিন্তু সেই অজুহাতে মানতে নারাজ পরীক্ষক। কেননা সেওতো বাধা নিয়মাবর্তিতার কাছে। পরীক্ষা না দিতে পেরে এক পরীক্ষার্থী জানালো তার আক্ষেপের কথা।এদিকে বাবা মেয়েকে নিয়ে এসেছিল পরীক্ষাকেন্দ্রে। তাও এক মিনিট লেট , অজুহাত সবাইয়ের ঘড়ির সময় সমান নয় , কে শুনবে কার কথা , পরীক্ষক যে বাধা সেই নিয়মাবর্তিতার কাছে। তারপরেও বাবার আক্ষেপ একটু সহানুভূতি কি পেতে পারে না মানুষ। একসময় পরীক্ষার্থীদের অনুনয়-বিনয় না শোনার জন্য পরীক্ষক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দেয় তীব্র উত্তেজনা। উপায়ান্তর না দেখে ডাকতে হয়েছিল পুলিশকে। পুলিশ গিয়ে ঘটনা আয়ত্তে নিয়ে আসে। আর পরীক্ষা দেওয়া হলো না দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের। বিফল মনোরথেই ফিরে যেতে হল বাড়িতে। কেউ হয়তো আরেকবার বসতে পারবে পরীক্ষায় , আবার কারো হয়তো বয়স উত্তীর্ণ হয় যাবে। তবে এটাকেই বলে সময় এর নিয়মাবর্তিতা।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- প্রিমিয়ার লিগে বুধবার রাতে লিডস ইউনাইটেডকে ৩-১ গোলে হারায় ম্যানচেস্টার সিটি। দ্বিতীয়ার্ধে ১৩ মিনিটের মধ্যে দুটি গোল করেন হলান্ড।ম্যাচের প্রথম মিনিটেই লিডস গোলরক্ষক মেলিয়ের হালান্ডের একটি শট বাঁচান।প্রথমার্ধের সিংহভাগ সময়টাই ম্যান সিটি দাপট দেখালেও, দাঁতে দাঁত কামড়ে লড়াই চালিয়ে যায় লিডস। তবে একেবারে প্রথমার্ধ শেষের মাথায় রড্রি গোল করে সিটিকে কাঙ্খিত লিড এনে দেন। ১৫ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে আর্সেনাল। সমান ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে সিটি আছে দুইয়ে।এই সময়ে বিশ্বের সেরা তারকাদের একজন হলেও হলান্ডকে বিশ্বকাপে দেখা যায়নি তার দেশ নরওয়ে কোয়ালিফাই করতে না পারায়। বিশ্বকাপ খেলতে না পারার আক্ষেপ তাকে পুড়িয়েছে বটে। তবে তাতে আরও বাড়তি প্রেরণার রসদও পেয়েছেন তিনি।বিশ্বকাপে তাঁর দেশ যোগ্যতা অর্জন করতে না পারায়, তিনি কাতারে খেলতে পারেননি ঠিকই, তবে ইপিএল ফের চালু হতেই গোল করেছেন হালান্ড। প্রসঙ্গত, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ইতিমধ্যেই ম্যাঞ্চেস্টার সিটির জার্সিতে ১৪টি ম্যাচে ২০টি গোল করে ফেলেছেন আর্লিং হালান্ড। যা ইতিমধ্যেই রেকর্ড। তিনি ইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার যিনি মাত্র ১৪ ম্যাচে ২০টি গোল করার রেকর্ড গড়লেন।হাল্যান্ড বলেন, “বিশ্বকাপে অন্যদের গোল করতে দেখে আমি এক প্রকার আমার ব্যাটারি রিচার্জ করেছি। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি আমাকে একদিকে যেমন অনুপ্রাণিত করেছে, তেমনই আমি বিরক্তও হয়েছি। আমি গোল করার জন্য আগের থেকে আরও বেশি ক্ষুধার্ত।”
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :-আইপিএলের মঞ্চে প্রতি মরশুমেই ধারাবাহিক ভাবে প্রদর্শন করেছেন সন্দীপ শর্মা। ঘরোয়া ক্রিকেটেও ভালো প্রদর্শন করে আসছেন। অথচ সদ্য শেষ হওয়া আইপিএল-২০২৩ এ অবিক্রিত থেকে গেলেন তিনি। ক্রিকেট ডটকমকে এক সাক্ষাত্কারে সন্দীপ জানান, তিনি ‘হতবাক এবং হতাশ’।সন্দীপ শর্মা বলেন, “আমি হতবাক ও হতাশ। কেন আমি অবিক্রিত রয়ে গেলাম জানি না। আমি এখন পর্যন্ত যত দলে ছিলাম তার জন্যই ভালো করেছি। আমি ভেবেছিলাম কিছু দল আমার জন্য বিড করবে। সত্যি কথা বলতে, এমনটা আমি আশা করিনি। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভাল পারফর্ম করছি। রঞ্জি ট্রফির শেষ রাউন্ডেও ৭ উইকেট নিয়েছিলাম আমি। মুস্তাক আলিতেও ভালো করেছি।”সন্দীপ শর্মা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ধারাবাহিক ভাবে একজন উইকেট শিকারী। বিশেষ করে পাওয়ার প্লে-তে। উইকেট পার ইনিংস রেসিওতে সন্দীপ আইপিএলের ইতিহাসে সপ্তম স্থানে রয়েছেন। প্রতি ইনিংসে তাঁর উইকেটের গড় ১.০৯। ২০১৩ সাল থেকে আইপিএলে খেলে ১০৪ ম্যাচে মোট ১১৪ উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন সন্দীপ শর্মা। ২০১৪-২০২০ পর্যন্ত প্রতি মরসুমেই ১২টি করে বা তার বেশি উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন। ২০২৩ আইপিএলে সেই সন্দীপই রয়ে গেলেন অবিক্রিত।আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের (কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব) হয়ে অভিষেক ঘটে সন্দীপ শর্মার। এরপর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলেছেন। চলতি বছর পাঞ্জাব কিংস আবার দলে নিয়েছিল সন্দীপকে। কিন্তু কিছুদিন আগে হওয়া নিলামের আগে তাঁকে ছেড়েও দেয়। ৫০ লক্ষ টাকার ভিত্তিমূল্যে নিলামে অংশ নিয়েছিলেন সন্দীপ। কিন্তু দশ ফ্র্যাঞ্চাইজির কোনো দলই তাঁর জন্য আগ্রহ দেখায়নি। তবে কোনো দলের বোলার ইনজুরিতে পড়লে সন্দীপ সুযোগ পেলেও পেতে পারেন। তবে সেই আশা অত্যন্ত ক্ষীণ।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- কেন উইলিয়ামসন করাচিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের একজন খেলোয়াড়ের দ্বারা সবচেয়ে বেশি টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরির জন্য ব্রেন্ডন ম্যাককালামের রেকর্ড ভাঙলেন। এই মাসের শুরুতে টেস্ট অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়া উইলিয়ামসন প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিনে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।৩২ বছর বয়সী উইলিয়ামসনের এখন টেস্টে পাঁচটি ডাবল সেঞ্চুরি রয়েছে যা ম্যাককালামের চেয়ে একটি বেশি।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মোদীর মা হীরাবেন মোদী। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে গত মঙ্গলবার রাতে শতায়ু হীরাবেনকে আমেদাবাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বুধবার হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে- বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।তবে মোদীর মায়ের কী ধরনের সমস্যা হয়েছে সে সম্পর্কে বিশদে কোনও তথ্য জানাননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার গুজরাত সরকার একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে- হীরাবেনের স্বাস্থ্য বর্তমানে ভালো আছে। দ্ৰুত সুস্থ্ হয়ে উঠছেন তিনি খুব শীঘ্ৰই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।bমা হীরাবেনের অসুস্থতার খবর পেয়ে বুধবার বিকেলে গুজরাত পৌঁছন প্ৰধানমন্ত্ৰী। মায়ের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। বৃহস্পতিবার গুজরাত সরকার জানিয়েছে- বুধবার রাতেই প্ৰধানমন্ত্ৰীর মা স্বাভাবিক ভাবে খাবার খেতে শুরু করেছেন। আহমেদাবাদের ইউএন মেহতা ইনস্টিটিউট অফ কার্ডিয়োলজি অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন হীরাবেন।
