জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- গত সেপ্টেম্বরে উজবেকিস্তানে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর শীর্ষ সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, ”এটা যুদ্ধের সময় নয়।” বুধবার রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ বললেন, ”রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ থামাতে ধারাবাহিক ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত।” শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কির সঙ্গে টেলিফোনে মোদীর কথা হয়। রুচিরা জানিয়েছেন, ভারত বার বার যুযুধান দু’পক্ষকে কূটনীতি ও আলোচনার পথে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে এবং শান্তি ফেরাতে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তিনি বলেন, ”সংঘাতের অবসান ঘটাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পক্ষে আমরা ধারাবাহিক ভাবে সওয়াল করেছি।”প্রসঙ্গত, মোদীর সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনার কথা জানিয়ে টুইটারে জ়েলেনস্কি লিখেছিলেন, ”ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। জি২০-র সভাপতিত্বের সাফল্য কামনা করি। এই মঞ্চেই (জি২০) আমি (ইউক্রেনে) শান্তি প্রক্রিয়ার বিষয়ে ঘোষণা করেছিলাম। এবং এখন এর বাস্তবায়নে ভারতের অংশগ্রহণের দিকেই তাকিয়ে রয়েছি। রাষ্ট্রপুঞ্জে (ভারতের) সাহায্য এবং সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানাই।” ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের ওই মন্তব্য প্রসঙ্গে রুচিরার কাছে রাষ্ট্রপুঞ্জের অধিবেশনে জানতে চাওয়া হয়েছিল, যুদ্ধ থামাতে মস্কো এবং কিভের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে নয়াদিল্লি কোনও ভূমিকা নিচ্ছে কি না।
Monthly Archives
December 2022
আমি আমার ভাল বন্ধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মা শ্রীমতী হীরাবেন মোদীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি : মাহিন্দা রাজাপাকসে
written by janatar kalam
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মা হীরাবেন মোদীকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। মাহিন্দা রাজাপাকসে বলেন, “আমি আমার ভাল বন্ধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মা শ্রীমতী হীরাবেন মোদীর সাম্প্রতিক অসুস্থতা থেকে দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।আরোগ্য ও সুস্বাস্থ্যের জন্য আমাদের প্রার্থনা তাঁর সঙ্গে রয়েছে।”
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- নতুন বছরের শুরুর আগেই রেশন নিয়ে সুখবর দিল মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইন (NFSA) এর অধীনে ২০২৩ সালেও বিনামূল্যে খাদ্যশস্য বিতরণের ঘোষণা করেছে। ২০২০ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা (PMGKAY) এর অধীনে বিনামূল্যে রেশন বিতরণ করা হয়েছিল।
করোনার সময় থেকে ৮১.৩ কোটি মানুষ বিনামূল্যে এই পরিষেবা পাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনার অধীনে যাঁদের রেশন কার্ড নেই, তাঁরাও বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন। কিন্তু জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইনের অধীনে এখন শুধুমাত্র দরিদ্র রেশন কার্ডধারীদের বিনামূল্যে গম এবং চাল দেওয়া হবে।
সরকার ২০২০ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা শুরু করেছে। করোনা সংক্রমণ এবং লকডাউন শুরু সময় থেকে এই স্কিমটি শুরু হয়েছিল। গত কয়েক বছর ধরে এই প্রকল্পটি শেষ করার কথা বলা হয়েছিল একাধিকবার। তবে কেন্দ্রের মন্ত্রিসভা আপাতত এটি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এখন এই প্রকল্পটিকে খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় বিনামূল্যে রেশন দিতে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা খরচ হবে সরকারের। এই খরচের পুরোটাই কেন্দ্রীয় সরকার বহন করবে। এতে রাজ্যগুলি থেকে টাকা আদায় করা হবে না।
জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইনের অধীনে, গম, চাল এবং অন্যান্য খাদ্যশস্য প্রতি কেজি ১ থেকে ৩ টাকা দরেপাওয়া যায়। তবে কেন্দ্রীয় সরকার বলেছে ২০২৩ সালে এই নিয়মে বেশ কিছু পরিবর্তন আসবে।
কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইন এবং অন্যান্য কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে এবং প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। ১লা জানুয়ারি থেকে ১৫৯ লক্ষ মেট্রিক টন গম এবং ১০৪ এলএমটি চাল পাওয়া যাবে।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা দীর্ঘদিনের। প্রয়োজন হলে ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো হতে পারে বলেও হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গ্যান্টজ।ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ২ বা ৩ বছরের মধ্যে ইরানে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভোট প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ প্রস্তুতি অনুযায়ী এখন দেশের যেকোনও স্থান থেকে আপনার নির্বাচনী এলাকায় ভোট দেওয়া সম্ভব হবে। অর্থাত্ আপনি যেখানেই থাকুন না কেন ভোট দিতে আপনার বাড়িতে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না, নির্বাচন কমিশনের নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে আপনি যে কোনও জায়গা থেকে ভোট দিতে পারবেন।দূরবর্তী ভোটের জন্য, নির্বাচন কমিশন একটি প্রোটোটাইপ রিমোট ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (আরভিএম) প্রস্তুত করেছে। এই মেশিনটি একটি ভোটকেন্দ্র থেকে 72টি ভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় ভোট প্রদান করতে পারে।নির্বাচন কমিশন এই মেশিন অর্থাত্ প্রোটোটাইপ আরভিএম পরীক্ষার জন্য সমস্ত রাজনৈতিক দলকে ডেকেছে। 16 জানুয়ারী, 2023-এ, নির্বাচন কমিশন 8টি জাতীয় দল এবং 57টি রাজ্য স্তরের দলকে RVM কীভাবে কাজ করবে সে সম্পর্কে বলবে। এ উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের কারিগরি টিম ও বিশেষজ্ঞরাও সেখানে উপস্থিত থাকবেন, যারা এর প্রযুক্তি সম্পর্কে বলবেন।
নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোকে 31 জানুয়ারির মধ্যে এই ভোট পদ্ধতি সম্পর্কে তাদের মতামত জানাতে বলেছে। কমিশন জানিয়েছে, সব রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে আরভিএম থেকে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।এই ভোটিং ব্যবস্থা সবুজ সংকেত পায়, তবে ভোটের উত্তেজনা শেষ হয়ে যাবে অভিবাসীদের জন্য অর্থাত্ বাড়ি থেকে দূরে অন্য শহর বা রাজ্যে বসবাসকারী মানুষদের জন্য। তারা সেখানে না পৌঁছে তাদের বাসস্থানের জন্য নেতা নির্বাচনের কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে। প্রায়শই, লোকেরা পড়াশোনা এবং চাকরির জন্য অন্য শহরে চলে যায় এবং তারপরে নির্বাচনের সময় সেখান থেকে তাদের বাড়িতে পৌঁছানো তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে বিপুল সংখ্যক ভোটার তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
তবে নির্বাচন কমিশনের তৈরি আরভিএম মেশিন দিয়ে যে কেউ প্রত্যন্ত জায়গা থেকে ভোট দিতে পারবেন। এই মেশিনটি একটি দূরবর্তী ভোটকেন্দ্র থেকে 72টি বিভিন্ন বুথে ভোট প্রদান করতে পারে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- উন্নতমানের কৃষি পরিষেবার সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছে বর্তমান রাজ্য সরকার। যার সুফল পৌঁছে যাচ্ছে প্রত্যন্ত এলাকাতেও। এর ফলে, অধিক ফলন এবং আয় বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন ভাবে উপকৃত হচ্ছেন কৃষিকাজের সাথে যুক্ত সকল পরিবার।বললেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা: মানিক সাহা। মঙ্গলবার টাকারজলা বিদ্যালয়ের মাঠে বিশাল সংখ্যক জনজাতি মানুষের উপস্থিতিতে কৃষক জ্ঞানার্জন কেন্দ্র এবং ১০০০ মেট্রিকটন ক্ষমতাসম্পন্ন চালের গুদাম উদ্ধোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ১০মজলিশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের পশ্চিম বড়জলা পঞ্চায়েতের সামনে ভারতীয় জনতা পার্টির মজলিশপুর মন্ডল আয়োজিত জনজাতি সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন রাজ্য সরকারের যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এদিন জনজাতি সম্মেলনের আগে জিরানিয়া ব্লক চৌমুহনী থেকে একটি সুবিশাল ৱ্যালী করে জিরানিয়া কলেজ চৌমুহনী হয়ে পশ্চিম বড়জলা পঞ্চায়েতের সামনে জনজাতি সম্মেলনস্থলে এসে পৌঁছায়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- খুশির জোয়ার বইছে কর্মচারী সমাজে। সর্বোচ্চ ডিএ ঘোষণা করে ঐতিহাসিক রেকর্ড করেছে রাজ্য সরকার। খুশিতে রাজপথে ধন্যবাদ রেলি নিয়ে নেমে পড়েছে শিক্ষক কর্মচারীরা।রাজধানীতে টেট টিচার এসোসিয়েশনএকটি ধন্যবাদ দিলে বের করে বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা এবং উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেব বর্মন ও মন্ত্রিসভার সমস্ত সদস্য সদস্যাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
বর্তমান সরকারের সময়ে ২০% মহার্ঘ্য ভাতা বৃদ্ধি,এক ধাপে ১২ শতাংশ ডিএ, সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন বিপ্লব কুমার দেব
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
বিগত দিনের সমস্ত রেকর্ড ও কর্মচারীদের প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গিয়ে এক ধাপে ১২ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা নেতৃত্ত্বাধীন রাজ্য সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। কর্মচারী স্বার্থে এই বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ফোনে মুখ্যমন্ত্রী ও উপ-মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলেন এবং ধন্যবাদ জানান তিনি। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে সমস্ত নিয়মিত সরকারী কর্মচারী, পেনশনার সহ অন্যান্য কর্মচারীরাও এর সুফল পাবেন। এর ফলে, ২০১৮ থেকে এ যাবদ, কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের সাথে রাজ্যের কর্মচারীদের ডিএ-র ব্যবধান নেমে দাঁড়ালো মাত্র ৯ শতাংশ। করোনা পরিস্থিতিতে ৩ শতাংশ ও দ্বিতীয় ধাপে ৫ শতাংশ সহ বর্তমান সরকারের সময়ে ২০ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা পেলেন রাজ্যের সরকারী কর্মচারী ও পেনশনাররা।
উল্লেখ্য ২০২২-২৩ অর্থবছরের সর্বশেষ বাজেটেই অর্থ মন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মণ সরকারি কর্মচারীদের খাতে এর জন্য পর্যাপ্ত অর্থ সংস্থান রেখেছিলেন। বিপ্লব কুমার দেব উল্লেখ করেন, ভারতীয় জনতা পার্টি মানুষের প্রত্যাশা ও প্রতিশ্রুতি পূরণে দায়বদ্ধ। দেশের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিশা নির্দেশনায় ত্রিপুরা সরকার সামাজিক ভাতা ২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সমস্ত নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ১০০ শতাংশ পূরণ করাই শুধু নয়, এর চাইতেও অতিরিক্ত অনেক কাজ করেছে। এই বর্ধিত মহার্ঘ ভাতার সুফল শুধু মাত্র কর্মচারীরাই নয়, বাজার ও অর্থনীতি চাঙ্গা হলে সাধারণ মানুষও এর ইতিবাচক সুফল পাবেন।
কমিউনিস্টদের ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, করোণা পরিস্থিতিতে হিমশিম অবস্থায় যখন বিভিন্ন রাজ্য সহ কমিউনিস্ট শাসিত কেরালাতেও কর্মচারীদের প্রায় ৫০ শতাংশ বেতন কেটে নেওয়া হচ্ছিল, তখন এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও ত্রিপুরা সরকার রাজ্যের শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন কাটার বদলে ৩ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দিয়ে গোটা দেশে প্রশংসা কুড়িয়েছিলো। কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধির লক্ষ্যে কমিউনিস্টরা এর জন্য একটি প্রশংসা বাক্যও উচ্চারণ করেনি। উপরন্তু নানা কায়দায় মানুষকে বিভ্রান্ত করতে প্রচেষ্টা চালায়। বাজেটে অর্থ সংস্থান না থাকা সত্ত্বেও, সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থ আদায়ে, নানা কায়দায় কর্মচারীদের অসত্য প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভ্রান্ত ও বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল।
ত্রিপুরা সরকারের এই উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপের ফলে কর্মচারীমহলের স্বতঃস্ফূর্ততার পাশাপাশি গোটা রাজ্যে যখন একটা আনন্দ আবহ বিরাজ করছে, তখন আবারো গণতন্ত্র উদ্ধারের ব্যানারে কংগ্রেস ও সিপিআইএম আনুষ্ঠানিক ভাবে এক হয়ে প্রতিবাদের নামে রাজ্যে প্রবাহমান উন্নয়নধারায় প্রতিবন্ধকতা তৈরীর অপপ্রয়াস করছে। দীর্ঘ সময়, ম্যাকি রাজনৈতিক বিরোধীতার নাটক মঞ্চস্ত করে, পর্দার আড়ালের বাম কংগ্রেস মিতালি এখন জন সমক্ষে প্রকাশ্য। এভাবেই, খুবই সস্তায় রাজ্যের মানুষকে আস্থা ও বিশ্বাসকে অপমান করে রেখেছিলো তারা। আর তাই, বিগত দিনে কংগ্রেসের প্রকাশ্য বিরোধ ও ব্যক্তি স্বার্থ লাভালাভে বামেদের বশ্যতা স্বীকার, এই রাজ্যে কমিনিষ্টদের ক্ষমতায় বসিয়ে রেখে বিরোধী দলের কর্মী সমর্থকদের জীবন হানি সহ চির বঞ্চনার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত করে রেখেছিল। সম্প্রতি ঘটনাক্রম থেকে এখন রাজ্যের মানুষের কাছে তা স্পষ্ট। কমিউনিস্ট ও কংগ্রেসের এই ন্যাতিবাচক পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানান শ্রী দেব। পাশাপাশি তাদের শুভ বুদ্ধি উদয় হোক বলেও, আশা ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য প্রথম ধাপে ৩ শতাংশ ও দ্বিতীয় ধাপে ৫ শতাংশ সহ আজ ঘোষিত ১২ শতাংশ মিলিয়ে বর্তমান সরকারের সময়ে ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা পেলেন রাজ্যের সরকারী কর্মচারী ও পেনশনাররা। ১ ডিসেম্বর থেকে তার লাভ পাওয়া যাবে। বর্তমান সরকার কর্মচারীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কতটা আন্তরিক তা এর মাধ্যমে প্রমাণিত। স্বচ্ছ নিয়োগ নীতির পাশাপাশি বর্তমান সরকারের সময়ে ইতিমধ্যেই প্রায় ৫.৫ লক্ষের অধিক কর্মসংস্থান হয়েছে। নিয়মিত পদে বড় মাত্রায় নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন। কিন্তু কমিউনিস্টরা নানা কায়দায় রাজ্যের শিক্ষক কর্মচারীদের বঞ্চিত করে এসেছে। প্রতিশ্রুতি খেলাপ করাই ছিল তাঁদের মজ্জাগত। কিন্তু বর্তমান শাসক দল ও সরকার রাজ্যের মানুষের প্রত্যাশার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও প্রতিশ্রুতি পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ। জনতার কল্যানে বিজেপি দল ও সরকার সর্বদা সচেষ্ট।
উল্লেখ্য, এদিনের রাজ্য সরকারের এই বলিষ্ঠ সিদ্ধান্তের ফলে, ১২ শতাংশ ডিএ/ডিআর এর সুবিধা পাবেন। এর পাশাপাশি পার্ট টাইম ইন্সট্রাক্টর , কমিউনিটি হেলথ গাইড এর মত পদে কর্মরতদের সান্মানিক এক ধাপে প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এছারাও ডিআরডব্লিউ, পার্মানেন্ট লেবারার, মান্থলি রেটেড ওয়ার্কার্স, প্রধান পুরোহিত, গ্রাম্য চৌকিদার সহ ১৭ ক্যাটাগরির কর্মীরাও উপকৃত হয়েছেন। এর ফলে উপকৃত হবেন ১,০৪,৬০০ জন নিয়মিত কর্মচারী ও ৮০,৮০০ পেনশন প্রাপক পরিবার। এতে রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১,৪৪০ কোটি টাকা। নতুন বছরের আগেই কল্পতরু ত্রিপুরা সরকার।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- অবশেষে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ১২ % DA ঘোষণা করলো সরকার। সরকারি কর্মচারীদের DA নিয়ে এতদিন ধরে যে ঢাক গুড় গুড় ছিল তার অবসান হলো মঙ্গলবার। গত ২৫ বছরেও একসঙ্গে এতটা ডি এ কোন সরকার ঘোষণা করতে পারেনি। চওড়া হাসি ফুটেছে নিয়মিত অনিয়মিত কর্মচারীদের মুখে। মঙ্গলবার মহাকরণে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা অর্থমন্ত্রী তথা উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মাকে পাশে বসিয়ে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ১২% ডি এ ঘোষণা করলেন। পাশাপাশি ডি আর ডব্লিউ ,, এম আর ডব্লিউ , পিটি ডব্লিউ , কন্টিজেন্ট এবং এই শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য গড়ে ৫০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান রাজ্য সরকারের নিয়মিত কর্মচারীর সংখ্যা রয়েছে এক লক্ষ ৪ হাজার ৬০০ জন , পেনশনার রয়েছেন ৮০ হাজার ৮০০ জন এবং অনিয়মিত কর্মচারীর সংখ্যা রয়েছে ৮৬০০ জন। সর্বমোট এক লক্ষ ৯৪ হাজার কর্মচারী মঙ্গলবারের ঘোষণায় উপকৃত হবেন। এজন্য সরকারের প্রতি মাসে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১২০ কোটি টাকা। বছরে ব্যয় হবে চৌদ্দশ ৪০কোটি টাকা। সরকারের এই ঐতিহাসিক ঘোষণায় বেকাদায় পড়ে গেল বিরোধীরা। গুছিয়ে কিছু বলার খেই হারিয়ে ফেলেছেন তারা। তারপরও সরকারবিরোধী কথা না বললে তাদের সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রকাশ পেয়ে যাবে এবং কর্মী-সমর্থকদের কাছে মুখ রক্ষা করা যাচ্ছে না ,এই ভাবনা থেকে কংগ্রেস সিপিএম তৃণমূল নেতৃত্ব D A প্রদান নিয়ে এড়ে বক্তব্য রাখছেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারের প্রধান হাতিয়ারটাও হাতছাড়া হয়ে গেল।
