জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-
চিকিৎসকদের যাবতীয় চেষ্টাকে বিফলের দিকে ঠেলে দিয়ে শনিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় রাজ্যের তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলার রাহুল হরিজনের। উত্তর ত্রিপুরা জেলায় ফুটবল মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে রাহুল। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে নিয়ে আসা হয় আগরতলা জিবি হাসপাতালে। সেখানেই চলছিল তার চিকিৎসা। তবে অবস্থা ছিল খুবই সংকটাপন্ন। এর মধ্যেই শনিবার রাতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে রাজ্যের তরুণ এই ফুটবলারটি। জিবিতে চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে তার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহাও। কিন্তু চিকিৎসকদের যাবতীয় চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো গেল না। তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলারের হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবরে স্বাভাবিকভাবেই শোকের ছায়া ফুটবল মহলে। রবিবার বিকেলে তার বাড়িতে ছুটে যান ত্রিপুরা ফুটবল এসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। এসোসিয়েশনের সচিব অমিত চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রয়াত ফুটবলারের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবার পরিজনদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। পরে রাহুলের বাবার হাতে আপাতত এককালীন ১০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেন এসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। এদিন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হয়ে এসোসিয়েশনের সচিব অমিত চৌধুরী জানান, প্রাথমিকভাবে এই সহায়তা প্রদান করা হলেও আগামী দিন কিভাবে গোটা পরিবারটির পাশে দাঁড়ানো যায় তা খতিয়ে দেখবে এসোসিয়েশন।
August 2022
রাজ্যের স্ব-সহায়ক দলের মহিলাদের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রীর ভূয়শী প্রশংসা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জায়া মল্লিকা নাড্ডা
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরার স্ব-সহায়ক দলের মহিলাদের উৎসাহিত করে বাঁশ বেতের ভালো জিনিস তৈরি হচ্ছে। যার বাজার দিল্লী পর্যন্ত ছড়িয়ে গিয়েছে। স্ব সহায়ক দলের মহিলাদের কাজের উচ্চ প্রশংসা করেছেন জেপি নাড্ডার জায়া মল্লিকা নাড্ডা।রাজ্যের স্ব-সহায়ক দলের মহিলাদের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রীর ভূয়শী প্রশংসা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার জায়া মল্লিকা নাড্ডা।রবিবার রাজ্যে এসেই জেপি নাড্ডার জায়া মল্লিকা নাড্ডা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের জায়া নীতি দেবের সঙ্গে পূর্বাশা পরিদর্শনে চলে যান।সেখানে দিয়ে স্ব-সহায়ক দলের মহিলাদের উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী দেখে রীতিমতো আপ্লুত হয়ে পড়েন সর্বভারতীয় সভাপতির জায়া।রাজ্যের হস্ত কারো শিল্পের শাড়ি সহ বাঁশ বেতের অনেক পণ্য সামগ্রী ক্রয় করেছেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী উচ্চ প্রশংসা করেছেন। বলেন অদূর ভবিষ্যতে ত্রিপুরার মান আরও অনেক উঁচুতে পৌঁছে যাবে।প্রশংসা করেন রাজ্যের প্রাক্তন ও বর্তমান দুই মুখ্যমন্ত্রীর |বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার জায়া মল্লিকা নাড্ডা এদিন রাজ্যবাসীকে নবরাত্রির আগাম প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানান।বলেন মাতা ত্রিপুরা সুন্দরীর পুণ্যভূমিতে সবাই যেন থাকে সুখে শান্তিতে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এর জায়া নীতি দেব এদিন মল্লিকা নাড্ডাকে আরও বেশ কিছু স্থান ঘুরে দেখান। রাজ্যে এসে অনেক নতুন নতুন জিনিস দেখতে পেয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতির জায়া।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-
ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতির উপস্থিতিতে আয়োজিত সমাবেশের যাবতীয় প্রস্তুতি চূড়ান্ত। ফ্ল্যাগ ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা দিয়ে নতুনভাবে সেজে উঠেছে এখন খুমুলুঙ। চলছে এখন শুধু শেষ তুলির টান। রবিবার বিকেলে সভাস্থলের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে খুমুলুঙে ছুটে গেলেন মজলিশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্য সরকারের তথ্যসংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রি সুশান্ত চৌধুরী। এদিন তিনি গোটা প্রস্তুতি প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন। কথা বলেন আরোকা প্রশাসনের কর্মী থেকে শুরু করে দায়িত্বপ্রাপ্ত দলীয় কর্মীদের সাথে। পরে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী শ্রী চৌধুরী বলেন, বিজেপি সর্বভারতীয় দল, পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ দল। এই দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জনজাতিদের উদ্দেশ্যে কথা বলতেই খুমুলুঙকে বেছে নেন নাড্ডাজি। তিনি আরো বলেন বিজেপি প্রতিটি মানুষকে সাথে নিয়ে চলতে চায়। মোদীজি ও বলেন সবকা সাথ সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস সবকা প্রয়াস। সেই নীতিতেই দল বিশ্বাস করে। তাই নাড্ডাজির বক্তব্য সবকা সাথ সবকা বিকাশের বক্তব্যই হবে বলে মনে করেন তিনি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-রবিবার রাজ্য অতিথিশালায় ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডার পৌরহিত্যে প্রদেশ অফিস বেয়ারার এবং বিভিন্ন মোর্চার সভাপতিদের সাথে অনুষ্ঠিত হয় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক । উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা, বিজেপি প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যী, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সহ অন্যান্যরা । সূত্রের খবর এই বৈঠকেই 2023 বিধানসভা নির্বাচনের জোট ধর্ম, উপজাতি ভিত্তিক জনগণের সাথে আলোচনা , পাহাড়ের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় প্রাধান্য পেতে পারে।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :-তিন হাজার কেজি বিস্ফোরকের দাপটে মুহূর্তেই মাটিতে মিশে গেল নয়ডার টুইন টাওয়ার | ঘড়ির কাটায় সময় তখন দুপুর আড়াইটে । এদিকে এই বিস্ফোরণের পর গোটা এলাকা ধোয়া ধুলোয় ভরে যায় | উল্লেখ্য আইনকে তোয়াক্কা না করেই নয়ডায় ২০১৩ সালে তৈরি শুরু হয়েছিল টুইন টাওয়ার। স্থানীয় মানুষ বারবার নির্মাণকারী সংস্থাকে বাধা দিলেও সে সময়ে কাউকে পাত্তা দেয়নি। বাধ্য হয়েই স্থানীয় এমারেল্ড কোর্ট সোসাইটির বাসিন্দারা দ্বারস্থ হন আদালতের। ওই টুইন টাওয়ারের একটির উচ্চতা ১০০ মিটার। অন্যটির উচ্চতা ৯৭ মিটার। কুতুব মিনারের থেকেও উঁচু ওই টুইট টাওয়ার ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয় আদালত। কেন ভেঙে ফেলার নির্দেশ ? টাওয়ার দুটি তৈরির সময় নির্মাণের নিয়ম মেনে চলা হয়নি। টাওয়ার দুটি তোলার নিয়ম ছিল কমপক্ষে ১৮ মিটার দূরে। কিন্তু দেখা যায় টাওয়ার দুটির মধ্যেকার দূরত্ব মাত্র ৯ মিটার।আদালতের নির্দেশের পর সেটি ভেঙে ফেলতে বিস্ফোরক ব্য়বহার করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। এর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ৩ হাজার কেজিরও বেশি বিস্ফোরক। হরিয়ানা থেকে ওই বিস্ফোরক এনে তা লাগিয়ে দেওয়া হয় ভবন দুটির বিভিন্ন জায়গায়। আসপাশের বাসিন্দাদের সবাইকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশের বেশ কয়েকটি ভবন ঢেকে দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ধোঁয়াশা বন্দুক, ১০০টিরও বেশি জলের ট্যাঙ্ক, আর কর্মীদের জন্য ৬টি যান্ত্রিক সুইপিং মেশিন আনা হয়েছে। ১৫০ সাফাই কর্মী এই দিন একসঙ্গে কাজে নেমেছে। টুইন টাওয়ার ধ্বংসের কারণে ৫৫ হাজার থেকে ৮০ হাজার টন ধ্বংসাবশেষ তৈরি হবে। যা সরাতে প্রায় তিন মাস সময় লাগবে। এমেরাল্ড কোর্টের প্রায় পাঁচ হাজার বাসিন্দা এবং সেক্টর 93A এর পার্শ্ববর্তী এটিএস ভিলেজ সোসাইটিগুলিকে রবিবার সকাল ৭ টার মধ্যে তাদের জায়গা খালি করতে বলা হয়েছে। ভবনটি ভেঙে পড়তে ৯ সেকেন্ড সময় লেগেছে ।
প্রধানমন্ত্রীর মন কী বাত অনুষ্ঠান শুনেন তথ্যমন্ত্রী সঙ্গে অবহিত হন জনতার সমস্যা সম্পর্কে আশ্বাস সমাধানের
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ১০মজলিশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত উত্তর মজলিশপুর পঞ্চায়েতের কমিউনিটি হল ঘরে , এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ এবং যুবক যুবতীদের সাথে বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী’র মন কী বাত অনুষ্ঠান শুনেছে এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্য সরকারের তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। পাশাপাশি এদিন “মন কী বাত” শুনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে তাঁদের নানা সমস্যা সম্পর্কে অবগত হন এলাকার বিধায়ক।এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে সে গুলোর অতিদ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেছে রাজ্যের তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী।
রামনগরের ফ্ল্যাটে দুঃসাহসিক চুরি প্রশ্ন উঠছে রাতের আগরতলা শহরের নিরাপত্তা নিয়ে
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পাশাপাশি অন্যান্য ফ্ল্যাটগুলোতে লোক ও সিকিউরিটি গার্ড থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের চুরির ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েছে বাসুদেব ভট্টাচার্যের পরিবার। আতঙ্কিত ফ্লাটের অন্যান্য বাসিন্দারাও। সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ছুটে গিয়ে সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখছে |।ঘটনাস্থলে ডগ স্কোয়াড নিয়েও পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে। এদিকে বাড়ির গৃহিণী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আগরতলা শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে
প্রশ্ন করছে রাজধানী শহরের বাসিন্দারাও কি নিরাপত্তা থাকতে পারবে না। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন গৃহিণী।
দুঃসাহসিক এই চুরির ঘটনায় কয়েক লক্ষ টাকার স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান সামগ্রী ও নগদ টাকা খুইয়েছে ফ্ল্যাট মালিক বাসুদেব ভট্টাচার্য। বাড়ির একমাত্র বৃদ্ধার অভিযোগ , ফ্ল্যাটে সিকিউরিটি গার্ড থাকা সত্ত্বেও কি করে তার ছেলের ঘরে এই ধরনের দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটলো। উল্লেখ্যএর আগেও রাজধানীর আড়ালিয়া ও খয়ের পুর এলাকায় দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটে গিয়েছে। বাড়ির লোকজনদের মারাত্মকভাবে জখম করেছিল ডাকাতদল।আশ্চর্যের বিষয় পুলিশের বড়কর্তারাও ডাকাতি হওয়া বাড়িগুলি পরিদর্শন করে এসেছে। বাস্তবে কোনও ঘটনার হিল্লে করতে পারেনি এখনও। এনিয়ে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন রাতের আগরতলা শহরে পুলিশের ভূমিকা কি। যেখানে পুলিশ সদর দপ্তর ও রামনগর ফাড়ি থানা রয়েছে , সেখানে কি করে চুরির ঘটনা ঘটে। এর উত্তর একমাত্র দিতে পারবে পুলিশ প্রশাসন।
জনতার কলম ত্রিপুরা,তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি :- । “BMS” -র দাদাগিরি উঠে আসলো তেলিয়ামুড়া শহর এলাকা থেকে । “BMS” শাখার মধ্যে অটো গাড়ি ভর্তি না করালে অটো নিয়ে যাত্রী পরিবহনে রাস্তায় বেরোতে পারবে না তৎসঙ্গে দেখে নেওয়ার হুমকি । এমনই হার হিম করা আতঙ্ক গ্রস্ত ঘটনা। রবিবার সকাল আনুমানিক ১০ টা নাগাদ তেলিয়ামুড়া থানাধীন করইলং বটতলি প্রোগ্রেসিভ ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় । জানা গেছে ওই অটো চালকের নাম জয়ন্ত সরকার । বাড়ি তেলিয়ামুড়া থানাধীন নয়নপুর এলাকায় । ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, তেলিয়ামুড়া মহকুমার অন্তর্গত নয়ন পুরের স্থানীয় বাসিন্দা জনৈক দরিদ্র যুবক জয়ন্ত সরকার সম্প্রতি একটি অটো ক্রয় করে “BGMC” তে গাড়ি ভর্তি করায় কল্যাণপুর টু তেলিয়ামুড়ার মধ্যে যাত্রী পরিবহনের জন্য । যার নম্বর TR O6 2368 । কিন্তু আজ হঠাৎ “BMS” -র অধীনস্থ জনৈক দীপঙ্কর বর্মনের নেতৃত্বে একদল বাইক বাহিনী করইলং এলাকার মধ্যে জনৈক অটো চালক জয়ন্ত সরকার’কে এসে হুমকি দিতে থাকে “BMS” -র মধ্যে গাড়ি ভর্তি না করালে রাস্তায় অটো নিয়ে বার হতে পারবে না । প্রত্যুত্বরে অটো চালক “BGMC” -র মধ্যে গাড়ি ভর্তির প্রসঙ্গ তুললেও উন্মত্ত BMS বাহিনী সেটা মানতে রাজি নয় । তাঁদের একটাই বক্তব্য – “BMS” -র মধ্যে গাড়ি ভর্তি হলেই সে রাস্তায় অটো নিয়ে বের হতে পারবে, নয়তো নয় । আর এই ঘটনা চাউর হতেই দুই সংগঠন “BGMC” ও “BMS” -র মধ্যে এক উত্তেজনার সৃষ্টি হয় । তবে যদিও সংবাদ লেখা পর্যন্ত শাখা “BGMC” -র মধ্যেই জনৈক দরিদ্র যুবক জয়ন্ত সরকারের অটো গাড়িটি ভর্তিতে বহাল রয়েছে । তবে এই দিকে বর্তমানে এখন সংশ্লিষ্ট “BMS” -র মধ্যে গাড়ি ভর্তি প্রসঙ্গের বাধ্যতা’কে কেন্দ্র করে আদৌও কোন গোপন রহস্য কাজ করছে সেটা নিয়েই এখন গোটা তথ্যবিজ্ঞ মহল জুড়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- প্রতি রাতেই চোর চক্র পুলিশকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে নির্জনতার সুযোগে কাজে লাগিয়ে বাড়িঘর ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে হানা দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে নগদ অর্থ স্বর্ণালংকার সহ বিভিন্ন সামগ্রী। শনিবার রাতে চোরচক্র কার্যত যেন দাপিয়ে বেড়ালো গোটা রামনগর এলাকায়। এদিন মাত্র কয়েক কিলোমিটারের ব্যবধানে সংঘটিত হয় তিন তিনটি চুরির ঘটনা। এমনিতেই সাধারণ মানুষ এখন ডাকাতের আতঙ্কে তঠস্থ। এর মধ্যে আবার বাড়ছে চুরির ঘটনা। এদিন রামনগর চারের শেষ মাথায় মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় বাজারের দুই দুটি দোকানে চোরের দল হানা দিয়ে হাতিয়ে নিল নগদ অর্থসহ বিভিন্ন সামগ্রী। এখানেই শেষ নয়, একই রাতে জয়নগর এলাকায় একটি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা সংঘটিত করে চোর চক্র। সুমন হালদার নামে জনৈক ব্যক্তির বাড়ির জানালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে নগদ অর্থ সহ ঠাকুরের সমস্ত স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেয়। কাক ভোরে বাড়ির মালিক চোরচক্রের তৎপরতা উপলব্ধি করতেই চোরের দল নিরাপদে গা ঢাকা দেয়। সাত সকালে চুরির ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক দেখা দেয় স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে। তবে প্রত্যেকের মনে একটাই প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। অভিযোগ পুলিশ সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে চুরির ঘটনা অনেকটাই লাগাম টানা সম্ভব হতো।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-
দুষ্কৃতিকারীদের হাতে গাড়ির চালক রক্তাক্ত হওয়ার ঘটনায় এবার সোচ্চার হলো কমলপুরের গাড়ি চালকরা। গত শুক্রবার দিন রাতে কমলপুরের কলাছড়ি এলাকার বাসিন্দা গাড়িচালক শ্যামল শুক্ল দাসকে কিছু দুষ্কৃতিকারী হাত পা বেঁধে প্রচন্ড মারধর করে। এতে গুরুতর আহত হলে পরবর্তী সময়ে পুলিশের তৎপরতায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় কমলপুর হাসপাতালে। তার অবস্থা আশঙ্কার জনক হওয়ায় রাতেই তাকে জিবি হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে জিবি হাসপাতালে চলছে তার চিকিৎসা। এই ঘটনায় কমলপুরের পরিবহন শ্রমিকরা অনেকটাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবিতে এবার রাস্তায় নামতে বাধ্য হলেন শ্রমিকরা।অবিলম্বে দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রবিবার সকাল থেকে কমলপুরের বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করলেন তারা। অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। দীর্ঘসময় অবরোধ চলার পর অবশেষে পুলিশ দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে, অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয় পরিবহন শ্রমিকরা।
