জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-দাবি আদায়ের লক্ষ্যে পশ্চিম জেলার জেলাশাসকের দ্বারস্থ হলো পশ্চিম জেলা ও সিপাহী জেলা জেলার উদ্বাস্তু উন্নয়ন কমিটির এক প্রতিনিধি দল। জেলাশাসকের অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত জেলাশাসকের সাথে দেখা করে তাদের দাবি সনদ তুলে দেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। আগামী সাত দিনের মধ্যে দাবি আদায় না হলে রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি বার্তা দিলেন কমিটির রাজ্য নেতৃত্ব। তাদের দাবি উদ্বাস্তুদের উদ্বাস্তু হিসাবে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া, সুষ্ঠু পুনর্বাসন ও এককালীন ৫ লক্ষ টাকা করে অনুদান প্রদানের। মূলত এই তিন দফা দাবি নিয়ে দিনের পর দিন তারা লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে আসছে। তাই আবারো এই তিন দফা দাবি নিয়ে তারা দারস্ত হলেন পশ্চিম জেলার জেলাশাসকের। শুক্রবার পশ্চিম জেলা ও সিপাহী জেলার উদ্বাস্তু উন্নয়ন কমিটির উদ্যোগে জেলাশাসকের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয় প্রতিনিধি মূলক ডেপুটেশন। পশ্চিম জেলাশাসকের অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত জেলাশাসক রাজীব দত্তের কাছে তাদের দাবি সনদের স্মারকলিপি তুলে দেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এদিনের এই ডেপুটেশনে ছিলেন উদ্বাস্ত কমিটির সভাপতি সজল পোদ্দার, চেয়ারম্যান গোপাল লস্কর ও সম্পাদক রাখাল দেবনাথ সহ আরো অন্যান্যরা
Monthly Archives
July 2022
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- শুক্রবার দেখা গেলো হাউ হাউ করে কাঁদতে অর্পিতাকে। কাঁদতে কাঁদতে সংজ্ঞা হারালেন অর্পিতা। এদিন সকালে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে গাড়ি করে পার্থ ও অর্পিতাকে নিয়ে যাওয়া হলো জোকা ইএসআই হাসপাতালে। হুইল চেয়ার দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো পার্থ ও অর্পিতাকে। গাড়ির দরজা খোলার সাথে সাথে কাঁদতে কাঁদতে সিট থেকে পরে যান অর্পিতা। পরবর্তীতে তাকে তুলে হুইল চেয়ারে বসান কেন্দ্রীয় বাহিনীর মহিলা সদস্যরা। ইডি সূত্রে খবর জেরার মুখে ভেঙে পড়েছেন অর্পিতা কিন্তু পার্থ তেমন কিছু জানায়নি। যদিও আজ পার্থ হুইল চেয়ারে বসে সংবাদ মাধ্যম কে জানান ” আমি ষড়যন্ত্রের শিকার “।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-
করোনা যেন রাজ্যে লুকোচুরি খেলায় মেতে উঠেছে। একদিন গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হলে পরের দিন আবার তা অনেকটা নিচে নেমে আসছে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন সচেতন নাগরিক থেকে শুরু করে রাজ্য প্রশাসন। এমনিতেই রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। একই সাথে বেড়ে চলেছে মৃত্যুর সংখ্যাও। যদিও স্বাস্থ্য দপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই স্বস্তিদায়ক। এই সময়ের মধ্যে রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন ২৮৮ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪০৯ জন। মৃত্যুহীন একটি দিন অতিক্রম হওয়ায়, স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা স্বস্তিদায়ক হলেও তার স্থায়িত্ব যে কতটুকু, তা নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সন্ধিহান। তবে আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যেন পশ্চিম জেলাতেই।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-দুই যুবকের উপর দুষ্কৃতিকারীদের আক্রমণের ঘটনার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এবার সড়ক অবরোধে শামিল হলেন গ্রামবাসী। ঘটনা সিধাই থানাধীন উরাবাড়ি এলাকায়। রাস্তা অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় পুলিশ অভিযোগ মূলে গ্রেপ্তার করে এক যুবককে।
অবরোধকারীদের বক্তব্য অভিযুক্ত সাগর দেবনাথ মোহনপুর এলাকার একজন ড্রাগস ব্যাবসায়ী।তার নেতৃত্বে বিভিন্ন অসামাজিক কাজ হয়ে থাকে এলাকায়।সাগর দেবনাথকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি বাকি অভিযুক্তদেরও জালে তুলে প্রয়োজনীয় শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। রাস্তা অবরোধ বেশকিছু সময় চলার পর পুলিশ আক্রমণকারীদের গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে অবশেষে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় আন্দোলনকারীরা।এদিকে এই অবরোধের জেরে দুর্ভোগে পড়েন যান চালক থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিকরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-কোভিডের ভয়াবহতা প্রতিরোধ করতে নাগরিকদের সচেতন করে তুলতে এবার ময়দানে নামলো পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। শুক্রবার এমনটাই দেখা গেল রাজধানী আগরতলা নাগেরজলা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় জনসচেতনতামূলক অভিযান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে। পথ চলতি সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা মাস্ক ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে প্রত্যেককে কোভিড ১৯ ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান জানান। সময়োপযোগী সচেতনতামূলক অভিযান কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডক্টর দেবাশীষ দাস। উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-নবজাগরণের প্রাণপুরুষ পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রয়াণ দিবসটি বিগত দিনের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে উদযাপন করলো বিভিন্ন সংগঠন। আগরতলা উজ্জয়ন্ত প্যালেসের সামনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান বিদ্যাসাগর দ্বিশতবর্ষ উদযাপন কমিটির কর্মকর্তারা। একই সাথে এদিন সকালে রাজধানীর ওরিয়েন্ট চৌমুহনিতেও পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্রের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় চারটি ছাত্র যুব মহিলা সংগঠনের কর্মীরা।শহরের উজ্জয়ন্ত প্যালেসের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দ্বিশতবর্ষ উদযাপন কমিটির সম্পাদক ডক্টর অলক সৎপতিসহ অন্যান্য সদস্যরা। অপরদিকে রাজধানীর ওরিয়েন্ট চৌমুহনীতে এ আই ডি এস ও,এ আই এম এস এস, এ আই ডি ওয়াই ও এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে ছিলেন সংগঠনগুলির কর্মকর্তারা।
জনতার কলম ত্রিপুরা,তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি :-“ঘর ভাঙছে অতুলের
সরকার গড়ছে প্রদ্যুতের”— হল সভার মঞ্চ থেকে আসন্ন ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠিক এমনটাই হুঁশিয়ারি দিলেন মহারাজা প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মনের তিপ্রা মথা’ দলের সক্রিয় নেতৃত্বরা । পাখির চোখ ২৯ কৃষ্ণপুর অতুলের বিধানসভা কেন্দ্র । উল্লেখ্য, আসন্ন নভেম্বরে অনুষ্ঠিত গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচন ও ২০২৩ রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে বঞ্চিত জন-জাতিদের পূর্বতন দাবি গ্রেটার তিপ্রা ল্যান্ডের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপায়নকে সামনে রেখে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জয়ের লক্ষ্যেই গোটা রাজ্যের সাথে বর্তমান BJP-IPFT জোট শাসকের বিধায়ক অতুল দেববর্মার ঘর কৃষ্ণপুরে দাবার গুটি সাজাতে আট ঘাট বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে মহারাজা প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মনের তিপ্রা মথা দলের নেতৃত্বরা । আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল আনুমানিক ৪ টা নাগাদ মুঙ্গিয়াকামী R D ব্লকের অধীন উত্তর গকুল নগরের চাকমাঘাট এলাকার মধ্যে একটি বিস্তৃর্ণ হল ঘরে ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভার মোট ৩-টি বুথ সেন্টার যথাক্রমে, বৈরাগীডেফা, কুঞ্জমুড়া, তুইমধু এলাকার তিপ্রা মথা’র সক্রিয় সমর্থকদের নিয়ে একটি সাধারণ বুথ কমিটি গঠন করা হয় । উক্ত এই বুথ কমিটির হল সভায় উপস্থিত ছিলেন, তিপ্রা মথা তথা ADC প্রশাসনের EM কমল কলই, YTF কেন্দ্রীয় কমিটির General Secretary মহেন্দ্র দেববর্মা, TWF -র ২৯ কৃষ্ণপুরের ব্লক কমিটির সভাপতি তাপসী দেববর্মা, ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের OBSERVER গীতা রানী দেববর্মা, উত্তর গকুল নগরের BC চেয়ারম্যান নান্টু দেববর্মা সহ আরও অন্যান্য নেতৃত্বরা । তৎসঙ্গে আজকের এই বুথ কমিটি গঠনের হল সভায় জন-জাতিদের উপস্থিতি ছিল বেশ লক্ষ্যনীয় যা চোখে পড়ার মতো । পরবর্তীতে বুথ কমিটি গঠন পর্বে জন-জাতিদের সামনে হল সভায় তিপ্রা মথা’র নেতৃত্বরা আলোচনা রাখতে গিয়ে বলেন— “আমাদের তিপ্রা মথার গ্রেটার তিপ্রা ল্যান্ডের লড়াই কোন জাতি-গত লড়াই নয় । আমাদের এই লড়াই নিজেদের পরিচয় ও অধিকার ফিরিয়ে পাওয়ার লড়াই । নিজেদের জমি ফিরিয়ে আনার লড়াই । আমরা রাজ্যের ভূমিপুত্র হওয়া সত্ত্বেও গোটা রাজ্যেই এখন আমরা শুধুই বঞ্চিত । সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে আমরা কেউই সুরক্ষিত নই । আমাদের একটা ঐতিহ্য ও ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও গনতান্ত্রিক রাজ্যে প্রত্যেকদিনই আমরা নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছি ও আক্রমণের শিকার হচ্ছি । তাই আমরা তিপ্রাসারা পূর্বের রাজ আমলের মতো বর্তমানেও শান্তি শৃঙ্খলা পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে মুসলিম, মনিপুরী, ত্রিপুরী, হিন্দু, খ্রীষ্টান ধর্মাবলম্বী সকলকে পাশে নিয়েই তিপ্রা মথা’র এই রাজনৈতিক লড়াই । আমাদের তিপ্রা মথায় বিজেপি দলের মতো কোন ধর্মগত বৈষম্য ও ভেদাভেদ থাকবে না । আমরা সবার সঙ্গে থাকবো । তৎসঙ্গে মঞ্চ থেকে তীব্র কটাক্ষ করেন বিজেপি’র অ-ঘোচালো দেশভক্তি’কে । এছাড়াও দলীয় এক নেতৃত্ব তীব্র কটাক্ষের ভাষায় বলেন, ভারতীয় সংবিধান মোতাবেক যখন থেকে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত হয়েছিল, তখন থেকেই ত্রিপুরায় মধ্যে জন-জাতিদের উপর নেমে এসেছে চরম আঘাত । সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত করে বঞ্চিত করে রেখেছে তৎকালীন সরকার । শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক পরিমন্ডলে ত্রিপুরা বিধানসভায় মোট ৬০ টি সিটের মধ্যে ২০ টি সিট দিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন-জাতিদের অন্তর্ভুক্ত করেছে” । তবে, এখন আসন্ন ২০২৩ রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে তিপ্রা মথা দল যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জনগনের সমর্থনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসছেই, তা শুধুমাত্রই সময়ের অপেক্ষা।
আগরতলায় বিজেপির প্রতিবাদ বিক্ষোভ কর্মসূচি
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি এবং অধির রঞ্জন চৌধুরীর রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে মন্তব্যকে ঘিরে তোলপাড় ত্রিপুরাও। এই মন্তব্যের ধিক্কার জানিয়ে রাজ্যের দিকে দিকে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল শাসক দল বিজেপির নেতা কর্মীরা। উল্লেখ্য সম্প্রতি দেশের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মুকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়াগান্ধী এবং অধির রঞ্জন চৌধুরী। এমনই অভিযোগ শাসক দল বিজেপির। এর প্রতিবাদে গোটা রাজ্যের সাথে প্রতিবাদে মুখর রাজ্যের শাসক দল বিজেপির নেতাকর্মী সমর্থকরা। বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় আগরতলায় দলের প্রদেশ কার্যালয় থেকে এক মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে সোনিয়া গান্ধি এবং অধির রঞ্জন চৌধুরীর কুশ পুত্তলিকা দাহ করেন কর্মী সমর্থকেরা। এদিনের এই প্রতিবাদ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কিশোর বর্মন, পাপিয়া দত্ত সহ আরো অনেক। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন,
জাতীয় কংগ্রেসের বিরোধী দল নেতা অধীর চৌধুরী যে ভাষায় রাষ্ট্রপতিকে অপমান করেছে তা নারী জাতির অপমান, রাষ্ট্রের অপমান। কংগ্রেসে সোনিয়া গান্ধীর মত সর্বোচ্চ নেত্রী থাকতে যে ভাবে অধীর চৌধুরী দ্রৌপদী মুর্মুর প্রতি বিকৃত শব্দ ব্যবহার করে অপমানজনক মন্তব্য করলেন তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। অধীর চৌধুরী মাতৃজাতির অপমান করেছেন। ক্ষমা চাইলেই এই ধরনের অপমানের ক্ষমা হয় না। এটাই কংগ্রেসের স্বভাব এবং চরিত্র। কংগ্রেস দল থেকে অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে অবিলম্বে বহিষ্কার করা উচিত।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-নতুন করে রাজ্যে আরও ৫২ হাজার পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হবে।এই লক্ষ্যে সব দিক থেকে কাজ শেষ হয়েছে।কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থানুকুল্যে যে ভাবে কাজ চলছে আশা করা যায়
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে
প্রধানমন্ত্রীর যে স্বপ্ন হর ঘর জল,
রাজ্যে তা বাস্তবায়িত করতে পারা যাবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মহাকরণে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানালেন রাজ্য সরকারের পানীয় জল সম্পদ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। মন্ত্রী শ্রী চৌধুরী এদিন আরো জানান,রাজ্যের গ্রামীন এলাকায় মোট বাড়ির সংখ্যা ৭,৪১,৯৪৫ টি। এর মধ্যে ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের এখন পর্যন্ত ৩,৯০,৭৩৫ টি বাড়িতে নলের মাধ্যমে জল পৌছে দেওয়ার পক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শতাংশের নিরিখে এই সফলতার হার ৫৩ শতাংশ। আগামী ২০ দিনের মধ্যে আরও ৭ শতাংশ বাড়িতে সংযোগ দেওয়া হবে। তাতে করে সাফল্যের শতকরা হার দাঁড়াবে ৬০ শতাংশে।টি এস ই সি এল ট্রান্সফর্মার বসিয়ে দিলে আরও ৫২ হাজার বাড়িতে এই সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে। তিনি আরো বলেন, কেন্দ্রীয় জল সম্পদ মন্ত্রক থেকে রাজ্যকে আরও ১৬৬ কোটি টাকার অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এই অর্থ পাওয়ার ফলে কাজে আরো গতি এসেছে। রাজ্যে ৮৭১০ টি পাড়ার মধ্যে ১২৩৮ টি পাড়ায় ১০০ শতাংশ পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া গেছে ৬১০ টি পাড়ায়। মাত্র ২১৪ টি পাড়ায় এখনো কাজ শুরু করা যায়নি। অনুরূপ ভাবে রাজ্যের ১১৭৬ টি গ্রামপঞ্চায়েত ও ভিলেজ কমিটির মধ্যে মাত্র ৭ টি গ্রামপঞ্চায়েত ও ভিলেজ কমিটিতে এই কাজ শুরু করা যায়নি। বাকী গুলিতে কাজ চলছে জোর কদমে। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-
প্রতিদিন রাজ্যের বহু মানুষ চিকিৎসা থেকে শুরু করে অন্যান্য জরুরী কাজে ছুটে যান কলকাতা। কিন্তু সেখানে যাবার পর রাজ্যবাসী কম কম পয়সায় একমাত্র থাকার ভরসা স্থল হল ত্রিপুরা ভবন। আর এই ভবনের পরিষেবা নিয়ে প্রতিনিয়তই ওঠে নানা প্রশ্ন। রাজ্যবাসীর জন্য তৈরি এই সরকারি ভবনের পরিষেবা এবার খতিয়ে দেখলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা। বৃহস্পতিবার তিনি কোলকাতার সল্টলেক সিটিতে অবস্থিত ত্রিপুরা ভবন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি ভবনের যাবতীয় পরিষেবা খতিয়ে দেখে সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক ও কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। খাবারদাবার থেকে শুরু করে সকল প্রকারের সুবিধা রাজ্য থেকে আসা নাগরিকরা সঠিকভাবে পাচ্ছে কিনা তার বিস্তৃত খোঁজখবর নেন। বহিররাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে আসা ত্রিপুরাবাসীর অন্যতম অবলম্বন এই ত্রিপুরা ভবনের পরিষেবা নিয়ে রাজ্য সরকার যথেষ্ট সচেতন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। এদিন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সাথে কথা বলে যে সমস্ত সমস্যা রয়েছে সেগুলি দ্রুত সমাধান করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।
