জনতার কলম প্রতিনিধিঃ- রাশিয়ায় সঙ্গে যুদ্ধে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন ইউক্রেনের ৪০ জন সেনা। আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন সেনা। এমনই রিপোর্ট জমা পড়ল ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতির অফিসে।জানা যাচ্ছে, রাজধানী কিয়েভের পার্শ্ববর্তী বরিসপিল এলাকায় বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গিয়েছে। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি রাশিয়ার এই হামলাকে নাজি আক্রমণের সঙ্গে তুলনা করেছেন। রুশ বাহিনী সাতসকালে ‘খলনায়ক’-এর মত হামলা চালায় বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি জেলেনস্কাই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাজি জার্মানি যেভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের উপর হামলা চালিয়েছিল, তার সঙ্গে রুশ হামলার তুলনা করেছেন তিনি। যুদ্ধের ফলে সাধারণ নাগরিকেরও প্রাণহানি ঘটেছে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর। ইউক্রেনের দক্ষিণ ওডেসা অঞ্চলে মিসাইল হামলায় ১৮ জন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ওদিকে রাজধানী কিয়েভের কাছে ব্রোভারি টাউনেও কমপক্ষে ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবর। এই পরিস্থিতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘সাহায্য প্রার্থনা’ করেছে ইউক্রেন। ভারতে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ড. ইগোর পোলিখা বলেন, “ভারতের উচিত তার সম্পূর্ণ বৈদেশিক ভূমিকা পালন করা। আমি জানি না পুতিন কোন কোন রাষ্ট্রনেতার কথা আদৌ শুনবেন, তবে মোদীজির ব্যপারে আমরা আশাবাদী। এই ব্যাপারে মোদীজি যদি জোরালো কোনও বক্তব্য রাখেন, তবে আমরা আশা করছি যে পুতিন সেটা শুনতে পারেন। আমরা তাই ভারত সরকারের কাছ থেকে সদর্থক পদক্ষেপ আশা করছি।”
Monthly Archives
February 2022
জনতার কলম প্রতিনিধিঃ- রাষ্ট্রপুঞ্জের হুঁশিয়ারি অগ্রাহ্য করে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল রাশিয়া। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।রাশিয়ার সেনাবাহিনী ঠিক যে সময়ে ইউক্রেন আক্রমণ করেছে, তখন মস্কো সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান । তিনি এই সফর নিয়ে উত্তেজিত। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দফতরের ট্যুইটার হ্যান্ডলে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে ইমরান খানকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘কোন সময়ে আমি এখানে এসেছি! কী প্রচণ্ড উত্তেজনা!’ তাঁর সঙ্গে থাকা আধিকারিককে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘অবশ্যই। এটাই এখানে আসার উপযুক্ত।আজ ভোরে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সমর্পণ করতে বলে সামরিক অভিযানের ঘোষণা করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন । ইউক্রেন নিয়ে কোনও বিদেশি শক্তি নাক গলালে তার ফল ভুগতে হবে বলে হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। এরপরই ইউক্রেন জুড়ে জারি হয় সামরিক আইন। যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে আগেই ইউক্রেন সীমান্তে আকাশসীমা বন্ধ করে দেয় রাশিয়া। ইউক্রেনও তাদের তিনটি বিমানবন্দর বন্ধ করে দিয়েছে। ইউক্রেনের দূতাবাস খালি করেছে মস্কো। ইউক্রেনের তরফেও তাদের নাগরিকদের রাশিয়া ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দফতরের ট্যুইটার হ্যান্ডলে পোস্ট করা ভিডিওটি অনেকেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। এর আগে রাশিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইমরান খান। নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়া এবং মস্কোর সঙ্গে ইসলামাবাদের বোঝাপড়ার উপর তার প্রভাব পড়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন পাক প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার সকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রাণ হারানো এক সেনাকর্মীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে মস্কোয় দিনের কার্যকলাপ শুরু করেন ইমরান খান। এরপর তিনি আজই রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন। ১৯৯৯ সালে মস্কো সফরে গিয়েছিলেন তৎকালীন পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তার ২৩ বছর পর এই প্রথম পাকিস্তানের কোনও প্রধানমন্ত্রী মস্কো সফরে গেলেন। পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে আর্থিক বোঝাপড়া, গ্যাস পাইপলাইন সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন ইমরান খান। তিনি রাশিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের বোঝাপড়া বাড়াতে মরিয়া।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- সিপিএম- র ২৩ তম রাজ্য সম্মেলনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে হয় সমাবেশ। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে নারী- পুরুষ- যুবক- যুবতী আসেন। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ মিছিল করে সমাবেশে যোগ দেন। তা সত্বেও বিরোধী সমাবেশ সম্পূর্ণভাবে ব্যার্থ বলা চলে, কেননা সমাবেশে যখন দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে শুরু করে রাজ্যের হেভিওয়েট নেতৃত্বরা বক্তব্য রাখছিলেন তখন দলীয় সমর্থকদের ঘুমিয়ে থাকার চিত্র ধরা পড়ে। এদিনের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি, পলিট ব্যুরো সদস্য প্রকাশ কারাত, মানিক সরকার, সিপিএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অঘোর দেববর্মা সহ অন্যান্যরা। সমাবেশে আলোচনা করতে গিয়ে বিজেপি জমানায় মানুষের কাজ- খাদ্য- রোজগার নেই বলে অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার। তাছাড়া এদিন মানিক সরকার ত্রিপুরায় বিজেপি জোট সরকারের সমালোচনা করেন। কাজ খাদ্যের সন্ধানে রাজ্যান্তরিত হচ্ছেন মানুষ। পাশাপাশি এদিনের সমাবেশে সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি অভিযোগ করেন,বিজেপি সরকার ত্রিপুরায় ক্ষমতায় আসার পর ২২ জন সিপিএম কর্মী খুন হয়েছেন। সিপিএম অফিস আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে, নষ্ট করেছে। সিপিএম কর্মীদের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, লালঝাণ্ডাকে কেউ মুছতে পারবে না। শুক্রবার থেকে শুরু হবে সিপিএম- র রাজ্য সম্মেলন। দুইদিন চলবে এই সম্মেলন।
কংগ্রেস নেতৃত্বের ওপর আক্রমণের প্রতিবাদে প্রদেশ কংগ্রেস ভবন প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রদেশ কংগ্রেসের
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বর্তমান রাজ্য সরকারের শাসন নীতি সন্ত্রাস নীতিতে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত রাজ্যজুড়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর উপর অত্যাচার বাড়িয়ে আনছে। গতকাল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব সুদীপ রায় বর্মন ও আশীষ কুমার সাহা গোলাঘাটি যাবার সময় শাসক দলের কতিপয় দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় তাতে করে গাড়ির কাঁচ ভাঙ্গা হয় বলে অভিযোগ তোলেন প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার আগরতলার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয় এ দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে আওয়াজ তোলেন রাজ্যের বর্তমান সরকারের দমন-পীড়ন নীতি এবং বিভিন্ন জায়গায় কংগ্রেস দলের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা হুজ্জুতি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে। রাজ্য সরকার যে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করেন সেই দৃষ্টিভঙ্গী না বদল করা হয় তাহলে আগামী দিনে কংগ্রেস বৃহত্তর আন্দোলনে যাবেন বলে জানান প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব।
জনতার নীরবিচ্ছিন্ন আস্থাই একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জন্য সর্বোচ্চ আত্মসন্মান- বিপ্লব কুমার দেব
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বৃহস্পতিবার সোনামুড়া টাউন হলে আয়োজিত হল ভারতীয় জনতা পার্টির জেলা ভিত্তিক, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন জনতার নীরবিচ্ছিন্ন আস্থাই একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জন্য সর্বোচ্চ আত্মসন্মান l সাংগঠনিক অগ্রজদের কাছ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও জিজ্ঞাসু কৌতূহলি ভাবনা সঞ্চিত অভিজ্ঞতা। সবাইকে সাথে নিয়ে প্রাক পরিকল্পনা স্থির করে, দায়িত্ব বন্টণের পাশাপাশি আত্মত্যাগ ও সেবা ভাবনায় মানুষের সাথে নিবিড় যোগ স্থাপন আবশ্যক l আত্ম উপলব্ধি দ্বারা নিজের সর্বশ্রেষ্ঠ গুনকে পরিচর্যার বিকাশ ও মানবতার প্রতি আস্থাশীলতা নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট l সংযত ও আবেগের পরিপক্কতা দ্বারা বাহ্যিক ও অভ্যন্তরিন বিকাশ আবশ্যক l তাছাড়া এদিন তিনি আরও বলেন ১০৩২৩ এর চাকরি যারা দিয়েছে, যারা খেয়েছে উভয়ে এক গোত্রের । বর্তমান সরকারের সময়ে যাদের চাকরি হয়েছে, কারো চাকরি কেউ কোনদিন খেতে পারবে না। কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না। কিন্তু এখন কেউ উস্কাতে যায় । সঠিক রাস্তা দেখায় না । যদি কেউ সঠিক রাস্তা দেখিয়েছেন, তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ত্রিপুরার শিক্ষার্থীদের উন্নত মানের ক্যারিয়ার প্লেসমেন্ট দেওয়ার লক্ষে রাজ্যে পা রাখল আসাম কাজিরাঙ্গা ইউনিভার্সিটি
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- 2012 সালে প্রতিষ্ঠিত, আসাম কাজিরাঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয় উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে একটি। 2007 সালের আসাম প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাক্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন (এআইসিটিই) দ্বারা অনুমোদিত, বিশ্ববিদ্যালয়টি বাজারের প্রয়োজনের সাথে প্রাসঙ্গিক অত্যাধুনিক শিক্ষা এবং গবেষণা প্রদান করে বিশ্ববিদ্যালয়টি গর্বিত। উত্তর-প্রাচ্যের ক্যারিয়ার ইউনিভার্সিটি হচ্ছে যা তার শিক্ষার্থীদের শিল্প সম্পর্কিত শিক্ষা প্রদান করে। তাছাড়া ছাত্রছাত্রীদের মেধার ভিত্তিতে আসাম কাজিরাঙ্গা ইউনিভার্সিটি মেধাবী ছাত্রদের জন্য মেধা বৃত্তি ঘোষণা করেছে সেইসাথে স্পোর্টস র্যাল বিভাগে উত্তীর্ণ ছাত্রদের জন্য স্পোর্টস স্কলারশিপ প্রদানেরও ঘোষণা দিয়েছেন।তাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সবকটি রাজ্যের সাথে ত্রিপুরার শিক্ষার্থীদেরও বিশ্বমানের শিক্ষা, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট, প্লেসমেন্ট এবং স্কলারশিপ পাওয়ার সমান সুযোগ প্রদান করতে রাজ্যের মাটিতে পা রাখলেন কাজিরাঙ্গা ইউনিভার্সিটি। বলা চলে আজ শুধু আসাম নয়, উত্তরের সমস্ত রাজ্যের শিক্ষার্থীদের জন্য উপলব্ধ। বৃহস্পতিবার আসাম কাজিরাঙ্গা ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে আগরতলার প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে কাজিরাঙ্গা ইউনিভার্সিটির ডিন ববি রায় বলেন ত্রিপুরা রাজ্য থেকে বিগত দুই বছর যাবত ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা কম একমাত্র করোনা পরিস্থিতির কারণে এমনটা হয়েছে, পাশাপাশি তিনি আরো বলেন কাজিরাঙ্গা ইউনিভার্সিটির মধ্যে যে সমস্ত সুবিধা গুলো আছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সব রাজ্য থেকে ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হচ্ছেন বলে জানান তিনি।
আশা কর্মী থেকে শীর্ষ অধিকারিকদের আন্তরিক কর্ম প্রচেষ্টায় রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় সাফল্য এসেছে: মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বিগত দিনে অহং বোধকে প্রাধান্য দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার থেকে রাজ্যের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট দাবি আদায়ে আন্তরিকতার ঘাটতি ছিল l কিন্ত কেন্দ্রীয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও বিভাগের সাথে বিনয়পূর্বক নিয়ত যোগ স্থাপন দ্বারা, অনড় দৃষ্টিভঙ্গিতে রাজ্যের প্রাপ্তি সুনিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য l বক্তা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। বৃহস্পতিবার আগরতলায় মুক্তধারা অডিটরিয়ামে অনিমিয়া ও টিবি মুক্ত ত্রিপুরা করতে পক্ষকালব্যাপী বিশেষ অভিযান এবং ইউনিটেকারেড পালস পোলিও ইমুনাইজেশন কর্মসূচির রাজ্যভিত্তিক সূচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব তাছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকরা। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব নিজ হাতে শিশু দের কে পোলিও খাইয়েছেন। এই দিনে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব উনার বক্তব্য তুলে ধরেন রাজ্যের মূল ব্যক্তি প্রদত্ত উৎসাহিতকরণ পরিষেবা প্রদানকারীদের মনোবলকে চাঙ্গা করে, অসাধ্য সাধনের পথে ধাবিত করে l এরই ফলশ্রুতিতে বর্তমানে জটিল রোগের চিকিৎসা সহ অন্যান্য পরিষেবার সুফল বন্টনে একের পর এক সাফল্যের নজির স্থাপন হচ্ছে বলে উনার বক্তব্যে তুলে ধরেন। পাশাপাশি তিনি আরো বলেন সড়কের পাশাপাশি মনণের গতিপথকেও সরল রেখায় অগ্রসরমনতাই আমাদের সরকারের সংকল্প l প্রধানমন্ত্রীর দিশা নির্দেশনায় উত্তর পূর্বের অষ্ট লক্ষী হাতে হাত ধরে সম্মিলিত ভাবে বিকাশের লক্ষ্যে ধাবমান l স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর অত্যাধুনিকরন সহ আশা কর্মী থেকে শীর্ষ অধিকারিকদের আন্তরিক কর্ম প্রচেষ্টায় রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে বলে জানান তিনি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- আগামী ২৫-শে মার্চ থেকে হাপানিয়াস্থিত আন্তর্জাতিক মেলা প্রাঙ্গনে শুরু হতে যাচ্ছে “৪০তম আগরতলা বইমেলা”। এখন চলছে বইমেলার উল্টো গণনা। এক এক করে দিন গুণতে গুণতে আমরা নিমেষেই পৌঁছে যাবো ২৫-শে মার্চ তারিখে রাজ্যের সর্ব বৃহৎ উৎসব “বইমেলায়”। ৪০তম আগরতলা বইমেলা, যার জন্য অপেক্ষায় থাকেন রাজ্যের আপামর বইপ্রেমী মানুষ। আগরতলা বইমেলা এখন বাস্তব অর্থেই সর্ববৃহৎ উৎসবে পরিণত হয়েছে রাজ্যবাসীর কাছে। ১৯৮১ সালে রাজধানী আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবন প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছিল প্রথম আগরতলা বইমেলা। সময়ের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে আগরতলা বইমেলা অনেকটাই পূর্ণতা পেয়েছে। মাঝে শিশু উদ্যান, উমাকান্ত মাঠ আবার শিশু উদ্যান হয়ে বিগত কয়েক বছর ধরে আগরতলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে হাঁপানিয়া আন্তর্জাতিক মেলা প্রাঙ্গনে। তার জন্য মেলা প্রাঙ্গণে এখন চলছে জোরকদমে প্রস্তুতিমূলক কাজ। বইমেলার প্রস্তুতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে দুপুরে আগরতলা পৌর নিগমের সম্মানিত মেয়র শ্রী দীপক মজুমদার,গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মুখ্য বাস্তুকার স্বপন কুমার দাস, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা শ্রী রতন বিশ্বাস এবং অন্যান্য দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে হাপানিয়াস্থিত আন্তর্জাতিক মেলা প্রাঙ্গনটি পরিদর্শন করেন এবং সেখানে চলমান প্রাক প্রস্তুতিমূলক কাজ পরিদর্শন করে সেখানে উপস্থিত তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশ প্রদান করেন। বইমেলার আয়োজনে কোনো ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতি ও ফাঁক-ফোকর যেনো না থাকে সে দিকটিতে সজাগ দৃষ্টি রেখে প্রস্তুতিমূলক কাজ চালিয়ে যেতে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে অনুরোধ জানান। সারা রাজ্যের প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী, ভাষা, ধর্ম-বর্ণ প্রতিটি অংশের মানুষ মেলার অপেক্ষায় দিন গুনছেন। এখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-ভাষা কোনো কিছুতেই বিভেদ নেই। এই মেলা বা উৎসব কোনো নির্দিষ্ট অংশের নয়। এই বইমেলা আমার-আপনার-সবার। এই মেলা সার্বজনীন। তাই তো ধর্মনগর থেকে সাব্রুম সারা রাজ্যের প্রতিটি এলাকার সকল অংশের মানুষের লক্ষ্য এখন আগরতলা বইমেলা প্রাঙ্গণে উপস্থিত হওয়া। এবারের বইমেলার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ভাষার কবি সাহিত্যিকগণ তৈরী হয়ে আছেন নিজ নিজ ভাষায় নিজের লেখা বইটি নিয়ে মেলায় অংশ নিতে। এবারও বইমেলায় নতুন নতুন বই প্রকাশিত হবে। লেখক, কবি,সাহিত্যিক,গল্পকারগণ তাদের নতুন নতুন সৃষ্টি নিয়ে মেলায় হাজির হবেন। বই কেনার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন পাঠকগণও। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ২৫-শে মার্চ অপেক্ষার অবসান হবে, শেষ হবে উল্টো গণনা। শুরু হবে প্রাণের উৎসব আগরতলা বইমেলা।
জনতার কলম ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ- বুধবার মনিপুর বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা, এর আগে মনিপুরের নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। এরা সকলেই উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিকে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিন্তাধারা ব্যাক্ত করেছেন। আজ তথা বুধবার মনিপুরের নির্বাচনী প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা বলেন উত্তর-পূর্বে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির ঘন ঘন সফর এখানে উন্নয়নের জন্য তার অগ্রাধিকার দেখায়। আজ আমি বলতে গর্বিত যে এন বীরেন সিং জি মণিপুরকে বন্ধ, হিংসা ও দুর্নীতির পথ থেকে অগ্রগতি, শান্তি, উন্নয়ন এবং সংযোগের দিকে নিয়ে যেতে কাজ করেছেন। তাছাড়া কংগ্রেস শাসনামলে মণিপুর সহিংসতা, অনুপ্রবেশ, বন্ধ, মাদক, অস্ত্র চোরাচালান এবং দুর্নীতির জন্য পরিচিত ছিল। আজ শ্রী নরেন্দ্র মোদী জি এবং এন বীরেন সিং জির নেতৃত্বে বিজেপি সরকারের অধীনে মণিপুর উন্নয়ন, সংযোগ, অবকাঠামো, ক্রীড়া এবং স্বাস্থ্য সুবিধার জন্য পরিচিত। আগামী ৫ বছরে মণিপুরের একটি কুকি যুবকের হাতে অস্ত্র থাকবে না।আমরা আসামেও এটা করেছি, আজ কোনো বোডো যুবকের কাছে অস্ত্র নেই কিন্তু ল্যাপটপ, বাইক, গাড়ি এবং শিল্পের চাবি নেই। 9,500 এরও বেশি যুবক অস্ত্র ছেড়ে উত্তর-পূর্বে মূল স্রোতে যোগ দিয়েছে। তাছাড়া এদিন তিনি আরও বলেন আমরা মণিপুরকে দেশের বৃহত্তম ক্রীড়া কেন্দ্রে পরিণত করব মোদীজির লক্ষ্য এখানকার যুবকদের মাদক ও অস্ত্রমুক্ত করা এবং অলিম্পিক গেমসে স্বর্ণপদক জয়ী করা। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে মণিপুরের 16টি জেলায় খেলো ইন্ডিয়া সেন্টার স্থাপন করে আমরা এখানকার প্রতিভাদের একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম দেব।
বিজ্ঞান মনস্ক ভাবনার বিকাশে রাজ্যব্যাপী বিজ্ঞান চর্চার সুযোগ ও অত্যাধুনিক পরিকাঠামো সম্প্রসারিত হয়েছে- মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বুধবার তেলিয়ামুড়া দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের নব নির্মিত দ্বিতল ভবণের শুভ উদ্বোধন হলl এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন অবকাঠামো উন্নয়ন ও নাগরিক পরিষেবা প্রদানে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যসম্পাদনে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধl মিশন ১০০ বিদ্যাজ্যোতি সহ শিক্ষাক্ষেত্রের সর্বাঙ্গীন বিকাশে গুচ্ছ পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছেl বিগত দিনের অপরিকল্পিত রূপরেখার ফলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্লথতা ও সার্বিক বিকাশে আন্তরিকতার ঘাটতি, বর্তমান সরকারের কার্যধারার সাথে তুলনা টানলেই সহজে অনুমেয়l “গরিব কৃষক” এই তকমা দিয়ে মনোবল ক্ষান্ত করা রাজ্যের আত্মমর্যাদা সম্পন্ন অন্নদাতারা বর্তমানে বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ দ্বারা যথার্থ সম্মান ও আত্মনির্ভরতার নিশ্চিত দিশার সন্ধান পেয়েছেনl স্বাস্থ্য, পানীয় জল, উন্নত হাইওয়ে, শহর থেকে প্রান্তিক এলাকা পর্যন্ত সব উন্নয়ন সফল বাস্তবায়িত হচ্ছেl পরনির্ভরশীলতা থেকে বেড়িয়ে লক্ষ্য প্রাপ্তির পথে অনড় মানসিকতা ও দৃঢ়তা, সাফল্যের পথে গতি সঞ্চারিত করেl তাছাড়া এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন বিগত দিনের জনজাতি অধ্যুষিত এলাকার উপেক্ষিত শিক্ষাঙ্গনগুলিতেও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গুচ্ছ উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলশ্রুতিতে করোনা সচেতনতা বা জল বিদ্যুৎ উৎপাদনের মডেল প্রস্তুত করে, প্রান্তিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও বিজ্ঞান ভাবনায় পারদর্শীতার নজির রাখছেন l জাতীয়মানের প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে সাফল্যপূর্বক অংশগ্রহণ সহ গতানুগতিক শিক্ষাদানের পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের বিজ্ঞান মনস্ক ভাবনার বিকাশে রাজ্যব্যপী বিজ্ঞান চর্চার সুযোগ ও অত্যাধুনিক পরিকাঠামো সম্প্রসারিত হয়েছে l এরই ফলশ্রুতিতে উদ্ভাবনী ভাবনায় ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের সৃষ্টিশীলতা বিকাশ পাচ্ছে l আজ খোয়াই জেলা ভিত্তিক বিজ্ঞান মেলায় ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের মনন সৃষ্ট বিষয়গুলি অনুধাবনের সুযোগ এক সুখকর প্রাপ্তি l
