জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- রাজ আইনের শাসন নেই সারা রাজ্য জুড়ে যেভাবে জনগণ আক্রান্ত হচ্ছেন তার সাথে সাথে মন্ত্রিসভার মন্ত্রী ও আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যে এ ধরনের সরকার থাকবে তা আশা করা যায় না। মঙ্গলবার আগরতলার কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পীযূষ কান্তি বিশ্বাস। সাংবাদিক সম্মেলনে পীযূষ কান্তি বিশ্বাস ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস এর বরিষ্ঠ নেতা তাপস দত্ত। সাংবাদিক সম্মেলনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পীযূষ কান্তি বিশ্বাস জানান সারা রাজ্য জুড়ে নেশার রমরমা ব্যবসা চলছে। নেশার রমরমা ব্যবসার কারণে আগামী দিনের যুব সমাজ ধ্বংসের পথে চলে যাচ্ছেন। রাজ্যে রমরমা দেহ ব্যবসা সম্পর্কে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের জানা থাকলেও কিন্তু সেসব বিষয়ে উদ্যোগ নিচ্ছেন না। নেশা বিরোধী অভিযান লোক দেখানো কয়েকটি অভিযান করে রাজ্যবাসীকে দেখাচ্ছে তাই এই রমরমা ব্যবসা অতি দ্রুত সরকার যদি ব্যবস্থা না নেয় তাহলে ত্রিপুরা রাজ্যে অবাধে নেশা ব্যবসায় পরিণত হবে বলে জানান তিনি। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পীযূষ কান্তি বিশ্বাস তিনি আরো জানান বাজে নারী নির্যাতন এবং গত দুদিন আগে শ্রীনগর থানার অন্তর্গত এলাকায় ধর্ষণকাণ্ডে ঘটনা তুলে ধরুন সাংবাদিকদের সামনে।
Monthly Archives
June 2021
আজ থেকে প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে রক্তদান কর্মসূচি পালন করা হবে – প্রতিমা
by prasenjit
written by prasenjit
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- এই মহামারীর পরিস্থিতিতে কেউ যেন রক্তের অভাবে মারা না যায় সেদিকে লক্ষ রেখে আজ ৬ আগরতলা ওবিসি মোর্চার উদ্যোগে আগরতলা জিবি হাসপাতালে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক। এদিন তিনি সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন এর আগেও আমরা প্রত্যেক রবিবার রাজ্যের চারটি হাসপাতালে রক্তদানের কর্মসূচি পালন করেছি। মোদী সরকারের ৭ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবং মোদী ২ সরকারের ২ বছর পূর্তি উপলক্ষে শাসক দলের বিভিন্ন শাখা সংগঠন রক্তদান কর্মসূচি পালন করেছে। বিগতের ন্যায় আজ থেকে প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে ১০ জন করে রক্তদাতা নিয়ে রক্তদান কর্মসূচি পালন করা হবে। তাছাড়া তিনি বলেন রাজ্যের ব্লাড ব্যাঙ্কে যেন রক্তের অভাব না পরে তার জন্য এই পদক্ষেপ এবং কেউ যেন রক্তের অভাবে মারা না যায় , জনগণের কল্যাণের স্বার্থেই এই কর্মসূচির আয়োজন বলে অভিমত ব্যাক্ত করেন তিনি। এদিনের কর্মসূচিতে রক্তদাতাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত করা যায়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- রাজ্যে আইনের শাসন নেই। রাজ্যে গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধার করার দাবি সহ রবিবার রাতে এস এফ আই রাজ্য সম্পাদক সন্দীপন দেবের বাড়িতে আক্রমণের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার সি টি সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বাম ছাত্র যুব সংগঠনের কর্মীরা। এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য কমিটির সভাপতি পলাশ ভৌমিক। তিনি বলেন, রাজ্যে বিজেপি এবং আইপিএফটি জোট সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বিরোধী কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করছে শাসকদলের দুর্বৃত্তরা। সম্প্রতি ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দেব এবং এসএফআই রাজ্য সম্পাদক সন্দীপন দেবের বাড়িতে হামলা করে বিজেপি দুষ্কৃতিকারীরা। এ ধরনের সন্ত্রাস রাজ্যে দীর্ঘ তিন বছর যাবত চলছে। সন্ত্রাস অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে। করোনা কারফিউ সুযোগ নিয়ে রাজ্যে বিজেপি দুস্কৃতিকারীরা হামলা হুজ্জোতি করছে। পুলিশ সম্পূর্ণ নীরব দর্শক। পুলিশকে আইনের শাসন ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে বলে তিনি দাবী জানান। তবে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি এদিন ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন পুলিশ শাসক দলের অঙ্গুলিহেলনে দল দাসে পরিণত হয়ে উঠেছে। পুলিশ চাইলে এর বিরুদ্ধে ভূমিকা নিতে পারতো। কিন্তু পুলিশ কোনো ভূমিকা গ্রহণ করছে না বলে জানান তিনি। সরকার বুঝতে পারছে তাদের পায়ের নিচের মাটি সরে গেছে। তাই তারা আতঙ্কিত হয়ে এ ধরনের সন্ত্রাস করে চলেছে গোটা রাজ্যে বিরোধীদের উপর। তাই আইনের শাসন এবং রাজ্যের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে রাজ্যের সব অংশের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে বলে আহ্বান জানালেন তিনি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- কৃষক স্বার্থবিরোধী তিনটি কৃষি আইন বাতিল করা, কৃষককে শিল্পের মর্যাদায় দিয়ে কৃষিপণ্যের সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করা, কৃষি ব্যবস্থা বেসরকারিকরণের হাতে না তুলে দেওয়াসহ ৮ দফা দাবিতে বাঙালি কর্ষক সমাজ বিক্ষোভ দেখায়। তাছাড়া “বাঙ্গালী কৃষক সমাজ” আগরতলায় বিক্ষোভ কৃষকদের বিক্ষোভের সাথে দিল্লিতে সংহতি দেখিয়েছে এবং ফার্ম বিলগুলি প্রত্যাহারের দাবির পাশাপাশি, বাঙালি কৃষক সমাজ সরকারী কর্মচারীদের মতো পেনশন, কৃষকদের জন্য ফসল বীমা, ব্লকজুড়ে বেশি সংখ্যায় কোল্ড স্টোরেজ রুম, জ্বালানির দাম হ্রাস ইত্যাদির মতো অন্যান্য দাবি উত্থাপন করেছে। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাঙালি কর্ষক সমাজের নেতৃত্ব দোলাল ঘোষ। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের এ ধরনের কৃষক বিরোধী আইন বাতিল করতে হবে নয়তো বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এদিনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করা দলীয় কর্মীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- মহারাজগঞ্জ বাজার এলাকায় রক্তাক্ত এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার। মৃতদেহটি প্রথমে স্থানীয় লোকেদের নজরে পরে। পরে এলাকাবাসী মহারাজগঞ্জ বাজারে খবর দেয় এবং খবর পেয়ে মহারাজগঞ্জ বাজার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ও ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয়। তবে পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয় নিহত ব্যক্তির বিষয়ে কোনও তথ্য সংগ্রহ করতে পারেনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকেরা মৃত্যুর সনাক্তকরণ সম্পর্কিত কোনও তথ্য জানাতে পারেনি। এটি ফরেনসিক দলকে জানানো হয়েছিল এবং পোস্ট মর্টেমের রিপোর্টের পরে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশ মৃত্যুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। জনাকীর্ণ স্থান থেকে রক্তাক্ত একজনের অপ্রাকৃত মৃত্যু পুনরুদ্ধারে স্থানীয় জনগণের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
জনতার কলম, ত্রিপুরা, উদয়পুর প্রতিনিধি :- উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে ছোট্ট রাজ্য হচ্ছে ত্রিপুরা। রাজন্য আমল থেকেই উদয়পুর ত্রিপুরেশ্বরী মায়ের মন্দিরে পুজো অর্চনা হয়ে আসছে। ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির কে ঘিরে রয়েছে একটি কল্যাণ সাগরদিঘী। কিন্তু সেই দিঘির জলে এখন বর্তমানে প্লাস্টিক ক্যারি ব্যাগ এর জঞ্জালে পরিণত হয়েছে। মাতারবাড়ি মন্দির কে ঘিরে ভারত সরকারের পর্যটন দপ্তর একটি বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যেই এ মন্দির কে কিভাবে সাজিয়ে তোলা হবে তার রূপরেখা তৈরি হয়ে গিয়েছে। আজ থেকে বেশ কিছুদিন আগে রাজ্যের পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী মাতারবাড়ি নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ও উদয়পুরের ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরের কল্যাণ সাগর দিঘিতে বর্তমানে প্লাস্টিক আবর্জনা ভর্তি হয়ে আছে। প্রশাসন থেকে কোন ধরনের পরিষ্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করছে না। এর ফলে মাতার বাড়িতে আসা ত্রিপুরেশ্বরী মায়ের দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এখন দেখার বিষয় মাতারবাড়ি দায়িত্বে থাকা জেলাশাসক কি ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
চিফ মিনিস্টার কোভিড স্পেশাল রিলিফ প্যাকেজ স্কিমের উদয়পুরে এর শুভ উদ্বোধন করলেন পরিবহনমন্ত্রী প্রণজিৎ
by prasenjit
written by prasenjit
জনতার কলম, ত্রিপুরা, উদয়পুর প্রতিনিধি :- চিফ মিনিস্টার কোভিড স্পেশাল রিলিফ প্যাকেজ স্কিমের উদয়পুরে শুভ উদ্বোধন করলেন পরিবহন মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় । শনিবার উদয়পুর মহাদেব বাড়ি সংলগ্ন রবীন্দ্র,নজরুল, সুকান্ত মুক্তমঞ্চে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। এ স্কিমের মাধ্যমে রাজ্যের প্রায় সাত লক্ষ গরিব অংশের মানুষকে সহযোগিতা করা হবে। এর মাধ্যমে চাল, ডাল, আলু, পিয়াজ সহ অন্যান্য সামগ্রী রেশনের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। গোমতী জেলার উদয়পুর মহকুমার স্বার্থে এই স্কিমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন । অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পরিবহন মন্ত্রী বলেন প্রায় ২৫ টি অটো রিক্সা গাড়ি দিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন রেশন শপের মাধ্যমে এই খাবার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে । এই ক্ষেত্রে ব্যয় হবে প্রায় ৮০ কোটি টাকা। এদিন অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন পরিবহন মন্ত্রী বলেন বিচিত্র পরিস্থিতির শিকার হয়েছে মানুষ। আর এই মুহূর্তে যারা আলোচনা সমালোচনা করছে তাদের বহর জানে রাজ্যের মানুষ।কারণ তারা প্রাকৃতিক দুর্যোগ পর্যন্ত মোকাবিলা করতে পারেনি। দেশ বা রাজ্যের জন্য তাদের কোন ধরনের ভূমিকা নেই। শুধুমাত্র বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে এখন তারা। যখন দেশে এমন একটা পরিস্থিতিতে চলেছে তখন তারা বিভ্রান্ত ছড়িয়ে মানুষকে দিশাহীন রাস্তা দেখাচ্ছে। এভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না উদয়পুরে। এই ধরনের মানসিকতা সৃষ্টি করা অত্যন্ত লজ্জাজনক বলে নিন্দা জানালেন পরিবহনমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। রাজ্যে অনেক বছর এভাবে বিভ্রান্ত ছড়িয়ে বিনাশ করেছে তারা। কিন্তু এখন বর্তমান সরকারের আমলে মানুষ স্বনির্ভর হতে শুরু করেছে। তারা বিগত দিনে শুধু জনগণকে ক্ষেপিয়ে তোলা ,আর আন্দোলনে নামে নিজেদের ঘর সাজানোই করত। তারা কোনদিন রাজ্যের প্রশংসা করেনি। এখন মানুষ তাদের থেকে দূরে সরে গেছে। তাই এখন তাদের বিভ্রান্ত ছাড়া আর কোন বিকল্প পথ নেই বলে জানান তিনি। সরকারের কাছে যা আছে, তা জনগণের কাছে যাবে। আগের মতো কোনো পার্টি অফিসে যাবে না। আপনাদের সরকার আপনাদের কাছে আছে। মন্ত্রী বলেন উদয়পুর মহকুমার 126 টি ন্যায্য মূল্যের দোকান এর খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হবে। যদি কোন কারণে ভুলবশত কোন মানুষ না পেয়ে থাকে তাহলে তারা পরবর্তী সময় পেয়ে যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। কিন্তু এর মাঝে যারা গোটা রাজ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন রাজ্যের মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। এদিন অনুষ্ঠানে এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিপ্লব কুমার ঘোষ, বিশিষ্ট সমাজসেবী অভিষেক দেব রায়, শীতল চন্দ্র মজুমদার, জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসক সহ অন্যান্যরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা কলসি প্রতিনিধি :-এডিসি নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করছে তিপ্রা মথা দলের সদস্যরা। এরইমধ্যে শনিবার এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে কলসী এডিসি ভিলেজে তিপ্রা মথার দলীয় কার্যালয় উদ্ভোধন করা হয়। তার পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় যোগদানসভা। এই যোগদান সভায় ৩৫ পরিবারের লোকজনেরা বিভিন্ন পার্টি থেকে তিপ্রা মথা দলে যোগদানকরেন। এরমধ্যে ৪ জন রয়েছে বিজেপির মনিটারিং কমিটির সদস্য। দলত্যাগীদের হাতে দলীয় পতাকা দিয়ে বরনকরেনেন ২০২১ সালের ২৬ নং কেন্দ্রের তিপ্রা মথা দলের প্রার্থী হরেন্দ্র রিয়াং। আজকের এই যোগদানসভা শেষে তিপ্রা মথা দলের উদ্দ্যোগে এক সাংবাদিক সন্মেলনের আয়োজন করা হয়। সবকিছু মিলিয়ে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কাজের তিব্র সমালোচনা করে ও আগামীদিনে এডিসি এলাকা উন্নয়নে তিপ্রামথা দলের বিভিন্ন কর্মসূচী নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরাহয়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মহামারীর পরিস্থিতিতে পেট্রোপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ছোট বড় যানচালকরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। দিন দিন পেট্রোল ডিজেলের দাম বৃদ্ধির ফলে যানভাড়া নিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নিত্য দিনের যাত্রীদেরও । শনিবার এক্সট্রা প্রিমিয়াম পেট্রোলের দাম পৌছালো ১০০ তে , তাই এদিন দুর্গা বাড়ি পেট্রোল পাম্পের এক গ্রাহক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন যে তিনি তার বাইকটি বিক্রি করতে পারেন কারণ কাজের জন্য যাওয়ার জন্য তার বাইক চালাতে গিয়ে যে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন সে কারণে এটি বেশ উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ প্রথমবারের মতো আগরতলায় পেট্রোলের দাম সেঞ্চুরিতে পৌঁছে ভারী জনগণের ক্ষোভ ছড়িয়ে দিয়েছে। বর্ধিত ব্যক্তিরা এই ধরনের বর্ধনের কারণে চরম হতাশা প্রকাশ করেছিলেন। ডিজেলের দামও খুব বেশি পিছিয়ে নেই কারণ এটি প্রতি লিটারে Rs 90.69 আজ। তদুপরি, দামের দাম কমে যেতে পারে বা প্রতিদিনের জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে দাম বৃদ্ধি কোথায় থামবে সে সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই। জ্বালানির উপরে প্রচুর করের কারণে আন্তর্জাতিক দামের মধ্যে দাম বাড়ছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নেশা মুক্ত ত্রিপুরা করার যে ডাক দিয়েছেন, সে ডাকে সাড়া দিয়ে আরক্ষা দপ্তরের পুলিশ প্রশাসন সরকার আসার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে নেশা বিরোধী অভিযান জারি রেখেছেন আর তাতে সাফল্য পেয়েছেন, কিন্তু আগরতলার লাগোয়া লঙ্কামুরা এলাকায় রমরমা নেশা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ নেশা ব্যবসায়ীরা তারই পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার লঙ্কামুড়া এলাকার নারী-পুরুষ পশ্চিম থানায় নামধাম দিয়ে ডেপুটেশন প্রদান করেন নেশা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। লংকামুড়া এলাকার বিগত অনেক বছর ধরে নেশা ব্যবসায়ীদের কারণে ওই এলাকার যুব সমাজ ধ্বংসের মুখে এসে পৌঁছেছে। ওই এলাকার জনগণ এই ব্যাপারে অনেকবার থানার দ্বারস্থ হওয়ার পর ও নাসা ব্যবসায়ীদের পুলিশ কোনো রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি এমনকি এলাকার বিধায়ক ডক্টর দিলীপ দার এলাকার জনগণের সাথে কোনরকম যোগাযোগ নেই বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। লংকা মুড়া এলাকাবাসীরা অবৈধ নেশা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কথা বললে পরেই তাদেরকে মিথ্যা অভিযোগে ফাসানো হবে বলে জানান এলাকাবাসী। লঙ্কামুরা এলাকাবাসীরা বিগত অনেকবার ওইসব নেশা ব্যবসায়ীদের ধরিয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু তার পরের দিনই আবার পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয় পুলিশ সেই জায়গায় নীরবতা পালন করছে বলে জানান এলাকাবাসী তাই তারা না পেরে শেষ পর্যন্ত পশ্চিম মহিলা থানায় নাম দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে করে মামলা করে ডেপুটেশন প্রদান করেনপুলিশ যাতে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তার আবেদন রাখেন লঙ্কামুড়া বাসি।
