জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- জানা যায় গত কিছুদিন পূর্বে গিরিরাজ ফার্নিচারের একটি ডোর ক্যামেরা হাতিয়ে নিয়েছিল দোকানের এক কর্মচারী। তারপর দোকানে কর্মরত অন্য কর্মচারীদের এবং ম্যানেজারের সন্দেহে সঞ্জয় নামক একজনকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং তার কথার পরিপেক্ষিতে অন্য একজনের কাছ থেকে সেই ডোর ক্যামেরা উদ্ধার করেন তারপর এই ঘটনার অভিযোগ পেয়ে রামনগর থানার পুলিশ অভিযুক্ত সঞ্জয় এবং তার বন্ধু-বান্ধবসহ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসেন, তাছাড়া ফার্নিচার দোকান এর পক্ষ থেকে এখন অব্দি লিখিত অভিযোগ করা হয়নি বলে জানান রামনগর থানার পুলিশ আধিকারিক। চোরের উপদ্রব রাজধানীতে নতুন কিছু নয় তারপরও রাজ্য প্রশাসনের কোন ধরনের হেলদোল নেই, এই উপদ্রব দমাতে কী পদক্ষেপ নেবে রাজ্য প্রশাসন সেটাই এখন দেখার বিষয়।
Monthly Archives
December 2020
বেকার যুবক যুবতীদের স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে ট্রেড লাইসেন্স ও বিনামূল্যে লাইফ ইন্সুরেন্স প্রদান করা হয়েছে
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বেকার যুবক যুবতীদের আত্মনির্ভর করা এবং ব্যবসা ক্ষেত্রে কোনো দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার পরেও এরা যেন ক্ষতিপূরণ পেয়ে যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে সদর মহকুমা শাসক এবং পুরো নিগমের উদ্যোগে ট্রেড লাইসেন্স ও বিনামূল্যে 5 লক্ষ টাকা অবধি লাইফ ইন্সুরেন্স প্রদান করা হয়েছে রাজধানীর মট চৌমুহনী বাজার এলাকায়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর মহকুমা শাসক অসীম সাহা, খাদি বোর্ডের চেয়ারম্যান রাজিব ভট্টাচার্য, এবং টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সন্তোষ সাহা সহ দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা। এদিনের অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে খাদি বোর্ডের চেয়ারম্যান রাজিব ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের জানান ব্যাপক অংশের মানুষ যেন আত্মনির্ভর হতে পারে তার জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রদান এবং ব্যবসায় কোন ধরনের ক্ষতি হলে সে ক্ষতিপূরণ যেন এরা পেয়ে যায় তার জন্য বিনামূল্যে লাইফ ইন্সুরেন্স প্রদান করা হচ্ছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। রাজ্য সরকারের বেকার যুবক যুবতীদের উদ্দেশ্যে এ ধরনের উদ্যোগে খুশির জোয়ার বইছে বেকার মহলে। এদিনের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ পরিলক্ষিত করা গেছে এবং উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ আগামী 20 শে ডিসেম্বর রাজধানী আগরতলা রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে সংঘটিত হবে ফোরাম ফর ডেভলপমেন্ট এন্ড প্রোটেকশন অফ মিডিয়া কমিউনিটির প্রথম রাজ্য সম্মেলন। আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী, এবং পুরো নিগমের মেয়র সহ অন্যান্যরা। শুক্রবার আগরতলার প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ফোরাম ফর ডেভলপমেন্ট এন্ড প্রটেকশন অফ মিডিয়া কমিউনিটির আহবায়ক সেবক ভট্টাচার্য আগরতলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রণব সরকার আগরতলা প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক রমাকান্ত দেসহ অন্যান্য সদস্যরা। এ রাজ্য সম্মেলন উপলক্ষে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবন চত্বর কে অবহিত করা হচ্ছে সুদীপ সান্তনু ভবন হিসাবে এবং সম্মেলন মঞ্চে নামকরণ করা হয়েছে ভুপেন দত্ত ভৌমিক মঞ্চ। সম্প্রতিকালে আগরতলা প্রেসক্লাবের কার্যকরী কমিটির নির্বাচনের পূর্বে একটি বৃহত্তর অংশ বঞ্চিত অবহেলিত সাংবাদিকরা একনায়কতন্ত্র ও স্বেচ্ছাচারিতা সংকীর্ণ ব্যক্তিস্বার্থ এবং রাজনৈতিক ক্রিয়া নায়কের ভূমিকায় বিপরীতে ফোরাম ফর ডেভেলপমেন্ট এন্ড প্রোটেকশন অফ মিডিয়া কমিউনিটি নামে একটি সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের সংগঠনের জন্ম দেয় উক্ত নির্বাচনের সাংবাদিকদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের জনাদেশ পেয়ে এই ফোরাম বিজি হবার পর রাজ্যের সাংবাদিকদের চাহিদা অনুযায়ী সংগঠনটি স্থায়ী সাংগঠনিক রূপ প্রদান করতে এবং ভবিষ্যৎ কর্মনীতি স্থির করতে আগামী রবিবার অনুষ্ঠিত হতে চলছে FDPMC প্রথম রাজ্য সম্মেলন। এদিন সংগঠনপর আহ্বায়ক বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন রাজ্যের চিত্রসাংবাদিক থেকে শুরু করে সাংবাদিক সহ অন্যান্য বিষয়ে যারা মেধা প্রকাশ করে থাকেন সংবাদমাধ্যমের ভেতরে তাদেরকে সসম্মানে রাখা তৎসঙ্গে তাদের জীবনযাত্রা মানকে আরো উন্নততর করার লক্ষ্যে ফোরাম ফর ডেভেলপমেন্ট এন্ড প্রটেকশন মিডিয়া কমিউনিটি সারা রাজ্যব্যাপী কাজ করে যাবেন বলে জানান আগামী 20 ডিসেম্বর আগরতলা রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে সারা রাজ্যের সাংবাদিক চিত্রসাংবাদিক নিউজ অ্যাঙ্কার থেকে শুরু করে সমস্ত অংশের লোকেরা অংশগ্রহণ করবেন প্রথম রাজ্য সম্মেলনে।
মসজিদ না ভেঙে রাস্তা নির্মানের দাবীতে ওয়াকফ বোর্ডের আধিকারীকের সাথে মিলিত হল সংখ্যালঘু উন্নয়ন পরিষদ
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- ছনবন জামে মসজিদ না ভাঙ্গার দাবিতে ৭ ডিসেম্বর ত্রিপুরা সংখ্যালঘু উন্নয়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির পশ্চিম ত্রিপুরা রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের আধিকারিকের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করে। ডেপুটেশনে পর ত্রিপুরা সংখ্যালঘু উন্নয়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির পশ্চিম ত্রিপুরা প্রতিনিধিদলকে ১৪ ডিসেম্বর থেকে জানিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও আজকের কি কাজ থেকে কোনরকম ডাক পায়নি। অবশেষে বৃহস্পতিবার আবারো প্রতিনিধিদল এসে আধিকারিকের সাথে সাক্ষাৎ করতে চাইলেও সাক্ষাৎ করতে পারেনি বলে জানান মাইনোরিটি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সভাপতি আনোয়ার উল্লা। তিনি জানিয়েছেন, সরকার চাইছে ১৮৯০ সানিলি মূর্তি ভেঙে ব্রিজ নির্মাণ করতে। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি মসজিদ না ভেঙ্গে সরকার মসজিদের বিপরীত পাশের খাস জমি কাজে লাগিয়ে ব্রিজ নির্মাণ করতে পারে।
Attachments area
জনতার কলম, ত্রিপুরা আগরতলা,প্রতিনিধি:- চাকমা ভাষাকে ত্রিপুরা রাজ্যের ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা, চাকমা কাস্টমারি ল -এর সরকারি অনুমোদন, চাকমা ভাষা শিক্ষক নিয়োগ করা সহ ৬ দফা দাবিতে ত্রিপুরা রাজ্য চাকমা সামাজিক পরিষদ আগামী ২০ ডিসেম্বর গণ অবস্থানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কাঞ্চনপুর, পেচারথল, ছৈলেংটা এবং আগরতলা রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবন এর সামনে সহ বিভিন্ন প্রান্তে গণঅবস্থান করা হবে। দুপুর ১২ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত দু’ঘণ্টাব্যাপী চলবে এই গনঅবস্থান। আগরতলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানান সম্পাদক শান্তি বিকাশ চাকমা। তিনি তিনি আরও জানান এই দাবিগুলি চাকমা সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের।
জনতার কলম , ত্রিপুরা আগরতলা,প্রতিনিধি:- বিদ্যুৎ বিল ২০২০ অবিলম্বে বাতিল করা, বিদ্যুৎ ক্ষেত্রকে বেসরকারিকরণ না করা, বিদ্যুৎ গ্রাহকদের উপর থেকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বোঝা চাপিয়ে না দেওয়া সহ চার দফা দাবিতে রাজধানীর ভুতুরিয়া বিদ্যুৎ অফিসের সামনে সিআইটিইউ, ডিওয়াইএফআই, টি ওয়াই এফ এবং এ আই কে এস যৌথভাবে গন অবস্থান অনুষ্ঠিত করা হয়। এদিন অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রাক্তন বিদ্যুৎ মন্ত্রী তথা সিআইটিইউ রাজ্য সভাপতি মানিক দে বক্তব্য রেখে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার এই সর্বনাশা বিদ্যুৎ বিল প্রত্যাহার করতে চাইছে না। ফল সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামা ছাড়া আর কোনো পথ নেই দেশবাসীর কাছে। কেন্দ্রীয় সরকার বিদ্যুৎ বেসরকারিকরণ করতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে। সরকারের ভুল নীতির ফলে মে মাসের হিসেব অনুযায়ী ৬ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ হয়ে গেছে। উৎপাদন বিদ্যুৎ অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার কম হচ্ছে। ১ লক্ষ শিশুটি হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে। এই সর্বনাশা বিল যদি সরকার প্রত্যাহার না করে তাহলে আগামীদিনের ভক্তদের জন্য বিপদ ডেকে আনবে বলে অভিমত ব্যক্ত করলেন তিনি।
জনতার কলম ত্রিপুরা ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বুধবার রাজধানীর রামনগর উচ্চ বুনিয়াদি বিদ্যালয় পরিদর্শনে গেলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ গত 7 ডিসেম্বর বিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের খোলার পর ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি এবং শিক্ষা প্রক্রিয়া কিরকম চলছে সে বিষয়ে খতিয়ে দেখার জন্য পরিদর্শনে যান শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষা মন্ত্রী জানান মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা বেশিদিন নেই তাই অভিভাবকের সম্মতি ক্রমে তাদেরকে বিদ্যালয় নিয়ে আসা হচ্ছে এবং প্রাথমিক বিভাগের পঠন-পাঠন প্রক্রিয়া শুরু করার ক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রী জানান দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীরা একটু ম্যাচিওরড তাই তাদের বিদ্যালয়মুখী করতে বেগ পেতে হয়নি, কিন্তু প্রাথমিক বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের বিদ্যালয়মুখি করতে সেই একই পর্যায়ে রুটিন বানিয়ে শিক্ষা প্রক্রিয়া চালু করতে হবে বলে। তাছাড়া এদিন শিক্ষামন্ত্রী বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সময়মতো বিদ্যালয় আসার প্রশ্ন নিয়ে বলতে গিয়ে জানান বুধবার একজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে দেরিতে এসেছে বলে ওনাকে এবসেন্ট দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা, তাছাড়া যে সমস্ত শিক্ষকরা ন্যায্য ছুটিতে গেছেন তাদেরকে বাদ দিলে সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত ছিলেন বলে জানান। পাশাপাশি রাজ্যের শিক্ষকদের প্রতি তিনি গর্ব অনুভব করেন কেননা শিক্ষকরা আজ নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন, আর এন সি ই আর টি যেভাবে শিক্ষকদের ট্রেনিং দিচ্ছেন তাতে টিচার ট্রেনিং এ রাজ্য ভালো সুনাম অর্জন করেছেন বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এবং রাজ্যের ছেলেমেয়েদের গুণগত শিক্ষায় শিক্ষিত করার উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকার যথেষ্ট চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং শিক্ষামন্ত্রী এই প্রচেষ্টায় রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা মানোন্নয়ন হবে বলে ধারণা করছেন শিক্ষানুরাগী মহল।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বাংলাদেশ বিজয়ের ৪৯ তম বার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয় গোটা রাজ্যেও। এদিন বিভিন্ন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয় শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। এদিন বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশন অফিসে এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিধানসভার অধ্যক্ষ রেবতী মোহন দাস জানান, বাংলা ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে যতবারই বাংলাদেশের উপর এবং বাঙালি জাতির উপর আঘাত এসেছে, ততোবারই এর মুখ্য জবাব দিয়েছে বাংলাদেশ বাসী। বাংলা ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে শেখ মুজিবর রহমান এবং বঙ্গবন্ধু চিরকাল বাঙ্গালীদের মনে শ্রদ্ধার সাথে বেঁচে থাকবেন। বাংলাদেশ বাসীকে আজকের দিনে রাজ্য বিধানসভার পক্ষ থেকে আন্তরিক শ্রদ্ধা এবং অভিনন্দন বলে জানান তিনি।
আজকের দিনটি গোটা বাংলাদেশের সাথে ত্রিপুরাবাসীর কাছেও তাৎপর্যপূর্ণ। সেদিকে গুরুত্ব দিয়ে এদিন রাজ্য বিভিন্ন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কেননা এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী লড়াই। যে লড়াইয়ে ত্রিপুরার অবদান ছিল স্মরণীয়, যে লড়াইয়ে লাখো প্রাণের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের আজকের দিনে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করবে সেইসব শহীদদের যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের প্রিয় স্বাধীনতা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বুধবার রাজধানীর রবিন্দ্র ভবম প্রাঙ্গণে আয়োজিত হল কৃষক সম্মেলন। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। এদিন তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন ২৫ বছর ধরে ত্রিপুরার কৃষকদের পিছিয়ে রেখেছিল কমিউনিস্টরা। কিন্তু ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার আসার পর ত্রিপুরার কৃষকরা স্বাভিমানী হয়েছেন। আজকে কৃষক আন্দোলনের নামে কমিউনিস্টরা ভুল বোঝাচ্ছে। মানয়ীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির সরকার কৃষকদের স্বার্থেই আইন প্রণয়ন করেছে। ত্রিপুরায় শুধু আন্দোলনের নামে কৃষকদের নিয়ে লাইন লম্বা করেছিল আগের সরকার। কিন্তু তাঁদের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বলবৎ করেনি। আগে কৃষকদের থেকে ধান কিনে বলা হত পরে টাকা দেবে। কিন্তু এখন কৃষকরা বলেন, আগে টাকা দিন তারপর ধান নিন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পে ত্রিপুরার হাজার হাজার কৃষক বছরে ছ’হাজার করে টাকা পাচ্ছেন। কমিউনিস্টদের ২৫ বছরে কৃষিতে বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৪ শতাংশ। ভারতীয় জনতা পার্টির সরকারের সময়ে আড়াই বছরে তা বেড়ে ১৩.৫ শতাংশ। আগে কমলপুরের কমলা লেবু পচে যেত। কারণ তা বাণিজ্যিকিকরণ করার উদ্যোগ আগের সরকারের ছিল না। এখন কমলপুরের কমলা লেবু দুবাই পৌঁছে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সরনারে পৌঁছে যাচ্ছে ত্রিপুরার কুইন আনারস। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী এদিনের সভাথেকে সমস্ত কার্যকর্তাদের উদ্দেশে আবেদন রাখেন সবাই যেন মানুষের কাছে গিয়ে সরকারের কাজ সম্পর্কে জনগণকে অবগত করেন।
পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত বেনি চন্দ্র জমাতিয়া প্রয়ানে গভীর শোক প্রকাশ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা উদয়পুর প্রতিনিধি :- চলে গেলেন পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপক বেণী চন্দ্র জমাতিয়া। সোমবার ভোর চারটার সময় মহারানি হাতিছড়াস্থিত নিজ বাস ভবনে ৯৬ বছর বয়সে দেহত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যু কালে চার পুত্র এবং পাঁচ কন্যা রেখে গেছেন। ওনার মৃত্যুর খবর পেয়ে হাতিছড়াস্থিত নিজ বাসভবনে ছুটে যান বিধায়ক বিপ্লব কুমার ঘোষ,উদয়পুর এর মহকুমাশাসক অনিরুদ্ধ রায় সহ প্রশাসনের অন্য আধিকারিকরা। এদিন মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয় বলেন ত্রিপুরার গর্ব, পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত শ্রী বেনীচন্দ্র জামাতিয়াজির প্রয়াণে আমি গভীর শোকাহত। তাঁর মৃত্যু ত্রিপুরা তথা দেশের লোক সাহিত্যের অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। তাঁর পরিবারবর্গকে জানাই গভীর সমবেদনা। প্রভু তাঁর আত্মাকে চরণে স্থান দিন। পরিবারবর্গ যেন এই শোক সহ্য করার শক্তি অর্জন করতে পারেন। সাহিত্য জগত তাঁর অবদানকে চিরকাল স্মরণে রাখবে। তিনি তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমেই চির ভাস্বর হয়ে থাকবেন ত্রিপুরার মানুষের হৃদয়ে।
