জনতার কলম,ত্রিপুরা,শান্তিরবাজার,প্রতিনিধি :-রাজ্যসরকার রাজ্যে বেকারত্ব কমানোরজন্য পুলিশের এস পি ও পদে নিয়োগের সিদান্ত নিয়েছেন। রাজ্যসরকারের এই সিদান্ত অনুযায়ী আজ সকাল থেকে শান্তির বাজার থানায় এস পি ও পদে নিয়োগের পক্রিয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ইন্টারভিও দিতে আসা লোকজনদের সঙ্গে কথা বলে জানাযায় উনারা সকাল ৮ ঘটিকাথেকে লাইনে দারিয়ে আছেন। এছারা জানাযায় এই পদের জন্য অষ্টম শ্রেনী উক্তিন্ন ছাত্র ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে। সেই জায়গায় দেখা যাচ্ছে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকে উক্তিন্ন ছাত্র ছাত্রীরাও এই পদে চাকুরীর জন্য প্রয়াস চালিয়েযাচ্ছে। আবেদন কারীরা নিশ্চিত যে উনাদের চাকুরীটা হবে। সকলে ব্যাপক উৎসাহের সহিত এই নিয়োগ পক্রিয়ায় অংশগ্রহন করেছে। আজকের এই নিয়োগ পক্রিয়ায় আগত অধিকাংশ লোকজন সামাজিক দুরত্ব ছারাই চলাফেরা করছে এমনটাই দেখাগেলো। এই মহামারির মধ্যে থানায় এইভাবে ভীর জমনোর বিষয়নিয়ে তিব্রগুঞ্জন চলছে অভিঞ্জমহলে।
Monthly Archives
November 2020
জনতার কলম, এিপুরা,বক্সনগর প্রতিনিধি :-বক্সনগর চুরির ঘটনা আজ নতুন নয়। চোরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ বক্সনগরবাসী। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠলে শোনা যায় কোন না কোন জায়গায় চুরির ঘটনা, হয় দোকানে না হয় কারোর বাড়িতে চোরের দল হানা দিয়ে হয় গরু না হয় ঘরের আসবাবপত্র টাকা সহ মোবাইল ফোন ইত্যাদি সরঞ্জাম নিয়ে যায়, এই চুরির সাথে জড়িত বক্সনগর এলাকায় কিছু যুবক, যারা সবসময় গাজা অথবা ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করে থাকেন,তাদের কাছে টাকা না থাকলে ইয়াবা ট্যাবলেট খাওয়ার জন্য মানুষের বাড়িতে বা দোকানে হানা দিয়ে থাকে, পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে বক্সনগর এর চোরের মাস্টারমাইন্ড,গ্যাংস্টারটি কে আটক করতে তৎপর। অবশেষে দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ ফোন ট্যাগ করে বৃহস্পতিবার ছিটকে চার চোরকে আটক করতে সক্ষম হয়। চারজনের মধ্যে দুজন নাবালক, দুই নাবালক চোর হলেন বক্সনগর দক্ষিণপাড়া এলাকার বারেক মিয়ার ছেলে ইকবাল হোসেন, যার বর্তমান বয়স ১৮বছর, অন্যজন হলেন একই গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে সাব্বির হোসেন, সাব্বির হোসেন এর বয়সও পনেরো বছর, অপর দুইজন চোর হলেন বক্সনগর আই টি কলেজের অপর পাশে কাকড়ামুড়া এলাকার দুলাল মিয়া, রবিউল হোসেন নামে দুই কুখ্যাত চোর। এই পাষণ্ড চার চোর বর্তমানে কলমচৌড়া থানার গারদে রয়েছে। একেই তো এই করুণা কালীন পরিস্থিতিতে ত্রিপুরায় মানুষ অর্থনৈতিক দুরবস্থা থেকে বাঁচার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছে ঠিক তখনই সমাজের একশ্রেণীর দুষ্ট চক্র চুরিবিদ্যা কে অবলম্বন করে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের দৌরাত্ম্য। সাম্প্রতিক 3 মাস আগে মানিক্যনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের জাকির হোসেনের ছেলে মুজাহিদ রহমানের ঘর থেকে ভোর রাতে তালা ভেঙ্গে একটি ল্যাপটপ ও দুটি মোবাইল ফোন এই দুই নাবালক নিশিকুটুম্বরা হানা দিয়ে নিয়ে যায়। পড়ে কলম চারা থানা এই বিষয়টি জানালে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে ফোন ট্যাগ করে বক্সনগর এলাকার আরেক নেশাখোর আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করে, তার কাছ থেকে জানা যায়, চোরের দল 500 টাকার বিনিময়ে তার কাছে এই ল্যাপটপটি বিক্রি করেছে,অপরদিকে বাকি দুইজন চোরকে আটক করেছে ভেলুয়ারচর এলাকার জৈনিক ব্যক্তির বাড়ি থেকে মোবাইল ফোন ও স্বর্ণ অলংকার নিয়ে আসে। গত ছয় মাস ধরে বক্সনগর এলাকায় কয়েকশো চুরির ঘটনা ঘটে যায়, পুলিশ এতদিন উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি, তবে কি এতদিন যে চুরি গুলি হয়েছে এই চোর চক্রের সাথে কি এই অভিযুক্ত চার চোরই জড়িত রয়েছে প্রশ্ন জনমনে? তবে জনগণের অভিযোগ প্রায় অনেকদিন ধরেই এই চোর চক্রের জন্য তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। আগামী দিনে বক্সনগর এর চুরির ঘটনা বন্ধ করতে হলে তাদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা।
জনতার কলম, এিপুরা,তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি :-শুক্রবার তেলিয়ামুড়া কবি নজরুল দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে দুপুর ২ টা নাগাদ তেলিয়ামুড়া মহকুমাধীন ৪ টি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর সকল ছাত্রীদের মধ্যে রাজ্য ভিত্তিক বাইসাইকেল প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় । আজকের এই উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ । এছাড়াও আজকের এই উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তেলিয়ামুড়ার বিধায়িকা তথা ত্রিপুরা সরকারের মুখ্যসচেতক কল্যাণী রায়, ২৭ কল্যাণপুরের বিধায়ক পিনাকি দাস চৌধুরী, ২৯ কৃষ্ণপুরের বিধায়ক অতুল দেববর্মণ, খোয়াই জেলা পরিষদের জেলা সভাধিপতি জয়দেব দেববর্মা, তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের চেয়ারম্যান নিতীন কুমার সাহা, কবি নজরুল দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশুরাই দেববর্মা সহ আরও অন্যান্যরা । তবে বাই সাইকেল বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন ত্রিপুরা সরকারের শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ । আজকে কবি নজরুল দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে আয়োজিত রাজ্যভিত্তিক বাইসাইকেল বিতরণী অনুষ্ঠানে মূলত তেলিয়ামুড়া মহকুমার অধীন মোট ৪ টি বিদ্যালয়ের মোট ১০১ জন নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে আজ রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ-র হাত দিয়ে বাইসাইকেল বিতরণ করা শুভারম্ভ হয় ।
জনতার কলম, এিপুরা,উদয়পুর প্রতিনিধি :- বাম আমলে অবৈজ্ঞানিক ভাবে নির্মিত গোমতী জেলা হাসপাতালের অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে চলেছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা বর্তমানে মোটামুটি ভালো হলেও পরিকাঠামোর দিক থেকে এই হাসপাতাল দিন দিন পিছিয়ে যাচ্ছে। গোমতী জেলা হাসপাতালের দালানবাড়ি টি নিম্নমানের কাজ হওয়ায় তা বহু জায়গায় ফাটল তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও বটবৃক্ষ গজিয়ে উঠেছে দালান বাড়ির দেওয়ালে। অন্যদিকে রয়েছে পানীয় জলের সমস্যা। স্থানীয় বিধায়ক যদিও এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নিয়েছেন তবুও কাজ এখনো শুরু হয়নি। হাসপাতালে লিফট বা বৈদ্যুতিক সিঁড়ি আজ প্রায় এক বছর যাবত খারাপ হয়ে আছে। ফলে রোগীদের অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আবার বহুদিন থেকেই জেলা হাসপাতালের একটি এটিএম বসানোর দাবি উঠেছিল রোগিদের পক্ষ থেকে। আজও এটিএম স্থাপন করা হয়নি। স্বাস্থ্যপরিসেবা মোটামুটি হলেও আশানুরূপ নেই। অন্যদিকে হাসপাতালে থাকা ক্যান্টিনের খাদ্যের মান নিয়েও নানা অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। হাসপাতালে পরিছন্নতা আগের তুলনায় কিছুটা ভালো হলেও আশানুরূপ নয়। জেলা হাসপাতালে পানীয় জলের টেপ থাকলেও তা অকেজো হয়ে পড়ে আছে। গোমতী জেলা পরিষদের অথানুকূল্যে নিমিত ১ লক্ষ৮২ হাজার ৬৫০ টাকা ব্যয়ে পানীয় জলের উৎসটি টেপানীয়া আরডিব্লকের সৌজন্য৷ তৈরী করা হয়েছে। কিন্ত স্থানীয় মন্ত্রী প্রণজিত সিংহ রায় বেশ কয়েকবার মাসটার প্ল্যান নিলেও তা এখনো বিশবাঁও জলে। এই সবকিছু মিলিয়ে গোমতী জেলা হাসপাতালে পরিকাঠামোগত এবং স্বাস্থ্যপরিসেবা সম্পর্কিত আরো উন্নতি আশা করছেন গোমতী জেলাবাসী।
জনতার কলম, এিপুরা, উদয়পুর প্রতিনিধি :- সারা দেশ জুড়ে যখন করোনা তান্ডব লীলা শুরু করেছিল, সেই সময় এিপুরা রাজ্যেও বাদ যায়নি করোনার হাত থেকে। এিপুরা সরকার জারি করে লকডাউন। বন্ধ হয়ে পড়ে স্কুল, কলেজ সহ শিশুদের আনন্দ দেওয়া শিশুপার্ক গুলি। দীর্ঘদিন ধরে ঘরবন্দী থাকার ফলে শিশুরা শারীরিক ও মানসিক ভাবে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে করোনা পরিস্থিতি রাজ্যে কিছুটা উন্নতি হওয়ার ফলে শিশুদের জন্য খুলে দেওয়া হয় শিশুপার্ক গুলি।শিশুপার্ক গুলি খুলে দেওয়ার সাথে সাথে পার্কগুলি প্রাণ ফিরে পেল ।এমনই এক দৃশ্য দেখা গেল উদয়পুর শিশুপার্কে। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের নিয়ে অভিভাবকরা একটু আনন্দ দিতে শিশুপার্কে নিয়ে আসতে দেখা শিশুদেরকে। বিভিন্ন রকমের দোলনা, ছোট ছোট গাড়ি নিয়ে খেলতে দেখা যায় শিশুদের। এই আনন্দ মুখর দৃশ্য দেখে খুবই খুশি শিশুপার্কে আসা অভিভাবকরা।
জনতার কলম, এিপুরা,বিলোনিয়া, প্রতিনিধি :- দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত বিলোনিয়া থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী সাব ইন্সপেক্টর । ঘটনা সোমবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ বিলোনিয়া ভারত চন্দ্র নগর ব্লকের সুকান্ত নগর পঞ্চায়েতের ড্রপগেইট এলাকায় । একের পর এক সাংবাদিক আক্রান্ত হওয়ার পর শুরু হয়েছে পুলিশের উপর আক্রমণ । কালীপুজোর দশমী নামে বিলোনিয়া ড্রপ গেট এলাকায় শাসক দলের নেতার বাড়িতে ফুল ভলিউমে বক্স মেশিন বাজিয়ে উন্মত্ত তান্ডব লীলা ।এই তাণ্ডবলীলা তে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকার লোকজন বিলোনিয়া থানাতে খবর দেওয়ার পর , মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের নির্দেশে , পেট্রোলিংরত এএসআই স্বপন সেন সহ টিএসআর বাহিনীরা ড্রপ গেট এলাকার প্রাক্তন পুলিশ কনস্টেবল তথা শাসক দলীয় বিজেপি নেতা কিরণ বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে বক্স মেশিন বন্ধ রাখার জন্য বলে এএসআই স্বপন সেন । শাসক দলীয় নেতা কিরণ বিশ্বাস নিজেকে বাহুবলী হিসেবে জাহির করতে গিয়ে এএসআই স্বপন সেন এর সাথে বাকবিতন্ডা জড়িয়ে পড়ে এবং বাহুবলী নেতা কিরণ বিশ্বাস সাফ জানিয়ে দেন বক্স মেশিন বন্ধ হবে না । এই কথা শোনার পর এএসআই স্বপন সেন বলে কার পারমিশনে বক্স মেশিন বাজানো হচ্ছে । এই কথা বলার পরই হঠাৎ শাসক দলীয় নেতা কিরণ বিশ্বাস আক্রমণ করে বসে এএসআই স্বপন সেন এর উপর , তার পাশাপাশি কিরণ বিশ্বাসের দুই ছেলে কিশোর বিশ্বাস ও কৌশিক বিশ্বাস ও মারধর শুরু করে বলে অভিযোগ আহত এএসআই স্বপন সেন এর । কৌশিক বিশ্বাস আবার SSB কর্মী । এই ঘটনা দেখে টিএসআর বাহিনী এএসআই স্বপন সেন কে আক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রেসের বাহিনীও আক্রান্ত হয় । এক সময় এএসআই স্বপন সেন কে একদল উন্মত্ত বাহিনী টেনে হেঁচড়ে নিয়ে ড্রেনে ফেলে মারতে শুরু করে , ছিনিয়ে নেওয়া হয় পুলিশের ডায়েরি ,কলম ও পকেটে ছিল ফাইন মানি 20 হাজার টাকা সেই টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ । সাথে সাথে ঘটনার খবর দেওয়া হয় বিলোনিয়া থানাতে । ঘটনার খবর পেয়ে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সহ সাদিক অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আহত এসআই স্বপন সেনকে নিয়ে আসে বিলোনিয়া হাসপাতালে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক সোমবার রাতেই উদয়পুর গোমতী জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে দেয় ।এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী আসছে শুনে আক্রমণকারীরা গা ঢাকা দেয় কিন্তু অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মী তথা বিজেপি মন্ডল সদস্যকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয় । থানাতে কিরণ বিশ্বাস অসুস্থতা বোধ করাতে বিলোনিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তাকেও উদয়পুর গোমতী জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে দেওয়া হয় । কিরণ বিশ্বাস নিজে একজন পুলিশ কর্মী ছিলেন পুলিশকর্মী হয়ে পুলিশের উপর এধরণের বর্বরতা আক্রমণের ঘটনায় বিলোনিয়া জুড়ে ছিঃ ছিঃ রব উঠেছে । এখন দেখার বিষয় প্রাক্তন পুলিশকর্মী তথা বিলোনিয়া মন্ডল সদস্য সহ অন্যান্য আক্রমনকারীদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয় । নাকি অদৃশ্য শক্তির বলে ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যাবে সেটাই প্রশ্ন চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ।
গোমতী জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং উদয়পুর প্রেস ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে পালিত হলো জাতীয় প্রেস দিবস
written by janatar kalam
জনতার কলম, এিপুরা,উদয়পুর প্রতিনিধি :- উদয়পুর মহকুমা শাসক অনিরুদ্ধ রায় এর হাত ধরে সোমবার বিকেলে গোমতী জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং উদয়পুর প্রেস ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় প্রেস দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন হয়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে এদিন এই অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন উদয়পুর মহকুমা শাসক অনিরুদ্ধ রায়। অনুষ্ঠানে এছাড়া উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর গোমতী জেলার যুগ্ম অধিকর্তা বিষ্ণুপদ দাস, উদয়পুর প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক দিলীপ দত্ত, অপুরাম সরকার। অনুষ্ঠানে এদিন স্বাগত ভাষণ রাখেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের গোমতী জেলার যুগ্ম অধিকর্তা বিষ্ণুপদ দাস। জাতীয় প্রেস দিবস উৎযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এদিন উদয়পুর প্রেস ক্লাবের সদস্যদের পাশাপাশি তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কর্মীদের উপস্থিতি ছিলো লক্ষ্যণীয়।
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- বড়সড় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় পশ্চিম ভুবন বন এলাকার 170 নম্বর রেশন শপ যার মালিক নমিতা চৌধুরী ও তার পাশের একটি সেলুন যার মালিক বিজয় সরকার এর দোকান পুড়ে ছাই হল ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ইঞ্জিন গেলে সবকিছু রক্ষা করতে পারেনি কিন্তু আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। সোমবার ভোর চারটে নাগাদ এই ঘটনা ঘটে রেশন শপের সমস্ত জিনিসপত্র তার সাথে সাথে সেলুনের সব জিনিস পুড়ে ছাই হয়ে গেল। ভোর সকালে 4 টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে কতিপয় দুষ্কৃতীরা রেশন শপে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন নমিতা চৌধুরীর ছেলে। দুষ্কৃতীরা যে সময় রেশন শপে আগুন লাগিয়ে ছিল সে সময় রাস্তার স্ট্রিটলাইট বন্ধ রেখে তারপর আগুন লাগিয়ে দেয় আগুনের তীব্রতা এত ভয়াবহ ছিল ফায়ার সার্ভিস এর ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে যেতে যেতে রেশন শপের চাল ডাল ছোলা বুটও টাকা পুড়ে যাই বলে জানান নমিতা চৌধুরী ছেলে। ভোর সকালে হঠাৎ করে আগুন দেখতে পেয়ে নমিতা চৌধুরী ছেলেসহ এলাকাবাসীরা ফায়ার সার্ভিসের ইঞ্জিন কে খবর দেওয়া হয় ঘটনাস্থলে শ্যামলী বাজারের ফায়ার সার্ভিসের ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নেভাতে কাজে লেগে পড়েন কিন্তু তার আগেই সর্বোচ্চ পুড়ে ছাই হয়ে যায় রেশন শপের সামগ্রী সহ সেলুনের সমস্ত জিনিস এই ব্যাপারে সেলুনের মালিক বিজয় সরকার খবর পেলে সাথে সাথে ছুটে এসে দেখতে পায় তার সেলুনের সর্বোচ্চ জিনিসপত্র পুড়ে গিয়েছে। কতিপয় দুষ্কৃতীরা এই আগুন লাগিয়েছে যার কারণে ট্রানস্ফের প্রচুর টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিশেষ করে আগের শত্রুতা কে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে দুষ্কৃতীরা।
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- ভাই ফোঁটা নিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। তিনি এদিন নিজ সরকারি বাসভবনে ভাই ফোঁটা নিয়ে বললেন ভারতবর্ষের ভাই-বোনদের সম্পর্ক সমাজব্যবস্থাকে সুদীঢ় করে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মহিলাদের সশক্তিকরণ করে আরো দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার মহিলাদের আরো বেশি সুরক্ষিত করতে কাজ করে চলেছে। সরকার সেই দিশায় এগুচ্ছে বলে অভিমত ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- আবারো আগরতলার দক্ষিণ জয়নগর হাওড়া নদীতে এক ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া যায় মৃত ব্যক্তির নামও পরিচয় জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে এডি নগর থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ কে তুলে নিয়ে মর্গে পাঠিয়ে দেন ময়নাতদন্তের জন্য। আগরতলার দক্ষিণ জয়নগর এলাকায় হাওড়া নদীতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃতদেহ দেখতে পায় এলাকার লোকজন সেই সময় একে একে জড়ো হতে থাকেন প্রচুর সংখ্যক লোক মৃত ব্যক্তিকে কেউ শনাক্ত করতে পারেননি। কিভাবে কোথায় থেকে এই মৃতদেহ ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে তা নিয়ে জনগণের মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অপরিচিত মৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তার শরীর মোটা হয়ে গিয়েছে জলে থাকতে থাকতে। অপরিচিত মৃতদেহটিকে অন্য কোন জায়গায় মেরে নদীতে ফেলে দিয়েছেন নাকি মদমত্ত অবস্থায় থাকাকালীন সময়ে জলে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। দক্ষিণ জয়নগর এলাকার মৃতদেহ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী এডি নগর থানায় ফোন করেন সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ ছুটে আসে এবং তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন গুলো দেখতে পায় কিন্তু এলাকাবাসীকে জিজ্ঞাসা পরে ও তার নাম ঠিকানা কেউ বলতে পারেননি। হাওড়া নদী তে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া কে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয় সবার মনে একটাই প্রশ্ন কোথায় থেকে কিভাবে এই মৃতদেহ হাওরা নদীতে ভাসমান অবস্থায় দেখা যায় এই ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে নাকি অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে তাই একমাত্র পুলিশ ওই বের করতে পারবে৷
