জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজে মেডিকেল পড়ার ফি লাফিয়ে বাড়ছে। ২০১৭ সালে মেডিকেল পড়া জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের বহন করতে হতো ২১ লক্ষ টাকা। ২০১৮ সালে বহন করতে হয় ১৯ লক্ষ টাকা এবং ২০২০ সালে মেডিকেল পড়ার ফ্রী ধার্য করা হয়েছে ৫৪ লক্ষ টাকা। তাই অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার এন এস ইউ আই রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে মেডিকেল এডুকেশনের আধিকারিক চিন্ময় বিশ্বাসের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করা হয়। প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন এন এস ইউ আই রাজ্য সহ-সভাপতি সম্রাট রায়, সাধারণ সম্পাদক পাপ্পু সাহা, রাহুল আচার্য। পরে প্রতিনিধিদল জানায়, মেডিকেল এডুকেশনের আধিকারিক তাদের আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গোচরে নেওয়া হবে। আর যদি অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহার করা না হয় তাহলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বলে জানান প্রতিনিধি দল।
Monthly Archives
October 2020
জনতার কলম, ত্রিপুরা, তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি :-
বাংলায় একটা প্রবাদ আছে——
“বন্যেরা বনে সুন্দর –
আর শিশুরা মাতৃকোলে” !!!
কিন্তু সেই বন্যেরা যদি কখনো কখনো আবার গৃহ ও খাঁচা বন্দী হয়ে যায় তবে কতটুকুই যে সৌন্দর্যের মাহাত্ম্য বজায় থাকবে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না ! ভারতবর্ষের মধ্যে “বন আইন” অনুযায়ী কোন পশু অথবা পাখিকে বাড়িঘরে খাঁচা বন্দি করে রাখা যায় না । সেটা বরাবরই “বন আইন” অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ । কিন্তু এর ঠিক বিপরীতমুখী ছবি ফুটে উঠলো তেলিয়ামুড়া থানাধীন নেতাজীনগর এলাকায় । আজ বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ২ টা নাগাদ একটি বানর ও একটি তোতাপাখি-কে খাঁচা বন্দি অবস্থায় নেতাজীনগরের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করল তেলিয়ামুড়া বন দপ্তরের কর্মীরা । তৎসঙ্গে এই দুইটি প্রাণীকে দীর্ঘদিন ধরে খাঁচা বন্দি করে বাড়িতে রাখার অপরাধে তেলিয়ামুড়া বন দপ্তরের কর্মীরা এক যুবককে গ্রেপ্তারও করে । ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, তেলিয়ামুড়া বনদপ্তর-র রেঞ্জ অফিসার সুপ্রিয় দেবনাথ এর নেতৃত্বে তেলিয়ামুড়া বনকর্মীর একটি প্রতিনিধি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর ২ টা নাগাদ তেলিয়ামুড়া থানাধীন নেতাজীনগর এলাকার বিশ্বজিৎ দেবনাথের বাড়িতে আচমকা হানাদারি চালায় । তেলিয়ামুড়া বন দপ্তরের কর্মীদের আজকের এই অভিযানে নেতাজীনগরের স্থানীয় বিশ্বজিৎ দেবনাথের বাড়ি থেকে খাঁচা বন্দি অবস্থায় একটি বানর ও একটি তোতা পাখি উদ্ধার করা হয় । সূত্রে জানা যায়, নেতাজীনগরের স্থায়ী বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দেবনাথের ছেলে বীরদেন্দু দেবনাথ “বানর-তোতা” এই দুটি প্রাণীকে খাঁচা বন্দি করে বাড়িতে রেখেছিল দীর্ঘদিন ধরে । আজ বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ২ টা নাগাদ গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে তেলিয়ামুড়া বন-দপ্তরের কর্মীরা নেতাজীনগরের স্থায়ী বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দেবনাথের বাড়িতে হানা-দারি চালিয়ে “বানর-তোতা” প্রাণী দুইটিকে নেতাজীনগরের বিশ্বজিৎ দেবনাথের বাড়ি থেকে তুলে এনে তেলিয়ামুড়ার বনদপ্তরের অফিসে নিয়ে যায় । কিন্তু এখানেই শেষ নয়, “বানর-তোতা” দুইটি প্রানীকে দীর্ঘদিন ধরে নেতাজীনগরের বাড়িতে খাঁচা বন্দি করে রাখার অপরাধে তৎসঙ্গে তেলিয়ামুড়ার বন দপ্তরের কর্মীরা গ্রেপ্তার করে নেতাজীনগরের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দেবনাথের ছেলে বীরদেন্দু দেবনাথ-কে । উল্লেখ্য, তেলিয়ামুড়া বন দপ্তরের রেঞ্জ অফিসার সুপ্রিয় দেবনাথ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজ প্রতিক্রিয়ায় জানায় যে— “বন্য আইন” অনুযায়ী এই অপরাধ যুক্ত কাজের সঙ্গে লিপ্ত থাকার অভিযোগে আটককৃত বীরদেন্দু দেবনাথ নামক যুবকের বিরুদ্ধে অতি শীঘ্রই উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বন-দপ্তর” ।
উল্লেখ্য যদিও, তেলিয়ামুড়ার বিভিন্ন জায়গায় এই ধরনের “তোতাপাখি” বিভিন্ন বাড়িতে গোপনভাবে বরাবরের মতোই পালন করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন জায়গায় আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কের পাশে খোলামেলা ভাবে বিক্রিও করা হচ্ছে ! এখন এদের বিরুদ্ধেই বা কী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বনদপ্তর সেই নিয়ে রীতিমতো প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনমনে ???
বাশ বেত শিল্পের উপর ভিত্তি করে গ্রামীন এলাকাগুলোকে স্বনির্ভর করা যাবে- উপমুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- হস্ত তাত শিল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ঐতিহ্য পরিচয় দেওয়া যায় অন্যান্য রাজ্য ত্রিপুরার তৈরি বাঁশ বেতের যে সমস্ত জিনিস গুলো অন্য রাজ্যে জনগণ ব্যবহার করেন তাতে করে রাজ্যের হস্তশিল্প কে মজবুত করতে সাহায্য করে। বাঁশ বেতের তৈরি যে সমস্ত জিনিসগুলো রাজ্যের গ্রাম পাহাড়ে বানানো হচ্ছে তাদের কিন্তু একাংশ জনগণ জীবিকা নির্বাহ করছে তাই রাজ্যের বর্তমান সরকার বাঁশ বেত শিল্প কে আরো বেশি করে প্রচার করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন তাতে করে গ্রাম পাহাড়ের লোকেরা ও শিল্পের মাধ্যমে অনায়াসে ভালোভাবে ব্যবসা করে দিনযাপন করতে অসুবিধা হবে না বক্তা রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মা। বৃহস্পতিবার আগরতলার লিচুবাগান স্ট্রিত বাম্বু কেন ডেভলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে বাঁশ বেতের তৈরি রুপোর সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এদিন ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মা উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকরা। লিচুবাগান স্থিত বাঁশ বেতের তৈরি করা প্রদর্শনী আয়োজন করা হয় রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা প্রদর্শনী শিবির ঘুরে দেখেন। এদিনের এই সেমিনারে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে জানান রাজ্যে যেসব শিল্পীরা বাঁশ বেতের উপর কাজ করে চলছেন তাদেরকে আরো উদযাপিত করা দরকার তার জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী এই শিল্পের উপর যেরকম জোর দিয়েছেন তেমনি রাজ্য সরকার সে শিল্পের ঐতিহ্য কে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নানা ধরনের কর্মসূচি হাতে নিয়ে শিল্পীদের কে সাহায্য করছেন বলে জানান। হস্ত কারুশিল্প কে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আরো বেশি করে উজ্জীবিত করার জন্য গ্রামীণ এলাকাগুলোতে কিভাবে বেছে নিয়েছেন তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে সাহায্য করা হচ্ছে আগামী দিনে তাদেরকে এ শিল্পের উপর দিয়ে যাতে তারা দিনযাপন করতে পারে সেরকম সাহায্য করে যাবেন বলে উনার বক্তব্য তুলে ধরেন।
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- গত 11 সেপ্টেম্বর সব রুমে সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। সেই হুমকির জেরে রাজ্যের নানা প্রান্তে দুষ্কৃতিকারীদের আক্রমণের শিকার হন সাংবাদিকরা এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনা ক্রমে মুখ্যমন্ত্রী সেই কথাটি ফিরিয়ে নেওয়া অনুরোধ জানালেও তাতে কর্ণপাত করেননি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তাই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ রবীন্দ্র ভবন প্রাঙ্গণে গণধর্নায় বসে সাংবাদিকরা। এই দিনের কর্মসূচি থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর এরূপ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন অ্যাসেম্বলি অফ জার্নালিস্ট সংগঠনের আহ্বায়ক শেখর দত্ত।
তাছাড়া সাংবাদিকদের সরকারপক্ষের সাথে খবরের সত্যতা নিয়ে মতবিরোধ হতেই পারে, কিন্তু তার জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের উপর এরূপ মন্তব্যের ঘটনাকে মেনে নিতে পারছেন না সাংবাদিকরা। মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য ফিরিয়ে নেওয়ার দাবিতে সাংবাদিকদের এই গনবস্থানের ফলে কি পদক্ষেপ ভাবে রাজ্য সরকার সেটাই এখন দেখার।
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী 15 ই অক্টোবর পাঁচ দফা দাবির ভিত্তিতে রাজ্যের এডিসি এলাকাগুলিতে 24 ঘন্টা বন্ধে বসল আইপিএফটি। দাবি গুলি মূলত পৃথক রাজ্য গঠন ককবরক ভাষা কে অষ্টম তপশিলি জাতি ভুক্ত করা এবং হাই পাওয়ার মরালিটি এম্পাওয়ার্মেন্ট রিপোর্ট দ্রুত পাস করা সহ 5 দফা দাবির ভিত্তিতে আজকের এই কর্মসূচি। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে আইপিএফটি নেতৃত্ব যে দাবিগুলো কে কেন্দ্র করে এই ডাকা হয়েছে সেই দাবিগুলিকে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরলেন। সরকারে থাকার পরও তাদের এই আন্দোলন কতটুকু সার্থক হবে তাছাড়া ত্রিপুরা ল্যান্ডের দাবি নিয়ে নিজেদের আন্দোলন কতটুকু চালিয়ে যেতে পারবেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।
জনতার কলম, ত্রিপুরা,বিশালগড় প্রতিনিধি :- কলমচৌড়া থানাধীন মানিক্যনগর পঞ্চায়েত এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের শিশু কন্যা নাম বিনা নম: তার পিতার নাম রাধা চরন নম:।জানা যায় ছোট্ট মেয়ে বিনা এবং তার ছয় বছর বয়সের ছোট ভাই নয়ন সহ ভোরে তাদের বাবার সাথে বাড়ির পাশে পুকুরে যায় স্নান করতে। কিন্তু তার বাবা রাধাচরন নম: স্নান শেষে ছেলেকে নিয়ে চলে গেলে,সেখানেই একাকিত্ব থেকে যায় মেয়ে বিনা। খানিকটা সময় পরে সুমিতা পাল নামের জনৈক প্রতিবেশী পুকুরের পাশে গেলে দেখতে পায় বাচ্চাটি জলে ভেসে আছে। সাথে সাথে চিৎকার করে লোক জমায়েত করা হলে, লোকজন এসে তার মৃত দেহ পুকুর থেকে তোলে। এদিকে বাচ্চার এমন জলে পরে মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে সাংবাদিকরা গিয়ে পৌঁছালে সেখানকার প্রতিবেশীর কাছ থেকে জানতে পারে, বাচ্চা মেয়েটির বাবা পূর্বে আরও পাঁচটি বিয়ে করেছেন। তার বর্তমান যেই স্ত্রী রয়েছে সেটা তার ষষ্ঠতম স্ত্রী এবং জলে পরে মৃত্যু হওয়া কন্যাটি (বিনা নম:) তার নিজের কন্যা নয়। তার বর্তমান স্ত্রী বিগত পাঁচ বছর পূর্বে এই কন্যা সন্তানকে নিয়ে এসে রাধাচরনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু বিবাহের পরে প্রায় সময়ই এই পাষন্ড পিতা তাকে অর্থাৎ বাচ্চা মেয়েটিকে মারধর করতো,অবহেলা করতো বলে অভিযোগ। তাই আজকেও স্নানের নামে বাচ্চা মেয়ের এমন মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় নানা গুন্জন চলছে।
এদিকে জলে পড়ে মৃত্যু হওয়ায় মৃত দেহ বক্সনগর সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ড: দীপ্তনীল দাস মৃত দেহের পোস্টমর্টেম না করে তার পরিবারকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বলে এবং সেই মৃত দেহ এলাকায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে এই বিষয়টি সাংবাদিকদের মধ্যে জানাজানি হতেই কলমচৌড়া থানা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পুনরায় বাচ্চার মৃত দেহ হাসপাতালে আনা হয়। এবং বর্তমানে সেই মৃত দেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। অপরদিকে পুকুরের জলে পরে বাচ্চা মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় জিঙ্গাসাবাদের জন্য তার পিতা-মাতাকে কলমচৌড়া থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
জনতার কলম, ত্রিপুরা,তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি :- তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি :- রাম আমল হউক আর বাম আমল হউক কোন আমলেই যেন উপজাতি গিরিবাসীদের পানীয় জলের সুব্যবস্থা ও সু-বন্দোবস্ত করতে পারে নি সরকার । ফের একবার বিশুদ্ধ পানীয় জলের দাবিতে মুঙ্গিয়াকামী বাজার এলাকার স্থানীয় মানুষজনেরা একজোট হয়ে আসাম আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ করল স্থানীয় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী । ঘটনা আজ মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ২ টা ৩০ মিনিট নাগাদ । অতি দ্রুত বিশুদ্ধ পানীয় জলের সু-ব্যবস্থা ও সু-বন্দোবস্ত করার দাবিতে আজ মঙ্গলবার দুপুর ২ টা ৩০ মিনিট নাগাদ হঠাৎ আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কে মুঙ্গিয়াকামীতে স্থানীয় এলাকাবাসীরা একজোট হয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বসে । ঘটনার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই তেলিয়ামুড়া মহকুমার মুঙ্গিয়াকামী ব্লকের অধীনে বেশ কয়েকটি এডিসি ভিলেজে পানীয় জলের দুর্ভোগ দেখা দেয় । কিন্তু গত ৪ থেকে ৫ দিন ধরে মুঙ্গিয়াকামীতে পানীয় জলের সংকট চরম আকার ধারণ করায় আজ মঙ্গলবার দুপুর ২ টা ৩০ মিনিট নাগাদ বরাবরের মতোই বাধ্য হয়ে পানীয় জলের দাবিতে ফের একবার জাতীয় সড়ক অবরোধ করে স্থানীয় এলাকাবাসীরা । ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান মুঙ্গিয়াকামী থানার সেকেন্ড ওসি চন্দ্র দেববর্মা সহ থানার কর্তব্যরত এক সাব ইন্সপেক্টর রঞ্জন বিশ্বাস সহ বিশাল পুলিশবাহিনী । পাশাপাশি ছুটে যান প্রশাসনিক অন্যান্য অধিকর্তারাও । প্রশাসনিক অধিকর্তারা তৎক্ষণাৎ ওই এলাকায় গিয়ে ফের একবার আগের মতো প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিলে সরল সোজা উপজাতি জনগণেরা তাদের ঢপের প্রতিশ্রতির কথা মেনেই প্রায়শই-র মতো আজও অবরোধ তুলে নেন । কিন্তু প্রশাসনিক অধিকর্তাদের এই ঢপের প্রতিশ্রতির বন্যা কয়েকদিন ঠিক থাকলেও তারপরই আবার দেখা দেয় পানীয় জলের চরম অভাব । তখন কোন রাস্তা না পেয়ে একমাত্র ছড়ার জল কিংবা নদী-নালার নোংড়া ও দূষিত জলের উপরে নির্ভর করতে হয় এলাকাবাসীদের । যার ফলে উপজাতি গিরিবাসীদের প্রায়ই অজানা রোগে ভুগতে হয় এবং মাঝে মাঝে মৃত্যুর সঙ্গেও পাঞ্জা লড়তে হয় । কিন্তু উপজাতি গিরিবাসীদের ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের এবারও কোন বিকল্প হয় নি । ঠিক পূর্বের মতোই আছে । মুঙ্গিয়াকামীতে কিছু জায়গায় স্বল্প জলের ব্যবস্থা থাকলেও সেই জল পানের অযোগ্য । এমনই এক অভিযোগ তোলে আজ মঙ্গলবার দুপুর ২ টা ৩০ মিনিট নাগাদ মুঙ্গিয়াকামী বাজার এলাকায় স্থানীয় গ্রামবাসীরা আসাম আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে । এর ফলে জাতীয় সড়কের দু-পাশে দাঁড়িয়ে যায় শত শত মালবাহী ও যাত্রীবাহী গাড়ি । যদিও কিছুক্ষন পর্যন্ত তীব্র প্রবাহে চলে পানীয় জলের জন্য রাস্তা অবরোধ । স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, বিভিন্ন সময়ে ৩ থেকে ৪ বার ধরে মুঙ্গিয়াকামীর DWS অফিসে গিয়ে পানীয় জলের সু-ব্যবস্থার অভিযোগ করার পরেও DWS-র SDO অমরপ্রেম জমাতিয়া এই মহামারীতে পানীয় জলের অন্য কোন বিকল্প ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেয় নি । এর জন্যই আজ তাঁরা বাধ্য হয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে । পরবর্তী সময়ে খবর পেয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে এবং ফের একবার পানীয় জলের সুব্যবস্থা করার মতো ঢপের প্রতিশ্রুতির বন্যা ভাসিয়ে দিলে সহজ সরল এলাকাবাসীরা কিছুক্ষন পর জাতীয় সড়ক অবরোধ তুলে নেয় । উল্লেখ্য, পূর্ব থেকে এখন পর্যন্ত বারবার-ই রাম-বাম এর আমলারা উপজাতি গিরিবাসীদের সহজ সরল সুযোগ নিয়ে নিজ প্রয়োজনে তাদের ব্যবহার করেছে । তবুও তাদের বিশ্বাস এইবার হয়তো বা উক্ত দপ্তরের সরকারি কর্মচারীরা তাদের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করবেন । অতঃপর এইবার যদি মুঙ্গিয়াকামীতে স্থানীয় এলাকাবাসীদের মধ্যে বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করা না হয় তাহলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর থেকে বৃহত্তর আন্দোলন পানীয় জলের জন্য গড়ে তোলা হবে বলে জানান একজোট এলাকাবাসী ।
জার্নালিস্ট প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের ১১জনের এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন হল মঙ্গলবার
written by janatar kalam
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি যেসব সাংবাদিকরা খেলেন তাদের নিয়ে এক সংগঠন গড়ে উঠে নাম *’জার্নালিস্টস্ প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন’*। এই সংগঠনের সাংগঠনিক ক্রিয়া-কলাপ পরিচালনার জন্য আজ আগরতলা প্রেসক্লাবের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক বিশেষ সাধারণ সভায় ১১ সদস্য বিশিষ্ট এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে, প্রত্যেকের থেকে পেশ করা প্রস্তাব অনুযায়ী কমিটিতে সভাপতি সুপ্রভাত দেবনাথ, সহ-সভাপতি শান্তনু বনিক ও কিরিটি দত্ত, সম্পাদক অভিষেক দে, সহ-সম্পাদক অনির্বাণ দেব ও কৌশিক সমাজপতি, কোষাধ্যক্ষ মেঘধন দেব, কার্যকরী সদস্য প্রসেনজিৎ সাহা, বিশ্বজিৎ দেবনাথ, জাকির হোসেন ও দিব্যেন্দু দে নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী দুই বছরের জন্য এই কমিটি, সংস্থার সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবেন বলে আজ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভার শুরুতে যুগ্ম-আহ্বায়ক সুপ্রভাত দেবনাথ ও অভিষেক দে এই সংগঠন গড়ার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। এই সংগঠনের গড়া খেলোয়ারের টিম, বিগত সময়ের মতো আগরতলা প্রেসক্লাব, বিভিন্ন মিডিয়া হাউজ এবং সংগঠনের আহ্বানে ও আয়োজনে বিনোদনমূলক খেলায় সব সময় মাঠে নামতে বদ্ধপরিকর।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার প্রাথমিক ড্রিল কে বিদ্যালয় স্তরে অন্তর্ভুক্ত করার দিকে লক্ষ রেখে কাজ করে চলছে সরকার- মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম, ত্রিপুরা,আগরতলা প্রতিনিধি :- মঙ্গলবার রাজ্য মহাকরণে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এবং অর্থ দপ্তরের উদ্যোগে ডিজাস্টার রিডাকশন ডে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব মহোদয় তাছাড়া উপস্থিত ছিলেন অর্থ দপ্তরের মন্ত্রী শ্রী এনসি দেববর্মা মহোদয় ও। এদিন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের বিভিন্ন জেলার নেতা মন্ত্রীদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বার্তালাপ করে অনুষ্ঠানটি পালন করেন এবং বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি রাজ্যের বিদ্যালয় স্তরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার প্রাথমিক ড্রিল কে বিদ্যালয়ের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার দিকে লক্ষ রেখে কাজ করে চলছে সরকার বলে জানান। তাছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের আপাদমিত্র প্রকল্পকে লাগু করার কথা জানান তিনি। পাশাপাশি অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের নাম পাল্টিয়ে ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সার্ভিস রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কৃষক সন্মাননিধী যোজনার আওতায় প্রত্যেক কৃষককে ২১০ টাকা করে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিল থেকে দেওয়া হবেঃ- প্রনজিৎ সিংহ রায়
written by janatar kalam
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- রাজ্য প্রদেশ কার্যালয়ে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হল দলীয় নেতা মন্ত্রীদের নিয়ে কার্য্যকারিনী বৈঠক। এদিনের বৈঠক নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের কৃষি, পরিবহন এবং পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় জানান দলীয় কর্মসূচী নিয়ে আলোচনা করায় হল এর মূল উদ্দেশ্য। তাছাড়া রাজ্য সরকারের নেতা মন্ত্রীরা আগামী দিনে কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন তা নিয়ে দলের কার্যকর্তাদের সাথে মাসে একবার বসে তা নিয়ে আলোচনা করার বিষয়ে দলের সভাপতির সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি এদিন তিনি কৃষকদের উন্নতির স্বার্থে দেশের প্রধানমন্ত্রীর নানা প্রকপ্লের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাছাড়া কৃষক সন্মাননিধী যোজনার আওতায় প্রত্যেক কৃষকের কৃষিকাজের খাতে ২১০ টাকা করে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিল থেকে দেওয়ার মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
