১০৩২৩ শিক্ষকদের চাকুরিচ্যুতির দু মাস পূর্ণ হলো, তাদের দাবি পূরণের কোন হেলদোল নেই রাজ্য সরকারের, তারই পরিপ্রেক্ষিতে আগামী পয়লা জুন অল ত্রিপুরা সরকারি ১০৩২৩ এড হক শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনের পক্ষ থেকে এক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে রাজধানীসহ রাজ্যের সমস্ত জেলা সদরে কর্মচ্যুত শিক্ষকরা তাদের কর্মসংস্থানের দাবিতে একই সময়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মানবশৃঙ্খল তৈরি করবেন, এদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে সমস্ত ১০৩২৩ শিক্ষকদের বাঁচার তাগিদে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে কর্মসূচিকে সাফল্যমন্ডিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে.
Monthly Archives
May 2020
বৃহস্পতিবার উত্তর পূর্বাঞ্চলের চারটি রাজ্য যথা আসাম ত্রিপুরা মনিপুর এবং মেঘালয়াতে পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশ থেকে নিজ নিজ রাজ্যের রাজ্যবাসীরা রাজ্যে ফিরে আসেন পাশাপাশি আমাদের রাজ্য ত্রিপুরাতেও প্রায় ১০০ জনের মত রাজ্যবাসী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত রিভা গাঙ্গুলি দাস এর সহযোগিতায় রাজ্যে ফিরে আসেন. এদিন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত রিভা গাঙ্গুলি দাস এর সাথে সাক্ষাৎ করতে এসে রাজ্যের পশ্চিম জেলা সংসদ শ্রীমতি প্রতিমা ভৌমিক সং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান বাংলাদেশ থেকে আগত ১২৯ জন সকল রাজ্য বাসীদের পরীক্ষা করা হবে এবং তাদের সাত দিনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টিনে রাখা হবে জানান তিনি. পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যে নিয়ম-নীতি বেঁধে দিয়েছেন তাও মেনে চলবেন বলে জানান তিনি.
গঠিত হল কমলাসাগর সোসাইটি, সোসাইটির দায়িত্ব পেয়ে কাজ করার আগ্রহ পোষণ করলো সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক
by prasenjit
written by prasenjit
দীর্ঘ তিন বছর পর নতুন বিজেপি সরকার আসার পর গঠিত হল কমলাসাগর সোসাইটি, আর সেই সোসাইটির নতুন চেয়ারম্যান হলেন সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক. সেই দায়িত্ব পেয়ে প্রথমবারের মতো কমিটির সদস্য সদস্যাদের নিয়ে সভা করলেন মন্দিরের সামনে সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক, এদিনের সভাতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি জেলা সভাপতি অঞ্জন পুরকায়স্থ, বিশালগড় মহকুমা শাসক জয়ন্ত ভট্টাচার্য, ব্লক চেয়ারপার্সন ছন্দা দেববর্মা বিশালগড় সমষ্টি আধিকারিক ইলেকট্রিক অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার কমলাসাগর মন্ডল সভাপতি স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান সহ অন্যান্যৱা. নতুন কমিটির চেয়ারম্যান হয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন দীর্ঘ বাম শাসনকালে কোনো উন্নয়ন হয়নি কসবা কমলা সাগরের এখন নতুন দায়িত্ব পেয়ে কিছু কাজ করার আগ্রহ পোষণ করেন আগামী এক মাসের মধ্যে উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে তিনি জানান.
সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে স্পিক আপ ইন্ডিয়া নামক কর্মসূচি হাতে নিল কংগ্রেস
written by janatar kalam
রাজ্যের লক ডাউনের এই বিপন্ন মুহূর্তে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাজ্যের সাধারণ জনগণ, রাজ্যের অন্যতম বিরোধী দল কংগ্রেস বারংবার প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বার্তা রেখেছিলেন যে রাজ্যের খেটে খাওয়া মানুষদের প্রতি লক্ষ্য রাখার জন্য কিন্তু হেলদোল লক্ষ করা গেল না কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এমনই অভিযোগ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির. তারই পরিপেক্ষিতে আজ এ আইসিসির পক্ষ থেকে সর্বভারতীয় স্তরে ও রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ক্যাম্পিং স্পিক আপ ইন্ডিয়া নামক এক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয় এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যের সমগ্র ভারতের গরিব শ্রেণীর মানুষদের মধ্যে বিনামূল্যে রেশনিং প্রদান করা ও আর্থিক অনুদান প্রদান সহ বিভিন্ন দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন বলে জানা যায়. এই কর্মসূচির মাধ্যমে গোটা ভারতবর্ষে সমগ্র জনসাধারণ নিজ নিজ মতামত তুলে ধরতে পারবেন বলে জানা যায় এবং এই কর্মসূচি আজ সকাল ১১ টা থেকে দুপুর দুটো অব্দি চলবে বলেও জানা যায়.
এক হৃদয় বিদারক করুন ঘটনার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করলো চরিলাম বাসী। অবুঝ শিশু বালিকা হিমানী দেবনাথ। 10 বছরের হিমানী পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী। তার বাড়ি বিশালগড় মহকুমারের চরিলাম বিধানসভার ছেচরিমাই গ্রাম পঞ্চায়েতের 6 নং ওয়ার্ড বালুয়া ছড়িতে। জন্মের পরই জন্মদাতা পিতা নিবাস দেবনাথ জীবন থেকে হারিয়ে যায়। এরপর একে একে দাদু/ ঠাকুমা ও পরলোক গমন করেন। মাতৃ পক্ষেরও ঘনিষ্ঠ কোন আত্মীয় ও নেই। হিমানীর মা কমলাদেবী একমাত্র মেয়েকে নিয়ে জীবন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। কঠিন বাস্তবের মুখোমুখি হয়ে জীবনে রক্ষার তাগিদে সংসার চালাতে গিয়ে অবুঝ মেয়েকে নিয়ে কতই না কষ্ট করেছেন সেই ইতিহাস গোপন থাকাই ভালো। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। এই মানব সংসারে অবুঝ শিশু হিমানীর একমাত্র সম্বল জন্মদাত্রী মা গত সাতদিন আগে চিরতরে বিদায় নেয়। সুগার সহ বিভিন্ন কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে হিমানীর মা কমলাদেবী। টাকা পয়সার অভাবে উন্নত মানের চিকিৎসা তো দূরের কথা। এই কঠিন পরিস্থিতিতে স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে ওষুধ বড়ি কেনার জন্য সামান্য সাহায্য ও করা হয়েছিল।কিন্তু অদৃশ্য শক্তি নিয়তির লিখন অনেক লড়াই-সংগ্রাম করেও অবশেষে গত সাতদিন আগে তিনি মারা যান। একেবারে সহায়-সম্বলহীন অনাথ হয়ে পড়ে 10 বছরের নাবালিকা কন্যা হিমানী। সামাজিক সংস্কার ও ধর্মীয় রীতিনীতি সম্পূর্ণভাবে বোঝার ক্ষমতা হয়তো এখনো তার হয়নি। কিন্তু মায়ের শ্রাদ্ধ তো করতে ই হবে। বর্তমানে হিমানীর পারিবারিক সম্পত্তি বলতে শুধুমাত্র একটি বসতঘরের ভিটেমাটি।মায়ের শ্রাদ্ধের জন্য পাড়ার কয়েকজন মানুষের সহযোগিতায় চরিলাম বাজারে দোকানে দোকানে হাত পেতে টাকা চাইছে হিমানী। দুই হাত জোড় করে দোকানে দোকানে গিয়ে অবুঝ শিশুটি বলছে আমার মায়ের শ্রাদ্ধের জন্য কিছু সাহায্য দিন।এই দৃশ্য কতটা হৃদয়বিদারক হতে পারে তা হয়তো নিজের চোখে প্রত্যক্ষ না করলে অনুমান করা যাবে না। কি হবে তার ভবিষ্যৎ? কে নেবে তার দায়িত্ব? পঞ্চম শ্রেণীর এই ছাত্রীটিকে যদি সরকার সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে হয়তো পিতৃ-মাতৃহীন হিমানী বাঁচার সম্বল টুকু পেতে পারে। এলাকাবাসীর ও দাবি সরকার যেন এই মেয়েটির দিকে একটু দৃষ্টিপাত করেন। আজ বিশালগড় প্রেসক্লাব তরফ থেকে এই মেয়েটির পরিবারের যারা অবশিষ্ট আছেন তাদের হাতে তিন হাজার টাকা তুলে দিলেন ।
পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজ রাজ্য বিহারে উদ্দেশ্যে বিশালগড় স্টেশন থেকে রওনা হল ট্রেন
by prasenjit
written by prasenjit
বৃহস্পতিবার পরিযায়ী প্রায় ৬০০ শ্রমিকের নিজ রাজ্য বিহারের উদ্দেশ্যে বিশালগড় রেলস্টেশন থেকে রওনা হয়. এদিন সিপাহী জলা জেলাশাসক এবং সিপাহী জেলার সমস্ত ব্রিক্স ইন্ডাস্ট্রিজের মালিকপক্ষ মিলে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য জল খাবারের আয়োজন করা হয়। আজ বিশালগড় রেলস্টেশন থেকে পরিযায়ী শ্রমিকরা তাদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হতে পেরে অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।
রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকারের সহযোগিতায় রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজ রাজ্যে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়, আজ সেই পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে আবারও দাঁড়াল রাজ্য সরকার, তারই পরিপ্রেক্ষিতে দেশের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে রাজ্যের উমাকান্ত একাডেমি বিদ্যালয়ে জেলাশাসক ও সদর মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ এর হাত দিয়ে রাজ্যে স্থায়ীভাবে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও তাদের ছেলেমেয়েদের উদ্দেশ্যে বই বিতরণ করা হয়. এদিন কর্মসূচি থেকে রাজ্য শিক্ষা মন্ত্রী লকডাউন এর মাঝে ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা স্কুলে এসে পরিযায়ী শ্রমিকদের ছেলেমেয়েদের উদ্দেশ্যে বই তুলে দেওয়ার কর্মসূচিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন.
গত ১২ই মে নিজেদের চাকরি রক্ষার জন্য রাজধানী শিক্ষাভবনে এক গণআন্দোলনের মিলিত হয়েছিল ১০৩২৩ এড-হক শিক্ষক কর্মচারী সংগঠন, সেই গণআন্দোলনের পরিপেক্ষিতে ১৩ তারিখ ৭ জনসহ অতিরিক্ত ৭০ জনের নামে থানায় মামলা করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলে জানা যায় এবং সেই দিনই সংগঠনের ২জন শিক্ষক সে বিষয়ে জানার জন্য ডিজি অফিসে যাওয়ায় তাদের বিনাকারণে আটক করে পশ্চিম আগরতলা থানায় রাখা হয় বলেও জানা যায় । সেই মামলা যেন অতি শীঘ্রই প্রত্যাহার করা হয় তার দাবিতে আজ ১০৩২৩ শিক্ষক ডিজি কে চিঠি দেয়ার উদ্দেশ্যে এসপি সাহেবের কাছে একটি মেমোরেন্ডাম প্রদান করার উদ্দেশ্যে ডিজি অফিসের সামনে মিলিত হয় ১০৩২৩ এড-হোক শিক্ষক কর্মচারী সংগঠন। আজকের এই কর্মসূচি থেকে সংগঠনের সভাপতি বিমল সাহা প্রশাসনের এহেন ভূমিকাকে তীব্র ভাষায় নিন্দা জানান এবং দাবি রাখেন অতি শীঘ্রই যেন তাদের বিরুদ্ধে লাগানো আরোপ প্রত্যাহার করা হয় এবং যদি তা অতি শীঘ্রই না করা হয় তাহলে আগামীতে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে বলে জানান ১০৩২৩ এড-হক শিক্ষক কর্মচারী সংগঠন।
আজ চরিলাম বিজেপি মন্ডল অফিসের গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠান শুরু হয়।এই মন্ডল অফিসের গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠান শুভ সূচনা করেন ত্রিপুরা রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা চড়িলাম বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শ্রী যীষ্ণু দেববর্মা মহাশয়। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চড়িলাম বিজেপি মন্ডল সভাপতি রাজকুমার দেবনাথ সিপাহী জলা জেলা পঞ্চায়েতের সদস্য বিশ্বজিৎ সাহা সহ অন্যান্য কার্য কর্তারা।দীর্ঘদিনের দাবি ছিল যেন বিজেপি কার্যকর্তারা সাংগঠনিক আলোচনার জন্য একটি মন্ডল অফিস করা হয়। আজকে তাদের এই আশা-আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হলো আজকের এই মন্ডল অফিসের উদ্বোধনের ফলে অত্যন্ত খুশি চড়িলাম বাসী সহ বিজেপি নেতা নেত্রীরা।
বুধবার সকালে ঘূর্ণিঝড়ে আগরতলার যোগেন্দ্র নগর এর প্রধান পাড়া এলাকায় বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার ফলে রাজ্য বিজিবি সম্পাদিকা পাপিয়া দত্ত সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মীরা ওই সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পরিদর্শন করেন। সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা করে নিচ্ছেন সদর মহকুমা শাসক থেকে শুরু করে তহশিলদাররা বাড়ি বাড়ি গিয়ে যে সমস্ত বাড়ি ঘর বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরকে আর্থিকভাবে ও সাহায্য করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। যমুনা নগরের প্রধান পাড়া অনেকটি বাড়িঘর ঘূর্ণিঝড়ে এমন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কারুর বাড়ির ঘরের ছাউনি থেকে শুরু করে বাউন্ডারি সীমানা পর্যন্ত ভেঙে ফেলে দিয়েছে। লোক সচেতন না থাকলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটে যেত। ঘূর্ণিঝড়ে যোগেন্দ্র নগর বনকুমারি সহ অন্যান্য জায়গায়ও খুব খারাপভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই দিন সংবাদমাধ্যম কে বিজিবি সম্পাদিকা পাপিয়া দত্ত জানান রাজ্যের সরকার প্রহসন বিশেষভাবে নজরদারি রেখে কাজ করছেন যে সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত লোকেরা আছেন তাদেরকে সরকারি পক্ষ থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবেন বলে জানান।
