কালবৈশাখীর তান্ডবে লণ্ডভণ্ড তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের দুইটি ওয়ার্ড। শনিবার বিকেলের এক পশলা বৃষ্টির সাথে কালবৈশাখীর ঝড়ের ফলে তেলিয়ামুড়ার পুর পরিষদ এলাকার ৩নং ওয়ার্ড ও ৪নং ওয়ার্ড এবং ১৩নং ওয়ার্ডের তিনটি বাড়ির বসত ঘর তছনছ হয়ে যায়। বসতঘরের উপরে পরে বিশালাকার গাছ। সম্পূর্ণ ভেঙে যায় তিনটি ঘর। খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে ছুটে যান তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের চেয়ারম্যান নীতিন সাহা। ঘুরে দেখেন এই তিনটি ওয়ার্ড। সেইসাথে এই এলাকা গুলির ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্য প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি।
Monthly Archives
April 2020
দুঃখ দিয়ে জীবন যাদের গড়া তাদের আবার সুখ কিসের।লাকরি বেচে সংসার চলাতে হয়।আমরা কী কোন দিন সুখের চিন্তা করতে পারি।যেন এটা একটা আকাশ কুসুম স্বপ্ন।রাজ্যে চলছে দ্বিতীয় লক ডাউন। বাজার বন্ধ, রেশনে চাউল পেয়েছি ৪০কেজি ভগবান দয়া করে দিয়েছেন বলে রোজি রোজগার নেই পেটের জ্বালায় বাজারে লাকরি নিয়ে গেলে ও যা পাই তাতে করে ডাল আনতে গেলে বেরমা (সিদল) এর পয়সা থাকেনা। রেশনে সরকার চল্লিশ কেজী চাউল দিয়েছেন নেই ডাল আটা কেরশিন তেল।খালি ভাত তো আর খাওয়া যাই না।বাজারে ডালের যে দাম, লাকরি বেচে ডাল কিনলে কাচা লঙ্কার পয়সা হয়না। লক ডাউনের মধ্যে খুব অসাহায় আছেন সাধারণ মানুষ। কোনোরকম ভাবে দিন কাটে তাদের এরমাঝে লক ডাউনে যার দরুন অসহায় হয়ে পড়েছে গন্ডাছড়ার জানাজাতিরা ।
রাজ্য সরকার ১০৩২৩এর উদ্যেশে এক কালীন ৩৫০০ টাকা দেওয়ার ঘোষনা দিয়েছিলেন। রাজ্য সরকারের এই মানবিক চিন্তাধারার দিকটিকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করলেন ১০৩২৩ এডহক পে শিক্ষক সংঘটনের সভাপতি বিমল সাহা। তিনি বলেন কেনই দিয়েছেন এই অনুদান রাজ্য সরকার আমরা তা চাইনি। রাজ্য সরকার ভুল করেছে এই ভুলের খেসারত কে দেবে বলে সরকারের কাছে প্রশ্ন রাখেন তিনি। এবং এই মুহূর্তে রাজ্যে লক ডাউন চলছে আগামী ৩রা মে লক ডাউনের পর রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনে মিলিত হবেন বলে জানান তিনি পাশাপাশি তিনি সংঘটনের কাউকে রাজ্য সরকারের দেওয়া এই অনুদান গ্রহন না করার অনুরোধ রাখেন।
পেটের দায়ে মাঠে নামছে রিক্সা শ্রমিকরা , কিন্তু মানুষের স্বার্থে কাজ করছে পুলিশ
by prasenjit
written by prasenjit
রাজ্যে চলছে দ্বিতীয় পর্যায়ের লক ডাউন . এই মুহূর্তে মানুষকে সচেতন রাখতে ব্যাস্ত রাজ্য সরকার থেকে শশুরু করে প্রশাসন . পুলিশের কড়া মনোভাবের ভয়ে ঘর থেকে বেরুচ্ছেনা অনেকেই , আর যারা বেরুচ্ছেন তাদের আটকে রাখছেন কর্তব্যরত পুলিশ বাহিনী . এমনি এক দৃশ্য পরিলক্ষিত হলো রাজধানীর উজ্জয়ন্ত প্যালেসের সামনে. জানা যায় যারা আইন অমান্য করে রাস্তায় বেরুচ্ছেন যান বাহন নিয়ে যথা ক্রমে রিক্সা , টোঁটোঁ তাদের কে আটকে দিচ্ছে কর্তব্যরত পুলিশ বাহিনী . এদিন এক রিক্সা চালককে এব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি রাজ্যের এই মুহূর্তে তাদের সংসারে চলা অভাবের কথা জানান. তবে এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে যখন করোনা সংক্রমণের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলছে ঠিক তখনি প্রশাসনের এই পদক্ষেপ ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে অভিমত অভিজ্ঞ মহলের একাংশের.
রাজ্যের এই করুন মুহূর্তে সরকার ও প্রশাসনের পাশাপাশি মানুষের কাছে প্রতিমুহূর্তের খবর পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে রাজ্যের সাংবাদিক ও চিত্র সাংবাদিকরা । তা দেখে রাজধানীর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ক্লাবের সদস্য সদস্যরা সাংবাদিকদের হাতে এক বেলার জল খাবার তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় , তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজ আগরতলা প্রেস ক্লাবের সামনে ক্লাব সভাপতি চিত্তরঞ্জন সাহার হাত দিয়ে সাংবাদিকদের হাতে জল খবর তোলে দেওয়া হয় ।
তেলিয়ামুড়া “State NSS Open Unit Teliamura Branch” এর সহযোগিতায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলো Green Aims Social Organization”
by prasenjit
written by prasenjit
দেশজুড়ে যখন চলছে করোনা আতঙ্কের ত্রাহি ত্রাহি ভাব ঠিক তখনই এই করোনা আতঙ্ক থেকে পরিত্রান পেতে রোগীরা ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে । আর এই হাসপাতালগুলিতে রক্ত সংকটের মোকাবিলায় এগিয়ে এসেছে তেলিয়ামুড়ার সামাজিক সংস্থা “Green Aims Social Organization” এবং সহযোগিতায় রয়েছে “State NSS Open Unit Teliamura Branch”। আজ সকাল 11 ঘটিকায় তেলিয়ামুড়া টাউন হল তথা চিত্রাঙ্গদা কলাকেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব মেনে এক স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয় । আর আজকের উক্ত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা সরকারের মুখ্য সচেতক কল্যাণী রায় মহোদয়া ও তেলিয়ামুড়ার পৌরপিতা নীতিন কুমার সাহা, পুর পরিষদের ভাইস চেয়ারপার্সন রূপক সরকার সহ অন্যান্যরা । এদিনের এই রক্তদান শিবির সম্পর্কে বলতে গিয়ে ত্রিপুরার সরকারের মুখ্যসচেতক কল্যাণী রায় নিজ প্রতিক্রিয়ায় বর্তমান সময়ে এই রক্তদান শিবিরের ভূয়সি প্রশংসা করেন বিধায়িকা ।
রাজ্যের করোনা সংক্রমিত প্রথম ব্যাক্তির পর এবার করোনা মুক্ত হলো দ্বিতীয় ব্যাক্তিও । শনিবার তিনি ছাড়া পেলেন ত্রিপুরা আগরতলা এজিএমসি হাসপাতাল থেকে । হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে করোনা মুক্ত দ্বিতীয় ব্যাক্তি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বলেন যে যারা দিন রাত আপনার সুরক্ষার জন্য খাটছেন তাদের প্রতি একটু দৃষ্টি দিতে এবং রাজ্য ও রাজ্যের মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করতে ।
মেয়াদ উত্তির্ণ খাদ্য সামগ্রী নিম্বাস মার্টে, সিল করলো ফুড এন্ড লিগ্যাল মেট্রোলজি ট্রাক ফোর্স
written by janatar kalam
রাজ্যের বাজার গুলিতে ছেয়ে গেছে মেয়াদ উত্তির্ণ খাদ্য সামগ্রী। আর এই মেয়াদ উত্তির্ণ খাদ্য সামগ্রী খেয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে সাধারন মানুষ। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে এই সব খাদ্য সামগ্রী বিক্রি করে চলছে। তবে এই সব অসাধু ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার ফুড এন্ড লিগ্যাল মেট্রোলজি ট্রাক ফোর্সের উদ্যোগে অভিযান চালানো হয় বড়দোয়ালি স্কুলের সামনে নিম্বাস মার্ট নামক এক মুদির দোকানে। প্যাকেট জাত বিভিন্ন প্রকার মেয়াদ উত্তির্ণ খাদ্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে। একই সাথে বৈদ্যুতিক ওজন মাপার যন্ত্রে ব্যাপক বেমিল পান আধিকারিকরা। দোকান মালিককে প্রশ্ন করা হলে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। পরবর্তী সময়ে দোকান সিল করে দেওয়া হয় ফুড এন্ড লিগ্যাল মেট্রোলজি ট্রাক ফোর্সএর পক্ষ থেকে। এই ঘটনায় গোটা এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে।
দেশে বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলার পাশাপাশি দেশের গরিবদের স্বার্থেও এক পায়ে দাঁড়িয়ে আসাম রাইফেলসের জওয়ানরা . জানা যায় আসাম রাইফেলসের ২১নং ব্যাটেলিয়নের পূর্ব আগরতলা শাখার উদ্যোগে জিরানিয়া মহকুমার অন্তর্গত মান্দাইস্থিত বিডিও কার্যালয়ের সামনে এলাকাবাসীদের মধ্যে আসাম রাইফেলসের নিজস্ব হাতে তৈরী মাস্ক প্রদান করা হয় . আসাম রাইফেল জওয়ানদের এই ধরণের কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকাবাসীদের মধ্যে উৎসাহ পরিলক্ষিত হয় .
লক ডাউনের মাঝে কিছু দোকানকে একবেলা খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও , বিনা অনুমতি প্রাপ্ত দোকানগুলিও খোলা লক্ষ করা গেলো
written by janatar kalam
রাজ্যে লক ডাউনের মাঝে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের কথা চিন্তা করে , কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতিক্রমে রাজ্যের আইনমন্ত্রীর সাথে আলোচনাক্রমে রাজধানীর কিছু দোকানকে এক বেলা খোলার অনুমতি দেওয়া হয় , কিন্তু দেখা যায় রাজধানীর অনুমতি প্রাপ্ত দোকান ছাড়াও খোলা রয়েছে অন্যান্য দোকানগুলিও যার জন্যে ভিড় পরিলক্ষিত হয়েছে দোকান এলাকাগুলিতে , পাশাপাশি রাজধানীর রাজপথের কিছু জায়গায় পরিলক্ষিত হয় যানবাহন চলাচল ও তাছাড়া কর্তব্যরত পুলিশ বাহিনীকে রাস্তায় বের হওয়া যানবাহনগুলোকে আটক করে তদন্ত করতে দেখা যায়.
