Connect with us

Uncategorized

৩৭৯ জন ফিল্ড ফাংশনারির জন্য নির্বাচন কমিশনের দুদিনব্যাপী সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচি শুরু

Published

on

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-১৩তম ব্যাচের বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ আজ থেকে নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্র্যাসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট (IIIDEM)-এ শুরু হয়েছে। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমার এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং উপস্থিত ৩৭৯ জন অংশগ্রহণকারীকে (উত্তরপ্রদেশ থেকে ১১১ জন, মধ্যপ্রদেশ থেকে ১২৮ জন, নাগাল্যান্ড থেকে ৬৭ জন, মেঘালয় থেকে ৬৬ জন এবং চণ্ডীগড় থেকে ৭ জন) উদ্দেশ্য করে ভাষণ দেন।

গত তিন মাসে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নয়াদিল্লিতে ৫.০০০-র বেশি বিএলও ও বিএলও সুপারভাইজারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

উদ্বোধনী ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেন, এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নির্বাচনী তালিকা প্রস্তুতি এবং নির্বাচন পরিচালনা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ ও ১৯৫১, নির্বাচকদের নিবন্ধন বিধি, ১৯৬০, নির্বাচন পরিচালনা বিধি, ১৯৬১ এবং নির্বাচন কমিশনের সময়ে সময়ে জারিকৃত নির্দেশিকা অনুযায়ী সম্পূর্ণ আইনানুগভাবে পরিচালিত হয়। তিনি বলেন, যে কোনো গণতন্ত্রে আইন অপেক্ষা অধিক স্বচ্ছ কিছু হতে পারে না এবং ভারতের নির্বাচনসমূহ আইন মোতাবেক পরিচালিত হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচনী তালিকার চূড়ান্ত প্রকাশের পর জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ধারা ২৪(ক) অনুযায়ী জেলা শাসক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং ধারা ২৪(খ) অনুযায়ী রাজ্য কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তার (সিইও) নিকট প্রথম ও দ্বিতীয় আপিল করার বিধান সম্পর্কে অবহিত হবেন। একইসঙ্গে তিনি বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজারদের উৎসাহ দেন যেন তারা মাঠপর্যায়ে ভোটারদেরও এই আইনি সুবিধাগুলি সম্পর্কে সচেতন করেন।

উল্লেখ্য যে, ৬-১০ জানুয়ারি ২০২৫-এ অনুষ্ঠিত বিশেষ সংশোধন পর্ব (Special Summary Revision) শেষ হওয়ার পর মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মধ্যপ্রদেশ, চণ্ডীগড় এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে কোনো আপিল দাখিল করা হয়নি। এই প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য অংশগ্রহণকারীদের ভোটার নিবন্ধন, ফর্ম প্রক্রিয়াকরণ এবং মাঠপর্যায়ে নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যাবলি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাস্তব জ্ঞান উন্নত করা। প্রশিক্ষণার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক টুল ব্যবহার সম্পর্কেও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ পাবেন। পাশাপাশি তাদের ইভিএম (EVM) ও ভিভিপ্যাট (VVPAT) ব্যবহারে প্রযুক্তিগত ডেমো ও মক পোল পরিচালনার প্রশিক্ষণও প্রদান করা হবে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।