Connect with us

Uncategorized

দেশের প্রধানমন্ত্রী ত্রিপুরার বন্যা দুর্গতদের পাশে রয়েছেন, রাজ্য সরকার ওহ পাশে রয়েছেন : মুখ্যমন্ত্রী 

Published

on

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বন্যা দুর্গত মানুষের সহায়তায় সরকার পাশে থাকবে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা আজ সকালে বন্যা কবলিত গোমতী ও দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বিভিন্ন ত্রাণ শিবির ও বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। সকালে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমেই হেলিকপ্টারে গোমতী জেলার উদয়পুরে আসেন। মুখ্যমন্ত্রী বন্যা কবলিত উদয়পুর পুর এলাকা পরিদর্শন করেন। তাছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী উদয়পুরের খিলপাড়া দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের এবং খিলপাড়া প্রাথমিক কৃষি মার্কেটে ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করেন।

ত্রাণ শিবির পরিদর্শনের সময় মুখ্যমন্ত্রী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া বন্যা দুর্গত মানুষের সাথে কথা বলেন। ত্রাণ শিবিরে মুখ্যমন্ত্রী বন্যা দুর্গত মানুষের যাতে কোনও ধরনের অসুবিধা না হয় সেদিকে সতর্ক থাকতে আধিকারিকদের নির্দেশ দেন। সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা জানান, বন্যা দুর্গত মানুষের সহায়তায় সরকার পাশে থাকবে। দেশের প্রধানমন্ত্রী ত্রিপুরার বন্যা দুর্গতদের পাশে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বন্যা কবলিত ত্রিপুরার জন্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। এনডিআরএফ বাহিনী হেলিকপ্টার দিয়ে বন্যা দুর্গত মানুষের উদ্ধারের কাজে হাতে লাগিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বন্যা দুর্গত মানুষের সহায়তায় সরকার পাশে রয়েছে। বন্যার ফলে যে সমস্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের বই ও খাতা নষ্ট হয়েছে তাদেরকে বই ও খাতা দেওয়া হবে। তাছাড়া বন্যায় যাদের সরকারি শংসাপত্র নষ্ট হয়ে গেছে তা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন থেকে পুনরায় দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই প্রাথমিক সহায়তা হিসেবে এসডিআরএফ- এর সেন্ট্রাল শেয়ারে ৪০ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর মুখ্যমন্ত্রী উদয়পুরে গোমতী নদীর উপর নেতাজি সুভাষ সেতুতে দাঁড়িয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দেখেন।

উদয়পুরে বন্যা কবলিত এলাকা ও ত্রাণ শিবির পরিদর্শনের সময় মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ছিলেন উদয়পুর পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন শীতল চন্দ্র মজুমদার, সচিব কিরণ গিত্যে, সচিব অভিষেক সিং, জেলার বিশেষ জেলাশাসক রাভেল হেমেন্দ্র কুমার সহ জেলার অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকগণ। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এদিন হেলিকপ্টারে গোমতী জেলার অমরপুর ও করবুক মহকুমা এবং দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বিলোনীয়া মহকুমার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ হেলিকপ্টারে বকাফা বিএসএফ ক্যাম্পের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন।

সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী চলে যান পশ্চিম বকাফা দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের ত্রাণ শিবিরে। মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ শিবির ঘুরে দেখেন এবং শিবিরে আশ্রিত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের খাদ্য, পানীয়জল ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রী শান্তিরবাজার ডাকবাংলোয় বন্যা পরিস্থিতি, ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ নিয়ে সরকারি আধিকারিকদের সাথে পর্যালোচনা করেন। এই পর্যালোচনা সভায় সমবায়মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া উপস্থিত ছিলেন। পর্যালোচনা সভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় বন্যায় দুর্গত মানুষের উদ্ধার কাজ, ত্রাণ, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, পানীয়জল, স্বাস্থ্য, খাদ্য মজুতের বিষয়েও বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। জেলায় বন্যা কবলিত এলাকা ও ত্রাণ শিবির পরিদর্শনের সময় মুখ্যমন্ত্রীর সাথে বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, সচিব কিরণ গিত্যে, সচিব অভিষেক সিং, দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক স্মিতা মল, শান্তিরবাজার মহকুমার মহকুমা শাসক অভেদানন্দ বৈদ্য প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

Continue Reading