Uncategorized
খুনের রাজনীতি শুরু করে দিয়েছে বামগ্রেস, কোনভাবেই ছাড়া হবে না তাদের : মানিক
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- খুনের রাজনীতি শুরু করে দিয়েছে বামগ্রেস, কোনভাবেই ছাড়া হবে না তাদের। কংগ্রেসের গুন্ডারা সিপিআইএমের সাথে মিলে গুন্ডারাজ শুরু করেছে। শক্ত হাতে মোকাবেলা করবো আমরা। বললেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা। সাত সকালে মর্নিং ওয়ার্ক এ বেরিয়ে আক্রান্তের শিকার বনমালীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের এস সি মোর্চার সভাপতি সুমন দাস। চার পাঁচ জন মিলে তাকে এলোপাাতাড়ি কুপিয়েছে চোখে মুখে। শঙ্কা জনক অবস্থায় তাকে রাজধানীর জিবিপি হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করানো হয়েছে।ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে গোটা বনমালীপুর এলাকা জুড়ে। একে একে ছুটে গিয়েছে বিজেপির সমস্ত রাজনৈতিক নেতৃত্বরা।জিবিতে ট্রমা সেন্টারে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। ডা: সাহা নিজের হাতে গ্লাভস পড়ে আহত সুমনের মুখ গহ্বর দেখেন পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসার নির্দেশ দিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসককে। ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী এদিন সিপিআইএম এবং কংগ্রেস দলকে তীব্র হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন কোনভাবেই ছাড়া হবে না আক্রমণকারীদের, শক্ত হাতে মোকাবেলা করবে বিজেপি দল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন তার মুখমন্ডলের বিভিন্ন অংশে প্রচন্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কংগ্রেসের গুন্ডারা সিপিআইএমের সাথে মিশে রাজ্যের আইনশৃংখলার অবনতি করছে , তারাই আবার আইন-শৃঙ্খলা অবনতির জিগির তুলে রাজ্যে উশৃংখল পরিবেশ তৈরি করছে। তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না। এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।বিপ্লব দেব স্পষ্ট ভাষায় জানান, যারা এই ঘটনা সংঘটিত করেছে তাদের প্রত্যেককে চিহ্নিত করা হয়েছে, ঘটনার সাথে এলাকার এক প্রফেশনাল মাফিয়া জড়িত রয়েছে। এক এক করে প্রত্যেককে গ্রেফতার করার কথা বলা হয়েছে রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশককে। বিপ্লব দেব বলেন, যদি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হয় তাহলে বিজেপি দল বনমালীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষদের নিয়ে তার প্রতিবাদ করবে। এ দিন রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ রতন চক্রবর্তী বলেন, এটাই হচ্ছে অশুভ জুটের ফল , হিংসা ও খুনের রাজনীতি শুরু করে দিয়েছে, অনেকদিন ধরেই সুমন দাস এর উপর নজর রেখেছিল , তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না। এদিন প্রদেশ বিজেপি রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য বলেন কংগ্রেস সিপিআইএমের কালচার ফিরিয়ে আনতে চাইছে। বিজেপি দল বিকেলের মধ্যে সব আসামিকে গ্রেপ্তার না করলে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন শুরু করবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের এসপিকে। নির্বাচনের মুহূর্তে এই ধরনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা রাজধানীতে। রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশকের সাথে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী, সাংসদ, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি অধ্যক্ষ প্রত্যেকেই। দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন নির্বাচন কমিশনারের। আটচল্লিশ ঘন্টার মধ্যেই চাইছে আসামিদের গ্রেপ্তার।
