Connect with us

Uncategorized

পুলিশ এবং টিএস আরের মুখে মল ছুড়ে দিয়ে পালানোর চেষ্টা এক আসামির

Published

on

জনতার কলম ত্রিপুরা চড়িলাম প্রতিনিধি:- খবরের জেরে এক বিরাট বাইক চুরি চক্রের হদিশ পেয়েছে বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ। প্রথমেই বিশ্রামগঞ্জ মিনি স্টেডিয়াম এর সামনে থেকে আখের রস ব্যবসায়ী এক যুবককে আটক করে বিশ্রামগঞ্জ থানা পুলিশ। সেই যুবক থেকে এক এক করে তথ্য বেরিয়ে আসছে কারা জড়িত বাইক চুরির সঙ্গে। তাকে জেরা করেই পুলিশ জানতে পারে বাইক চুরি চক্রের সঙ্গে আরেক যুবক জড়িত রয়েছে। যার নাম সবুজ মিয়া উরফে জাহাঙ্গীর হোসেন ২৪ বাড়ি সোনামুড়া আড়ালিয়া এলাকায়। বিশ্রামগঞ্জ থানা পুলিশ গতকাল গভীর রাত্রে সোনামুড়া আড়ালিয়া এলাকা থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন ও সবুজ মিয়াকে আটক করে বিশ্রামগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে। মঙ্গলবার সকাল বেলা বিশ্রামগঞ্জ হাসপাতালের মেডিকেল চেকআপ করা নো হয়। মেডিকেল চেকআপ করিয়ে ৫৮২১আইপিসি_৩৮২(d) মামলা নেওয়া হয় এবং জাহাঙ্গীর হোসেনকে পুলিশের গাড়ি করে বিশালগড় মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়। যখন বিশ্রামগঞ্জ থানা পুলিশের গাড়িটি জাহাঙ্গীর হোসেনকে নিয়ে চেচুড়ী মাই এলাকা অতিক্রম করে পরিমল চৌমনিতে আসামাত্র জাহাঙ্গীর হোসেন গাড়িতে মল ত্যাগ করে সেই মল হেড কনস্টেবল নারায়ন দেববর্মা টিএসআর হাবিলদার বিজয় কান্ত সাহু এবং টিএসআর ব্রজশাখা মোরা সিংয়ের নাকে মুখে পায়খানা ছিটিয়ে দিয়ে চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন টিএসআর ব্রজ শাখা মুরাসিং নাকে মুখে মল লেগে থাকা সত্ত্বেও গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পড়ে আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে আটক করে ফেলে।জাহাঙ্গীর হোসেন চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় রানিং গাড়িতেই ধাক্কা খেয়ে চোখ মুখ হাতে পায়ে এবং মাথায় আঘাত পায়।সঙ্গে সঙ্গে তাকে আবার আদালতে না নিয়ে গিয়ে বিশ্রামগঞ্জ প্রাথমিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।বিশ্রামগঞ্জ প্রাথমিক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডক্টর পুজা দে তার হাতে চোখে পায়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করানোর পর তাকে জীবি পি হাসপাতালে রেফার করে। ডক্টর পূজা দে বলেন যেহেতু বিশ্রামগঞ্জ প্রাথমিক হাসপাতালে সিটিস্ক্যানের কোন যন্ত্র নেই। তাই তাকে জিবিপি তে রেফার করা হয়েছে। কারন সে মাথায় আঘাত পেয়েছে। লফোল কাসটিডি থেকে পালাতে চেয়েছিল জাহাঙ্গীর হোসেন।যার ফলে তার বিরুদ্ধে আইপিসি 224 ধারায় আবার মামলা নেওয়া হয়েছে বলে জানান বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি পান্নালাল সেন। ওসি বলেন তার চাকরি জীবনে এমন ঘটনার সাক্ষী হতে হয়নি। মল ত্যাগ করে পুলিশ এবং প্রেসারের নাকে-মুখে দিয়ে সারা ত্রিপুরা রাজ্যে নজির সৃষ্টি করেছে জাহাঙ্গীর হোসেন। মলের দুর্গন্ধ অ্যাম্বুলেন্স এবং পুলিশের গাড়িতে উঠায় দুষ্কর হয়ে পড়েছে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান ওসি পান্নালাল সেন এবং বিশ্রামগঞ্জ থানা সমস্ত পুলিশ বাবুরা। হতবাক বিশ্রামগঞ্জ থানা পুলিশ।পালানোর চেষ্টা করে ও ব্যর্থ হয় বাইক চুরি চক্রের অন্যতম পান্ডা জাহাঙ্গীর হোসেন।