Connect with us

Uncategorized

মহারাজার নির্দেশিত পথে হাঁটলে আরও আগেই শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা নির্মাণ করা সম্ভব হতো- মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব

Published

on

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বৃহস্পতিবার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর দেববর্মনের ১১৩ তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় রাজধানীর রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে। এদিনের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে শুভ সূচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন আত্মপ্রচার বিমুখ এক মহান প্রাণ, মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর দেববর্মণ, তাঁর স্বতোৎসারিত অবদানের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে নিজের নাম লিখে গেছেন। আজ তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর আয়োজিত মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর দেববর্মনের ১১৩ তম জন্মজয়ন্তীতে আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করি। আধুনিকতর ত্রিপুরা গড়ার ভাবনায় অনুপ্রাণিত, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এই বিচক্ষণ ব্যক্তিত্ব-র নেতৃত্বে অল্প সময়ে ত্রিপুরার সর্বাঙ্গীন বিকাশের লক্ষ্যে গৃহীত নানান বলিষ্ঠ পদক্ষেপ ত্রিপুরাকে শিক্ষা সহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রভুত উন্নতির শিখড়ে পৌঁছে দেয়। শুধু তাই নয় ভারতীয় বা ত্রিপুরার সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এমন একটি ভিন্ন মানসিকতাকে বিগত দিনে রাজ্যে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে ত্রিপুরার প্রকৃত ইতিহাস বা রাজাদের অবদান সম্পর্কে জানার সুযোগ থেকে মুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু মহারাজার নির্দেশিত পথে হাঁটলে আরও আগেই শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা নির্মাণ করা সম্ভব হতো। তবে আমরা রাজ্যের কল্যানে মহারাজার অবদানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। জন্মজয়ন্তী দিনটিকে সরকারী ছুটি ঘোষণা, সরকারী ভাবে জন্মজয়ন্তী পালনের উদ্যোগ সহ মহারাজার নামাঙ্কিত বিমান বন্দরের মাধ্যমে তাঁর অবদানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করি। মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর দেববর্মণের দৃষ্টিভঙ্গিতে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজ্যের সর্বাঙ্গীন বিকাশে অঙ্গীকারবদ্ধ ভাবনায়, এক আধুনিক, সমৃদ্ধশালী, আত্মনির্ভর শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরার নির্মাণের লক্ষ্যে আমরা কাজ করবো বলে অভিমত ব্যাক্ত করলেন তিনি।