Home Blog Page 8

নির্বাচনত্তর হিংসায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার: মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সিপাহীজলা জেলায় নির্বাচনত্তর সন্ত্রাসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা। তিনি অনিল কুমার দেববর্মা, সুরেশ দেববর্মা, খকেন দেববর্মা এবং জওহরলাল দেববর্মার বাসভবন পরিদর্শন করে তাঁদের বর্তমান পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দুর্দশার কথা শোনেন এবং এই কঠিন সময়ে পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি জানান, রাজ্য সরকার সবসময়ই আক্রান্ত পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে এবং তাঁদের নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যে শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচন পরবর্তী যে কোনও ধরনের হিংসা বা অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিনের এই সফরকে কেন্দ্র করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে এবং প্রশাসনের প্রতি তাঁদের আস্থা আরও দৃঢ় হয়।

লেনিনের ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী পালনে আগরতলায় সিপিআই(এম), শ্রদ্ধা ও আদর্শের বার্তা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বুধবার আগরতলায় সিপিআই(এম)-এর রাজ্য দপ্তরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো বিপ্লবী নেতা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে আয়োজিত হয় এক স্মরণসভা ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের অনুষ্ঠান, যেখানে শ্রদ্ধার সঙ্গে লেনিনকে স্মরণ করেন দলের নেতা-কর্মীরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের বর্ষীয়ান নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী মানিক দে সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা। লেনিনের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মানিক দে লেনিনের জীবনদর্শন, সমাজতান্ত্রিক আদর্শ এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সমতা, ন্যায় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লেনিনের আদর্শ অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।

এই কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, যা বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে লেনিনের চিন্তাধারার প্রাসঙ্গিকতাকেই তুলে ধরে।

আগরতলায় জেইই কেন্দ্রে বিতর্ক, প্রবেশে বাধা পেয়ে ক্ষোভ পরীক্ষার্থীদের

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বুধবার ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাকে ঘিরে আগরতলার বোধজং বয়েজ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল কেন্দ্রে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। নির্ধারিত সময়ে পৌঁছেও কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার অভিযোগে সৃষ্টি হয় ক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলা।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, প্রায় ৮ থেকে ১০ জন পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। এতে অনেকেই হতাশায় ভেঙে পড়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে, অন্যদিকে কিছু অভিভাবক কেন্দ্রের বাইরে সাময়িক বিক্ষোভে সামিল হন এবং ব্যবস্থাপনার গাফিলতির অভিযোগ তোলেন।

পরীক্ষার্থীদের দাবি, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কেন্দ্রে পৌঁছেছিলেন, কিন্তু কিছু প্রক্রিয়াগত জটিলতার কারণে তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তবে কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ জানায়, নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে গেলে পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী আর কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. শুভদীপ পাল, যিনি সেদিন বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে ছিলেন, ঘটনাটি স্বীকার করে জানান, সামগ্রিকভাবে পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হলেও দেরিতে আসার কারণে কয়েকজন পরীক্ষার্থীকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “নির্ধারিত সময়ের পরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া যায় না। পরীক্ষার্থীদের আগেভাগে পৌঁছানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।”

ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে কিছুক্ষণের জন্য উত্তেজনা সৃষ্টি করলেও দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ও নিয়ম মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও এই ঘটনাকে ঘিরে পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা এবং কঠোর নিয়মের প্রভাব নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

“মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল বিজেপির ফান্ডে পরিণত”—তীব্র আক্রমণ আশীষ সাহার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বুধবার ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির (টিপিসিসি) সভাপতি আশীষ কুমার সাহা তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ শানিয়ে অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল (Chief Minister’s Relief Fund) শাসকদলের স্বার্থে অপব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, এই তহবিল “বিজেপির ফান্ডে পরিণত হয়েছে”।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাহা রাজ্য সরকারের সেই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন, যেখানে অভিযোগ অনুযায়ী এডিসি নির্বাচনের পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত শুধুমাত্র বিজেপি কর্মীদেরই ত্রাণ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তিনি এই পদক্ষেপকে অনৈতিক ও বৈষম্যমূলক বলে আখ্যা দেন এবং প্রশাসনের পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সাহা স্মরণ করিয়ে দেন, ত্রিপুরায় রাজনৈতিক সহিংসতা নতুন নয়। অতীতেও কংগ্রেস ও সিপিআই(এম)-এর বহু কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। “তখন যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁরাও মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সমান সাহায্যের দাবিদার,” বলেন তিনি।

এডিসি নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর তিপ্রা মথা সমর্থকদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে সাহা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া অবশ্যই সরকারের দায়িত্ব, তবে তা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল সবার—শাসকদল, বিরোধী দল এবং সাধারণ মানুষের। এটি কোনোভাবেই বাছাই করে ব্যবহার করা উচিত নয়।”

সরকারের বিরুদ্ধে তহবিলের অপব্যবহার ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে সাহা দাবি জানান, দলমত নির্বিশেষে সমস্ত রাজনৈতিক সহিংসতার শিকারদের সমানভাবে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। পাশাপাশি ত্রাণ বণ্টনে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি, যাতে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত না হয়।

রেলস্টেশনের পার্কিংয়ে অভিযান, বিপুল মাদক উদ্ধার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বুধবার দুপুরে আগরতলা রেলস্টেশনে তৎপরতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদকসহ এক ব্যক্তিকে আটক করল রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (আরপিএফ)।

আরপিএফ সূত্রে জানা যায়, স্টেশন হাউস অফিসার রাজু ভৌমিক স্টেশনের পার্কিং এলাকায়—আরপিএফ পোস্ট ও ‘পে অ্যান্ড ইউজ’ টয়লেটের মাঝামাঝি স্থানে—সন্দেহভাজনভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে দিলাওয়ার হোসেন (২৬) নামে এক যুবককে আটক করেন। পরে তার ব্যাগ তল্লাশি করে উদ্ধার হয় ৬.০০৫ কিলোগ্রাম গাঁজা, যা একটি নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য।

জব্দ করা গাঁজার বাজারমূল্য আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে। অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে আরপিএফ। এ ঘটনায় আগরতলা জিআরপিএস থানায় এনডিপিএস আইন, ১৯৮৫-এর ২০(b)(ii)(B)/২৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে (কেস নং ২০২৬ GRP024)।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মাদক প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং অভিযুক্তের সঙ্গে কোনও বড় মাদক পাচার চক্রের যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের ভোটে কর্মচারীদের ছুটি দিতে হবে—নির্দেশ সিইওর

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :-পুদুচেরি, বুধবার: তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণকে সামনে রেখে পুদুচেরির প্রধান নির্বাচনী আধিকারিক (Chief Electoral Officer) কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করেছেন। নির্দেশ অনুযায়ী, যেসব কর্মচারী তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের নিবন্ধিত ভোটার, তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে ভোটের দিনে বেতনসহ ছুটি দিতে হবে।

আগামীকাল তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় ভোট হবে—প্রথম দফা আগামীকাল এবং দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল।

জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ১৩৫-বি অনুযায়ী, ভোটের দিনে যোগ্য ভোটারদের বেতনসহ ছুটি প্রদান করা বাধ্যতামূলক। এই নির্দেশ সরকারি দপ্তর, বেসরকারি সংস্থা, শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য। এ ক্ষেত্রে কোনো কর্মচারীর বেতনে কাটছাঁট করা যাবে না বলেও স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

প্রধান নির্বাচনী আধিকারিক সকল নিয়োগকর্তাকে এই নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

এছাড়াও, পুদুচেরির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত যেসব ছাত্রছাত্রী তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের ভোটার, তাদেরও ভোটদানে উৎসাহিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রয়োজনীয় ছুটি বা অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রধান নির্বাচনী আধিকারিক সকল যোগ্য ভোটারকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করার অনুরোধ করেছেন।

মোহনপুরে চিন্ময়ী মূর্তি প্রতিষ্ঠা, মোহন ভাগবতের উপস্থিতিতে কুম্ভাভিষেক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মঙ্গলবার মোহনপুরে এক আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক আবহে অনুষ্ঠিত হল মা সৌন্দর্য চিন্ময়ীর মূর্তি প্রতিষ্ঠা ও পবিত্র কুম্ভাভিষেক অনুষ্ঠান। চিন্ময় মিশন স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শ্রদ্ধেয় সরসঙ্ঘচালক শ্রী মোহন ভাগবত জীর গৌরবময় উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্বকে আরও বৃদ্ধি করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা।

চিন্ময় মিশনের প্রাঙ্গণে ১৫ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট একক-শিলা গ্রানাইট পাথরে নির্মিত মা সৌন্দর্য চিন্ময়ীর মনোমুগ্ধকর মূর্তি স্থাপন করা হয়। পবিত্র মন্ত্রোচ্চারণ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় কুম্ভাভিষেক।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা তাঁর বক্তব্যে বলেন, উন্মুক্ত ও মনোরম পরিবেশে স্থাপিত এই মূর্তিকে ঘিরে শ্রী আদি শংকরাচার্যের রচিত অমর ‘সৌন্দর্য লহরী’র শ্লোক ও মূল্যবান বাণী সমন্বিত ২৭টি স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। এই স্তম্ভগুলি মানুষের শুভ চিন্তার বিকাশ ঘটানোর পাশাপাশি মহাজাগতিক সংযোগ সম্পর্কে ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও জানান, এই পবিত্র স্থান আগামী দিনে শিক্ষা, আধ্যাত্মিকতা, চিন্তন, ভক্তি এবং সাংস্কৃতিক চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু, কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ, তিপ্রা মথা সুপ্রিমো প্রদ্যুৎ কিশোর মানিক্য দেববর্মা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। পুরো আয়োজনকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ছিল গভীর উৎসাহ ও ভক্তিমূলক আবহ।

ঘর পুড়িয়ে লুট, পরিবারকে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর—নতুন বাড়ি দেবে সরকার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কচুবাড়িতে নির্বাচনের পর হিংসার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। অভিযোগ, বিজেপি কার্যকর্তা রাজ কুমার দেববর্মার বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে তা আগুনে পুড়িয়ে দেয় তিপ্রা মথার কর্মীরা। শুধু তাই নয়, ঘরে থাকা আসবাবপত্র ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত নতুন বসতঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি পরিবারের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের ব্যবস্থাও করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও স্পষ্ট ভাষায় জানান, নির্বাচন-পরবর্তী কোনো ধরনের হিংসা সরকার বরদাস্ত করবে না। এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের পরিচয় যাই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। দোষীদের খুঁজে বের করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

গড়িয়া পূজার উৎসবে মুখর ত্রিপুরা, নাজিরপুকুরে মেয়রের মঙ্গল কামনা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মঙ্গলবার ত্রিপুরা জুড়ে ঐতিহ্যবাহী গড়িয়া পূজা উৎসবের আনন্দে মুখর হয়ে উঠেছে সমগ্র রাজ্য। জাতি-জনজাতি নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পালিত হচ্ছে এই গুরুত্বপূর্ণ উৎসব, যা বিশেষত জনজাতি ও জমাতিয়া সম্প্রদায়ের কাছে গভীর আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করে।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ভক্তরা নিষ্ঠার সঙ্গে বাবা গড়িয়ার আরাধনা করছেন। পূজা মণ্ডপগুলোতে দেখা গেছে ভক্তদের ভিড়, পাশাপাশি চলেছে প্রথাগত আচার-অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এই উৎসবের মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও কল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র।

এদিন গড়িয়া পূজার পুণ্যলগ্নে আগরতলার কৃষ্ণনগর এলাকার নাজিরপুকুর পাড়ে আয়োজিত পূজায় উপস্থিত হন আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। তিনি বাবা গড়িয়ার নিকট রাজ্যের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। মেয়রের উপস্থিতিতে পূজাস্থলে উৎসবের আবহ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

প্রতি বছরের মতো এবারও গড়িয়া পূজা ত্রিপুরার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে ধরা দিয়েছে, যা ভ্রাতৃত্ববোধ ও মিলনের বার্তা বহন করে রাজ্যবাসীর হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।

সুখ-সমৃদ্ধির প্রার্থনায় গারিয়া পূজায় মেতেছে ত্রিপুরাবাসী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরাজুড়ে আজ গারিয়া পূজা উদযাপিত হচ্ছে উৎসাহ ও ভক্তিভরে। আদিবাসী ও অনাদিবাসী—সব সম্প্রদায়ের মানুষ এই উৎসবে অংশগ্রহণ করে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও কল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

আগরতলার বিভিন্ন এলাকায়, যেমন প্রগতি স্কুল ময়দান, কৃষ্ণনগর বয়েজ ক্লাব, নেতাজি ক্লাব ও কসমোপলিটন ক্লাবসহ একাধিক স্থানে কমিউনিটি পূজার আয়োজন করা হয়েছে। ভক্তরা বাঁশের খুঁটি পাতা, রঙিন সুতো ও কাপড় দিয়ে সাজিয়ে, ফুল ও ফল নিবেদন করে বাবা গারিয়াকে সন্তুষ্ট করার প্রার্থনা করছেন।

রাজ্যস্তরের প্রধান পূজার আয়োজন করা হয়েছে তেলিয়ামুড়ার গর্জনতলিতে, জামাতিয়া হোদার উদ্যোগে। বিভিন্ন জনজাতির মানুষ গভীর আস্থার সঙ্গে পূজার্চনা করে সমৃদ্ধি, সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছেন। এই উপলক্ষে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু, মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা এবং বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।