Home Blog Page 534

বিজেপি সরকার মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে : মানিক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিজেপি সরকার মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। আগের নির্বাচনে উনারা যে সকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সে সকল প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ তাঁরা। দিন দিন বেকারত্ব থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি আকাশছোঁয়া। এইসব সমস্যার সমাধানে মোদি সরকারের কোন ধরনের পদক্ষেপ নেই।

রবিবার পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ইন্ডিয়া জোট সমর্থিত সিপিএম প্রার্থী রাজেন্দ্র রিয়াং এর সমর্থনে নির্বাচনী সভায় এই অভিযোগ করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি বলেন, বছরে ২ কোটি বেকারের চাকুরী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও বেকারত্ব রোধে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।পূর্ব ত্রিপুরা উপজাতি সংরক্ষিত লোকসভা আসনে ইন্ডিয়া জোট সমর্থিত বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী রাজেন্দ্র রিয়াং এর সমর্থনে রবিবার আমবাসা বাজারে হয় সভা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার , প্রার্থী রাজেন্দ্র রিয়াং , জি এম পির সাধারণ সম্পাদক রাধাচরণ দেববর্মা, কংগ্রেস নেতা মানিক দেব, সিপিএম নেতা অমলেন্দু দেববর্মা,অঞ্জন দাস , সিপিএম ধলাই জেলা কমিটির সম্পাদক পঙ্কজ চক্রবর্তী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। এদিন মানিক সরকার বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে এক হাতে নেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি সরকার মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

আগের নির্বাচনে উনারা যে সকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সে সকল প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ তাঁরা। দিন দিন বেকারত্ব থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি আকাশছোঁয়া। এইসব সমস্যার সমাধানে মোদি সরকারের কোন ধরনের পদক্ষেপ নেই। উনারা বলেছেনেন বছরে ২ কোটি বেকারের চাকুরী দেবেন কিন্তু সেই ক্ষেত্রেও তারা বেকারত্ব রোধে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

সারা বিশ্বে ভারতবর্ষে বেকারত্বের সংখ্যা সর্বাধিক। মানিক সরকার বলেন মোদীজি এখন খুবই ক্লান্ত। তিনি বুঝতে পেরে গেছেন ২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে উনার দলের ভরাডুবি হতে চলছে। মানিক সরকার আরো বলেন এবারের লড়াই হচ্ছে বিজেপি বনাম ইন্ডিয়া জোটের।

বিশ্ব সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবন দিবস পালন

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিশ্ব সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবন দিবস প্রতিবছর উদযাপন করা হয় ২১ এপ্রিল। এবছরও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। রবিবার রাজ ভবনে হয় এই দিবসের অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু সহ অন্যরা। আলোচনায় রাজ্যপাল বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

মানব উন্নয়নে সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর বিশ্ব সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবন দিবস পালিত হয়। এই দিনটি প্রত্যেক ব্যক্তিকে মানবজাতির সার্বিক উন্নয়নের জন্য তাদের সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবন ব্যবহার করতে উত্সাহিত করে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিলেন মেয়র দীপক মজুমদার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভোটের আগের দিন রাতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। পাশাপাশি তিনি জানান চেষ্টা আছে সেখানে স্থায়ীভাবে মার্কেট তৈরি করা নিয়ে। রবিবার আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার স্থানীয় কর্পোরেটর ও দুর্গা চৌমুহনী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তাদের নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাটি পরিদর্শন করেন।

কথা বলেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে। ১৮ এপ্রিল রাতে আগরতলার দুর্গা চৌমুহনী রামনগর নয় নম্বর রোডের মাথায় বড় ধরণের অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে প্রায় ২২ টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের ফলে বাইশটি দোকান অগ্নিকাণ্ডে ভষ্মীভূত হয়ে যায় বলে ধারণা।দমকল কর্মীদের চেষ্টায় আগুন আয়ত্বে এলেও সমস্ত কিছু পুড়ে যায় ব্যবসায়ীদের।

রবিবার আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দোকান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে মেয়র দীপক মজুমদার বলেন সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে। আর্থিক ভাবে সাহায্য করার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি তিনি আরো বলেন বর্তমানে তারা যেতে ব্যবসা করতে পারেন তার জন্য ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এই জায়গাটি নিয়ে স্থায়ী কিছু করা যায় কিনা চিন্তা ভাবনা করা হবে।

 

 

না ফেরার দেশে চলে গেলেন সদা হাস্যময় রাজ্যের প্রবীণ সাংবাদিক দুলাল চক্রবর্তী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- না ফেরার দেশে চলে গেলেন সদা হাস্যময় রাজ্যের প্রবীণ সাংবাদিক দুলাল চক্রবর্তী। রবিবার সকালে রাজধানীর জগন্নাথ বাড়ি রোডস্থিত নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন প্রবীণ এই সাংবাদিক। মৃত্যুকালে উনার বয়স হয়েছিল প্রায় ৭৩ বছর।তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে আগরতলা প্রেস ক্লাব সহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন।

বটতলা মহাশ্মশানে গিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। সরকারি কর্মচারী ছিলেন প্রয়াত সাংবাদিক দুলাল চক্রবর্তী। চাকরির সময় থেকেই সংবাদ মাধ্যমে লেখালেখিতে যুক্ত ছিলেন। পরে চাকরি থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়ে পূর্ণ সময়ের জন্য সাংবাদিকতার কাজে যুক্ত হয়ে পড়েন দুলাল চক্রবর্তী। বিভিন্ন সংবাদপত্রে কাজ করেছেন তিনি।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রবিবার সকালে নিজ বাসভবনে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন। মৃত্যুকালে রেখে গেছেন স্ত্রী- বিবাহিত কন্যা সহ বহু গুণমুগ্ধদের। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। উনার মৃত্যুর খবর পেয়ে জগন্নাথ বাড়ি রোডস্থিত বাসভবনে ছুটে যান আগরতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়ন্ত ভট্টাচার্য, প্রাক্তন সম্পাদক প্রণব সরকার সহ অন্যরা।

পরে বাড়ি থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে শবদেহ নিয়ে আসা হয় প্রবীণ সাংবাদিকের। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রেস ক্লাবের বর্তমান সভাপতি, সম্পাদক যথাক্রমে জয়ন্ত ভট্টাচার্য, রমাকান্ত দে, প্রাক্তন সম্পাদক প্রণব সরকার, প্রবীণ সাংবাদিক সমীরণ রায় সহ অন্যরা। আগরতলা প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে বটতলা মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হয় শেষকৃত্য ।

প্রবীণ সাংবাদিকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে আগরতলা প্রেস ক্লাব সহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন। আগরতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শোক জানিয়ে বলেন, সাংবাদিক দুলাল চক্রবর্তীর মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। সাংবাদিকদের ভালো কাজে সবসময় উৎসাহ দিয়ে থাকতেন প্রয়াত দুলাল চক্রবর্তী।

সারা বিশ্বের সঙ্গে ত্রিপুরায়ও পালিত হলো মহাবীর জয়ন্তী উৎসব

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জৈন ধর্মের অন্যতম উৎসব মহাবীর জয়ন্তী।সারা বিশের সঙ্গে রাজ্যেও উৎসবটি উদযাপন করা হয় রবিবার। এবছর মহাবীরের ২৬২৩ জন্মজয়ন্তী। এদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে আগরতলায়ও অনুষ্ঠিত হয় মহাবীর জন্মজয়ন্তী। ভগবান মহাবীরের জন্মতিথি মহাবীর জয়ন্তী নামে পরিচিত।

আগরতলা প্যালেস কম্পাউন্ডস্থিত মহাবীর রিলিজিয়াস ট্রাস্টের উদ্যোগে জন্মজয়ন্তী পালিত হয়েছে। এটি জৈন ধর্মের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অন্যতম একটি উৎসব । এদিনটি জৈন ধর্মাবলম্বীর ধর্মপ্রাণ মানুষ আধ্যাত্মিক উদ্দীপনা এবং উতসাহে পালন করে থাকে। আগরতলায় জৈন ধর্মের মানুষেরা দিনটিকে মহাবীরের বিভিন্ন নীতি কথার মাধ্যমে স্মরণ করেন।

আগরতলা মহাবীর রিলিজিয়াস ট্রাস্টের এক কর্মকর্তা বলেন, অহিংসার বার্তায় শান্তি- সম্প্রীতির আহ্বানে এদিনটি সারা বিশ্বের সঙ্গে ত্রিপুরায়ও পালিত হয়। সকালে সেখানে জড়ো হন রাজধানী সহ আশপাশ এলাকায় থাকা জৈন ধর্মের লোকজন। জৈন মন্দিরে দিনভর থাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান।

 

 

গত ২৫ বছরে ত্রিপুরায় জনজাতিদের বিকাশ বাদ দিয়ে সিপিএম নেতাদের বিকাশ হয়েছে : রাজীব 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরার দুটি লোকসভা আসনে পদফুল ফুটিয়ে নরেন্দ্র মোদীর হাতকে শক্তিশালী করার সংকল্প নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। পূর্ব ত্রিপুরা আসনের মানুষ মনস্থির করে নিয়েছেন কংগ্রেস- সিপিএম অশুভ জোটকে নয়, পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দেওয়ার। জোলাইবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের কলসিতে এক নির্বাচনী জনসভায় এই কথা বললেন ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য।

শনিবার পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী কৃতি দেবী দেববর্মণের সমর্থনে হয় নির্বাচনী জনসভা। এতে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া, প্রদেশ নেতৃত্ব পাপিয়া দত্ত, বিপিন দেববর্মা, প্রার্থী কৃতি দেবী দেববর্মণ, বিজেপি দক্ষিণ জেলা সভাপতি শঙ্কর রায়, এম ডি সি দেবজিত ত্রিপুরা, সঞ্জিত ত্রিপুরা সহ অন্যরা।

এদিনের সভায় আলোচনা করতে বিরোধীদের সমালোচনা করেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি। তিনি বিরোধীদের জামানত বাজেয়াপ্ত করে কংগ্রেস- সিপিএমকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানান ভোটারদের কাছে। রাজীব বাবু অভিযোগ করেন ত্রিপুরায় জনজাতিদের বিকাশ বাদ দিয়ে সিপিএম নেতাদের বিকাশ হয়েছে। মোদীজির নেতৃত্বে দেশ বিকশিত জায়গায় যাচ্ছে। সবকা সাথ সবকা বিকাশ সবকা প্রয়াস ও সবকা বিশ্বাস নিয়ে বিজেপি সরকার চলছে। মোদীকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে এবং উনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

তিনি অভিযোগ করেন ২৫ বছরে সিপিএম গরিবের জন্য একটাও পরিকল্পনা নেয়নি। গরীব- জনজাতিদের শোষণ করেছে সিপিএম ২৫ বছরে। অথচ বিজেপি গরিবদের জন্য ঘর, উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাস সংযোগ সহ বিভিন্ন সুবিধা দিয়েছে। সামাজিক ভাতা দুই হাজার টাকা করেছে, চিকিৎসা বিমা যোজনা চালু করেছে।

 

 

যুবমোর্চার নতুন ভোটারদের নিয়ে মতবিনিময় সভা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নতুন ভোটারদের নিয়ে মতবিনিময় সভা। উত্তর জেলা বিজেপি কার্যালয়ে শনিবার নতুন ভোটারদের নিয়ে মতবিনিময় সভা হয়।উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সদস্য বিপ্লব কুমার দেব, যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সুশান্ত দেব, যুব মোর্চার রাজ্য সম্পাদক শুভঙ্কর সাহা, যুব মোর্চার রাজ্য মুখপাত্র অম্লান মুখার্জি এবং উত্তর জেলার যুব মোর্চার বিভিন্ন স্তরের কার্যকর্তারা।

সভায় ধর্মনগর ,যুবরাজনগর এবং পানিসাগর থেকে মোট ৩৮০ জন নতুন ভোটার আলোচনা সভায় অংশ নেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন। যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সুশান্ত দেব জানান নতুন ভোটাররা পুনরায় মোদিকে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার জন্য প্রচন্ড উৎসাহী।

কারণ মোদি ছাড়া এই দেশের এবং রাজ্যের বিশেষ করে যুবকদের, বর্তমান প্রজন্মদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে এর থেকে ভালো কেউ ভারতবর্ষে হতে পারে না। তাই মোদিকে ভোট দিয়ে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী বানাতে চায়।

 

মোদী সরকার মানুষের সঙ্গে ২০১৪ সাল থেকে প্রতারণা করছে : জিতেন্দ্র

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী রাজেন্দ্র রিয়াং-র সমর্থনে ধর্মনগরে সাড়া জাগানো মিছিল শেষে জনসভা। শনিবার প্রথমে ধর্মনগর শহরজুড়ে হয় রেলি। শহর পরিক্রমা শেষে রেলি ধর্মনগরের জেলা কংগ্রেস ভবনের সামনে শেষ হয়। সেখানে হয় জনসভা।

উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী,সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য পবিত্র কর, সিপিএম উত্তর জেলা সম্পাদক অমিতাভ দত্ত, প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব চয়ন ভট্টাচার্য, প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অ্যাডভোকেট অজিত দাস সহ জোটের অন্যান্য নেতারা।

নির্বাচনী সভায় আলোচনা করতে গিয়ে জিতেন চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর যাবত বিজেপি সরকারের স্বৈরাচারী শাসনে মানুষ দিশেহারা। তাই ২৭ টি রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়ে মানুষের গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য ইন্ডিয়া জোট গঠন করেছে। এই জোট গণতন্ত্র প্রেমী ধর্মনিরপক্ষ সাধারণ মানুষের জোট বলে তিনি দাবি করেন। জিতেন বাবু অভিযোগ করেন মোদী সরকার মানুষের সঙ্গে ২০১৪ সাল থেকে প্রতারণা করছে।

বলা হয়েছিল প্রত্যেক পরিবারের ব্যাংক একাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে কিন্তু দশ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনো প্রতিশ্রুতি হিসেবে রয়ে গেছে তার বাস্তবায়নের দিকে বর্তমান বিজেপি সরকার এগিয়ে আসেনি। দশ বছর আগে এই সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তার একটিও পূরণ করেনি বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী।

ত্রিপুরার প্রং টেনে বিরোধী দলনেতা বলেন ২০১৮-তে এই রাজ্যে ভীষণ ডকুমেন্টে বলা হয়েছিল তিন বছরের মধ্যে ত্রিপুরাকে মডেল রাজ্য কড়া হবে। ছয় বছর অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পরও রাজ্যের অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। তিনি ভোটারদের কাছে আহ্বান জানান ইন্ডিয়া জোট প্রার্থীকে জয়ী করার।

কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ইভিএম স্ট্রং রুমে

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- গণদেবতাদের রায় ইভিএম বন্দি। কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ইভিএম গুলি স্ট্রং রুমে। শুক্রবার পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ভোটগ্রহণ করা হয়। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যারাত পর্যন্ত কিছু ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ভোটারদের লাইন ছিল। ভোট গ্রহণ শেষে কড়া পাহারায় পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের গণদেবতাদের রায় বন্দি ইভি এম সাতটি জায়গায় রাখা হয়।

আগরতলা উমাকান্ত একাডেমীতে রাখা হয় পশ্চিম জেলার ১৪ টি বিধানসভা কেন্দ্রের ই ভি এম। এছাড়া সিপাহীজলা জেলায় ৩ টি, উদয়পুরে একটি ও দক্ষিণ জেলায় দুই জায়গায় স্ট্রং রুমে ইভিএম রাখা হয়। কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানরা রয়েছেন স্ট্রং রুমের নিরাপত্তার দায়িত্বে। এক মাসের বেশি সময় ইভিএম গুলি স্ট্রং থাকবে। সারাদেশে সাত দফার ভোট শেষে ৪ জুন হবে ভোট গণনা। সেদিনই জানা যাবে গণদেবতারা কাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন।

 

 

প্রতিবছরের মতো এবারো জনজাতিদের অন্যতম উৎসব বাবা গড়িয়া পূজা সম্পন্ন হলো শনিবার 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রতিবছরের মতো এবার রাজ্যের বিভিন্ন জনজাতি এলাকার সঙ্গে রাজধানী আগরতলায় গড়িয়া পূজা হয়। রাজধানীর অভয়নগর এলাকায় বসে মেলাও। আদিবাসী দেবতা ‘গড়িয়া’। পরিবারে শান্তি, সম্প্রীতি এবং জুমে অধিক ফ্লনের প্রার্থনায় গড়িয়া পূজা অত্যন্ত উতসাহের সঙ্গে উদযাপিত হয়।জনজাতিদের প্রধান উৎসব গড়িয়া পূজা৷

গড়িয়া পূজার রীতিনীতি অনেকটাই অন্য সব পূজা থেকে ভিন্ন।প্রতিবছর বৈশাখ মাসের প্রথমদিন থেকে গড়িয়া দেবতাকে নিয়ে সাতদিন পর্যন্ত এভাবে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে পরিক্রমা করা হয়।গড়িয়া মূর্তি তৈরি হয় বাঁশ, আদিবাসীদের হস্ত-তাঁতে তৈরি কাপড় ও জুমের চাল দিয়ে। পূজার দিন হাঁস, মুরগি, কবুতর ও পাঠা বলি দেওয়ার রীতি রয়েছে।

আবার কেউ কেউ কবুতর বলি না দিয়ে গড়িয়ার কাছে উৎসর্গ করে ছেড়ে দেন। তবে যুগ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এ পূজাতেও নানা পরিবর্তন এসেছে। এখন আগরতলার বিভিন্ন পাড়ার লোকজন এমনকি ক্লাবের উদ্যোগেও গড়িয়া পূজা হয়ে থাকে।বৈশাখ মাসের ৭ তারিখ প্রথা রীতি নীতি মেনে গড়িয়া পূজার করা হয়।

প্রতিবছরের মতো এবারো জনজাতিদের অন্যতম উৎসব বাবা গড়িয়া পূজা আগরতলা শহরের বেশ কয়েকটি জায়গাতে হয়। কৃষ্ণনগর বয়েজ ক্লাব, এডভাইজার চৌমুহনী সহ অভয়নগর এলাকায় হয় জনজাতিদের ঐতিহ্যবাহী বাবা গড়িয়া পূজা। অভয়নগর এলাকায় বসে দুই দিন ব্যাপী মেলাও। জনজাতিদের এই উৎসব হলেও জাতি- জনজাতি অভুয় অংশের মানুষ আনন্দে শামিল হন।