Home Blog Page 417

শুধু ইউক্রেন নয়, পোল্যান্ডও যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, ৪৫ বছর পর এমন হবে

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ৪৫ বছরে কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী পোল্যান্ড সফর করেননি, তবে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভালো। এত ভাল যে মধ্য ইউরোপের সমস্ত দেশের সাথে তুলনা করলে, পোল্যান্ডের সাথে দ্বিপাক্ষিক (দ্বি-আক্ষরিক) বাণিজ্য সবচেয়ে বেশি। এখন ৪ দশকেরও বেশি সময় পর পোল্যান্ড সফরে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সফর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন উষ্ণতা আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রক সোমবার জানিয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২১-২৩ আগস্ট পর্যন্ত পোল্যান্ড এবং ইউক্রেনে সরকারি সফরে যাবেন। মন্ত্রক জানিয়েছে যে নয়াদিল্লি এবং ওয়ারশ-এর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০ তম বার্ষিকী উপলক্ষেও এই সফরের আয়োজন করা হচ্ছে।

পোল্যান্ডের সাথে বাণিজ্যের বেশিরভাগই টেক্সটাইল, রাসায়নিক, যন্ত্রপাতি এবং কৃষি পণ্যের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। এর পাশাপাশি পোল্যান্ড ভারতে যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিক্স, রাসায়নিক এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি করে। ভারত ও পোল্যান্ডের মধ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, যা গত 5 বছরে আরও শক্তিশালী হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। 2017-18 সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য $2.36 বিলিয়ন হলেও, 2021-22 সালে তা বেড়ে $3.4 বিলিয়ন হয়েছে।

2017-18: $2.36 বিলিয়ন2018-19: $2.77 বিলিয়ন 2019-20: $2.94 বিলিয়ন 2020-21: $2.80 বিলিয়ন 2021-22: $3.4 বিলিয়ন।

কে কার কাছে কি পাঠায়?

ভারত থেকে পোল্যান্ড: টেক্সটাইল, রাসায়নিক, খাদ্য পণ্য, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য।

পোল্যান্ড থেকে ভারত: যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, রাসায়নিক এবং কৃষিভিত্তিক পণ্য।

 

রাজ্য সরকার মহারাজাদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি জনজাতিদের উন্নয়নে কাজ করছে : মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ইতিহাস না জানলে রাজ্য কিংবা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ইতিহাসকে জানার পর নতুন নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে কাজ করতে হবে। বর্তমান রাজ্য সরকার মহারাজাদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি জনজাতিদের উন্নয়নে কাজ করছে। মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের জন্ম জয়ন্তীতে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।

তিনি পূর্বতন সরকারের সমালোচনা করে মন্তব্য করেন রাজ্যের পূর্বতন বাম সরকার বিভাজন নীতি সৃষ্টি করে গেছে। বর্তমান সরকার বিভাজন নীতিতে বিশ্বাসী নয়।মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মাণিক্য বাহাদুর দেববর্মণের ১১৬ তম জন্ম জয়ন্তী সোমবার সরকারি- বেসরকারি ভাবে পালন করা হয়। এদিন রাজধানীর রবীন্দ্রভবনে হয় অনুষ্ঠান।

তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা, সাংসদ কৃতি সিং দেববর্মণ, বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব পি কে চক্রবর্তী সহ বিশিষ্টজনেরা। এদিন অনুষ্ঠানে বিধায়ক রামপদ জমাতিয়াকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা বলেন, বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর রাজা মহারাজাদের সম্মান দেওয়ার কাজ শুরু হয়।

আগরতলা বিমান বন্দরের নাম মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মাণিক্য বাহাদুর দেববর্মণের নামে করা হয়েছে। মহারাজার জন্মদিন পালনের মূল্য উদ্দেশ্য হচ্ছে উনার চিন্তা ভাবনাকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিহাসকে না জানলে রাজ্য কিংবা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ইতিহাসকে জানার পর নতুন নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে কাজ করতে হবে।

 

ত্রিপুরার মেয়ে সুপ্রীতি আচার্জি নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের উদ্বোধনী ‘কর্মবীর’ পুরস্কার জিতেছেন

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরার যুবতী সুপ্রীতি আচার্জিকে রেল যাত্রী এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি তার পরিষেবার স্বীকৃতিস্বরূপ এই বছর উত্তর-পূর্ব সীমান্ত (NF) রেলওয়ে দ্বারা চালু করা উদ্বোধনী ‘কর্মভি’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। এনএফ রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার চেতন কুমার শ্রীবাস্তব এই বছর গুয়াহাটিতে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে সুপ্রীতি আচার্জির কাছে সম্মাননাপত্র এবং একটি নগদ-কুপন তুলে দেন।

উত্তর ত্রিপুরার বিলথোই এলাকার একটি মেয়ে সুপ্রীতি আচার্জি, আগস্টে ধর্মনগর এবং পানিসাগরের মধ্যে রেলপথে বিশাল ফাটল টের পেয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে অনেক রেল যাত্রীর জীবন বাঁচিয়েছিল। কোনো তাৎক্ষণিক সাহায্যের অনুপস্থিতিতে সুপ্রীতি রেলওয়ের হেল্পলাইন নম্বর ১৩৯-এ কল করেছিল এবং আসন্ন বিপর্যয় রোধে সহায়তার জন্য স্থানীয় লোকজনকেও ডাকে। একটি সম্ভাব্য বিপজ্জনক দুর্ঘটনা এড়ানো এবং অনেক যাত্রীর জীবন রক্ষা করা হয়েছে।

পুরস্কার হিসাবে নগদ কুপনের সাথে দেওয়া উদ্ধৃতিটি যাত্রীদের জীবন বাঁচাতে তার ব্যক্তিগত অবদান এবং সাহসের কথা উল্লেখ করেছে। এনএফ রেলওয়ের সূত্রগুলি জানিয়েছে যে সুপ্রীতির সাথে আসাম এবং উত্তরবঙ্গ সীমান্তের আরও বেশ কয়েকজন ব্যক্তি উদ্বোধনী বছরে ‘কর্মবীর’ পুরস্কার পেয়েছেন। এখন থেকে ইতিমধ্যেই নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে যোগ্য ব্যক্তিদের প্রতি বছর এই পুরস্কার দেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই প্রথম ত্রিপুরায় হতে যাচ্ছে এন ই সির বৈঠক জানালেন মুখ্যমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সীমান্ত এলাকা, উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে নর্থ-ইস্ট কাউন্সিলের বৈঠকে। আলোচনা হবে ত্রিপুরায় উদ্ভাবনী কি কি কাজ হয়েছে সেসব বিষয় নিয়ে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও নিজেদের বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।

এই প্রথম ত্রিপুরায় হচ্ছে এন ই সির বৈঠক। ৩১ আগস্ট শুরু হয়ে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই বৈঠক। এতদিন ধরে এসব বৈঠকে শিলং কিংবা অন্য জায়গায় যেতে হয়েছে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালদের। স্বাভাবিক ভাবেই ত্রিপুরায় এই বৈঠক হতে যাচ্ছে এটা আনন্দের।

সোমবার এক সাক্ষাৎকারে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। তিনি জানান বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, ডোনার মন্ত্রকের মন্ত্রী, উত্তর পূর্বাঞ্চলের ছয়টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ রাজ্যপালরা।

 

 

মহারাজার চিন্তাধারাকে রাজ্যবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়াই বিজেপি সরকারের মূল লক্ষ্য : রাজীব 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সারা রাজ্যের পাশাপাশি প্রদেশ বিজেপির পক্ষ থেকে সোমবার বিজেপি প্রদেশ কার্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের ১১৬ তম জন্ম জয়ন্তী। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডঃ) মানিক সাহা, প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য্য সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।

এদিন মহারাজার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে মহারাজাকে শ্রদ্ধা জানান উপস্থিত নেতৃত্বরা। এদিন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভাট্টাচার্য বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের চিন্তাধারাকে রাজ্যবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়াই বিজেপি সরকারের মূল লক্ষ্য।

তাছাড়া তিনি ছিলেন আধুনিক ত্রিপুরার রূপকার।তিনি ত্রিপুরাবাসীর উন্নয়নে তিনি নিরন্তর কাজ করে গিয়েছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব কাজ করে গিয়েছেন তিনি। মহারাজার চিন্তাধারাকে রাজ্যবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়াই বিজেপি সরকারের মূল লক্ষ্য বলেও জানান প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য।

 

 

আরজি কর ঘটনার প্রতিবাদে সরব হলো AIDSO,AIMSS, AIDYO

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের আরজি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া ডাক্তারি পড়ুয়া ছাত্রীকে গণধর্ষণের মত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদে উত্তাল গোটা দেশ। শুধু আরজি কর নই গোটা দেশে যে নারিগঠিত অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে তারই প্রতিবাদে সোমবার এ আই ডি এস ও, এ আই এম এস এস,এ আই ডি ওয়াই ও যৌথ ভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করলো রাজধানী আগরতলার বটতলা এলাকায়।

এদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে সংগঠনের এক নেতৃত্ব গোটা দেশে কলংকিত এই নারী অপরাধ দমনে সমাজের ছাত্র ছাত্রী সহ সমাজের সকল মহিলাদের প্রতিবাদে মাঠে নামার আহবান জানান এবং নারী গঠিত অপরাধ বন্ধ করা , মোবাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় অশ্লীল বিজ্ঞাপন বন্ধ করা এবং মাদক প্রসার বন্ধের দাবিতে আজকের এই বিক্ষোভ কর্মসূচি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাছাড়া দল মত নির্বিশেষে আরজি কর ঘটনার অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি প্রদান ও নারী খুন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে ছাত্র যুব ও মহিলাদের এগিয়ে আসা দরকার বলে অভিমত প্রকাশ করলেন তিনি।

 

 

যথাযোগ্য মর্যাদায় ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্যোগে পালিত হলো মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের জন্মদিন 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ১৯ আগস্ট ত্রিপুরা রাজ্যের রূপকার বলে পরিচিত মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের জন্মতিথি। প্রতিবছর সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের জন্মদিন উদযাপন করা হয়।

প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও শুক্রবার ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্যোগে মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের জন্মদিন উদযাপন করা হয়। রাজধানী আগরতলার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা, প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সহ-সভাপতি শাহজাহান ইসলাম, শব্দ কুমার জমাতিয়া, অর্পিতা সরকার সহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

উপস্থিত সকলে মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পর্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ দিনের কর্মসূচি সম্পর্কে আশীষ কুমার সাহা বলেন মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর স্বল্পকালীন সময়ের জন্য তিনি ত্রিপুরাকে শাসন করেছেন। এই স্বল্প সময়ে তিনি যে সকল কাজ করেছেন তার জন্য রাজ্যের মানুষ এখনো তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

 

 

ত্রিপুরা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত হল ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ত্রিপুরা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত হল ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে। এই দিনটি উদযাপিত হবে তিন দিনব্যাপী যেখানে চিত্র সাংবাদিকরা নিজেদের ক্যামেরায় বন্দি করা চিত্রগুলোকে প্রদর্শিত করবে এবছরের প্রদর্শনী মূল বিষয় হচ্ছে “অকালবোধন”।সোমবার ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে উপলক্ষে চিত্র সাংবাদিকদের এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: মানিক সাহা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পৌর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির ত্রিপুরার উপাচার্য ড: রতন কুমার সাহা, আগরতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়ন্ত ভট্টাচার্য ও সচিব রমাকান্ত দেসহ চিত্র সাংবাদিকরা। এদিন মুখ্যমন্ত্রী চিত্র সাংবাদিকদের প্রদর্শিত চিত্র ঘুরে দেখেন পরে তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে চিত্র সাংবাদিকদের এই প্রদর্শনীর প্রশংসা করেন এবং ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে উপলক্ষে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য চিত্র সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়টাকে নিয়েও চিন্তা করতে হবে, সরকার চাইছে রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে : মুখ্যমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বর্তমানে মহিলারা পুরুষদের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে কাজ করছে। কিন্তু বর্তমানে চারিদিকে যে অবস্থা, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়টাকে নিয়েও চিন্তা করতে হবে। সরকার চাইছে রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে। নিজের সরকারি বাসভবনে রাখী বন্ধন অনুষ্ঠানে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। তিনি বলেন, সরকার সর্বদা নেশামুক্ত ত্রিপুরার কথা বলে। বর্তমানে হিংসা মুক্ত ত্রিপুরার কথা বলা প্রয়োজন। হিংসা মুক্ত ত্রিপুরা গড়ার উপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রতি বছর রাখী পূর্ণিমাতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে রাখী পরিয়ে দেন মহিলারা। প্রতিবারের মতো এবারো মহিলারা মুখ্যমন্ত্রীকে রাখী পরাতে সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাস ভবনে যান বোনরা। এদিন বোনরা মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহাকে রাখী দিয়ে উনার দীর্ঘায়ু কামনা করেন। মুখ্যমন্ত্রীকে রাখি পরিয়ে দেন মহিলা মোর্চার কার্যকর্তা সহ অন্য মহিলারা। সকল অংশের মহিলারা। এদিন বোনদের কাছ থেকে রাখী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা সকল অংশের মহিলাদের শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন মোট জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে মহিলা। অনেকে মনে করে মহিলারা শুধু ঘরের কাজে নিয়োজিত থাকবে। বর্তমানে মহিলারা পুরুষদের সাথে টেক্কা দিয়ে কাজ করছে। কিন্তু বর্তমানে চারিদিকে যে অবস্থা, সেই জায়গায় দাড়িয়ে মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়টাকে নিয়েও চিন্তা করতে হবে। সরকার চাইছে ত্রিপুরা রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে। মাঝে মাঝে কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটে। সরকার সেই সকল ঘটনার দিকে সর্বদা নজর রাখে। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে প্রচুর মহিলা ভির জমান।

 

 

  ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন টি এস ইউর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ১৯৭৮ সালে দুইদিন ব্যাপী খোয়াইয়ে সম্মেলনের মধ্যদিয়ে প্তহচল শুরু করেছিল বাম উপজাতি ছাত্র সংগঠন টি এস ইউ। প্রতিবছর সংগঠনের জন্মদিন শ্রদ্ধা শপথে পালন করে থাকেন কর্মীরা। এবছর টি এস ইউর ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারো সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয় মেলারমাঠ ছাত্র-যুব ভবনে।

পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি শহীদ বেদীতে মাল্যদান করেন নেতৃত্ব। প্রতিষ্ঠা দিবসে তাদের স্লোগান শিক্ষা বাঁচাও, রাজ্য বাঁচাও এবং ভবিষ্যৎ বাঁচাও।এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টি এস ইউর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুজিত ত্রিপুরা সহ অন্যরা।