Home Blog Page 31

এপ্রিলে এডিসি নির্বাচন, নির্ঘণ্ট ঘোষণা করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগামী ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদ (এডিসি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আজ সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন স্টেট ইলেকশন কমিশনার মনোজ কুমার।

ঘোষিত নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, ১৮ মার্চ থেকে রিটার্নিং অফিসাররা পাবলিক নোটিশ জারি করবেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ মার্চ। ২৬ মার্চ মনোনয়নপত্র যাচাই করা হবে এবং ২৮ মার্চ পর্যন্ত প্রার্থীরা তাঁদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন। নির্ধারিত দিনে, অর্থাৎ ১৩ এপ্রিল সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। প্রয়োজনে ১৬ এপ্রিল পুনর্ভোট (রি-পোল) অনুষ্ঠিত হতে পারে। ভোট গণনা শুরু হবে ১৭ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে এবং ১৮ এপ্রিলের মধ্যে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

স্টেট ইলেকশন কমিশনার মনোজ কুমার জানান, নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই এডিসি এলাকাগুলিতে নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হয়েছে। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ও ভিডিওগ্রাফির ব্যবস্থা রাখা হবে।

অন্যদিকে, রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক অনুরাগ জানান, নির্বাচনের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে সব পোলিং বুথকে এ, বি এবং সি—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।

সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্টেট ইলেকশন কমিশনের সচিব অনুরাগ সেন এবং জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা শুভাশীষ দাস । কমিশনের পক্ষ থেকে সকলের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

গুজরাটে এল বিপুল এলপিজি বোঝাই ট্যাঙ্কার ‘নন্দা দেবী’, জোরদার হচ্ছে দেশের গ্যাস মজুত

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- গুজরাটের দেবভূমি দ্বারকা জেলার ভাদিনার বন্দরে সফলভাবে পৌঁছেছে এলপিজি ট্যাঙ্কার ‘নন্দা দেবী’। কাতার থেকে যাত্রা করে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে আসা এই জাহাজে প্রায় ৪৬ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি বহন করা হয়েছে।

বন্দরে পৌঁছানোর পর ইতিমধ্যেই গ্যাস খালাসের কাজ শুরু হয়েছে। এর আগের দিন মুণ্ড্রা বন্দরে আরও একটি এলপিজি ট্যাঙ্কার পৌঁছেছিল। পরপর এই দুটি বড় চালান দেশের গ্যাস মজুতকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনও ঘাটতি নেই।

এদিকে, দীনদয়াল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সুশীল কুমার সিং আজ ভাদিনারে একটি বড় ‘শিপ-টু-শিপ’ এলপিজি স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, ‘নন্দা দেবী’ নামের মূল জাহাজটি প্রায় ৪৬,৫০০ টন এলপিজি নিয়ে এসেছে, যা ছোট জাহাজে স্থানান্তর করে চেন্নাইয়ের এন্নোর ও পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ায় পাঠানো হবে।

এই উদ্যোগের ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গ্যাস সরবরাহ আরও মজবুত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আইপিএল আয়োজনে ছাড়পত্র, উদ্বোধনী ম্যাচ ২৮ মার্চ

0

জনতার কলম স্পোর্টসডেস্ক :- আসন্ন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ মরসুমকে সামনে রেখে বড় স্বস্তি পেল কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট এসোসিয়েশন । কর্ণাটক সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি দিয়েছে বেঙ্গালুরুর এম. চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আইপিএল ম্যাচ আয়োজনের জন্য। এর ফলে ভেন্যু নিয়ে অনিশ্চয়তা কেটে গেল।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ২৮ মার্চ এই স্টেডিয়ামেই মরসুমের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মুখোমুখি হবে রয়েল চ্যালেঞ্জর্স বেঙ্গালুরু এবং সান রাইজার্স হায়দরাবাদ।

কেএসসিএ-র সচিব সন্তোষ মেনন জানান, ১৩ মার্চ স্টেডিয়ামে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন পর্যালোচনার পর একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই কর্ণাটক সরকার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

এক সরকারি বৈঠকে, যার সভাপতিত্ব করেন কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Dr. G. Parameshwar, বিশেষজ্ঞ কমিটি তাদের রিপোর্ট পেশ করে। সেখানে স্টেডিয়ামের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত ব্যবস্থা তুলে ধরা হয়। বিস্তারিত পর্যালোচনার পরই আইপিএল আয়োজনের সবুজ সংকেত দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত বছর জুন মাসে রয়েল চ্যালেঞ্জর্স বেঙ্গালুরুর ট্রফি উদযাপনের সময় ঘটে যাওয়া পদদলিত হওয়ার ঘটনার পর নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই একাধিক বৈঠক ও আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কেএসসিএ জানিয়েছে, তারা রাজ্য সরকার, বিশেষজ্ঞ কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে সমস্ত নির্দেশিকা মেনে চলেছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আইপিএল ম্যাচগুলোকে নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে তারা রয়েল চ্যালেঞ্জর্স বেঙ্গালুরুকে পূর্ণ সহযোগিতা করবে।

এই অনুমোদনের ফলে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে মোট পাঁচটি হোম ম্যাচ খেলবে বেঙ্গালুরু দল। পাশাপাশি এখানে একটি প্লে-অফ ম্যাচ ও ফাইনালও অনুষ্ঠিত হবে। বাকি দুটি হোম ম্যাচ রায়পুরে আয়োজন করা হবে।

বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা, ভবানীপুর থেকেই লড়বেন মমতা ব্যানার্জী 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল। দলের প্রধান ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী নিজেই তাঁর ঐতিহ্যবাহী ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন। অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে বিজেপি থেকে টিএমসিতে আসা পবিত্র করকে প্রার্থী করা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে টিএমসি ২৯১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। দার্জিলিং পাহাড়ি এলাকায় বাকি ৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বিজিপিএম (BGPM)। সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জী জানান, ২৯১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫২ জন মহিলা, ৯৫ জন এসসি-এসটি এবং ৪৭ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।

 

গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী তালিকা (কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)

 

ভবানীপুর – মমতা ব্যানার্জী

 

কলকাতা পোর্ট – ফিরহাদ হাকিম

 

বেলেঘাটা – কুণাল ঘোষ

 

রশবিহারী – দেবাশিস কুমার

 

বালিগঞ্জ – শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়

 

চৌরঙ্গী – নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়

 

এন্টালি – সন্দীপন সাহা

 

শ্যামপুকুর – ডা. শশী পাঞ্জা

 

মানিকতলা – শ্রেয়া পাণ্ডে

 

কাশীপুর-বেলগাছিয়া – অতীন ঘোষ

 

হাওড়া ও হুগলি অঞ্চল

 

হাওড়া উত্তর – গৌতম চৌধুরী

 

হাওড়া মধ্য – অরূপ রায়

 

হাওড়া দক্ষিণ – নন্দিতা চৌধুরী

 

শিবপুর – ডা. রানা চট্টোপাধ্যায়

 

ডোমজুড় – তাপস মাইতি

 

উত্তরপাড়া – সির্সন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়

 

শ্রীরামপুর – তন্ময় ঘোষ

 

চন্দননগর – ইন্দ্রনীল সেন

 

চুঁচুড়া – দেবাংশু ভট্টাচার্য

 

পূর্ব মেদিনীপুর ও নন্দীগ্রাম অঞ্চল

 

নন্দীগ্রাম – পবিত্র কর

 

তমলুক – দীপেন্দ্র নারায়ণ রায়

 

হলদিয়া – তপসী মণ্ডল

 

মহিষাদল – তিলক চক্রবর্তী

 

পাঁশকুড়া পূর্ব – অসীম মাজি

 

পাঁশকুড়া পশ্চিম – সিরাজ খান

 

পশ্চিম মেদিনীপুর ও জঙ্গলমহল

 

খড়গপুর সদর – প্রদীপ সরকার

 

ডেবরা – রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়

 

ঘাটাল – শ্যামলী সরকার

 

মেদিনীপুর – সুজয় হাজরা

 

ঝাড়গ্রাম – মঙ্গল সোরেন

 

বেলপাহাড়ি/বিনপুর – বীরবাহা হাঁসদা

 

পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া

 

পুরুলিয়া – সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়

 

রঘুনাথপুর – হাজরি বাউরি

 

বাঁকুড়া – ডা. অনুপ মণ্ডল

 

বিষ্ণুপুর – তন্ময় ঘোষ

 

সালতোড়া – উত্তম বাউরি

দলীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবারে প্রায় ৬০% নতুন মুখকে প্রার্থী করা হয়েছে। ১৫টি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে এবং ৭৪ জনের টিকিট কাটা হয়েছে। বয়সের নিরিখে ৩১ বছরের নিচে ৪ জন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে ৩৮ জন এবং ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে ২ জন প্রার্থী রয়েছেন।

প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন মমতা ব্যানার্জী । তাঁর অভিযোগ, কমিশন বিজেপির হয়ে কাজ করছে এবং পরিকল্পিতভাবে রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের বদলি করা হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ঈদের আগে এই ধরনের পদক্ষেপ কি নির্বাচনের আগে অশান্তি তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে?

প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্কিন কমিশনের রিপোর্ট ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক, কংগ্রেসকে আক্রমণ সম্বিত পাত্রর 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংস্থা United States Commission for International Religious Freedom-এর সাম্প্রতিক রিপোর্টকে ঘিরে দেশে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ সম্বিত পাত্র।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত ওই রিপোর্টে আরএসএস ও র’-এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারির সুপারিশ করা হয়েছে। তবে ভারতের মিনিস্ট্রি অফ এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্শ ইতিমধ্যেই এই রিপোর্ট খারিজ করে দিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মতে, এই মার্কিন কমিশনটি পক্ষপাতদুষ্টভাবে কাজ করে এবং তাদের তথ্যসূত্র নির্ভরযোগ্য নয়।

সম্বিত পাত্র আরও অভিযোগ করেন, কংগ্রেস দলের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল এই রিপোর্টকে সমর্থন করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাহুল গান্ধী কতটা পর্যন্ত দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারেন।

বিজেপি সাংসদের কথায়, “বিজেপি বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরোধিতা করতে গিয়ে কংগ্রেস আজ দেশের বিরুদ্ধেই দাঁড়াচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ”এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে বাকযুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

কাবুলে হাসপাতালে পাকিস্তানের বিমান হামলার তীব্র নিন্দা ভারতের, আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপের দাবি

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- কাবুলে ‘ওমিদ অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট হাসপাতাল’-এ পাকিস্তানের বিমান হামলার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। গত রাতে সংঘটিত এই হামলায় বহু নিরীহ সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রন্ধির যাইসোয়াল এক বিবৃতিতে বলেন, এই কাপুরুষোচিত ও ন্যক্কারজনক সহিংসতাকে কোনওভাবেই সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ন্যায্যতা দেওয়া যায় না। তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তান একটি গণহত্যাকে সামরিক অভিযান হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, এই জঘন্য আগ্রাসন আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের উপর সরাসরি আঘাত এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি। এই ঘটনা পাকিস্তানের বেপরোয়া আচরণের ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন, যেখানে তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকতে সীমান্তের বাইরে সহিংসতার পথ বেছে নিচ্ছে।

মুখপাত্র জানান, পবিত্র রমজান মাসে এই হামলা চালানো হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে শান্তি, আত্মবিশ্লেষণ ও করুণার সময়—তাই এই ঘটনা আরও নিন্দনীয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনও ধর্ম, আইন বা নৈতিকতা কখনও হাসপাতাল ও সেখানে থাকা রোগীদের উপর হামলাকে সমর্থন করে না।

ভারত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই অপরাধের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে এবং আফগানিস্তানে সাধারণ নাগরিকদের উপর এ ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি তুলেছে।

এছাড়া, নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছে নয়াদিল্লি। এই কঠিন সময়ে আফগানিস্তানের জনগণের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে ভারত এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি তাদের অবিচল সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

পশ্চিমবঙ্গে বড় প্রশাসনিক রদবদল, ১৯ পুলিশ আধিকারিককে বদলির নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। আজই তৎক্ষণাৎ কার্যকর করার নির্দেশ দিয়ে রাজ্যের ১৯ জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, ২০১২ ব্যাচের আইপিএস অফিসার পুষ্পাকে বারাসাত পুলিশ জেলার সুপার (এসপি) হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। ২০১৩ ব্যাচের আইপিএস অফিসার ইশানি পালকে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার এসপি এবং একই ব্যাচের অফিসার সচিনকে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার এসপি করা হয়েছে।

এছাড়াও, জসপ্রীত সিংকে কোচবিহারের এসপি এবং ২০১৭ ব্যাচের আইপিএস অফিসার কুমার সানি রাজকে হুগলি গ্রামীণ জেলার এসপি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উচ্চপদেও গুরুত্বপূর্ণ বদল আনা হয়েছে। ১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস অফিসার ড. রাজেশ কুমার সিংকে দক্ষিণবঙ্গের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (এডিজি) এবং কে. জয়ারামনকে উত্তরবঙ্গের এডিজি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ২০০৩ ব্যাচের আইপিএস অফিসার ড. প্রণব কুমারকে আসানসোল-দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনার, ২০০৫ ব্যাচের আইপিএস অফিসার অখিলেশ কুমার চতুর্বেদীকে হাওড়ার পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে। ২০০৯ ব্যাচের আইপিএস অফিসার অমিত কুমার সিংকে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার এবং একই ব্যাচের সুনীল কুমার যাদবকে চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগের দিনই নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (ডিজিপি) সহ চারজন সিনিয়র আইপিএস আধিকারিককে বদলি করেছিল। এই ধারাবাহিক পদক্ষেপকে আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

জনজাতি শিক্ষার প্রসার ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার: মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের জনজাতি এলাকায় শিক্ষার প্রসার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করছে রাজ্য সরকার। জনজাতি মহিলাদের পরম্পরাগত হস্তশিল্পের সঙ্গে আরও বেশি করে যুক্ত করে তাদের স্বনির্ভর করে তোলার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আজ আগরতলার রবীন্দ্র ভবনে জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা ।

অনুষ্ঠানে জনজাতি মহিলাদের রিয়া ও পাছড়া বুননের জন্য সুতা প্রদান এবং বিভিন্ন বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতী জনজাতি ছাত্রছাত্রীদের মেরিট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার চায় উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষও সমানভাবে অংশীদার হোক। জনজাতি মহিলাদের আরও স্বনির্ভর করে তুলতে সরকার কাজ করছে এবং বর্তমানে তাদের হাতে তৈরি রিয়া ও পাছড়া জিও-ট্যাগও পেয়েছে। এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এই স্বীকৃতির যথাযথ ব্যবহার করার আহ্বান জানান তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, জনজাতিদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার ‘ধরতি আবা জনভাগীদারি অভিযান’ এবং ‘প্রধানমন্ত্রী জনমন’ প্রকল্পসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। একইভাবে রাজ্য সরকারও ‘মুখ্যমন্ত্রী জনজাতি উন্নয়ন মিশন’-সহ নানা প্রকল্পের মাধ্যমে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। রিয়াং জনজাতির আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য সরকার ৮০০ কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ গ্রহণ করেছে বলেও তিনি জানান।

জনজাতি এলাকায় বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ৫০০টি বৈদ্যুতিক অটো বিতরণের পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি জনজাতি যুবক-যুবতীদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শক্তিশালী মানবসম্পদ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি নেশামুক্ত ত্রিপুরা গড়তে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এছাড়া জনজাতি এলাকার হোস্টেলগুলিতে ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে সরকার আরও ১৭০ জন হোস্টেল সুপার নিয়োগ করবে বলেও তিনি জানান। বর্তমানে রাজ্যের প্রায় ৩৪ হাজার জনজাতি ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন হোস্টেলে থেকে উপকৃত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী পাঁচটি মহকুমা থেকে আগত জনজাতি মহিলাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে রিয়া-পাছড়া বুননের সুতা তুলে দেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতী ছাত্রছাত্রীদের শংসাপত্র ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনজাতি কল্যাণমন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার জনজাতি ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। আগে রাজ্যে মাত্র চারটি একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় ছিল, বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে ২১টিতে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে নতুন নতুন হোস্টেল নির্মাণ করা হচ্ছে। ‘মুখ্যমন্ত্রী জনবিকাশ যোজনা’ ও ‘মুখ্যমন্ত্রী রাবার মিশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে জনজাতি এলাকায় বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব তথা অধিকর্তা শুভাশিস দাস। এছাড়াও দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

নতুন কর ছাড়াই ৩৪ হাজার কোটির বাজেট পেশ, মূলধনী ব্যয়ে বাড়তি গুরুত্ব

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা বিধানসভায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য ৩৪ হাজার ২১২ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রাণজিৎ সিংহ রায় । এই বাজেটের আকার ২০২৫–২৬ অর্থবছরের অনুমিত বাজেটের তুলনায় ৫.৫২ শতাংশ বেশি। এবারের বাজেটেও নতুন করে কোনো কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়নি। তবে বাজেটে মোট আর্থিক ঘাটতি ধরা হয়েছে ২৪০.৭২ কোটি টাকা।

বাজেট পেশের পর বিধানসভায় আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী জানান, রাজ্যের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে এবারের বাজেটে মূলধনী ব্যয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০২৬–২৭ অর্থবছরে মূলধনী ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৯৪৫ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩.১৯ শতাংশ বেশি। তিনি বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে “বিকশিত ভারত” গড়ে তোলার লক্ষ্য সামনে রেখে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিথারামান যে বাজেট পেশ করেছেন, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্যেও “বিকশিত ত্রিপুরা” গড়ার রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে।

বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতে ২ হাজার ৪৪১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৫.২৯ শতাংশ বেশি। গ্রামীণ উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৯৪ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা, যা ১৭.৫০ শতাংশ বেশি। কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা এবং শিক্ষা খাতে ৬ হাজার ৪৩৯ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা।

কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে ৬০টি নতুন গ্রামীণ বাজার নির্মাণ, ১০০টি কৃষক পরামর্শ কেন্দ্র, কৃষি উপবীজ সংরক্ষণাগার এবং ৩০টি কৃষক জ্ঞান কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পশ্চিম ত্রিপুরার মোহনপুরে একটি এগ্রিকালচার ফার্ম মেশিনারি প্রমোশন অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে। উদ্যানজাত পণ্যের বিপণন শক্তিশালী করতে রাজ্যের আরও ৩০টি স্থানে বাজার শেড নির্মাণ করা হবে।

পশুপালন ও মৎস্যখাতেও একাধিক প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। অভয়নগর রাজ্য ভেটেরিনারি হাসপাতালে অ্যানিমেল পেট ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট ও ব্লাড ব্যাঙ্ক স্থাপন করা হবে। আগরতলায় পশু ও পোল্ট্রি খাদ্যের জন্য একটি ফিড অ্যানালিটিক্যাল ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হবে। গোর্খাবস্তিতে ত্রিপুরা স্টেট ফিসারিজ অ্যাওয়ারনেস সেন্টার এবং কুমারঘাট, কমলপুর, সাবুম ও বিলোনীয়ায় চারটি পিসসিকালচার নলেজ সেন্টার স্থাপন করা হবে।

শিক্ষাক্ষেত্রে ১২টি নতুন উচ্চ ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মাণের পাশাপাশি ত্রিপুরা সরকারি কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ত্রিপুরা সরকারি মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিলোনীয়ার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কলেজ, করবুক সরকারি ডিগ্রি কলেজ, আগরতলার রামঠাকুর কলেজ ও ওল্ড আগরতলা সরকারি ডিগ্রি কলেজে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে। রামঠাকুর কলেজে ১০০০ আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়ামও তৈরি করা হবে।

স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নে ধলাই জেলা হাসপাতালে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লক, তেলিয়ামুড়া, খোয়াই ও বিশ্রামগঞ্জে ট্রমা কেয়ার সেন্টার এবং জেলা ও মহকুমা হাসপাতালে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য (এমসিএইচ) উইং চালুর প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া এজিএমসি ও জিবিপি হাসপাতালে জেরিয়াট্রিক ও ডায়াবেটিক কেয়ার ইউনিট এবং কম্প্রিহেনসিভ ডে কেয়ার হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া ম্যানেজমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হবে। ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে ক্যান্সার ডায়াগনস্টিক ও ম্যানেজমেন্ট সেন্টারও তৈরি করা হবে।

এছাড়া বিভিন্ন উপজাতি এলাকার উন্নয়নের জন্য ট্রাইবেল মাল্টিপারপাস মার্কেটিং সেন্টার, ট্রাইবেল রেস্ট হাউস এবং এসটি ছাত্রদের জন্য নতুন হোস্টেল নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। খেলাধুলার উন্নয়নে বাধারঘাটের দশরথ দেব স্টেট স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ৩০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন গ্যালারি নির্মাণ করা হবে এবং দক্ষিণ ত্রিপুরায় একটি সিন্থেটিক ফুটবল টার্ফ তৈরি করা হবে।

পর্যটন ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডুম্বুরে ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়ন, ট্যুইন আইল্যান্ড উন্নয়ন, অমরসাগর লেকে ওয়াটারফ্রন্ট উন্নয়ন এবং ব্রহ্মকুণ্ডের অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। আগরতলায় সাইবার সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার, আইটি ও ডাটা ইকোসিস্টেম জোন এবং আধুনিক আইটি পার্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিটি জেলায় রিজিওনাল স্টার্ট-আপ হাব স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি “মুখ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থান প্রকল্প” চালু করা হবে, যার মাধ্যমে নার্সিং, আইটিআই, ডিপ্লোমা ও স্নাতক শিক্ষার্থীদের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে। রামকৃষ্ণ মিশনের সহযোগিতায় আগরতলায় একটি ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুল এবং ড্রোন পাইলট প্রশিক্ষণের জন্য ড্রোন স্কুলও স্থাপন করা হবে।

সরকারের মতে, অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এবারের বাজেট প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে।

বাজেটের পর ডিএ ঘোষণা, বিধানসভায় প্রশ্ন তুললেন গোপাল রায়

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য ৫ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা ঘিরে ত্রিপুরা বিধানসভায় সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। কংগ্রেসের বর্ষীয়ান বিধায়ক ও প্রাক্তন পিসিসি সভাপতি গোপাল রায় এই ঘোষণা নিয়ে আপত্তি জানান।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বাজেট বক্তৃতা শেষ হওয়ার পর রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য ৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) ও ডিয়ারনেস রিলিফ (ডিআর) বৃদ্ধির ঘোষণা করেন। এর পরই বিধানসভায় দাঁড়িয়ে গোপাল রায় বলেন, এই ঘোষণা অর্থমন্ত্রী প্রাণজিৎ সিংহ রায় তাঁর বাজেট বক্তৃতার মধ্যেই করতে পারতেন অথবা বিষয়টি বাজেট বক্তৃতায় অন্তর্ভুক্ত করা যেত। তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল, রাজনৈতিক কৃতিত্ব নেওয়ার উদ্দেশ্যেই মুখ্যমন্ত্রী আলাদাভাবে এই ঘোষণা করেছেন।

তবে গোপাল রায়ের এই মন্তব্যে তীব্র প্রতিবাদ জানায় ট্রেজারি বেঞ্চ। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী রতন লাল নাথ দাঁড়িয়ে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজেও বিধানসভার নেতা এবং তিনি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পূর্ণ অধিকার রাখেন। সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ ও ডিআর অনুমোদনের মতো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করায় কোনো ভুল নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

যদিও বিষয়টি নিয়ে কিছুক্ষণ আলোচনা ও বাকবিতণ্ডা চললেও পরে বিরোধী দলের অন্য সদস্যরা বিষয়টি আর এগিয়ে না নেওয়ায় বিতর্ক দ্রুত থেমে যায়।