জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- রবিবার ত্রিপুরা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদর বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে এক স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয় আগরতলার কৃষ্ণনগর বাদুরতলীস্থিত এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে। ত্রিপুরা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের মেগা স্বাস্থ্য শিবিরে পরিষেবা দেওয়া হয় সুগার, কোলেস্টেরলসহ আরো নানান ধরনের।এদিন
ত্রিপুরা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ সাহা জানান প্রতিনিয়তই সামাজিক কর্মসূচি পালন করে থাকেন বলে, পাশাপাশি তিনি আরো বলেন এই মেগা স্বাস্থ্য শিবিরের দুইশোর অধিক সদস্যদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে তাছাড়াও ত্রিপুরা রাজ্যের সাধারণ জনগণের জন্য এই ধরনের কর্মসূচি করে থাকেন বলে।
সামাজিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য শিবির করল ত্রিপুরা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশন
রাজ্যকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসালো বিপ্লব, পিঠ চাপড়ালেন রাষ্ট্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা
জনতার কলম প্রতিনিধিঃ- শনিবার রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব ভারতীয় জনতা পার্টির রাষ্ট্রীয় সভাপতি শ্রী জে পি নাড্ডার সঙ্গে এক সৌজন্যমূলক সাক্ষাতকারে মিলিত হন। এদিন তিনি আসন্ন উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবং ভারতীয় জনতা পার্টির ত্রিপুরা প্রদেশের প্রত্যেক স্তরের সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন এবং রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে ও জনগণের সুবিধার্থে কিছু দৃষ্টান্তমূলক সিদ্ধান্তও গ্রহণ করেন। তাছাড়া এদিন তিনি আগামীদিনে বিজেপি রাষ্ট্রীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা , রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব ও রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার নেতৃত্বে ত্রিপুরা বিজেপির সকল স্তরের কার্যকর্তা ঐক্যবদ্ধভাবে যশস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির ত্রিপুরার হিরা মডেল বাস্তবায়িত করতে কাজ করে যাবেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। বলা চলে বিগত দিনে যে সমস্ত সরকার ক্ষমতায় ছিল তারা উন্নয়নের নামে শুধু বুলি উড়িয়েছেন, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নামে দীর্ঘদিন রাজ্যের আপামর জনসাধারণকে বোকা বানিয়ে রেখেছেন এমন কি বিগত বামফ্রন্ট সরকারের আমলেও উন্নয়নের ধরাছোঁয়ার কাছেও ছিলনা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ছোট পার্বত্য রাজ্য ত্রিপুরা। কিন্তু 2018 সালে মুক্তি সূর্যোদয়ের পর ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হলে রাজ্যে উন্নয়নের বন্যা শুরু হয় যথাক্রমেঃ উজ্জ্বলা যোজনায় রান্নার গ্যাস, চিকিৎসা ক্ষেত্রে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প, শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্প, রাজ্যের বোনেদের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে 33% সংরক্ষণ এবং রাজ্যকে ঢেলে সাজানোর উদ্দেশ্যে স্মাট র্সিটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন ইত্যাদি। বলা যায় বিগত 25 বছর এবং তার আগেও যে সরকার রাজ্যের শাসনকার্য চালিয়েছে তাদের থেকে এই সাড়ে চার বছরের ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার উন্নয়নমূলক কার্যকলাপে অনেকটাই এগিয়ে, তাই ভারতীয় জনতা পার্টির রাষ্ট্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এর প্রতি আদরণীয় মনোভাব।
শাসক বিজেপিকে চাইছে সুরমা কেন্দ্র , বাড়ি বাড়ি প্রচারে প্রার্থী
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- রাজ্যে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই ময়দান চোষে প্রচার চালাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ঝড়ো প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন শাসক দলের প্রার্থীরা। শনিবার আসন্ন উপনির্বাচন উপলক্ষে সুরমা কেন্দ্রের প্রার্থী শ্রীমতি স্বপ্না দাস মহোদয়ার সমর্থনে কার্যকর্তাগণ সুরমা মন্ডলের ৪৬,৪৭ নং বুথে জনসম্পর্ক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এদিনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকার জনগণের মধ্যে উৎসাহ ছিল লক্ষণীয়। এই কেন্দ্রের জনগণ যে শাসক বিজেপিকেই চাইছে তা জনগণের মনের ভাবেই প্রকাশ পেয়েছে। এদিন প্রার্থীকে কাছে পেয়ে এলাকার জনগণ প্রাণভরা ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে দেন এবং বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হবার আশীর্বাদ প্রদান করেন।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনের উপরে হামলা চালানোর আগেই আমেরিকার তরফে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল : জো বাইডেন
জনতার কলম, ওয়েবডেস্ক :- শুক্রবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এইরকম কিছু কখনও হয়নি। আমি জানি অনেকেই হয়তো ভাববেন যে আমি বাড়িয়ে-চড়িয়ে বলছি। কিন্তু আমি জানি যে আমাদের গোয়েন্দা বাহিনীর কাছে তথ্য ছিল রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের উপরে হামলা চালাতে পারে। তিন মাস কেটে গিয়েছে, যুদ্ধ থামেনি রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে। এই যুদ্ধে রাশিয়া কাউকে পাশে না পেলেও, ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো একাধিক পশ্চিমী দেশ। কিন্তু সময় পেরতেই ধীরে ধীরে সুর বদলাতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশগুলি। শুক্রবারই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বিস্ফোরক এক দাবি করেন। তিনি দাবি করেন, রাশিয়া ইউক্রেনের উপরে হামলা চালানোর আগেই আমেরিকা সতর্ক করতে চেয়েছিল। কিন্তু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কিই সেই তথ্য শুনতে চাননি।
বাড়ি বাড়ি প্রচারে ডাঃ মানিক সাহা
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- রাজ্যে উপনির্বাচনের নির্ঘন্ট বেজে গেছে , দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই ময়দান চোষে প্রচার চালাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। এদিকে অন্যান্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে শাসক দল, দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ঝড়ো প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন শাসক দলের প্রার্থীরা। শনিবার ৮ বড়দোয়ালী কেন্দ্রের প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা এলাকায় বাড়ি বাড়ি প্রচারে বের হন , সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ। এদিন শিক্ষামন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার হয়ে জনগণের কাছে ভোট চান এবং বিপুল ভোটে যেন প্রার্থী জয়ী হয় তার আশীর্বাদ নেন। প্রচারকালে এলাকার মানুষের প্রতিক্রিয়া ছিল চোখে পড়ার মত।
শ্রীলঙ্কাকে আর্থিক সাহার্য্য প্রদান করলো ভারত
জনতার কলম প্রতিনিধি:- আবারো প্রতিবেশী দেশের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। শ্রীলঙ্কা বর্তমানে চরম আর্থিক সঙ্কটে রয়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত সরকার। ক্রেডিট লাইনের অধীনে শ্রীলঙ্কাকে ৫.৫ কোটি মার্কিন ডলার অর্থ সাহায্য করছে ভারত। ভারতীয় মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ ৪২৯ কোটি টাকারও বেশি। জানা গিয়েছে, এই অর্থ ব্যবহার করে শ্রীলঙ্কা ইউরিয়া সার কিনবে চাষের জন্য। সম্প্রতিই শ্রীলঙ্কার তরফে জানানো হয়েছিল যে, দিন -প্রতিদিন আর্থিক সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠছে। এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে দেশকে উদ্ধারের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে সরকার। আগামিদিনে চাষের কাজে সাহায্যের জন্য ফের রাসায়নিক সার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দেশের অর্থ ভান্ডার ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় ভারতের কাছেই সাহায্য চায় শ্রীলঙ্কা। প্রতিবেশী দেশের কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য চাওয়ার পরই ভারত সরকার ক্রেডিট লাইনে শ্রীলঙ্কাকে সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ দিন ভারতীয় হাই কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, “দুই দেশের মিলিত সিদ্ধান্তে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া ও জিওএসএলের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে কলম্বোয়। এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিথ ছিলেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংঘে, কৃষিমন্ত্রী মহিন্দা অমরাবীরা, শ্রীলঙ্কায় উপস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনার গোপাল বাগলায় সহ ভারত ও শ্রীলঙ্কার শীর্ষ আধিকারিকেরা।” ক্রেডিট লাইনের অধীনে ভারতের এই অর্থ সাহায্যের কারণে শ্রীলঙ্কা সরকার ইউরিয়া সার কিনতে পারবে। শ্রীলঙ্কায় ধান চাষের মরশুম শুরু হয়ে গেলেও গত বছর কেন্দ্র সরকার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কৃষিকাজের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তার জেরে উৎপাদন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাসায়নিক সারের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করার জেরে ফলন প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছিল। আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়ে শ্রীলঙ্কা সরকার সেই সিদ্ধান্তকেই পুনর্বিবেচনা করেছে এবং চলতি মরশুমের জন্য ইউরিয়া কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিগত আট বছরের সংস্কারের ছবি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
জনতার কলম প্রতিনিধি:- দেশের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। পরের বার অর্থাৎ ২০১৯-এও নিরঙ্কুশ জয় এসেছিল গেরুয়া শিবিরের। সেই হিসেবে এবছর আটে পা দিল মোদী সরকার। আরও একটা নির্বাচন আসতে খুব বেশি দিন বাকি নেই। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিও মোটামুটিভাবে শুরু হয়ে গিয়েছে। এই আবহেই আট বছর পূর্তির প্রচার জোরকদমে চালাচ্ছে মোদী সরকার। আট বছর পূর্তিতে দেশ জুড়ে নানা কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। এরই মধ্যে অর্থনীতির বৃদ্ধির ছবি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার একটি টুইটে তিনি উল্লেখ তুলে ধরেছেন কোন কোন পথে এগিয়েছে দেশের অর্থনীতি। একদিকে যখন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে দেশ জুড়ে বিরোধীরা সরব হয়েছে, সাধারণ মানুষের চাপ বাড়ছে বলে আন্দোলন শুরু হয়েছে, তারই মধ্যে মোদীর এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকার মূলত তুলে ধরতে চাইছে, বিগত আট বছরে কোন কোন ক্ষেত্রে সংস্কার হয়েছে। প্রতিনিয়ত সরকারি ওয়েবসাইটে সে সব তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে। বিমান পরিষেবা, কয়লা খনি, কর্মসংস্থানের মত ক্ষেত্রে কী ভাবে বিজেপি সরকার বদল এনেছে, তা উল্লেখ করা হয়েছে সরকারি ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়ায়। সে ভাবেই অর্থনীতির দিকেও আলোকপাত করেছে কেন্দ্র।
বিজেপি প্রার্থী অশোক সিনহার প্রচার কর্মসূচিতে রাজ্যের তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- শনিবার ৬ আগরতলার বিজেপি প্রার্থী অশোক সিনহা বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচারে বের হন বিটার বন ও মোল্লাপাড়া এলাকায়, এদিনের প্রচারে সাথে ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীসহ বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। উপনির্বাচনে ভোট প্রচারে শাসক দল বিজেপির হেভিওয়েট নেতৃত্বদেরকে নিয়ে ভোট ময়দানে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তার তুলনায় অন্যান্য দলের সেই রকম দেখা যায় না। ৬ আগরতলা কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে আছেন রাজ্যের জনগন কারন বিগত ২৫ বছর ধরে এই বিধানসভা আসন প্রাক্তন মন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মন এর দখলে, কিন্তু বর্তমানে তিনি কংগ্রেস দলের মনোনীত প্রার্থী হয়ে এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাই এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী সুদীপ রায় বর্মনকে হারানো কষ্টসাধ্য হবে বলে মনে করছেন জনগণ , কিন্তু এ কেন্দ্রকে নিয়ে শাসকদল ভোট প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন এই দিন বিটারবন মুল্লাপাড়া এলাকায় বিজেপি প্রার্থী অশোক সিনহা হয়ে বাড়ি বাড়ি ভোট চেয়েছেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, তিনি সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন সবকা সাথ সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস এবং সবকা প্রয়াস এই যে মন্ত্র মোদি জি ভারতবর্ষে প্রদান করেছেন জনগণের জন্য জনগণের উন্নয়নের ভারতবর্ষে অন্যান্য রাজ্যে মন্ত্রে মুগ্ধ হয়ে সারাদেশে মোদীজি কে সমর্থন করছে বিজেপি শাসন ক্ষমতায় রাখছে। এই রাজ্যের চার খানা বিধান সভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন তাই ৬ আগরতলার কন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ঘোষণার সমর্থনে বাড়ি বাড়ি জনগণের কাছে ভোটের আহ্বান রেখেছেন।এই বিটারবন এলাকাটা দীর্ঘদিন ধরে অনুন্নত এলাকা এখানে আগে যে বিধায়ক ছিলেন তিনি উন্নয়ন করেনি এবং বাম আমলে ও হয়নি, তাই স্বাভাবিকভাবে উন্নয়ন একটা বিশেষ লক্ষ্য যার সারা পরিলক্ষিত করা যাচ্ছে এবং বিশ্বাস রয়েছে ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে রেকর্ড মার্জিনে বিজেপি প্রার্থী অশোক সিনহাকে জয়ী করবেন এবং চার খানা বিধানসভা উপ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে জানান তিনি
১১ দফা চার্টার অফ ডিমান্ডে জিএমপি এবং টিওয়াইএফের যৌথ রাজভবন অভিযান
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- জিএমপি এবং টিওয়াইএফ যৌথভাবে শনিবার ১১ জুন, ১১ দফা চার্টার অফ ডিমান্ডে রাজভবন অভিজানের আয়োজন করে। র্যালিটি সিটি সেন্টার পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে প্যারাডাইস চৌমুহনী, পশ্চিম পিএস, সূর্য চৌমুহনী, কামান চৌমুহনী, জ্যাকসন গেট, ওরিয়েন্ট চৌমুহনী, রবীন্দ্র ভবন, বিদুরকর্তা চৌমুহনী, কর্নেল চৌমুহনী, প্রদক্ষিণ করে রাজভবনে যান। এই দিনে রাজভবন অভিযানে উপস্তিত ছিলেন বিরোধী দলনেতার মানিক সরকার, গণমুক্তি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাধাচরণ দেববর্মা, সিপিআইএম রাজ্য কমিটির সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী, প্রাক্তন সাংসদ শংকর প্রসাদ দত্ত, বিধায়ক রতন ভৌমিক, নারীনেত্রী রমাদাস সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা। গণমুক্তি পরিষদ এবং টি ওয়াই এফ এফ এই রাজ ভবন অভিযান ১১ দফা দাবিতে অভিযান হলেও মূলত যে প্রশ্ন টি ত্রিপুরা রাজ্যের শুধু জনজাতি অংশের মানুষ নয় সমস্ত অংশের মানুষের কাছে খুব জরুরী এবং যে বিষয়টা কে নানাভাবে রং চরিয়ে সংকীর্ণ রাজনীতি করেন তার জবাব দেওয়ার জন্য আজকের রাজভবন অভিযান।এই দিন সংবাদমাধ্যম এর মুখোমুখি হয়ে সিপিআই এম এর রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন এডিসির সার্বিক উন্নয়ন এডিসি মানেই হল ত্রিপুরা রাজ্যের দুই-তৃতীয়াংশ জায়গা নিয়ে যে ভূখণ্ড যারা পছিয়ে পরা জনগন আছে তাদের উন্নয়ন যদি সংঘটিত না হয় তাহলে এই ত্রিপুরা রাজ্য টাই পছিয়ে থাকবে বামপন্থী গণমুক্তি পরিষদ টি ওয়াই এফ শুধু আগ থেকে নয় বহু আগে থেকেই দাবি তুলেছেন এডিসির হাতে অধিক ক্ষমতা দিতে হবে কিন্তু সেখানে কিছু রাজনৈতিক দল কখনো স্বাধীন ত্রিপুরা,কখনো বিদেশি বিতরন আবার কখনো ত্রিপুরা ল্যান্ড কিংবা গ্রেটার ত্রিপুরা ল্যান্ড হয়তো বা এই দাবি গুলো যে সংবিধান বা অ গণতান্ত্রিক না, যে কোন দাবি উত্থাপন করার পেছনে একটা যুক্তি থাকতে লাগে বাস্তবতা থাকতে হয়। ত্রিপুরা রাজ্যের যে আজকে ঘঠন ভূগৌলিক দিক থেকে সামাজিক দিক থেকে, সাংস্কৃতিক দিক থেকে, এখানে আলাদা রাজ্য কখনোই সম্ভব না, এখানে একটাই সম্ভব এই এিপুরা রাজ্য কে আরো শক্তিশালি করা এটাকে করতে গেলে পরে এডিসিকে স্পেশাল পাওয়ার দিতে হবে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার ও ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষের এই দাবি শুনিনি শুনতে চায়নি আর আজকের বিজেপি নানা ভাবে এই গুলা খেলছে বলে জানান তিনি।
স্ট্রংরুম পরিদর্শন করলেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক কিরণ গিত্তে
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- রাজ্যে উপনির্বাচনের নির্ঘন্ট বেজে গেছে , দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই ময়দান চোষে প্রচার চালাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। এদিকে অন্যান্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে শাসক দল, দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ঝড়ো প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন শাসক দলের প্রার্থীরা। আগামী ২৩শে জুন অনুষ্ঠিত হবে রাজ্যের চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন, তারপর ২৬শে ঘোষিত হবে ফলাফল সেদিকে লক্ষ রেখেই শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক কিরণ গিত্তে উমাকান্ত স্কুলের স্ট্রং রুম ঘুরে দেখেন, উনার সঙ্গে ছিলেন সদর মহকুমা শাসক অসীম সাহা। এদিন তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান নির্বাচন সংগঠিত হবার ভোট বাক্সগুলিকে এখানে নিয়ে আসা হবে এবং দুটি পার্ট করে একটি রুমে গণনা কেন্দ্র করা হবে। তাছাড়া ৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ৩টি গণনা কেন্দ্র করা হবে বলেও জানান তিনি।