Monthly Archives
July 2025
আশারামবাড়ির রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা স্থল পরির্দশনে গেলেন বিজেপি জনজাতির রাজ্যে নেতৃত্বরা
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আশারামবাড়ির রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা স্থল পরির্দশন ও জেলা পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাৎ করেন বিজেপি জনজাতির রাজ্যে নেতৃত্বরা। অভিযোগ গত রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন কি বাত অনুষ্ঠানের শ্রবণ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে তিগ্রা মথা দলের সমর্থকরা। আশারামবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের পূর্ব তরুছায়া গ্রামে প্রধানমন্ত্রী মন কি বাত অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনার স্থানে পরিদর্শনে যান জনজাতি মোর্চার রাজ্য নেতৃত্ব।
বুধবার পূর্ব তকছায়া গ্রামে বিজেপি দলের কর্মীদের উপর আক্রমন করেছে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন নেতৃত্ব। এদিন পরিদর্শনে ছিলেন জনজাতি মোর্চার রাজ্য নেতৃত্ব প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা, মন্ত্রী সান্তনা চাকমা, বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া, সহ জনজাতি মোর্চার রাজ্য নেতৃত্বে। তারা সুপারের কার্যালয় পুলিশ সুপারের সাথে। প্রতিনিধির দলের নেতৃত্বর। জেলা পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাৎ করে দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত রবিবার ভিপ্রা মথা নেতা কর্মীরা বিজেপির নেতাদের বেধরক পিটিয়েছে। ভাঙচুর করা হয় বেশ কিছু গাড়ি ও বাইক। প্রধানমন্ত্রী মন কি বাত অনুষ্ঠান যাতে পাহাড়ে না শোনা হয় হুলিয়া জারি করে তিগ্রা মথা কর্মীরা।
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ত্রিপুরা টি প্ল্যান্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহার সঙ্গে আজ মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে ত্রিপুরা টি প্ল্যান্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। সাক্ষাৎকারকালে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা মুখ্যমন্ত্রীকে স্মারক উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনাকালে রাজ্যের চা শিল্পের বিকাশে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও উদ্যোগসমূহ প্রাধান্য পায়।
সাক্ষাৎকারের সময় ত্রিপুরা চা উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান সমীর রঞ্জন ঘোষ, শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, ত্রিপুরা চা উন্নয়ন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মানিকলাল দাস সহ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান অঞ্জন দাস, সম্পাদক ভাস্কর প্রসাদ চালিহা সহ অ্যাসোসিয়েশনের অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শহর আগরতলায় প্রায়ই দেখাযায় ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হয়। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে যেমন মামলা নেওয়া হয় তেমনি জরিমানা আদায় করা হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে অভিযোগ ট্রাফিক পুলিশ বিচক্র যান চালকদের বিরুদ্ধে যতটা খল্লাহস্ত হন ততটাই ছাড় দেন অটো ও টমটম চালকদের। শহর আগরতলাকে যানজট মুক্ত রাখতে ও ট্রাফিক আইন যানবাহনের চালকটা ঠিকভাবে মেনে চলছেন কিনা তা খতিয়ে দেখতে প্রায়ই অভিযানে নামে ট্রাফিক পুলিশ।
বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হয়। অবৈধ পার্কিং, নম্বর প্লেট না থাকা কিংবা নম্বর প্লেট ত্রুটি যুক্ত থাকা, ট্রাফিক আইন মেনে নাচলা, সিগন্যাল অমান্য করা এই সমস্ত নানা কারণে যেমন জরিমানা করা হয় তেমনি মামলাও নেওয়া হয়। ট্রাফিক ইউনিটের পদস্থ আধিকারিকরা এদিনের অভিযানে শামিল হন। কিন্তু বরাবরের মতোই প্রশ্ন উঠে বাইক বা স্কুটি চালকদের ক্ষেত্রে ট্রাফিক পুলিশ যতটা কঠোর মনোভাব দেখায় অন্যান্য যানবাহন চালকের ক্ষেত্রে ট্রাফিক পুলিশ ভতটা কঠোর নয় কেন? বিক্ষিপ্ত।
ভাবে কিছু দিন পর পরেই ট্রাফিক পুলিশ এই ধরণের অভিযান চালাচ্ছে। তা স্বত্তেও একাংশ যানবাহনের চালকরা যেমন বেপরোয়া ভাবে চলছে তেমনি। ট্রাফিক আইনও অমান্য করছে। চলছে। অবৈধ পার্কিংও। তাই যানজট লেগে থাকছে। বিশেষ করে বটতলা, শকুন্তলা রোড, সেন্ট্রাল রোড, এম এল প্লাজা মার্কেটের সামনে নিয়মিত এই ধরণের। অভিযান চালানো দরকার বলে মনে করেন সচেতন মানুষজন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-সনাতনী হিন্দু সেনা সংগঠনের ১ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী ২ রা আগষ্ট এই সংগঠনের ১ বছর পূর্তি হবে। বুধবার আগরতলায় সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই জানান সংগঠনের সভাপতি তাপস মজুমদার।
তিনি জানান আগামী ২ রা আগস্ট সনাতনী হিন্দু সেনা সংগঠনের ১ বছর পূর্তিউপলক্ষে ১৪৭ জন দিব্বাঙ্গজনদের মধ্যে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাবহৃত বিভিন্ন জিনিস প্রদান করা হবে।
মোটর রিকশা, হুইল চেয়ার, কানের মেশিন সহ বিভিন্ন জিনিস প্রদান করা হবে। তাপস মজুমদার আরো বলেন সনাতনী হিন্দু সেনা সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষদের হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে অবগত করা এবং আগামীদিনেও তাদের অনেক কর্মসূচি আছে বলে জানান তিনি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নান্নু আজ সকালে বাগমায় বাগমা এগ্রিপ্রোডিউসার্স কোম্পানী লিমিটেড-এ বিভিন্ন কাজকর্ম পরিদর্শন করেন। রাজ্যপাল সেখানে মডেল ইন্টিগ্রেটেট ফার্মিং সিস্টেম পরিদর্শন করেন। সেখানে একত্রে শূকরপালন, মৎস্যচাষ, পোল্ট্রি, মৌমাছি পালন, ছাগল পালন করা হচ্ছে। পরে তিনি দুধ সংগ্রহ কেন্দ্র, তেল নিষ্কাষণ ইউনিট, বিএপিসিএল মার্ড এবং বিভিন্ন পণ্যের প্রদর্শনী স্টলগুলি ঘুরে দেখেন। তিনি কৃষক ও ফার্মের কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন।
অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নান্নু বলেন, কৃষি ত্রিপুরার প্রাণ শক্তি এবং রাজ্যের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। তবে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে কৃষি ক্ষেত্রকে লাভজনক রাখতে হলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ করতে হবে। তিনি বলেন, বিএপিসিএল পরিচালিত ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং সিস্টেম জলবায়ু সহনশীলতা এবং সম্পদের দক্ষ ব্যবহারের একটি মডেল। জনজাতিদের ক্ষমতায়ণেও এই সংস্থাটি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। এই অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল বিএপিসিএল’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুদীপ মজুমদারের হাতে পাঞ্জাব ন্যাশন্যাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে ১ কোটি টাকার চেক তুলে দেন।
রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেডিড নান্নু বিএপিসিএল’র সম্মেলন কক্ষে কৃষি ব্যবসা এবং আর্থিক ক্ষমতায়ণ বিষয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিঙ্কু লাখের, নাবার্ডের ত্রিপুরা আঞ্চলিক অফিসের জেনারেল ম্যানেজার অনিল কটমারি, আরবিআই’র সিনিয়র ম্যানেজার, ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান সত্যেন্দ্র সিং, আইসিএআর ও কেভিকে’র বিজ্ঞানীগণ।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ভার্চুয়ালি ৬টি জনজাতি ছাত্রাবাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান আজ ভার্চুয়ালি ৬টি জনজাতি ছাত্রাবাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পিএম জনমন এবং ধরতি আবা জনভাগিদারী গ্রাম উৎকর্ষ অভিযান স্কিমে জনজাতি ছাত্রছাত্রীদের জন্য এই নতুন ছাত্রাবাসগুলি নির্মাণ করা হবে। বগাফা ব্লকের গোবিন্দবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়, নারাইফাং উচ্চ বিদ্যালয় (ছেলে ও মেয়েদের জন্য)-২টি বিনয় প্রাসাদ পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং জোলাইবাড়ি ব্লকের কৃষ্ণরাম পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে (ছেলে ও মেয়েদের জন্য) আলাদা ২টি ছাত্রাবাস নির্মাণ করা হবে। প্রত্যেকটি ছাত্রাবাস নির্মানে ব্যয় করা হবে প্রায় ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা করে।
ছাত্রাবাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মূল অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয় কোয়াইফাং কমিউনিটি হলে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সমবায় মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া। প্রধান অতিথির ভাষণে সমবায় মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া বলেন, শিক্ষার প্রসার ছাড়া কোনও সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জনজাতিদের শিক্ষার প্রসারে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। রাজ্যে নতুন নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি জনজাতি ছাত্রছাত্রীদের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে ছাত্রাবাস। প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচিতে রাজ্যে ২৭টি ছাত্রাবাস নির্মাণ করা হবে। একলব্য স্কুলের সংখ্যা বাড়িয়ে ২১টি করা হয়েছে। সরকারি প্রকল্পের সুযোগ সমাজের অন্তিম ব্যক্তি পর্যন্ত যাতে পৌঁছায় সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জোলাইবাড়ি বিএসি’র চেয়ারম্যান অশোক মগ, দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক মহাম্মদ সাজ্জাত পি, দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার শিক্ষা আধিকারিক দিলীপ দেববর্মা, জোলাইবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান তাপস দত্ত প্রমুখ। এছাড়াও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অন্য অনুষ্ঠানগুলিতে আলাদা আলাদাভাবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, বিধায়ক মাইলায়ু মগ, দক্ষিণ ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি দীপক দত্ত, শান্তিরবাজার পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন স্বপ্না বৈদ্য, বগাফা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান কৃষ্ণা রিয়াং প্রমুখ।
মোহনপুর: হেজামারা ব্লকে পূর্ব তমাকারি এডিসি ভিলেজের অন্তর্গত রাধানগর হাই স্কুলের ছাত্রাবাসের আজ ভার্চুয়ালি শিলান্যাস করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ৫০ আসন বিশিষ্ট এই ছাত্রাবাস নির্মাণে ব্যয় হবে ২ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা। শিলান্যাস উপলক্ষ্যে রাধানগর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এডিসি’র কার্যনির্বাহী সদস্য (শিক্ষা) রবীন্দ্র দেববর্মা, পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, হেজামারা বিএসি’র চেয়ারম্যান সুনীল দেববর্মা এবং ভাইস চেয়ারম্যান নীহার রঞ্জন দেববর্মা, মোহনপুর মহকুমার মহকুমা শাসক সুভাষ দত্ত, হেজামারা ব্লকের বিডিও মানস মুড়াসিং প্রমুখ। এডিসি’র কার্যনির্বাহী সদস্য রবীন্দ্র দেববর্মা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নয়নে রাজ্য সরকার এবং এডিসি’র বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণের কথা তিনি তুলে ধরেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ১। ভারতের সংবিধানের ধারা ৩২৪ অনুযায়ী, ভারতের নির্বাচন কমিশনকে উপ-রাষ্ট্রপতির পদে নির্বাচন পরিচালনা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
২। সংবিধানের ধারা ৬৮ (২) অনুযায়ী, উপ-রাষ্ট্রপতির পদে কোনও শূন্যতা (যেমন মৃত্যু,
পদত্যাগ, অপসারণ বা অন্য কোনও কারণে) সৃষ্টি হলে শীঘ্রই নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। নির্বাচিত ব্যক্তি সংবিধানের ধারা ৬৭-এর বিধি অনুসারে তার অফিস গ্রহণের তারিখ থেকে পূর্ণ পাঁচ বছরের মেয়াদে পদাধিকারী হবেন।
৩। ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতির নির্বাচন ১৯৫২ সালের প্রেসিডেন্সিয়াল ও ভাইস-প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন আইন এবং ১৯৭৪ সালের সংশ্লিষ্ট নিয়ম দ্বারা শাসিত হয়।
৪। উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি সাধারণ লোকসভা বা রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের থেকে অনেকটাই আলাদা, যেমন নির্বাচকগণের সংখ্যা, প্রার্থীদের যোগ্যতা, ভোটের পদ্ধতি, ভোট গণনা ও আইনি বিধান।
৫। আসন্ন উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০২৫ সম্পর্কে সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে, নির্বাচন কমিশন “Election to the Office of Vice-President of India, 2025” শিরোনামে একটি বুকলেট তৈরি করেছে, যা নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করবে।
৬। বুকলেটটিতে সংবিধানের বিধান, নির্বাচনী কলেজের গঠন, প্রার্থীদের যোগ্যতার শর্তাবলী, প্রার্থিতা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিধান, নির্বাচন সূচি নির্ধারণ, রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নিয়োগ, ভোটের স্থান নির্ধারণ, ভোটদান পদ্ধতি, ভোট গণনার পদ্ধতি এবং নির্বাচনের বিরোধ সম্পর্কে বিধান সংক্ষেপে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
৭। বুকলেটটিতে ১৯৫২ থেকে ২০২২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সর্বশেষ ১৬টি উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত আলোচনা রয়েছে।
৮। বুকলেটটি নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে:
https://www.eci.gov.in/ecibackend/public/api/download?url=L MAhAK6sOPBp%2FNFF0iRfXbEBIEVSLT41NNLRjYNJJP1 Kivr UxbfqkDatmHy12e%2FzcyjgeFPh4LtAbjL4Y7X74UyENgRpQm xwURrfVfd77AUd%2F7r1SMbL88]BiPylObr0gKdCmUSHqAluy d%2BQgGswdQ%3D%3D, ভারতের নির্বাচন কমিশন থেকে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী শ্রী নীতিন গড়করির সাথে সাক্ষাৎ করে সংশ্লিষ্ট মন্তকের অধীন ত্রিপুরায় চলমান ১১ টি কাজের বর্তমান অবস্থা ও গুনগত মান বজায় রেখে দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়েও দৃষ্টি আকর্ষণ করার পাশাপাশি বেশ কিছু দাবি উত্থাপন করেছিলেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।
আজ বিপ্লব কুমার দেবকে চিঠির মাধ্যমে তাঁর উত্থাপন করা বিষয় গুলির অগ্রগতি ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী শ্রী নীতিন গড়করি। যেখানে নেশান্যাল হাইওয়ে হিসেবে কমলপুর-আমবাসা-গন্ডাতুইসা-অমরপুর-শান্তিরবাজার দুই লেন ও পেভ সোল্ডারের কাজের বিষয়ে জানানো হয়েছে।
বিলোনিয়া – জুলাইবাড়ি সড়কের উন্নীতকরণ ও দুই লেনে প্রশস্তকরনের বিষয়ে বিপ্লব কুমার দেবের প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়েছে, ২০২২ এ তা সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও, জমি অধিগ্রহনে বিলম্ব, স্থানীয় কিছু ইস্যু, ইউটিলিটি শিফটিং সহ অনুসাঙ্গিক কিছু কারনে তা বিলম্বিত হয়েছিল, কিন্তু ৩০/০৪/২০২৫ এ এর ফিজিক্যাল প্রগ্রেস প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। কৈলাশহর – ফুলতলি সড়কের দুই লেনে উন্নীত করার বিষয়ে জানানো হয়েছে, এই সড়কটির কাজও প্রায় ৯৬% সম্পন্ন এবং ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়েছে।
গোমতি ও মুহুরী নদীর উপরে আরসিসি ব্রিজের কাজ এবং সাব্রুম আগরতলা এপ্রোচ রোডের ব্রিজের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে, নদী স্রোতের বাঁধা সহ অনুসাঙ্গিক বিভিন্ন কারনে এই কাজের গতি হ্রাস পেয়েছিল। বর্তমানে এর অগ্রগতি প্রায় ৬১ শতাংশ। গুনমান বজায় রেখে এই কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য কন্ট্রাক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথ্যায় ব্যবস্থা গ্রহণেরও কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
কৈলাশহর কুর্তি ব্রিজ সেকশন পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি নিয়ে জানানো হয়েছে যে, এই কাজে অধিক বিলম্বের জন্য প্রথম কন্ট্রাকটরকে এই কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে, অন্য সংস্থা টেন্ডারের মাধ্যমে অবশিষ্ট কাজের বরাত পায়। বর্তমানে কাজের অগ্রগতি প্রায় ১৬ শতাংশ।
চম্পকনগর থেকে খয়েরপুর পর্যন্ত চার লেনে উন্নীত করার বিষয়ে এই পত্রে জানানো হয়েছে, এই কাজটি ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এ সম্পন্ন হওয়ার কথা, বর্তমানে কাজের অগ্রগতি প্রায় ২৩ শতাংশ। লালছড়া – কাঞ্চনপুর সেকশনের বিষয়ে জানানো হয়েছে, এই কাজের তদারকির জন্য কনসালটেনসি আজেনসি নিযুক্ত করা হয়েছে। তারা কাজের অগ্রগতি ও গুনমান সমস্ত কিছুতে লক্ষ্য রাখছে।
তৎসঙ্গে ২০২৪ সালে ভারী বন্যায় অনেক সড়কের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রটেকশন ওয়াল। কোথাও আবার সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। এই মর্মে জানানো হয়েছে, বন্যা পরবর্তী অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত নির্মাণ সারাইয়ায়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কমলপুর -আমবাসা -গন্ডাতুইসা-অমরপুর – শান্তিরবাজার দুই লেন (পেভ সোল্ডার) সড়ক টি ধলাই ও দক্ষিন ত্রিপুরার মধ্যে দিয়ে যাবে। যা ডম্বুর ছবিমুড়ার মত দুটি পর্যন্ত কেন্দ্র হয়ে যায়, যা মৈত্রী সেতু হয়ে চিটাগাং বন্দরের সাথে যোগাযোগের যোগাযোগের অন্যতম পথ হিসেবে উঠে এসেছে। এই বিষয়ে পত্রে জানানো হয়েছে যে, নিয়ম নীতি অনুসারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

