Monthly Archives
May 2025
১৯৪৭ সালে কাশ্মীরে প্রবেশকারী মুজাহিদীনদের যদি হত্যা করতাম আজ এই সমস্যার সম্মুখীন দেবাসীকে হতে হতো না: প্রধানমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মঙ্গলবার গুজরাটের গান্ধীনগরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আবারও পাকিস্তানকে আক্রমণ করে বলেন ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার প্যাটেলের পরামর্শ মেনে নিলে ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে যেত তখনই। আজ গুজরাটের জনসভা থেকে এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
মঙ্গলবার গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরে ৫,৫৩৬ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনের পর এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এই কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ১৯৪৭ সালে আমরা কাশ্মীরে প্রবেশকারী মুজাহিদীনদের যদি হত্যা করতাম আজ এই সমস্যার সম্মুখীন দেবাসীকে হতে হতো না। মোদী বলেন, ‘৬ মে-র পর পাকিস্তানের প্রক্সি যুদ্ধ আর প্রক্সি নয়।
আমরা পাকিস্তানি সন্ত্রাসী শিবির ধ্বংস করেছি, আমাদের কাছে ক্যামেরার ফুটেজ আছে, যা সবাই দেখেছে। ভারতীয় হামলায় নিহত সন্ত্রাসীদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দিয়েছে পাকিস্তান। এটাই প্রমাণ করে যে এটা ভারতের সাথে যুদ্ধ। তিনি আরো বলেন,আমরা কারও সাথে শত্রুতা চাই না। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই। আমরা এমন অগ্রগতিও চাই যাতে আমরা বিশ্বের কল্যাণে অবদান রাখতে পারি।
জনতার কলম ত্রিপুরা ওয়েবডেস্ক :-বেঙ্গালুরুতে বর্তমানে সক্রিয় কোভিড-১৯ কেস বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বর্ধিত পরীক্ষার ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে বাধ্য হয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে শহরে ৩৫ জন ব্যক্তির কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া গেছে, যার ফলে কর্ণাটকে মোট সক্রিয় কেসের সংখ্যা ৮০ জনে দাঁড়িয়েছে। ১৭ মে, ২০২৫ তারিখে, কর্ণাটকে বছরের প্রথম COVID-19 মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, যেখানে ৮৫ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধের মৃত্যু হয়, যিনি বহু-অঙ্গ ব্যর্থতার কারণে হোয়াইটফিল্ডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে মৃত্যুর আগে করা একটি COVID-19 পরীক্ষায় সংক্রমণের বিষয়টি ধরা পড়ে। কর্ণাটক সরকার গত সপ্তাহে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা সামান্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করেছে, রাজ্যজুড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ জনে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী দীনেশ গুন্ডু রাও কর্মকর্তাদের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা এবং সমস্ত গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ (SARI) আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাধ্যতামূলক পরীক্ষা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। TOI-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, পর্যাপ্ত পরীক্ষার ক্ষমতা নিশ্চিত করার জন্য সরকারি হাসপাতালগুলিতে প্রায় ৫,০০০ RT-PCR কিট মজুত করা হয়েছে।
পাকিস্তানকে বিশ্বাস করা যায় না, অপারেশন সিঁদুর চলছে, বিএসএফ সীমান্তে প্রস্তুত এবং সতর্ক রয়েছে: বিএসএফ জম্মু ফ্রন্টিয়ার আইজি
written by janatar kalam
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পহেলগাঁও হামলার জবাব দিতে হয়েছিল অপারেশন সিঁদুর। এই অভিযান চালিয়ে ভারত পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করেছে। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০০ সন্ত্রাসীর। বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে ‘অপারেশন সিঁদুর’ সফল। সেই সঙ্গে তাঁরা স্পষ্ট করেছে যে অভিযান চালিয়ে একাধিক সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের সীমান্ত পেরিয়ে আসার চেষ্টাও ব্যর্থ করা হয়েছে। এখনও সীমান্তরক্ষা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছেন।
বিএসএফ জম্মু ফ্রন্টিয়ারের আইজি (ইন্সপেক্টর জেনারেল) বলেন, “সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর বেশ কিছু জঙ্গি কার্যকলাপের খবর পেয়ে আমরা অপারেশন চালাই। বিএসএফ জওয়ানদের তৎপরতায় অনুপ্রবেশের একাধিক প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়েছে, সাথে সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।” পাশাপাশি বলেছেন, “আমরা আমাদের সতর্কতাকে অবহেলা করতে পারি না। আমরা সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখছি।” তিনি আরও জানান, সীমান্ত বরাবর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
অপারেশন সিঁদুর সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্নের উত্তরে আইজি বলেছেন, “এমন খবর পাওয়া গিয়েছে যে শত্রুরা কোনও ধরনের অপকর্ম, সীমান্ত পেরিয়ে গুলি চালানো বা অনুপ্রবেশের পরিকল্পনা করতে পারে। আমরা প্রস্তুত এবং সতর্ক রয়েছি।”
পাকিস্তানকে যে বিশ্বাস করা যায় না তা স্পষ্ট জানিয়ে আইজি জম্মু বলেছেন, “আমরা মনে করি পাকিস্তানকে বিশ্বাস করা যায় না। অপারেশন সিঁদুর চলছে। বিএসএফ আন্তর্জাতিক সীমান্তে প্রস্তুত এবং সতর্ক রয়েছে। সীমান্তে উচ্চ নজরদারি বজায় রাখার জন্য আমরা শক্তিশালী নজরদারি ব্যবস্থাপনা করছি।”
আইজি জানিয়েছেন তাঁরা প্রস্তাব রেখেছেন যে সাম্বা সেক্টরের একটি পোস্টের নাম অপারেশন সিঁদুর এবং অন্য দুটি পোস্টের নাম দুই শহিদের নামে নামাঙ্কিত করার জন্য। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, অপারেশন চলাকালীন নিরাপত্তাবাহিনীর কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
দলীয় আইন লঙ্ঘনের’ অভিযোগে বিজেপির দুই নেতাকে ছয় বছরের জন্য বহিষ্কার করলো দল
written by janatar kalam
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- সোমবার এক বড় ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কর্ণাটকের সিনিয়র বিধায়ক এসটি সোমশেখর এবং এ শিবরাম হেব্বারকে দল থেকে ছয় বছরের জন্য বহিষ্কার করেছেন। কারণ তারা বারবার দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন।
বিজেপির কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য সচিব ওম পাঠক কর্তৃক জারি করা একটি সরকারী চিঠিতে জানান, “দলের কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটি ২৫শে মার্চ ২০২৫ তারিখের কারণ দর্শানোর নোটিশের প্রতি আপনার প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করেছে এবং আপনার বারবার দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছে। সেই অনুযায়ী আপনাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ছয় বছরের জন্য বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপনি এখন থেকে যে কোনও দলীয় পদ থেকেও অপসারণ করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক রাজ্যসভা নির্বাচনের সময় বিজেপির আনুষ্ঠানিক প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া এবং চলমান লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালানো – এই দুই আইনপ্রণেতা দলীয় লাইন অমান্য করার পরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানাযায়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা সাংসদ তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের প্রচেষ্টায় আগরতলা ও গৌহাটির মধ্যে আরও একটি নতুন ট্রেন পরিষেবার (Narangi) অনুমোদন দিল কেন্দ্র। উল্লেখ্য গত ২২ এপ্রিল কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সাথে সাক্ষাৎ করে রাজ্যের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও নতুন এক্সপ্রেস ট্রেন যুক্ত করা সহ পরিষেবার আরও অত্যাধুনীকিকরনের দাবি জানিয়েছিলেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। দাবি গুলির মধ্যে অন্যতম ছিল, জনসাধারণের সুবিধাকে প্রাধান্য দিয়ে গৌহাটি-আগরতলার মধ্যে শীঘ্রই একটি নতুন ট্রেন যুক্ত করা। দাবি জানানোর এক মাসের মধ্যেই মিললো অনুমোদন। এক চিঠির মাধ্যমে বিপ্লব কুমার দেবকে নতুন রেল পরিষেবার অনুমোদনের বিষয়ে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। দ্রুত পদক্ষেপের জন্য পত্র মারফত কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান শ্রী দেব।
সাক্ষাতে সেদিনই (২২ এপ্রিল) বিপ্লব কুমার দেবকে আশ্বস্থ করেছিলেন রেল মন্ত্রী। বলা চলে, বিপ্লব কুমার দেব মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে রাজ্যের রেল পরিষেবায় যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু এক্সপ্রেস ট্রেন সহ অন্যান্য ট্রেন পরিষেবা। উত্তর পূর্বাঞ্চলের মধ্যে গৌহাটির সাথে যোগাযোগ সহজতর হলে, বাড়বে যাত্রী সাচ্ছন্দ। রাজ্যের রেল যোগাযোগ ক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়ন, আগরতলার সাথে নতুন রেল সূচনা করা, পরিষেবার অত্যাধুনিকীকরণ, ডবল লেন এবং রেল লাইন বাড়ানো সহ যে বিষয় গুলিতে আলোচনা হয়েছিল, সেগুলিও রেল মন্ত্রকের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
দেশে আবারো কোভিডের তীব্রতা বৃদ্ধি, হাসপাতালগুলিকে বেড ও অক্সিজেন প্রস্তুত রাখার নির্দেশ
written by janatar kalam
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- বেশ কয়েক মাসের বিরতি দিয়ে ফের ফিরছে কোভিড। ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় স্বমহিমায় ধরা দিয়েছে করোনা ভাইরাস। দিল্লি, কর্ণাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মতো রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি হাসপাতালগুলিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কেরালা, তামিলনাড়ু এবং কর্ণাটকে চলতি মাসে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। দিল্লিতে ইতিমধ্যেই ২৩ জনের শরীরে কোভিডের জীবাণু পাওয়া গিয়েছে। তবে হ্যাঁ, এখনও পর্যন্ত কোভিডে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ এশিয়ায় করোনা ভাইরাসের বৃদ্ধি সম্ভবত JN.1 ভ্যারিয়েন্ট (ওমিক্রনের একটি উপ-ভেরিয়েন্ট) এর বিস্তারের কারণেই হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রূপটি বেশ ‘সক্রিয়’। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এটিকে এখনও “উদ্বেগের রূপ” হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করেনি।
কোভিডের লক্ষণ খুবই সাধারণ। আক্রান্তরা সচরাচর চার দিনের মধ্যে সেরে ওঠে। কিছু সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে জ্বর, সর্দি, গলা ব্যথা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, অবসাদ। দিল্লিতে যে ২৩ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। এর ফলে বিজেপি সরকার হাসপাতালগুলিকে বিছানা, অক্সিজেন সিলিন্ডার, কোভিড টেস্ট কিট এবং ভ্যাকসিন রাখার নির্দেশ দিয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী পঙ্কজ সিং এ ব্যাপারে বলেছেন, “আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কোভিডের সর্বশেষ রূপটি একেবারে সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো।”
দিল্লির হাসপাতালগুলিকে ইন্টিগ্রেটেড হেলথ ডেটা প্ল্যাটফর্মে দৈনিক ইনফ্লুয়েঞ্জা-জাতীয় অসুস্থতা (ILI) এবং গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা (SARI) কেস আপলোড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দিল্লি-এনসিআর শহর যেমন নয়ডা এবং গাজিয়াবাদেও করোনা ভাইরাস আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। শনিবার, নয়ডায় প্রথম কোভিড রোগীর সন্ধান মিলেছে। এক ৫৫ বছর বয়সী ব্যক্তি কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। গাজিয়াবাদেও এখনও পর্যন্ত চারটি কোভিড কেস পাওয়া গিয়েছে।
মে মাসে কেরলে ২৭৩ জন কোভিড সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সমস্ত জেলায় নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। কেরলের হাসপাতালগুলি মাস্ক বাধ্যতামূলক করেছে। কাশির লক্ষণযক্ত ব্যক্তিদের মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে।
প্রতিবেশী কর্ণাটকেও কোভিড মামলার সংখ্যা সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ৩৫টি সংক্রমণ রেকর্ড করা হয়েছে। তাদের মধ্যে হোসকোটের বাসিন্দা ৯ মাস বয়সী এক শিশুও রয়েছে। যাদের তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে তাদের পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মে মাসে মুম্বাইতে এখন পর্যন্ত ৯৫টি কেস রিপোর্ট করা হয়েছে, যা মহারাষ্ট্রের মোট কোভিড সংক্রমণের সর্বোচ্চ। তবে হাসপাতালে ভর্তির হার কম। এ পর্যন্ত মাত্র ১৬ জন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। বিএমসি কোভিডের লক্ষণযুক্ত সকল রোগীকে করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছে।
মহারাষ্ট্রের থানেতে গত তিন দিনে কোভিডে ১০ জনেরও বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত পরিমাণে ওষুধ মজুদ রাখা হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে কোভিডের বৃদ্ধি দেখা যায়নি। তবুও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলিকে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা,পিপিই কিট এবং ট্রিপল-লেয়ার মাস্ক সরবরাহ বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদেশ বা ভারতের বাইরে থেকে যারা আসছেন তাদের কোভিড টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্যই ত্রিপুরার সার্বিক উন্নয়নে গতি এসেছে: মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল অভূতপূর্ব অগ্রগতির সাক্ষী হতে চলছে। দেশের শীর্ষ শিল্পপতিরা উত্তর পূর্বাঞ্চলের শিল্প স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছেন। সরকারও এই এলাকার উন্নয়নে সর্বাধিক জোর দিয়েছে। রাইজিং নর্থ ইস্ট ইনভেস্টরস সামিট অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনটাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অভূতপূর্ব অগ্রগতি গোটা দেশকে দিশা দেখাবে।
দেশের সর্বাবিক উন্নয়নে এই অঞ্চলের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, উত্তর পূর্বাঞ্চল এক সময়ে বোমা বন্দুক এবং রকেটের সমর্থক ছিল। সন্ত্রাস আর উগ্রবাদ এই এলাকার উন্নয়নকে থমকে দিয়েছিলো। বর্তমানে পরিস্থিতির যথেষ্ট পরিবর্তন হয়েছে। উগ্রবাদীরা আলোচনার মাধ্যমে সাধারণ জীবনে ফিরে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন যে তার সরকার সন্ত্রাসবাদ বা নক্সালবাদ যাই হোকনা কেন শূণ্য সহিংসতা নীতি অনুসারে সমাধান করেছে। এদিন তিনি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদের বিষয় উল্লেখ করে বলেন, এই এলাকায় বিকাশের অন্যতম উপাদান রয়েছে। সেই উপাদানকে কাজে লাগিয়ে এই অঞ্চলে বেশ কিছু শিল্প গড়ে তোলার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ক্ষেত্রে ব্যাবসা বাণিজ্য, স্টার্ট আপ বিনিয়োগ বিভিন্ন উদ্যোগীরা অংশ গ্রহণ করছে।
বিনিয়োগ প্রচারের জন্য রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রালয় কর্তৃক গৃহীত নীতি এখানে অবলম্বন করা হবে। পর্যটন, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলির উন্নয়ন সম্ভব। এদিনের অনুষ্ঠানে দেশের শিল্পপতিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুকেশ আম্বানি, গৌতম আদানি, অনিল আগরবাল সহ বিদেশের বেশ কয়েকজন শিল্পপতি। উপস্থিত ছিলেন উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য গুলির মুখ্যমন্ত্রীরা।
এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মাকি সাহা বক্তব্য রাখতে গিয়ে ত্রিপুরার অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং সম্ভাবনাময় শিল্পের পরিকাঠামো উল্লেখ করে শিল্পপতিদের রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানান। প্রশংসা করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি নরেন্দ্র মোদীর জন্যই ত্রিপুরার সার্বিক উন্নয়নে গতি এসেছে।
সন্ত্রাসবাদি কার্যকলাপ দমনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনী যোগ্য জবাব দিয়েছে: সুশান্ত
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- সন্ত্রাসবাদি কার্যকলাপ দমনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনী যোগ্য জবাব দিয়েছে। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন জানিয়ে ৭ রামনগর জুড়ে অনুষ্ঠিত হয় এক তিরঙ্গা যাত্রা। এই তিরঙ্গা যাত্রায় নেতৃত্বে ছিলেন মেয়র দীপক মজুদার, মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, মন্ত্রী টিংকু রায়।
৭ মন্ডলের উদ্যোগে হয় এই ত্রিরঙ্গা রেলি। সন্ত্রাসবাদের মদতদাতা পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে র্যা লির আয়োজন করা হয়।
উপস্থিত ছিলেন ৭ রাম নগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক দীপক মজুমদার, মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, মন্ত্রী টিংকু রায় সহ অন্যান্যরা। এদিন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, পাকিস্তানে মদতপুষ্ট জঙ্গিদের অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে শুধু যোগ্য জবাব দেয়নি ভারতীয় সৈনিকরা, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে পাকিস্তানকে নাস্তানা বুধ করে দেয়া হয়েছে।
রাজ্য সরকার রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ করছে: টিঙ্কুরায়
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্য সরকার রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ করছে ত্রিপুরার ছেলেমেয়েরা কোন অংশেই পিছিয়ে নেই। খেলাধুলার ক্ষেত্রেও রাজ্যের ছেলেমেয়েদের আরও এগিয়ে যেতে হবে। রাজ্য সরকার রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ করছে। আজ শহীদ ভগৎ সিং যুব আবাসে ত্রিপুরা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের এডহক কমিটির কর্মকর্তা এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য-সদস্যাদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যুববিষয়ক ও ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায় একথা বলেন।
ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. পিটি উষার নির্দেশে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তর এবং ত্রিপুরা স্পোর্টস কাউন্সিলের সহযোগিতায় ত্রিপুরা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের এডহক কমিটি গঠিত হয়েছে। এই কমিটির সভাপতি হয়েছেন অলিম্পিয়ান পদ্মশ্রী দীপা কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সুজিত রায় এবং কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন রতন কুমার দাস। ১৫ জনকে নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
যুববিষয়ক ও ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, নবনির্বাচিত ত্রিপুরা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন রাজ্যে খেলাধুলার উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তিনি বলেন, গত ৫ বছরে রাজ্যের ক্রীড়াবিদরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ৫০টিরও বেশি স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক অর্জন করেছে। ক্রীড়ামন্ত্রী এই কমিটির সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের সচিব ড. প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী ধন্যবাদসূচক বক্তব্যে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিজোরাম অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিধায়ক রবার্ট রোমাইয়্যা রয়তে, অরুণাচল প্রদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বামাঙ্গ টাগো, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের অধিকর্তা সত্যব্রত নাথ, ত্রিপুরা স্পোর্টস কাউন্সিলের সচিব সুকান্ত ঘোষ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ত্রিপুরা এডহক কমিটির চেয়ারম্যান তথা মেঘালয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরি সভাপতি জন এফ খারসিং।
