Monthly Archives
October 2023
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বর্তমান ত্রিপুরা রাজ্যে যে পরিস্থিতি চলছে সেখানে সাধারণ মানুষের কাছে উৎসব নয় যেন একটা বিভীষিকা । মায়েদের লজ্জা নিবারণের কাপড় নেই , শিশুদের বস্ত্র নেই । গোটা রাজ্যে কাজ ও খাদ্যের জন্য হাহাকার চলছে । গ্রামাঞ্চলে মানুষের কোন কাজ নেই । পাহাড় অঞ্চলে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে মানুষ । পুজোর আনন্দ ম্লান হয়ে যাচ্ছে মানুষের কাছে । বামফ্রন্ট সরকারের আমলে পুজোর আগে গ্রাম ও শহরাঞ্চলে অন্তত ১৫ দিনের সরকারি কাজ দেওয়া হত । যার টাকা ও মিটিয়ে দেওয়া হত পুজোর আগেই । যাতে করে সাধারণ গরিব মেহনতি খেটে খাওয়া মানুষ পুজোর আনন্দে প্রত্যেকের সঙ্গে সমানভাবে আনন্দ ভাগ করে নিতে পারে । বর্তমান সরকারের সময়ে এসব কিছু বন্ধ হয়ে গেছে । বক্তা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার । শুক্রবার ভারতের ছাত্র ফেডারেশন সদর বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মানিক সরকার বিগত বামফ্রন্ট সরকারের গুনগান গেয়েই শেষ করতে পারেননি । বক্তব্যে এমনভাবে গুছিয়ে কথাগুলো উপস্থাপন করেছেন শুনে মনে হবে বর্তমান রাজ্য সরকার একটা অপাংতেও । কোন উন্নয়নই হচ্ছে না বর্তমানে । সাধারণ মানুষের চোখ অন্ধকার । শুধু প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর চোখেই ফুটে উঠছে রাজ্যে কাজ নেই খাদ্য নেই , বস্ত্রের জন্য লজ্জা নিবারণ করতে পারছে না । সত্যিই কি রাজ্যের এটাই বাস্তব চিত্র নাকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রচারের আলোতে আসার জন্য এ ধরনের প্রলাপ বকছেন । প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন সিআই টিইউর সিন্ডিকেট পন্থিদেরকেও হার মানিয়েছে বি এম এস অর্থাৎ ভারতীয় মজদুর সংঘ । পুজোর প্রাক মুহুর্তে বিশালগড় সিএনজি স্টেশনে ৪০ জন অটোচালকের একটি তালিকা পাঠানো হয়েছে ভারতীয় মজদুর সংঘ থেকে । যেখানে সিএনজি স্টেশন মালিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাদেরকে যাতে ফাঁক বুঝে তাড়াতাড়ি গ্যাস সরবরাহ করা হয় । এদিকে এই নির্দেশ প্রকাশ্যে আসতেই অন্যান্য অটোচালকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ধুমায়িত হচ্ছে। আগে সাধারণ মানুষ বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন সিআই টিইউর সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে সরব হত । অনেক সমালোচনা শোনা গিয়েছে রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর । নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সারা রাজ্যের সমস্ত সিআইটিইউ সিন্ডিকেট গুলি দখল করে নিয়েছিল বি এম এস ।সাধারণ যানবাহন চালকরা মনে করেছিল এইবার বোধহয় কিছুটা নিস্তার পেয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বি এম এস এর দাদাগিরিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে শ্রমিকরা । তাদের কার্যকলাপ বিগত সরকারের শ্রমিক সংগঠনকে হার মানিয়েছে বলে মন্তব্য করছে যানবাহন চালকরা । প্রশাসন বিষয়টির উপর নজরদারি চালানোর জন্যও আবেদন জানিয়েছে অটো চালকরা ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- উৎসবের প্রাক মুহুর্তে রহস্যজনক মৃত্যু হল এবার এক পুলিশ কনস্টেবলের। মৃত পুলিশকর্মীর নাম সুজন বিশ্বাস। বয়স ৩৪ বছর। সুজন পেশায় একজন পুলিশ কনস্টেবল। বাড়ি খোয়াই প্রহরমুড়া এলাকায়। নরসিংগড় পুলিশ একাডেমিতে কর্মরত ছিলেন এই মৃত কনস্টেবল। ঘটনার বিবরণে জানা যায় নরসিংগড় পুলিশ একাডেমি থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে বাইকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন সুজন। এর মধ্যেই খোয়াই এলাকায় রাস্তার মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তারা খবর দেয় দমকল বাহিনীর কর্মীদের। এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে দমকল বাহিনীর কর্মীরা রক্তাক্ত অবস্থায় সুজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু তার আঘাত গুরুত্বর হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জিবি হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়। জিবিতে নিয়ে আসার কিছুক্ষণ বাদেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে পুলিশ কনস্টেবল সুজন। তবে সুজনের মৃত্যু দুর্ঘটনা জনিত কারণে, নাকি পরিকল্পিতভাবে খুন, সে বিষয়ে কেউ কিছু জানাতে পারেনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই পুলিশ কনস্টেবলের রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে উঠতে শুরু করেছে এখন নানা প্রশ্ন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগরতলা সহ গোটা রাজ্যে শুরু হয়ে গেল শারদ উৎসব। আর এই উৎসবের শুরুতেই একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনা উঠে আসছে জনসম্মুখে। শুক্রবার মহাষষ্ঠীর দিন সাত সকালেই পুকুরের জলে ডুবে মৃত্যু এক দিন মজুর শ্রমিকের। মৃত শ্রমিকের নাম ভুবনজয় সরকার। বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর। ঘটনা রাজধানী আগরতলার ইন্দ্রনগর কবরখলা এলাকায়।। জানা যায় অন্যান্য দিনের মতো শুক্রবার সকালেও ভুবনজয় নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে যায় স্থানীয় একটি বাড়িতে। সেখানে দিনমজুরের কাজ করার সময় আচমকা তিনি পাশে থাকা পুকুরের জলে পড়ে যান। বিষয়টি পরিবারের লোকজন প্রত্যক্ষ করতে পেরে স্থানীয়দের সহযোগিতায়কে জল থেকে উদ্ধার করে দমকল বাহিনীর কর্মীদের সহযোগিতায় জিবি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পরে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের শেষে পরিবারের লোকজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মহা ষষ্ঠীর দিন সকালে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জলে ডুবে দিনমজুর শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- উৎসবের আবহের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা। চারিদিকে মানুষ যখন উৎসবের আনন্দে গা ভাসিয়ে দিতে প্রস্তুত ঠিক তখনই জিরানিয়া মুসলিম পাড়া এলাকা যেন শোকস্তব্দ হয়ে পড়ে। ধারালো ছুরির আঘাতে ভগ্নিপতির হাতে খুন হলেন শ্যালক। ঘটনা বৃহস্পতিবার রাতে জিরানিয়া থানার অন্তর্গত মুসলিম পাড়া এলাকায়। মৃত যুবকের নাম সফর আলী মিয়া। বয়স ৩২ বছর। ঘটনার বিবরণে জানা যায় ভগ্নিপতি শরিফ হোসেন বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। প্রায় সময়ই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ লেগে থাকত। বৃহস্পতিবার রাতে শরীফ বাড়ি এসে কোন একটি বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। একসময় শরিফ উত্তেজিত হয়ে প্রচন্ড মারধোর করতে শুরু করে। আর বিষয়টি প্রত্যক্ষ করতে পেরে মেনে নেয়নি শ্যালক সফর আলী মিয়া। বোনকে মারধর করার প্রতিবাদ জানালে ভগ্নিপতি ধারালো ছুরি দিয়ে একাধিকবার আক্রমণ করে শ্যালক সফর আলী মিয়াকে। এতে রক্তাক্ত হয়ে পড়ে শ্যালক। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন প্রথমে জিরানিয়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে জিবি হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সফর। এদিকে ঘটনার পরেই স্থানীয়রা ভগ্নিপতি শরিফকে আটক করে জিরানিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। চাঞ্চল্যকর এই খুনের ঘটনাকে ঘিরে মুসলিম পাড়া এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মার্চের পরেই আগরতলা থেকে চালু হবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস । ফেব্রুয়ারি মার্চের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে আগরতলা পর্যন্ত রেল লাইনের ইলেক্ট্রিফিকেশন এর কাজ । তারপরেই দ্রুতগামী ট্রেনের চলাচল শুরু হয়ে যাবে । ঘোষনা করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব । বৃহস্পতিবার আগরতলা মুম্বাই লোকমান্য এক্সপ্রেস ট্রেনের ভার্চুয়ালি সূচনা করে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব আরও বলেন উত্তর পূর্বাঞ্চলের ৬০টি স্টেশনকে বিশ্বমানের স্টেশনে পরিণত করা হবে । ইতিমধ্যেই ৩৭টি স্টেশনের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নর্থইস্ট কানেক্টিভিটির উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে । এদিন আগরতলা রেল স্টেশনে লোকমান্য এক্সপ্রেস সূচনা পর্বে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা , কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক , পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী , স্থানীয় বিধায়িকা মিনা রাণী সরকার ও উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের ডিজিএম । প্রসঙ্গত এদিন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী সাবরুম পর্যন্ত নতুন একটি ডেমো ট্রেন ও আগরতলা রেলস্টেশনের এক্সেলেটর এর সূচনা করেন । লোকমান্য এক্সপ্রেস ও ডেমো ট্রেনের সূচনা পড়বে সবুজ পতাকা নেড়ে মুখ্যমন্ত্রী সহ উপস্থিত সকলের অভিবাদন জানান ।এদিন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে কাঞ্চনজঙ্ঘা ও ত্রিপুরেশ্বরী এক্সপ্রেসকে সাব্রুম পর্যন্ত এক্সটেনশন করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন । একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আগরতলা কলকাতা ভায়া ঢাকা ট্রেন চালু করার জন্য অশ্বিনী বৈষ্ণবকে অনুরোধ জানান । মুখ্যমন্ত্রী বলেন এই ট্রেন চালু হলে আগরতলা থেকে কলকাতার দূরত্ব অনেক কমে যাবে ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পর্যটনের মাধ্যমে আগামী দিনের রাজ্যে বিশাল কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে । রাজ্য সরকার চাইছে ভারতের পর্যটন মানচিত্রে ত্রিপুরার স্থান একটা বিশেষ জায়গায় নিয়ে যেতে । সেই লক্ষ্যে এডিবির সাহায্যে পর্যটনের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ চলছে । যার জন্য ত্রিপুরার পর্যটনের ব্র্যান্ড এম্বাসেডর হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিকে নির্বাচন করা হয়েছে । ইতিমধ্যেই সৌরভ গাঙ্গুলীর টিম রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র গুলি ঘুরে দেখে গেছেন । পুজোর পরেই ব্র্যান্ড এম্বাসেডর সৌরভ গাঙ্গুলী সশরীরে রাজ্যের পর্যটন কেন্দ্র গুলি পরিদর্শন করবেন এবং রাজ্য সরকারের সঙ্গে সৌজন্য আলাপ আলোচনায় মিলিত হবেন । রাজ্যের বিরাট অংশের বেকার যুবক-যুবতীদের ব্যাপক কর্মসংস্থানের লক্ষ্যেই সরকার পর্যটনের বিকাশ চাইছে । বৃহস্পতিবার রাজ্য পর্যটন নিগমে বোর্ড অফ ডিরেক্টরস এর বৈঠক শেষে এই তথ্য তুলে ধরেছেন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী । শ্রী চৌধুরী আরও জানান , অচিরেই ভারতের পর্যটন মানচিত্রে একটা বিশেষ স্থান করে নেবে ত্রিপুরা ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে ইতিমধ্যেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুরু হয়ে গেছে শারদীয়া উৎসব। যদিও তিথি অনুযায়ী আগামীকাল ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে সূচনা হবে দেবীর বোধন। তার আগেই ক্লাবে ক্লাবে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে নিয়ে এখন চলছে প্যান্ডেল উদ্বোধনের পালা। আসন্ন এই উৎসব এবছরও সুস্থ পরিবেশে অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনিকভাবে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগরতলা পুর নিগমের উদ্যোগেও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুজোর শেষে প্রতিমা নিরঞ্জনের ক্ষেত্রেও এবছর পুর নিগম বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২৬ অক্টোবর প্রশাসনিকভাবে আয়োজিত কার্নিভাল এর মধ্য দিয়েই শেষ হবে প্রতিমা নিরঞ্জন প্রক্রিয়া। দশমীঘাটে পুর নিগমের কর্মীরায় প্রতিমা নিরঞ্জন করবে। এর জন্য ৯০ জন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। প্রতিমা নিরঞ্জন যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, তার জন্য নতুনভাবে সেজে উঠছে দশমিঘাট। তাই শারদীয়া উৎসবকে সামনে রেখে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে কর্পোরেটরদের নিয়ে ফের আরো একবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হলেন পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। নিগমের কনফারেন্স হলে আয়োজিত বৃহস্পতিবারের এই পর্যালোচনা বৈঠকে মেয়র ও কর্পোরেটররা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নিগমের আধিকারিকরা। বৈঠকে পুর নিগমের বিভিন্ন এলাকার পুজো প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন কর্পোরেটররা। উৎসব শান্তিপূর্ণ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে যেসব এলাকায় এখনো বিভিন্ন দিক দিয়ে কিছু সমস্যা রয়েছে, সেই সমস্যা গুলি যাতে দ্রুত সমাধান করা যায় তার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয় বৈঠকে। এদিন বৈঠকের ফাঁকেই মেয়র জানান, আগামী ২৬ শে অক্টোবর কার্নিভালের মধ্য দিয়েই শেষ হবে প্রতিমা নিরঞ্জন। কিন্তু কুমারঘাটে সংঘটিত ঘটনা যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য প্রতিমা নিরঞ্জনের আগে ক্লাবগুলি যেন স্থানীয় বিদ্যুৎ নিগমের কার্যালয়ে আলোচনা করে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করতে তখন বিদ্যুৎ নিগম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তাই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য ক্লাবগুলির প্রতি এদিন আহ্বান রাখেন মেয়র।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চারিদিকেই চারিদিকেই এখন বেজে গেল শারদীয়া উৎসবের দামামা। রাজধানী আগরতলাসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মহাপঞ্চমীতেও দর্শনার্থীদের জন্য পূজোর মন্ডপ উন্মুক্ত করে দেয় বিগ বাজেটের অধিকাংশ ক্লাব। আর এই পুজো মন্ডপ উদ্বোধনকে ঘিরে ক্লাবগুলি একের পর এক আয়োজন করে চলেছে নানা সামাজিক কর্মকান্ড। এর মধ্যে যেমন রয়েছে বস্ত্র দান, তেমনি আবার স্বেচ্ছা রক্তদান শিবিরের মত কর্মসূচি। বৃহস্পতিবার তা আরো একবার লক্ষ্য করা গেল রাজধানীর আগরতলা শহরতলী পশ্চিম প্রতাপগড় কবিরাজ টিলা পল্লী উন্নয়ন সংঘে। এবছর স্বেচ্ছা রক্তদান শিবির ও দুঃস্থদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয় পল্লী উন্নয়ন সংঘের পূজো মন্ডপ। আর এই মন্ডপ উন্মোচন অনুষ্ঠানে এদিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজিব ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুরনিগমের ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন ঝরনা দেববর্মা, হর্টিকালচার নিগমের চেয়ারম্যান জহর সাহা, কর্পোরেটর অভিজিৎ মল্লিক সহ আরো অনেকে। উৎসবের মধ্যে স্বেচ্ছা রক্তদান শিবিরের মত কর্মসূচি আয়োজন করার জন্য পল্লী উন্নয়ন সংঘের কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, পুজোর পাশাপাশি সমাজের কাজেও এখন নিয়োজিত ক্লাবগুলি। সমাজকে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সমাজ পরিবর্তনের মাধ্যমিক সরকার পরিবর্তনকে আরো বিকশিত করা যায়। যেভাবে এখন রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাব স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সমাজ সেবামূলক কাজের মাধ্যমে সমাজের জন্য ব্রতী হয়েছেন তা অত্যন্ত প্রশংসার দাবি রাখে।
