জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের পথে এক পা এগিয়ে রাখল ভারত। লখনউয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে ১০০ রানে হারাল ভারত। একইসঙ্গে পয়েন্ট টেবলের শীর্ষ স্থান ফিরে পেল মেন ইন ব্লু। উল্লেখ্য, চলতি বিশ্বকাপে ছয়ে ছয় করার লক্ষ্য নিয়ে একানা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। মাত্র ২২৯ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠে নামলেও দুরন্তভাবে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট পাকা করে নিল ভারত। ১২৯ রানেই অল আউট হয়ে গেল ইংল্যান্ড। মহম্মদ শামি তিন ও যশপ্রীত বুমরা তিনটি উইকেট নেন।
Monthly Archives
October 2023
মন কি বাত অনুষ্ঠান শুনে সারা ভারতকে ত্রিপুরায় বসে দর্শন করতে পারছি : মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন কি বাত সত্যি এমন এক জিনিস , যেখানে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন কিছু শুনি ,যা কল্পনাও করতে পারেনি। সারা ভারতকে ত্রিপুরায় বসে দর্শন করতে পারছি। ভোকাল ফর লোকাল-এর উপর তিনি জোর দিয়েছেন। আমাদের ও লোকাল জিনিসের উপর জোর দেওয়া উচিত। বিদেশি জিনিস থেকে আকৃষ্ট হওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। শুধু ভারতবর্ষ নয় সারা পৃথিবীতে তিনি শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার , বলা যেতে পারে বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা।রবিবার প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠান শুনতে মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা ১৪ বাধারঘাট মন্ডলের ৯ নম্বর বুথ ভট্টপুকুর কালিটিলা দিলীপ সাহার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে অন্যান্য বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১৪ বাধারঘাট বিধানসভার বিধায়িকা মিনা রানি সরকার সহ কর্যকর্তারা।
বর্তমান সরকারের সময়ে এবারেই প্রথম সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকান থেকে সরিষার তেল দেওয়া হচ্ছে : খাদ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভোক্তারা এখন সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকানে সারা মাস বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী পাচ্ছেন। আগে এরকম হত না। মাসের প্রথমদিকে সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকানে পণ্য সামগ্রী পাওয়া যেত। এখন সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকানে ভর্তুকীতে সরিষার তেলও দেওয়া হচ্ছে। আজ জিরানীয়া মহকুমায় সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকানে ভোক্তাদের মধ্যে সরিষার তেল বিক্রয় কর্মসূচির সূচনা করে খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী একথা বলেন। রবিবার বিকালে প্রথমে নলগড়িয়া মার্কেটস্থিত ন্যায্য মূল্যের দোকানে খাদ্যমন্ত্রী ভোক্তাদের মধ্যে ভর্তুকীতে সরিষার তেল বিক্রয় কর্মসূচির সূচনা করেন। খাদ্যমন্ত্রী জানান, গনবন্টন ব্যবস্থায় কোন পণ্য সামগ্রী ই বিনামূল্যে দেওয়া হয় না। ভর্তুকী মূল্যে ভোক্তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়া হয়। সরকারের এই কর্মসূচি নিয়ে কোন কোন মহল থেকে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। রাজ্য সরকার জনকল্যাণে কাজ করছে। একটি স্বার্থান্বেষী চক্র সরকারের জনমুখী কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। সরকারের বদনাম করছে। বলা হচ্ছে ন্যায্য মূল্যের দোকানে খালি ব্যাগ দেওয়া হচ্ছে। রেশন সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে না। এটা সঠিক নয়। খাদ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের সময়ে এবারেই প্রথম সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকান থেকে সরিষার তেল দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়াও খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী আজ মোহনপুর বাজারে ন্যায্য মূল্যের দোকান ও জিরানীয়া কলেজ চৌমুহনীস্থিত ন্যায্য মূল্যের দোকানে ভোক্তাদের হাতে ভর্তুকী মূল্যে সরিষার তেল তুলে দেন। সেই সাথে খাদ্যমন্ত্রী ভোক্তাদের হাতে বিনামূল্যে ক্যানভাস ব্যাগও তুলে দেন।
অনুষ্ঠানগুলিতে উপস্থিত ছিলেন রাণীরবাজার পুর পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রবীর কুমার দাস, জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান রতন কুমার দাস, খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতা স্বার্থ বিষয়ক দপ্তরের অধিকর্তা নির্মল অধিকারী, জিরানীয়া মহকুমার অতিরিক্ত মহকুমা শাসক সুশান্ত দেববর্মা, বিশিষ্ট সমাজসেবী গৌরাঙ্গ ভৌমিক প্রমুখ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দেশের যুবাদের বিকাশে আগামী ৩১ অক্টোবর এক নয়া সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করাতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । নতুন এই সংগঠনের নাম দিয়েছেন মেরা যুবা ভারত মাই গভ ইন্ডিয়া ।মূলত যুবাদের বিকাশে এই সংগঠন ৩১ অক্টোবর থেকে তার কর্মসূচি শুরু করবে । রবিবার প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । রাজধানীর শান্তিপাড়ায় মন কি বাত অনুষ্ঠান শুনে এক প্রতিক্রিয়া সাংবাদিকদের সামনে এই তথ্য তুলে ধরেছেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য । শ্রী ভট্টাচার্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে আরও জানান , মনকি বাত অনুষ্ঠানে দেশের প্রধানমন্ত্রী vocal ফর লোকালের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন । বলেন প্রত্যেকটি ভারতবাসী দেশীয় পণ্যের ব্যবহারের উপর কঠোর নজর দিতে হবে । স্থানীয় পণ্যসামগ্রীর চাহিদা যত বেশি বৃদ্ধি পাবে , দেশের বেকারদের তত বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে । পাশাপাশি দেশ থেকে মুছে যাবে দারিদ্রতা । দেশীয় পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের লোকের তখনই কর্মসংস্থান সম্ভব হবে যখন প্রত্যেক জন ভারতবাসী দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেবে। মানুষকে বিদেশি পণ্য বর্জন সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে । যখনই মানুষ বিদেশি পণ্য বর্জন করে দেশীয় পণ্যের ওপর নজর দেবে তখনই ভারত হয়ে উঠবে, এক ভারত ও শ্রেষ্ঠ ভারত । এদিনের মন কি বাত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কর্পোরেটর রত্না দত্ত সহ ৮ বড়দোয়ালী বিধানসভা কেন্দ্রের মন্ডল সভাপতি ও স্থানীয় কার্যকর্তাগণ ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা টেনিস এসোসিয়েশনের আমন্ত্রণে মনিপুর টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের ৯ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল রাজ্য সফরে এসেছে । মূলত দুই রাজ্যের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠার লক্ষ্যেই মনিপুর টেনিস এসোসিয়েশনের ৯ সদস্যের এই সফর । রবিবার মনিপুর টেনিস অ্যাসোসিয়েশন ও এিপুরা টেনিস অ্যাসোসিয়েশন এর মধ্যে বন্ধুত্ব পূর্ন টেনিস ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় আগরতলা মালঞ্চ নিবাস টেনিস কমপ্লেক্সে। ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার টেনিস এসোসিয়েশনের সম্পাদক সুজিত রায় ও মনিপুর টেনিস এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ।মনিপুর থেকে আগত টেনিস এসোসিয়েশনের সদস্যরা ত্রিপুরা টেনিস এসোসিয়েশনের আপ্যায়নে কার্যত আপ্লুত হয়ে পড়েছে । বলেন ত্রিপুরার শান্ত পরিবেশ ও রাজ্যবাসীর আপ্যায়ন আমাদের কাছে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে । আমরা ত্রিপুরা টেনিস এসোসিয়েশনকেও মনিপুরে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি । তখন দুই রাজ্যের খেলোয়াড়দের মধ্যে আরও বেশি আন্তরিকতা গড়ে উঠবে । সেই লক্ষেই মনিপুর ও ত্রিপুরা হেতে হাত মিলিয়ে টেনিসের উন্নয়ন ও প্রসার চাইছে ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রবিবার ৭-রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত আগরতলা পুর নিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১১নং বুথের বুথ সভাপতি শ্রীমতি রীতা দেবের বাড়িতে এলাকার মা-বোন ও যুবা ভাইদের সাথে বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি’র ১০৬তম ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। মন কী বাত অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, আদরণীয় প্রধানমন্ত্রীজী’র আজকের এই মন কি বাত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদত্ত বক্তব্য দেশবাসীর অন্তর্নিহিত ধারণাকে ইতিবাচক চিন্তাধারায় উদ্ভাসিত করেছে। দেশের জনগণ মন কি বাত-এর মাধ্যমে পরস্পরের অভিজ্ঞতার বিনিময় করছেন তার সঙ্গে স্ব-ইচ্ছায় গঠনমূলক ও ইতিবাচক কিছু করার ভাবনা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটা এমনই একটা সুষ্ঠ পরিবর্তন যাতে মানুষ সমাজসেবার জন্য অনেক বেশি এগিয়ে আসছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা ধরনের পরামর্শে মন কি বাত অনুষ্ঠানটি প্রতিটি পর্বে ঋদ্ধ হচ্ছে, যার ফলে আমাদের সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হচ্ছে। এদিন মন্ত্রী আরো বলেন, আজ মন কি বাত এর মাধ্যমে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে আদরণীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য আমাদের মতো জনপ্রতিনিধিদের চলার পথে জনকল্যাণমূলক কাজ করতে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা জোগাবে। দেশের সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি যে প্রেরণাদায়ক ও ইতিবাচক কিছু বার্তা দিয়েছেন তা আমাদের মত জনপ্রতিনিধিদের কর্মক্ষেত্রে কাজ করার জন্য মার্গ দর্শনের কাজ করবে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শারদীয়া উৎসবের আগে রাজ্য সরকারের খাদ্য দপ্তর উৎসব উপহারস্বরূপ সমস্ত রেশন ভোক্তাদের হাতে কার্ড পিছু এক লিটার সরিষার তেল সহ আরো বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়। আগরতলা রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে যার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল। উৎসবের আগে রেশন শপগুলিতে চিনি, ময়দা, আটা সহ অন্যান্য সামগ্রী যথারীতি পৌঁছে গেলেও, বিভিন্ন কারণে শর্ষের তেল পৌঁছা সম্ভব হয়নি। খানিকটা দেরিতে হলেও এবার ন্যায্য মুলের দোকানগুলিতে পৌঁছাতে শুরু করল সরকারের ঘোষিত সরিষার তেল। দীপাবলীর আগে প্রত্যেক রেশন ভোক্তা হাতে পেয়ে যাবেন এই সরিষার তেল। বাজার থেকে খানিকটা কম দামে প্রতি লিটার ১১৩ টাকা দরে দেওয়া হবে এই তেল। শুক্রবার আগরতলা শহরের বেশ কয়েকটি ন্যায্য মূল্যের দোকানে নিজে উপস্থিত থেকে এই সরষের তেল বিতরণ কর্মসূচির সূচনা করলেন খাদ্য দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। দপ্তরের অধিকর্তা নির্মল অধিকারী ও সহকারী অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা সহ অন্যান্য আধিকারিকদের সাথে নিয়ে এদিন রেশন ভোক্তাদের হাতে এক লিটার করে সর্ষের তেল তুলে দিলেন মন্ত্রী শ্রী চৌধুরী। এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এদিন মন্ত্রী বলেন রাজ্য সরকার ১৫ টাকা ভর্তুকি মূল্যে শর্ষের তেল বিতরণ করছে। দেওয়ালি উৎসবের আগে প্রতিটি রেশন শপে পৌছে যাবে এই তেল। খাদ্য দপ্তর যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে। বছরে চারবার উৎসবের সময় ভর্তুকি মূল্যে সর্ষের তেল দেওয়া হবে। রাজ্যের গণবণ্টন ব্যবস্থা এখন অনেকটাই উন্নত হয়েছে। আর তা সহ্য হচ্ছে না বলেই শুধুমাত্র রাজনীতি করার জন্য মানুষকে বিভ্রান্ত করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একাংশ অপপ্রচারকারী। মানুষকে আরও বেশি করে কিভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া যায় সেই দিশা নিয়েই কাজ করছে রাজ্য সরকার।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শারদীয়া দুর্গা উৎসবের রেশ এখনো কেটে উঠেনি। এর মধ্যেই শুরু হয়ে গেল বাঙালির বারো মাসের ১৩ পার্বণের অন্যতম আরো একটি পার্বণ লক্ষী পূজার আয়োজনের তৎপরতা। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী লক্ষ্মী হলেন ধন-সম্পদ, আধ্যাত্মিক সম্পদ, সৌভাগ্য ও সৌন্দর্যের দেবী। তিনি বিষ্ণুর পত্নী।কোজাগরি পূর্ণিমার দিন তার বিশেষ পূজা হয়। তাই এটি কোজাগরি লক্ষী পূজা নামে খ্যাত। সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাঙ্গালী প্রতিটি পরিবারেই পরিবারের সুখ সমৃদ্ধি কামনার্থে পূজিত হয়ে থাকেন দেবী লক্ষী। এবছর তিথি অনুযায়ী লক্ষ্মী পূর্ণিমা শনিবার। বিশুদ্ধ পঞ্জিকা অনুযায়ী এদিন সকাল ৪ঃ১৭ মিনিটে শুরু হবে পূর্ণিমা এবং পরের দিন রবিবার রাত 1:56 মিনিট পর্যন্ত চলবে। এদিন আবার চন্দ্রদ্বয় ঘটবে বিকেল পাঁচটা কুড়ি মিনিটে। তবে লক্ষ্মীপুজোর শুভ সময় শনিবার রাত ৮:৫২ থেকে ১০টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত। তাই এই শুভসময়েই এদিন প্রতিটি ঘরে ঘরে পূজিত হবেন দেবী লক্ষী। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী বছরের সবচেয়ে উজ্জ্বল রাতে পূর্ণিমা তিথিতে ধন-সম্পদ, প্রাচুর্য, সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষী বিষ্ণুলোক হতে পৃথিবীতে নেমে আসেন এবং মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে কে জেগে আছো প্রশ্ন করেন। তাই লক্ষী পূজা ভক্তদের কাছে কোজাগরি পূজাও। দুর্গার পূজা শেষ হতে না হতেই এখন রাজ্যজুড়ে লক্ষীর আরাধনার প্রস্তুতি তুঙ্গে। প্রত্যেকের ঘরে দেবী লক্ষ্মী পূজিত হন বলে প্রতিটি বাজার ছেয়ে গেছে পূজার উপকরণে। এই পূজাতে প্রয়োজন হয় ধানের শীষ, কলা গাছের খোল, আলপনা সহ আরো নানা সামগ্রী। সঙ্গে অবশ্যই রয়েছে লক্ষী দেবীর প্রতিমা। তাই মৃৎশিল্পী থেকে শুরু করে প্রত্যেকেই পূজোর বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে হাজির এখন বাজারে। ছাঁচের প্রতিমা থেকে শুরু করে কাঠামো নানা আকারের প্রতিমা রয়েছে বাজার গুলিতে। সেই সঙ্গে রয়েছে যুগ যুগ ধরে চলে আসা গ্রাম বাংলার সরার উপর হাতে আঁকা লক্ষ্মীর ছবি। একইভাবে অতীতে বাড়িতে তৈরি নারকেলের সন্দেশ, চিড়া, মুড়ি, তিলের নাড়ু আজ বাজার অর্থনীতির কল্যাণে প্যাকেটজাত। এসব রেডিমেড সামগ্রী বিক্রিও হচ্ছে দেদার। তবে সব কিছুরই দাম যেন অনেকটা অস্বাভাবিক। প্রতিমা থেকে শুরু করে ফলমূল সহ অন্যান্য সামগ্রী ক্রয় করতে গিয়ে গরিব ও মধ্যবিত্ত অংশের মানুষের যেন হাতে ছ্যাকা লাগছে। তারপরেও পকেটের কড়ির কথা চিন্তা না করে সবাই মেতেছেন লক্ষী পূজার বাজারে। আয় যাই হোক, তিনি যে ধনের দেবী। লক্ষ্মী দেবীকে রুষ্ট করতে চায়না ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা। তাই সব চিন্তা ঝরে ফেলে ব্যাগ হাতে নিয়ে বাজারে ছুটছেন গৃহকর্তারা, ফর্দ মিলিয়ে কেনাকাটায় ব্যস্ত পূজার সামগ্রী। সব মিলিয়ে আগরতলা সহ রাজ্যের প্রায় প্রতিটি বাজার দেবী লক্ষ্মীর আরাধনার আয়োজনে জমজমাট হয়ে উঠেছে এখন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শারদীয়া উৎসবের দিনগুলিতে একটা সুস্থ পরিবেশ তৈরি করার লক্ষ্যে গেল বছর থেকে শারদ সম্মানের আয়োজন করে আগরতলা পুর নিগমের ৩৯ নং ওয়ার্ড। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। এবছর এই ওয়ার্ডের শারদ সম্মান দ্বিতীয় বর্ষে পা রাখতে চলেছে। শ্রেষ্ঠ প্রতিমা, শ্রেষ্ঠ মন্ডপ, স্বল্প বাজেটে পুজোর আয়োজন, বর্ষ ব্যাপী সামাজিক কর্মসূচি, সুশৃঙ্খল পূজার আয়োজন, শ্রেষ্ঠ স্মরণিকা, শ্রেষ্ঠ পরিচ্ছন্ন ও শ্রেষ্ঠ ওয়ার্ডের পুরস্কার সহ আরো একাধিক পুরস্কারের আয়োজন করা হয় এবছর। এছাড়াও ছিল সেরা সেরা। ওয়ার্ডের আহবানে সারা দিয়ে শহর দক্ষিণাঞ্চলের ৭২টি ক্লাব অংশ নেয় এই প্রতিযোগিতামূলক কর্মসূচিতে। পুজোর দিনগুলিতে বিচারকরা প্রতিটি মণ্ডপ পরিদর্শন করে বিজয়ীদের তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ শেষ করে নেয়। বিচারকদের রায় অনুযায়ী শ্রেষ্ঠ মন্ডপ সজ্জা মিলন চক্র ক্লাব, শ্রেষ্ঠ প্রতিমা সমাজ কল্যাণ সংঘ, স্বল্প বাজেটে পূজায় সেরা স্বামী বিবেকানন্দ এবং সেরার সেরা সম্মান পেতে চলেছেন মৌচাক ক্লাব। এছাড়া স্বচ্ছ ওয়ার্ড হিসেবে পুরস্কৃত হবে ৪৬ নং ওয়ার্ড। এবছর শহর দক্ষিণাঞ্চল এলাকার একজন মৃৎশিল্পীকে সম্মান জানানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। আর এই সম্মান পেতে চলেছেন মৃৎশিল্পী স্বপন রুদ্র পাল। আগামী ২৯ শে অক্টোবর ওয়ার্ড প্রাঙ্গনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই শারদ সম্মান প্রদান করা হবে। শুক্রবার ৩৯ নং ওয়ার্ড কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান কর্মকর্তারা। এদিনের এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পৌর নিগমের ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, দক্ষিণ জোনালের চেয়ারম্যান অভিজিৎ মল্লিক, স্থানীয় কর্পোরেটর অলক রায়, সমাজসেবী সঞ্জয় সাহা অসীম ভট্টাচার্য কর্পোরেটর বাপি দাস সহ আরো অনেকে। সাংবাদিক সম্মেলনে পুরনিগমের ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত জানান, ২৯ অক্টোবর আয়োজিত এই শারদ সম্মানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা। এছাড়ো থাকবেন পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, স্থানীয় বিধায়িকা মিনারানী সরকার সহ আরো অনেকে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
রাজ্যের নবনিযুক্ত রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নফ্লু আজ বিকেলে রাজ্যে এসেছেন। তাঁকে রাজভবনে টিএসআর’র পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা, পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজীব ভট্টাচার্য, রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক অমিতাভ রঞ্জন
প্রমুখ। এর আগে নবনিযুক্ত রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নল্লুকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা) মানিক সাহা, বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজীব ভট্টাচার্য, রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক অমিতাভ রঞ্জন, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ও পুলিস সুপার।
