জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রাইভেট টিউশন করতে গিয়ে সরকারি শিক্ষকদের রোশানলে মানহানির শিকার হয়েছিল প্রাইভেট টিউটর সাগর রায় | পরে থানা পুলিশের তদন্তে পর্দা ফাঁস হয় সরকারি শিক্ষকদের গভীর চক্রান্তের | বাড়তে থাকে সাগরের জনপ্রিয়তা |ছোটবেলা থেকেই অনেক অভাব অনটন দারিদ্রতার মধ্য দিয়েই বড় হয়ে উঠেছে সোনামুড়ার ঠাকুরমুড়া নজরুল পল্লীর সাগর রায় | বাবা মা দুজনেই উচ্চশিক্ষিত হলেও তৎকালীন সময়ে সরকারি চাকরি পায়নি | তাই টিউশন করেই সাগরকে বড় করেছিল | মেধাবী সাগরও বাবা-মায়ের এই দৈন্যদশা দেখে পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে ওঠে | সাগর সোনামুড়ার কবি নজরুল মহাবিদ্যালয় থেকে ইংলিশে অনার্স করেছে | তারপর সরকারি লোনে বিএড কমপ্লিট করে | দুর্ভাগ্য সাগরের কপালেও জুটেনি সরকারি চাকরি | একপ্রকার বাধ্য হয়েই বাবা মায়ের মত প্রাইভেট টিউশনকেই নিজের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে | তবে অভাবের সংসারে ক্লাস ইলেভেন থেকেই সাগর টিউশনি শুরু করেছিল | বর্তমানে সোনামুড়া মহকুমার একজন স্বনামধন্য প্রাইভেট টিউটর হিসেবে পরিচিত সাগর রায় | সরকারি নির্দেশে যখন সরকারি স্কুলে চাকরি করা শিক্ষকরা টিউশন করতে পারছেন না | তখন সোনামুড়ায় বেশ কয়েকজন সরকারি শিক্ষক প্রাইভেট টিউশনে ব্যস্ত ছিলেন | সাগর ওই সমস্ত সরকারি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে | সাগরের তেজী আন্দোলন চোখে পড়েছিল তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী রতনলাল নাথের | মন্ত্রী রতন নাথ সাগরের এই আন্দোলন দেখে তাকে ডেকে পাঠিয়েছিল মন্ত্রীর কোয়াটারে | বাহবা জানিয়েছিল সাগরকে | রতন নাথ সোনামুড়ায় ছুটে গিয়ে সমস্ত সরকারি শিক্ষকদের টিউশন বন্ধের নির্দেশ জারি করে | এদিকে সরকারি শিক্ষকরা এক কাট্টা হয়ে সাগরের বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত হয় | সেই চক্রান্ত মোতাবেক একদিন সোনামুড়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল সংলগ্ন সাগরের টিউশন সেন্টারে সরকারি শিক্ষকদের মদতপুষ্ট বেশ কয়েকজন ছেলে গিয়ে অভিযোগ তুলেছিল সাগরের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির | ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছিল পুলিশ | পুলিশি তদন্তক্রমে নির্দোষ প্রমাণিত হয় সবার প্রিয় শিক্ষক সাগর রায় | যে মেয়েটির শ্লীলতাহানির অভিযোগ করা হয়েছিল, সে মেয়ে ও তার বাবা থানায় গিয়ে স্টেটমেন্ট দিয়েছে সাগরের পক্ষে | পরবর্তীকালে যে সমস্ত ছেলেরা এই ঘটনায় লিপ্ত হয়েছিল তারাও সাগরের কাছে এসে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে যায় | বলেছে সরকারি শিক্ষকদের প্রলোভনে পা দিয়ে এই ধরনের জঘন্য কাজে লিপ্ত হয়েছিল তারা | শেষ পর্যন্ত নির্দোষ প্রমাণিত হয় সাগর | কিন্তু কথায় বলেনা? যে কোন ঘটনা একবার রটে গেলে, মানুষের মনে তা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্ব কিংবা প্রশ্ন থেকেই যায় | আর এই সমস্ত দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও প্রশ্ন দূর করার জন্যই সাগর জোর কদমে শুরু করে দিয়েছে তার প্রাইভেট টিউশন | বর্তমানে সোনামুড়ার ঠাকুর মুড়ায় এবং সোনামুড়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল সংলগ্ন স্থানে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি সম্পন্ন সাগরের টিউশন সেন্টারগুলি চলছে রমরমিয়ে | উপচে পড়া ভিড় ছাত্র-ছাত্রীদের | তবু শিক্ষিত যুবক সাগর কেমন যেন একটা হীনমন্যতায় ভুগছে | সরকারি শিক্ষকদের রোষানলে সাময়িক সময়ের জন্য হলেও মানহানির শিকার হয়েছিল শিক্ষিত বেকার যুবক | এদিকে সাগরের আন্দোলনের সফলতা ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে চলে এসেছে | সোনামুড়ার প্রত্যন্ত এলাকার এক শিক্ষিত যুবকের আন্দোলনের রেশ পড়েছে রাজ্য প্রশাসনে | সম্প্রতি রাজ্য সরকার সমস্ত স্কুল কলেজের সরকারি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রাইভেট টিউশনের উপর ফতুয়া জারি করেছে | শুধু ফতোয়া জারি নয় এ যাত্রায় কারা কারা সরকারি শিক্ষকতা করা সত্ত্বেও প্রাইভেট টিউশন করছে তাদের নামের লিস্ট পর্যন্ত বের করতে শুরু করেছে রাজ্য সরকার | ফলে আখেরে লাভবান হবে এ রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরাই | তবে এক সময় বেকার যুবক সাগরের নেতৃত্বে সরকারি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল সেটার বাস্তব ফল বর্তমানে ভোগ করবে সারা রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা | সরকার সরকারি শিক্ষকদের টিউশন বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে আরও কঠোর | যাতে করে সাগর রায়ের মতো যাতে আর কোন বেকার যুবককে সরকারি চাকরিরত শিক্ষকদের জঘন্য চক্রান্তের ফাঁদে না পড়তে হয় | সরকারি শিক্ষকরাও এ যাত্রায় সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছে | নতুবা বেকার সাগররা ফের আন্দোলন শুরু করলে সরকারি নিয়মানুসারে চাকরিও খোয়াতে পারে সরকারি শিক্ষকরা | সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও নির্দেশিকা হাতে পেয়ে বর্তমানে অনেক সরকারি শিক্ষক গোপনে প্রাইভেট টিউশনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও বিভিন্ন জেলা মহকুমা থেকে খবর আসছে | এক্ষেত্রে কলেজ, বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানদের বলিষ্ঠ ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে | প্রতিটি স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যখন শিক্ষকদের ফতোয়া জারি করা হবে তখনই একেবারে নির্মূল করা সম্ভব হবে তাদের দ্বারা প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করা | প্রসঙ্গত সোনামুড়ার সাগর রায় যখন তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী রতনলাল নাথের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তখন এক সপ্তাহের মধ্যে রতনলাল নাথ সোনামুড়া এসে চারজন শিক্ষককে হাতেনাতে ধরে ফেলেন | শাস্তি হিসেবে চারজনকে বদলি করে দিয়েছিলেন প্রত্যন্ত এলাকায় | রতনলাল নাথ তখন ওই যুবকদের নির্দেশ দিয়েছিল সোনামুড়ার বিভিন্ন এলাকায় যাতে তারা দুস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের বিনা পয়সায় টিউশনের ব্যবস্থা করে | তখন শিক্ষিত যুবক সাগর রায় মন্ত্রীর কথা শিরোধার্য করে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বিনা পয়সায় দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পড়ানো শুরু করেছে | বর্তমানে ও তার এই প্রয়াস জারি রেখেছে | গোটা মহকুমা এখন সাগরের নাম ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে অভিভাবকদের মুখে মুখে | আগামী দিনে দুস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের সাহায্যে আরও কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছে বেকার শিক্ষিত যুবক সাগর রায় |
Monthly Archives
May 2023
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা স্টেট ফার্মাসিটিক্যাল প্রাইজ মনিটরিং এন্ড রিসোর্স ইউনিট এর উদ্যোগে এক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ত্রিপুরা স্টেট ফার্মাসিটিক্যাল প্রাইজ মনিটরিং এন্ড রিসোর্স ইউনিট, ভারত সরকারে সরকারের রসায়ন ও সার মন্ত্রকের অধীনে জাতীয় ঔষধ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকায় তৈরি একটি সংস্থা যা স্টেট ড্রাগস কন্ট্রোলার তত্বাবধানে পরিচালিত হয় । শনিবার দুপুরে আগরতলার গীতাঞ্জলি অথিতিশালায় এই সচেতনামূলক শিবিরে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমতি কে সিনহা , ডেপুটি ড্রাগস কন্ট্রোলার, ত্রিপুরা সরকার, শ্রী প্রতাপ চন্দ্র আচার্য, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, ফার্মেসি ডিপার্টমেন্ট, ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়,বিধায়ক শ্রী শম্ভু লাল চাকমা, এবং বিধায়ক শ্রী মানব দেববর্মা,এই সেমিনারে ইন্ডিয়ান ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন এর সদস্য এবং জুনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার, স্টেট ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরি এর স্টাফ দের মধ্যে ঔষদ এর দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়কে নিয়ে যাবতীয় আলোচনা করা হয়। এই সেমিনারে ফার্মা সহি দাম মোবাইল অ্যাপ এর ব্যাবহার, উপকার, আর দৈনন্দিন জীবনে এ ওষুধ কেনার সময় ঔষধের মূল্য যাচাই এ কিভাবে এই আপ আপনাকে সাহায্য করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫২ শতাংশ ভোটে জয়ী এরদোগান। তুরস্কে দ্বিতীয় দফার ভোটে জয়ী হয়ে তৃতীয়বারের মত প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। তুরস্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য রবিবার সকাল ৮টায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ। বিকাল ৫টায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা। গণনা শেষে ফের কুর্সিতে এরদোগান।ভোটের ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই প্রেসিডেন্ট এরদোগানের ইস্তাম্বুলের বাড়ির বাইরে সমর্থকদের ভিড় উপচে পড়ে। তিনি সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘আমি দেশের সকল জনসাধারণের কাছে কৃতজ্ঞ, আমাকে আবারও আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের সর্বোচ্চ দায়িত্ব দিয়েছেন’।তুরস্কের সাধারণ নির্বাচনে আবারও জয়ী হয়েছেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। তিনি দেশের নাগরিকদের তার প্রতি তাদের আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আবারও ক্ষমতায় বসতে চলেছেন তিনি। তুরস্কের সরকারি সংবাদ সংস্থা অনানুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানিয়েছে। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ৯৭ শতাংশ ব্যালট বাক্স খোলা হয়েছে বলে জানা গেছে।রবিবারের দ্বিতীয় রাউন্ডে এরদোগান ৫২.১ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। যেখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল কিলিচদারোগ্লু পেয়েছেন ৪৭.৯ শতাংশ ভোট। এই জয়ের ফলে ২০ বছর ক্ষমতায় থাকা এরদোগান আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তুরস্কের সরকারি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, এরদোগান পেয়েছেন ৫২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন এবং অন্যদিকে কামাল কিলিচদারোগ্লু ৪৮ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।উল্লেখ্য, দেশের প্রাক্তন আমলা কিলিচদারুলুর নির্বাচনী প্রচারের মূল হাতিয়ার ছিল, বিকল্প উপায়ে দেশের অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠা। মূল্যবৃদ্ধি তুরস্কের সাম্প্রতিক সংকটগুলির মধ্যে অন্যতম। সেই সঙ্গে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে ৫০হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তবে তা জনতার মনে দাগ কাটতে ব্যর্থ হয়েছে, তার প্রমাণ নির্বাচনী ফলাফল। আগামী ৫ বছরের জন্য এরদোগানের হাতেই দেশের ভার তুলে দিলেন তুরস্কের জনতা। তৃতীয়বার এই দায়িত্ব পেয়ে কোন পথে দেশকে চালিত করেন তিনি, সেটাই দেখার।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
করবুক আইসিডিএস প্রজেক্টের মাধ্যমে করবুক ও শিলাছড়ি ব্লকের মোট ৫ হাজার ৫৮৭ জন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সামাজিক ভাতা পাচ্ছেন। এরমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের ভাতা প্রকল্পে বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন ৩ হাজার ১৪৭ জন, বিধবা ভাতা পাচ্ছেন ১১৭ জন ও দিব্যাঙ্গজন ভাতা পাচ্ছেন ৭৫ জন। এছাড়া রাজ্য প্রকল্পে বার্ধক্য ভাতা ১০৭ জন, বিধবা ভাতা ১০ জন, স্বামী পরিত্যাক্তা ভাতা ৬৭ জন, গৃহ পরিচারিকা ভাতা ৪ জন, কন্যা সন্তানের জন্য উৎসাহ ভাতা ১,০২২ জন, বিধবা এবং স্বামী পরিত্যাক্তা ভাতা ৮৬৯ জন, ৪৫ বছর উধু অবিবাহিতা মহিলা ভাতা ১৯ জন, অন্যান্য ভাতা পাচ্ছেন ১৫০ জন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে ১৫ বছর বয়সি এক কিশোরী। ঘটনা ভাটি অভয়নগর এলাকায় রবিবার রাতে। শিউলি ঋষি দাস নামে মৃত কিশোরীর বাবা জানায়, রবিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে সবাই বাড়ির বাইরে হাটতে বের হয়েছিল। এই সময়ে কিশোরী একা বাড়িতে ছিল। কিছুক্ষণ পর কিশোরীর মা বাবা বাড়িতে ফিরে এসে দেখে ঘরের দরজা বন্ধ। কোন সাড়া দিচ্ছে না তাদের ডাকে। পরে বাধ্য হয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখে কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ। চিৎকার চেঁচামেচি করে কিশোরীটিকে নামিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই নিয়ে যাওয়া হয় জিবি হাসপাতালে। জিবিতে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত বলে ঘোষণা করে ওই কিশোরীকে। তবে কি কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিল ওই নাবালিকা, সে বিষয়ে সম্পূর্ণ অন্ধকারে পরিবারের লোকজন। মর্মান্তিক ঘটনায় বাকরুদ্ধ মা বাবা ও আত্মীয় পরিজনরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- গাঁজা পাচারকারীকে দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানা করল জেলা দায়রা আদালতের জর্জ। অনাদায় আরও ছয় মাসের কারাদন্ড ভোগ করতে হবে কয়েদিকে। প্রসঙ্গত ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিশালগড় থানার তৎকালীন সাব ইন্সপেক্টর রাজু ভৌমিক গাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে বিশালগড় এসডি পিও চৌমুহনীতে ৭০ কেজি শুকনো গাঁজা সহ কর্নজিত দাস নামে সোনামুড়া আনন্দনগরের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছিল। ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন বিশালগড়ের মহকুমা শাসক ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিক। পরবর্তীকালে পুলিশ একটি স্বতঃস্ প্রণোদিত মামলা গ্রহণ করে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করে। আদালত অভিযুক্ত কর্ণজিত দাসকে জেল হেফাজতে রেখেই ১১ জন সাক্ষ্য বাক্যেরপর ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে জেলা দায়রা আদালতের বিচারপতি। নগদ টাকা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের হাজত বাস করতে হবে আসামিকে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিধ্বংসী অগ্নিকান্ডে ভস্মিভুত এক গৃহবধূ । ঘটনা শান্তির বাজারের মাষ্টার পাড়া এলাকায় । জানা যায় , সোমবার বেলা আনুমানিক ১১ টা নাগাদ রাস মোহন দেবনাথের বাসভবেন অগ্নিসংযোগ ঘটে এবং পুড়ে ছাই হয়ে যায় একটি বসতঘড় । আগুনের হাত থেকে রক্ষা পাননি ঘরে থাকা গৃহবধূ মনিকা দেবনাথ ভৌমিক । ঘরে থাকা ২ টি গ্যাসের সিলিন্ডার ফেটে এই বিধ্বংসী অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয় বলে জানা গেছে । ঘটনার সময় বাড়িতে কেউ ছিল না । আগুনে ভস্মিভুত গৃহবধুর স্বামী টিএসআর নবম ব্যাটেলিয়ানে কর্মরত। পাড়া প্রতিবেশীরা দমকল বাহিনীর কর্মীদের খবর দিলে তারা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে |তবে গৃহবধূকে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি । তাছাড়াও, শান্তির বাজার মহকুমার মাষ্টার পাড়া এলাকায় রাস্তা ও জলের সংকট রয়েছে। রাস্তা কম প্রশস্ত হওয়ায় অগ্নি নির্বাপকের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি হয়েছে বলে জানা গেছে । গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে গোটা এলাকাজুরে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- তেলিয়ামুড়ার বাজারের বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হওয়া খাদ্যসামগ্রীর মান খতিয়ে দেখতে বাজারে হানা দিল মহকুমা শাসক এবং খাদ্য দপ্তর । সোমবার মহকুমা শাসকের ডি সি এম, খাদ্য দপ্তরের নিয়ন্ত্রক, জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে তেলিয়ামুড়া বাজারে সচেতনতামূলক অভিযান সংঘটিত করা হয় । বাজারের ক্ষুদ্র মাঝারি ব্যবসায়ী, খাদ্য সামগ্রীর বিক্রির প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন দোকানগুলোতে চলে এই অভিযান এবং অভিযানকালে প্রত্যেক দোকান থেকেই কিছু না কিছু সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয় । শেষে তেলিয়ামুড়া মহকুমা শাসক অফিসের ডি সি এম বাপ্পাদিত্য রায় জানান, সোমবার হল তেলিয়ামুড়া হাটবার। সাধারণত হাটবারের বাজারে ক্রেতা বিক্রেতার ভিড় বেশি থাকে। ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে যাতে বেশি করে সচেতনতার বার্তা পৌছে দেওয়া যায়, সেকারনেই হাটবারের দিনে এই অভিযান চালানো হয় ।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :-দ্রুত বাড়তে চলেছে দেশের সাংসদ সংখ্যা! নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনের মঞ্চে এমনই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নতুন লোকসভায় প্রথম ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেই দিলেন, আগামী দিনে সংসদের আসন বাড়লে যাতে স্থান সংকট না হয়, সেটা নিশ্চিত করার জন্য সংসদ আয়তনে বাড়ানো দরকার ছিল।প্রধানমন্ত্রী এদিন নিজের ভাষণে বলেন, ‘নতুন সংসদ বানানো নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা চলছিল। কয়েক দশক ধরে পরিকল্পনা হচ্ছিল। সময়ের দাবি মেনেই সংসদ ভবনের উদ্বোধনের পরিকল্পনা করেছি আমরা।’ এরপরই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দিনে যখন সংসদের সদস্যসংখ্যা সংখ্যা বাড়বে, তখন স্থান সংকুলান হবে না। তখন সাংসদরা বসবেন কোথায়? সেসব ভেবেই এই নয়া ভবন তৈরি।’ প্রায় ৯৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২২৪ আসন বিশিষ্ট সংসদ ভবনটি তৈরি হয়েছে। ৮৮৮টি আসন বিশিষ্ট লোকসভার অন্দরসজ্জার থিম জাতীয় পাখি ময়ূর। আবার ৩৮৪টি আসন বিশিষ্ট রাজ্যসভার অন্দরসজ্জা করা হয়েছে পদ্ম থিমের উপরে। অর্থাত্ বিজেপি (BJP) চাইলে লোকসভায় ৮৮৮টি পর্যন্ত আসন বাড়তে পারে। আবার রাজ্যসভার আসন বেড়ে হতে পারে ৩৮৪টি।বস্তুত, লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধি নতুন কিছু নয়। এর আগেও বার দু’য়েক সংসদের নিম্নকক্ষের আসন সংখ্যা বেড়েছে। আসলে সংবিধানের ৮১ নম্বর ধারা অনুযায়ী লোকসভার আসন সংখ্যা ঠিক করা হয়। এবং এটা ঠিক হয় দেশের জনসংখ্যার ভিত্তিতে। তাই লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়াতে সংবিধানের ৮১ ধারা সংশোধন করতে হবে। শেষবার ১৯৭৩ সালে লোকসভার (Lok Sabha) আসনসংখ্যা বেড়েছিল। ১৯৭১ সালের জনগণনার পর ১৯৭৩ সালে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫০২ থেকে বাড়িয়ে ৫৪৫ করা হয়। তারপর থেকে প্রায় ৫ দশক এই আসন সংখ্যায় কোনও বদল আনা হয়নি। প্রণব মুখোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন একবার লোকসভার আসনসংখ্যা বাড়ানোর পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তাঁর মত ছিল, জনসংখ্যা যে হারে বেড়েছে, তাঁর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জনপ্রতিনিধি সংখ্যাও বাড়ানো দরকার।বস্তুত, ১৯৭১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে ঠিক করা আসন সংখ্যা অনন্তকাল ধরে চলতে পারে না। কিন্তু আসনসংখ্যা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বাধা রয়েছে। সংবিধানের ৮১ নম্বর ধারা অনুযায়ী আপাতত ২০২৬ পর্যন্ত আসনসংখ্যা বাড়ানো যাবে না। যদিও, সংসদে সংখ্যার বলে গেরুয়া শিবির সেই ধারা সংশোধন করতেই পারে। কিন্তু আরেকটা মুশকিল হল, লোকসভার আসনসংখ্যা বাড়ে জনসংখ্যার ভিত্তিতে। তাই আসন বাড়ানোর জন্য আগে জনগণনা হওয়া জরুরি। এবার আসা যাক বিরোধীদের আশঙ্কার কথায়। কংগ্রেস তথা অন্য বিরোধীদের আশঙ্কার মূল জায়গা হল, ক্ষমতাকে ব্যবহার করে নিজেদের সুবিধামতো আসন পুনর্বিন্যাস করে নেবে বিজেপি। আসলে জনসংখ্যার ভিত্তিতে যদি নতুন আসন বণ্টন করা হয় তাহলে দক্ষিণ ভারত বা পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলির তুলনায় গোবলয়ের রাজ্যগুলিতে আসন সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে। বিশেষ করে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্য যেখানে কিনা বিজেপি অত্যন্ত শক্তিশালী, সেখানে অনেক বাড়বে আসনসংখ্যা।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- টেস্ট বিশ্বকাপের ভারতীয় দলে স্ট্যান্ড বাই হিসাবে নেওয়া হল রাজস্থান রয়্যালসের ব্যাটার যশস্বী জয়ওয়ালকে। দল থেকে বাদ পড়লেন চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটার রুতুরাজ গায়কোয়াড়।আইপিএলের সাফল্য যশস্বীর সামনে খুলে দিল ভারতীয় দলের দরজা। তবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের মূল ভারতীয় দলে থাকছেন না তিনি।রোহিত শর্মাদের সঙ্গে তিনি ইংল্যান্ডে যাবেন স্ট্যান্ড বাই হিসাবে। আগে স্টান্ড বাই হিসাবে ছিলেন রুতুরাজ। চেন্নাইয়ের ব্যাটার বিয়ের জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কাছে ছুটি চেয়েছেন। আগামী ৩ জুন তাঁর বিয়ে।
রুতুরাজ জানিয়েছিলেন, ৫ জুন তিনি ইংল্যান্ডে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন। কিন্তু টেস্ট শুরুর মাত্র দু’দিন আগে তাঁর দলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পছন্দ হয়নি বোর্ড কর্তাদের। তাই বিকল্প ওপেনিং ব্যাটারের কথা ভাবেন তাঁরা। ছন্দে থাকা যশস্বীর কাছে ব্রিটেনের ভিসা রয়েছে। তাই তাঁকেই পরিবর্ত হিসাবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই তিনি লন্ডন উড়ে যাবেন।আইপিএলের ১৪টি ম্যাচে ৬২৫ রান করেছেন যশস্বী। একটি শতরানের পাশাপাশি পাঁচটি অর্ধশতরান এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। জাতীয় নির্বাচকরা অবশ্য শুধু তাঁর আইপিএলের পারফরম্যান্স বিচার করেননি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও তাঁর পারফরম্যান্স বিচার করা হয়েছে। প্রথম শ্রেণির ১৫টি ম্যাচে যশস্বী করেছেন ১৮৪৫ রান। ন’টি শতরানের পাশাপাশি দু’টি অর্ধশতরান রয়েছে তাঁর। গড় ৮০.২১। ২০২২-২৩ মরসুমে রঞ্জি ট্রফিতে পাঁচটি ম্যাচে ৩১৫ রান করেছেন যশস্বী। ইরানি ট্রফিতে অবশিষ্ট ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ২১৩ এবং ১৪৪ রানের দু’টি ইনিংস।ঘরোয়া ক্রিকেটের ছন্দেই যশস্বীকে দেখা গিয়েছে আইপিএলেও। তাঁর ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করেছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও। তাই রুতুরাজের বদলে ভারতের হয়ে এখনও অভিষেক না হওয়া যশস্বীর উপরই ভরসা রাখলেন নির্বাচকরা। রুতুরাজকে অবশ্য এ বারের আইপিএলে চেনা মেজাজে দেখা যায়নি। যদিও কয়েকটি ম্যাচে রান পেয়েছেন তিনি। লোকেশ রাহুল চোট পাওয়ার পর রুতুরাজকে স্ট্যান্ড বাই হিসাবে নেওয়া হয়েছিল।
