জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
বুধবার শিবনগরস্থিত আমরা বাঙালি দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংগঠনের কর্মীরা ৩ দফা দাবী যথাক্রমে রাইয়াবাড়িতে উচ্ছেদ হওয়া সমস্ত বাঙালি পরিবারকে পূর্ণ প্রতিফলন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা, ৮০ জুনের গণহত্যা থেকে উগ্রবাদী হামলায় বাস্তুচিত বাঙ্গালীদের রিয়াং শরণার্থীদের মতো আর্থিক প্যাকেজ দিয়ে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এবং স্বাধীনতার রূপকার ত্রিপুরার তথা অভিভক্ত ভারতের ভূমিপুত্র বাঙালিদের সংবিধান অধিকার প্রতিষ্ঠা করার দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি মূল বিষয়বস্তু নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আমরা বাঙালি সংগঠনের সচিব গৌরাঙ্গ রুদ্র পাল জানান ১৯৯৯-এর ডিসেম্বরে তৎকালীন দক্ষিণ ত্রিপুরার রাইয়া বাড়ীতে। সেদিন এনএলএফটি জঙ্গীদের অতর্কিত হামলায় নিহত-আহতের পাশাপাশি বাড়ীঘর লুটপাট ও জ্বালিয়ে দেওয়ার কারণে আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালী মুসলীম পরিবারগুলি এলাকা ছেড়ে আসতে বাধ্য হয়। পরে ২০০৩ ও ২০০৪ সালে আক্রান্ত ও ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ হওয়া মুসলীম বাঙালী পরিবারগুলিকে সরকার খাস জমির অভাবে অলিখিতভাবে সংরক্ষিত বনভূমিতে পুনর্বাসন দেয়। ২০১৯ সালে বর্তমান বিজেপি সরকার উক্ত পুনর্বাসনপ্রাপ্ত বাঙালীদের দখলে থাকা উল্লেখিত বনভূমি আবার স্থানীয় জনজাতিদের মধ্যে অবৈধভাবে বিতরণ করে দেয়। আমরা বাঙালী ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি সরকারের এই বাঙালী বিদ্বেষী অমানবিক আচরণের তীব্র বিরোধী। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিনের কর্মসূচি কে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।
May 2023
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও গঙ্গা পূজার আয়োজন করেছে মহারাজগঞ্জ বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতি। এ উপলক্ষে দিনভর রেখেছে নানা কর্মসূচি। সন্ধ্যায় হবে পুজোর মহা প্রসাদ বিতরণ। বাজারের সমস্ত ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মহাপ্রসাদ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত এটি মহারাজগঞ্জ বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির ১৮তম গঙ্গা পূজা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-.. ত্রিপুরার ছেলেদের ড্রাগসের করালগ্রাস সম্পর্কে সচেতন করে তোলা ও তামাক জাত দ্রব্য সেবনের কুফল সম্পর্কে সচেতন করা এবং আইএএস, আইপিএস , সেন্ট্রাল ফৌজ, আর্মি নেভিতে যোগ দেওয়া সম্পর্কে মানসিকতা গড়ে তোলা সহ সাইবার ক্রাইম থেকে মুক্ত করার উদ্দেশ্যে বিশেষ শিবির আয়োজন করেছে ১৩ ত্রিপুরা ব্যাটেলিয়ান এনসিসি। মঙ্গলবার থেকে রাজধানীর এনআরসিসিতেশুরু হয়েছে দশ দিনব্যাপী ২০২৩-২৪ সালের বার্ষিক ট্রেনিং ক্যাম্প। ক্যাম্পে রাজ্যের ৩২ টি সরকারি বেসরকারি স্কুল থেকে মোট ৪০০ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করেছে। জানিয়েছেন কর্নেল এম এ রাজমানাহার।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- গত ৩ রা মে থেকে মনিপুরে শুরু হয়েছিল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বর্তমানে ২৭ দিন পরও মনিপুরের পরিস্থিতি অস্বাভাবিক ।হৃদয়বিদারক দাঙ্গার ফলস্বরূপ উভয় সম্প্রদায়ের বহু ঘর বাড়ি সম্পূর্ন ভস্মিভূত হয়ে গেছে তাই শিশু থেকে বৃদ্ধ অগনিত মানুষ বাধ্য হয়েছে ত্রান শিবিরে আশ্রয় নিতে।এখনও মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ন বন্ধ। রাস্তায় আটকে আছে অতি আবশ্যক মাল বোঝাই লরি।এমতাবস্থায় মনিপুরের বিভিন্ন সামাজিক সংস্থা গুলির পক্ষ থেকে আবেদন আসছে ত্রান শিবিরে সাহায্য করার জন্য।সময়ের দাবী ও উদ্ভুত পরিস্থিতি অনুযায়ী ত্রিপুরার সম মনোভাবাপন্ন কিছু যুবক-যুবতি মিলে উদ্যোগ নিয়েছে ত্রিপুরা থেকে অতি আবশ্যক নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু ত্রান সামগ্রী বিমানের মাধ্যমে শিবির গুলোতে পাঠানোর। মঙ্গলবার এখান থেকে বিমানে করে পাঠানো হয়েছে প্যাকেট ভর্তি বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ধর্মের নামেও চিটিংবাজি। শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর সেবা মন্দিরের নাম করে কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত কমিটিকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছে শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের সেবা মন্দির বনমালীপুর ও টাউন প্রতাপগড় শাখা। রাজ্যে একশ্রেণীর চিটিংবাজরা ধর্মের নামেও ব্যবসা শুরু করার ফাঁদ আটতে শুরু করেছে।।সম্প্রীতি ত্রিপুরা রাজ্যের রাম ঠাকুরের সেবা মন্দির গুলির কারও কোনও মতামত ছাড়া সেন্ট্রাল কমিটি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি কমিটির নাম প্রচারিত হয়েছে। এ নিয়ে মঙ্গলবার শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর সেবা মন্দির বনমালীপুরে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে তীব্র প্রতিবাদ জানান বনমালীপুর সেবা মন্দিরের সম্পাদক স্বপন কুমার বনিক। ছিলেন তাউন প্রতাপগড় সমবেত উৎসব মন্দিরের সম্পাদক নিমাই কর। তাদের বক্তব্য গোটা ত্রিপুরা রাজ্যে ৬৪ টি সেবা মন্দির রয়েছে। সেগুলি মূলত পরিচালিত হয় শ্রী শ্রী কৈবল্য ধামের সপ্তম মোহন্ত মহারাজ শ্রীমৎ কালিপদ ভট্টাচার্যের নির্দেশানুসারে। কোথাও কোন কমিটি গঠিত হলেও কালিপদ ভট্টাচার্যের আদেশ থাকতে হয়।বর্তমানে যে কমিটি সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল হয়েছে, সেই কমিটি সম্পূর্ণ অবৈধ। এই কমিটিকে কেউ মান্যতা দেবে না। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে সম্পাদক স্বপন কুমার বণিক আরও জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় গঠিত কমিটিকে কিছুতেই যেন সত্য বলে মনে না করে রাম ঠাকুরের বিভিন্ন সেবা মন্দিরগুলি। অফিসিয়ালি কোন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হলে সেটা শ্রী শ্রী কৈবল্য ধামের সপ্তম মহন্ত মহারাজ শ্রীমৎ কালিপদ ভট্টাচার্যের নির্দেশেই হবে। এ দিনের সাংবাদিক বৈঠকে আগরতলা ও তার সন্নিকটস্থ সমস্ত সেবা মন্দিরের ভক্তবৃন্দদের উপস্থিতি ছিল। উপস্থিত প্রত্যেক ভক্তই সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া কমিটির সম্পূর্ণ বিরোধিতা করেছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-বনদস্যুদের আখরায় পরিনত হয়েছে বিশালগর । ফের চরিলাম দপ্তরের কর্মীদের হাতে উদ্ধার কাঠের স্ মেইল। মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ চরিলাম বন্দপ্তরের কাছে খবর আসে , প্রভুরামপুর এলাকায় একটি বাঁশ ঝাড়ের নীচে একটি স মেইল লুকিয়ে রেখেছে বনদস্যুরা । মূলত এই স মেইলটি ব্যবহারের মাধ্যমে বনদস্যুরা কাঠ চেড়াই করে বে আইনিভাবে চোরাইপথে তা পাচার করে । খবরের সঙ্গে সঙ্গেই বন্দপ্তরের আধিকারীর ও কর্মীরা নির্দিষ্ট জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে স মেইলটি বাজেয়াপ্ত করে । তবে কাউকে আটক করতে সক্ষম হয়নি বলে জানিয়েছে চরিলাম বন্দপ্তরের জনৈক আধিকারিক ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জলের দাবীতে পথ অবরোধ করল এলাকার প্রমিলা বাহিনী । বিগত বহু বছর ধরে পানীয় জলের সমস্যায় জর্জরিত বিলোনিয়া ভারত চন্দ্র নগর ব্লকের জয়নগর এলাকার লোকজন । এসবিসি নগর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রধান , উপপ্রধান থেকে শুরু করে ডি ডব্লু এস দপ্তরকে জানিয়ে কাজের কাজ কিছুই হয়নি । ডি ডব্লু এস দপ্তর থেকে গাড়ি করে জল দিলেও জলের অভাব মেটানো যাচ্ছে না।তাছাড়াও জলের গাড়ি প্রায় দিন-ই আসে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে মঙ্গলবার জল নেই, জল চাই দাবি তুলে বিলোনিয়া-আগরতলা মুল সড়কে পথ অবরোধে বসে । মুহুর্তের মধ্যেই রাস্তার মধ্যে স্তব্ধ হয়ে পড়ে যান চলাচল । আটকে যায় দূরপাল্লার যান বাহনও। খবর পেয়ে অবরোধ স্থলে ছুটে আসেন দক্ষিণ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সহ বিলোনিয়া থানার পুলিশ ও ভারত চন্দ্র নগর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান, এসবিসি নগর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান । পরবর্তীতে খুব শীঘ্রই এলাকায় পানীয় জলের আস্বাস পেয়ে পথ অবরোধমুক্ত করে প্রমিলাবাহিনী।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ঘুষ না দেওয়ায় রাবার বাগান কেটে ধ্বংস করল এক ফরেস্ট অফিসার। সংবাদে প্রকাশ সরকারি জমির পাট্টা পেয়ে লিটন শীল নামে এক যুবক পাঁচকানি জায়গায় ৩৫০ টি রাবার গাছ লাগায়। খবর পেয়ে গোমতী জেলার যতনবাড়ি ফরেস্ট বিট অফিসার প্রসেনজিৎ বণিক, লিটন শীলকে ডেকে পাঠিয়ে 2 লক্ষ টাকা ঘুষ হিসেবে চায়। এদিকে লিটনশীল টাকা দিতে অস্বীকার করায় ক্ষুব্ধ ফরেস্ট বিট অফিসার প্রসেনজিৎ বণিক রবিবার বিকেলে বনদপ্তরের কর্মীদের দিয়ে গাছগুলি কেটে ফেলে দেয়। এ নিয়ে অসহায় লিটনশীল গোমতী জেলার ডি এফ ও কেউ জানিয়েছে। জানিয়েছে ফরেস্টের অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকদেরকেউ। রহস্যজনকভাবে কারও কাছ থেকে কোন সুদুত্তর না পেয়ে দ্বারস্থ হয়েছে থানার। থানায় মামলা দায়ের করেছে গুণধর ওই ফরেস্ট বিট অফিসারের বিরুদ্ধে।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- এই নিয়ে মোট পাঁচবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে মুম্বইকে ধরে ফেলল চেন্নাই সুপার কিংস। তারা স্বপ্নের জয় পেয়েছে ফাইনালে।
জয়ের জন্য ধোনিদের ১৫ ওভারে দরকার ছিল ১৭১ রান। ১৭১ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শেষ ওভারের শেষ বলে জয় ছিনিয়ে নিল চেন্নাই। গুজরাটের হয়ে শেষ ওভারে বল করতে আসেন মোহিত শর্মা। শেষ ওভারের প্রথম বলে কোনও রান খরচ করেননি মোহিত শর্মা। দ্বিতীয় বলে ১ রান নেন দুবে। তৃতীয় বলে ১ রান নেন জাদেজা।
চতুর্থ বলে ১ রান নেন দুবে। সুতরাং, জয়ের জন্য শেষ ২ বলে ১০ রান দরকার ছিল চেন্নাইয়ের। পঞ্চম বলে ছক্কা মারেন জাদেজা। জয়ের জন্য শেষ বলে চার রান দরকার চেন্নাইয়ের। শেষ বলে চার মেরে চেন্নাইকে ম্যাচ জেতান জাদেজা। আজকের ম্যাচ জিতে মহেন্দ্র সিং ধোনিরা নিজেদের পঞ্চম আইপিএল খেতাব হাতে তুললেন।
২০৪৭ কে সামনে রেখে রাজ্য সরকার ২০৪৭ পর্যন্ত রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের রূপরেখা নির্দিষ্ট করেছে : মুখ্যমন্ত্রী
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত নীতি আয়োগের বৈঠকে রাজ্যের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ৮টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। দিল্লি সফরকালে মুখ্যমন্ত্রী নীতি আয়োগের বৈঠকে অংশ নেওয়া ছাড়াও নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং মুখ্যমন্ত্রীদের কনক্লেভে অংশ নেন। আজ নয়াদিল্লি থেকে রাজ্যে ফিরে এসে সচিবালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফরের বিভিন্ন বিষয়সমূহ তুলে ধরেন। সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা জানান, গতকাল তিনি নয়াদিল্লিতে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নতুন
ভবনের উদ্বোধন দেশের জন্য
এক ঐতিহাসিক দিন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ভবন নির্মাণে রাজস্থানের পাথর, মহারাষ্ট্রের কাঠ, উত্তর প্রদেশের কার্পেট এবং ত্রিপুরার বাঁশের টাইলস ব্যবহৃত হয়েছে। ত্রিপুরাবাসী হিসাবে নিঃসন্দেহে এটি গর্বের বিষয় বলে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা বলেন, নীতি আয়োগের বৈঠকে ৮টি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। বিকশিত ভারত-২০৪৭ কে সামনে রেখে রাজ্য সরকার ২০৪৭ পর্যন্ত রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের রূপরেখা নির্দিষ্ট করেছে। সরকার ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি পূর্ণরাজ্য দিবস উপলক্ষে ‘লক্ষ্য-২০৪৭’ শীর্ষক এই ভিশন ডকুমেন্ট প্রকাশ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে শিল্পের বিকাশে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, রাবার, চা, বাঁশ ভিত্তিক শিল্প, হস্তশিল্প, কৃষি ও উদ্যান ফসলভিত্তিক অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়নে
গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ এমএসএমই ক্ষেত্রের উন্নয়ন বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যের সম্প্রসারণ সহায়তা করছে। ত্রিপুরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন ইনসেনটিভ স্কিম (টিআইআইপিআইএস) ২০২২’-এর অধীনে এমএসএমই গুলির জন্য মূলধনী ভর্তুকী, কম খরচে বিদ্যুৎ ইত্যাদি সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে। ত্রিপুরাকে দেশের মধ্যে আগর বাণিজ্যের হাব হিসেবে গড়ে তুলতে এবং ২০২৫-র মধ্যে ২০০০ কোটি টাকা মূল্যের আগর অর্থনীতির সুযোগ নিতে রাজ্য সরকার ‘ত্রিপুরা আগর উড পলিসি-২০২১’ প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে উৎপাদন নির্ভর শিল্পে বেসরকারি বিনিয়োগ টানতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সেই উদ্দেশ্যেই ‘স্বাগত’ পোর্টালের মাধ্যমে প্রাপ্ত বিনিয়োগের প্রস্তাবগুলিকে ‘সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেমে’ অনুমোদন দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে। এই পোর্টালে ১৭টি দপ্তরের ৬০টি পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে যাতে ব্যবসা সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুমোদন তাড়াতাড়ি দেওয়া
সম্ভব হয়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার তার মুলধনী বায় ২০২০-২১ এর ৮৩৫.০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০২২-২৩ বছরে ২২০০ কোটি টাকা করেছে।
তিনি জানান, আসন্ন নর্থ-ইস্ট গ্লোবাল ইনভেস্টস সামিট ২০২৩ এর প্রাক্কালে রাজ্য সরকার ডোনার মন্ত্রকের সাথে মিলে রাজ্যে বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে খতিয়ে দেখতে একটি গোল টেবিল সম্মেলন করেছে। এই সম্মেলনের ফলে দেশী ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সাথে ৩৩৮.০০ কোটি টাকা মূল্যের মৌ স্বাক্ষরিত হয়েছে। শিল্পোন্নয়নের জন্য ২ হাজার একর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। তাছাড়া রাজ্যের ১৫টি শিল্প নগরীর উন্নয়নে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকও ঋণ দিতে রাজি হয়েছে। বিমান যাত্রীদের সুবিধার্থে রাজ্য সরকার এভিয়েশন টার্বাইন ফিউল-এ ১ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে আনার কথাও বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিমান পরিষেবাকে উৎসাহ দিতে রাজ্য সরকার বার্ষিক ১৪ কোটি টাকা ভর্তুকী দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিজনেস রিফর্মস অ্যাকশন প্ল্যান (বিআরএপি) ২০২০-র রিপোর্টে ত্রিপুরাকে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে প্রগতিশীল শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের ইজ অব ডুয়িং বিজনেস নীতিকে আইনী সমর্থন দেওয়ার লক্ষ্যে ত্রিপুরা ইন্ডাস্ট্রিজ (ফ্যাসিলিটেশন অ্যাক্ট ২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য ত্রিপুরা রাজ্য পলিসি ২০২২’ রাজ্য প্রণয়ন করেছে। রাজ্যে মহিলাদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারি চাকুরিতে রাজ্যে মহিলাদের সম্ভব হয়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার তার মুলধনী বায় টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০২২-২৩ বছরে ২২০০ কোটি টাকা করেছে।
তিনি জানান, আসন্ন নর্থ-ইস্ট গ্লোবাল ইনভেস্টস সামিট ২০২৩ এর প্রাক্কালে রাজ্য সরকার ডোনার মন্ত্রকের সাথে মিলে রাজ্যে বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে খতিয়ে দেখতে একটি গোল টেবিল সম্মেলন করেছে। এই সম্মেলনের ফলে দেশী ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সাথে ৩৩৮.০০ কোটি টাকা মুল্যের মৌ স্বাক্ষরিত হয়েছে। শিল্পোন্নয়নের জন্য ২ হাজার একর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। তাছাড়া রাজ্যের ১৫টি শিল্প নগরীর উন্নয়নে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকও ঋণ দিতে রাজি হয়েছে। বিমান যাত্রীদের সুবিধার্থে রাজ্য সরকার এভিয়েশন টার্বাইন ফিউল-এ ১ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে আনার কথাও বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিমান পরিষেবাকে উৎসাহ দিতে রাজ্য সরকার বার্ষিক ১৪ কোটি টাকা ভর্তুকী দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিজনেস রিফর্মস অ্যাকশন প্ল্যান (বিআরএপি) ২০২০-র রিপোর্টে ত্রিপুরাকে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে প্রগতিশীল শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের ইজ অব ডুয়িং বিজনেস নীতিকে আইনী সমর্থন দেওয়ার লক্ষ্যে ত্রিপুরা ইন্ডাস্ট্রিজ (ফ্যাসিলিটেশন অ্যাক্ট ২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য ত্রিপুরা রাজ্য পলিসি ২০২২’ রাজ্য প্রণয়ন করেছে। রাজ্যে মহিলাদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারি চাকুরিতে রাজ্যে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ পদ সংরক্ষণ রাখা হয়েছে। ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলসে শুধুমাত্র মহিলাদের নিয়ে একটি ব্যাটেলিয়ান গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও মহিলা পরিচালিত স্ব-সহায়ক গোষ্ঠির সংখ্যা বৃদ্ধি সহ তাদের বিভিন্ন কার্যকলাপগুলি বৈঠকে তুলে ধরেন বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান।
সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অনাথ, শিশু এবং মায়েদের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে, তাদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে, নিরাপদ প্রসব সুনিশ্চিত করা, অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমিয়ে আনা ও রক্তাল্পতার হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার নিরন্তর কাজ করে চলেছে। এক্ষেত্রে তিনি শিশু এবং মায়েদের স্বাস্থ্যের জন্য রাজ্য সরকারের গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পের কথাও বৈঠকে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যক্ষ্মা মুক্ত দেশ গড়ার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ২০২৫ সালের মধ্যে ভারত যক্ষ্মা মুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে বলে মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার ব্যাপকভাবে ‘ভোক্যাল ফর লোক্যাল’ নীতিকে আনুসরণ করে স্থানীয় দক্ষতা এবং পরম্পরার বিকাশ ও সংরক্ষণে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আগামীতে রাজ্য সরকারের ত্রিপুরা মেডিক্যাল ট্যুারিজম পলিসি চালু করার বিষয়টিও বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তুলে ধরেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি প্রকল্পে রাজ্যের অগ্রগতির কথা বৈঠকে তুলে ধরে জানান এই প্রকল্প ১০৯.১৯ কোটি টাকা মূল্যের ৮টি প্রকল্প চিহ্নিত করে অর্থ মঞ্জুরির জন্য ভারত সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব ইন্ডাস্ট্রি এন্ড ইন্টারনেল টেডের (ডিপিআইআইটি) কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি প্রকল্পের জন্য ৩৫ কোটি টাকা ভারত সরকারের অর্থ মন্ত্রকের অধীন বায় দপ্তরের মজুরি পাওয়া গেছে। এছাড়াও তিনি দ্য ত্রিপুরা ইন্টিগ্রেটেড লজিস্টিক পলিসি ২০২২ এর কথাও বৈঠকে উল্লেখ করেন। নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে আয়োজিত মুখ্যমন্ত্রীদের কনক্লেডেও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা অংশ নেন।
মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা) মানিক সাহা এই কনক্লেডে ফ্ল্যাগশীপ প্রোগ্রামের বিভিন্ন সাফলা ও বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন। সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী যে ১৩টি পয়েন্টের উপর কনক্লেডে আলোচনা হয়েছে তার মুখ্য বিষয়গুলি তুলে ধরেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (আরবান) ৬ মাসের হিসাব অনুযায়ী রাজ্যের সাফল্য ৭৩ শতাংশ। মোট ৮২,২১৭টির বেশি ঘরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, এর মধ্যে ৫৭ হাজার ৪০টি ঘর নির্মিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (গ্রামীণ) রাজ্যের সাফল্যের হার ৯১.১৯ শতাংশ। এর জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৩০০ কোটি টাকা। মোট ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৯৮৯
জন সুবিধাভোগী উপকৃত হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের এই সাফল্যের জন্য প্রশংসাও মিলেছে। বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপাও জুটেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জল জীবন মিশনে রাজ্যের সাফল্যের হার ৬২.১৪ শতাংশ। আগামী ডিসেম্বর, ২০২৩-এর মধ্যে বাকী কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আয়ুস্মান ভারত প্রকল্পে ১৪.৬২ শতাংশ সরকারের গৃহাত বিভিন্ন প্রকল্পের কথাও বেঠকে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদ যয়া মুক্ত দেশ গড়ার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ২০২৫ সালের মধ্যে ভারত যক্ষ্মা মুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে বলে মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার ব্যাপকভাবে ‘ভোক্যাল ফর লোক্যাল’ নীতিকে আনুসরণ করে স্থানীয় দক্ষতা এবং পরম্পরার বিকাশ ও সংরক্ষণে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আগামীতে রাজ্য সরকারের ত্রিপুরা মেডিক্যাল ট্র্যারিজম পলিসি চালু করার বিষয়টিও বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তুলে ধরেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি প্রকল্পে রাজ্যের অগ্রগতির কথা বৈঠকে তুলে ধরে জানান এই প্রকল্প (১০৯.১৯ কোটি টাকা মূল্যের ৮টি প্রকল্প চিহ্নিত করে অর্থ মঞ্জুরির জন্য ভারত সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব ইন্ডাস্ট্রি এন্ড ইন্টারনেল ট্রেডের (ডিপিআইআইটি) কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি প্রকল্পের জন্য ৩৫ কোটি টাকা ভারত সরকারের অর্থ মন্ত্রকের অধীন ব্যয় দপ্তরের মঞ্জুরি পাওয়া গেছে। এছাড়াও তিনি দ্য ত্রিপুরা ইন্টিগ্রটেড লজিস্টিক পলিসি ২০২২ এর কথাও বৈঠকে উল্লেখ করেন। নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে আয়োজিত মুখ্যমন্ত্রীদের কনক্লেভেও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা অংশ নেন।
মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা) মানিক সাহা এই কনক্লেভে ফ্ল্যাগশীপ প্রোগ্রামের বিভিন্ন সাফলা ও বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন। সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী যে ১৩টি পয়েন্টের উপর কনক্লেভে আলোচনা হয়েছে তার মুখ্য বিষয়গুলি তুলে ধরেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (আরবান) ৬ মাসের হিসাব অনুযায়ী রাজ্যের সাফল্য ৭৩ শতাংশ। মোট ৮২,২১৭টির বেশি ঘরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, এর মধ্যে ৫৭ হাজার ৪০টি ঘর নির্মিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (গ্রামীণ) রাজ্যের সাফল্যের হার ৯১.১৯ শতাংশ। এর জন্য বায় হয়েছে প্রায় ১৩০০ কোটি টাকা। মোট ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৯৮ জন সুবিধাভোগী উপকৃত হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের এই সাফল্যের জন্য প্রশংসাও মিলেছে। বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপাও ভুটেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জল জীবন মিশনে রাজ্যের সাফল্যের হার ৬২.১৪ শতাংশ। আগামী ডিসেম্বর, ২০২৩-এর মধ্যে বাকী কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আয়ুস্মান ভারত প্রকল্পে ৯৪.৬২ শতাংশ
সফলতা অর্জন করেছে রাজ্য। পিএম গ্রাম সড়ক যোজনায় ৮৮ শতাংশ এবং পিএম জীবন
জ্যোতি প্রকল্পে ৮১ শতাংশ সফলতা অর্জিত হয়েছে। কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্পে রাজ্যে ২ লক্ষ ৪৭ হাজার কৃষক উপকৃত হয়েছেন। এই ক্ষেত্রে সাফল্যের হার ৯৮ শতাংশ। কিষান ক্রেডিট কার্ড প্রদানে রাজ্যের সফলতার কথা মুখ্যমন্ত্রী কনক্লেভে তুলে ধরেন। অটল পেনশন যোজনায় ৭৩ শতাংশ সফলতা এসেছে। স্ব-নিধি যোজনার উপর প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব আরোপ করেছেন। স্ট্রিট ভেন্ডারদের আর্থ সামাজিক বিকাশের জন্য এই প্রকল্পে এখন পর্যন্ত রাজ্যের সাফল্যের হার ৭০ শতাংশ। জিএসটি সংগ্রহের উপর রাজ্য সরকার কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে। বৈঠকে জিএসটি সংগ্রহের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যসচিব জে কে সিনহা এবং সচিব ডঃ পি কে চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।
