জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজন্য আমলে তৈরি উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ এখন স্টেট মিউজিয়ামে পরিণত। রাজন্য স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন সামগ্রী সহ রাজ্যের অতীত ইতিহাসের নানা চিত্র রয়েছে এই মিউজিয়ামে। কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক সহায়তায় মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য মিউজিয়ামটিকে আন্তর্জাতিক মানের মিউজিয়াম হিসাবে গড়ে তোলার জন্য চলছে এখন কাজ। বেসরকারি একটি সংস্থার তত্ত্বাবধানে ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে চলছে এখন মিউজিয়ামটি নতুন করে সংস্কার প্রক্রিয়া। মূলত দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে রাজ্যের এই মিউজিয়ামটিকে আকর্ষণীয় করে তুলতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। তাই দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার পাওয়ার পর, এবার আন্তর্জাতিক মানের তৈরি হতে যাওয়া এই মিউজিয়ামটির কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখলেন পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। বুধবার দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সাথে নিয়ে গোটা কাজ পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে কথা বলেন কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে। গুণগতমান বজায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য মন্ত্রী আহবান জানান। পরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান রাজ আমল থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনাবলী থাকবে এই মিউজিয়ামে। ত্রিপুরার হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি ও রাজ জন্য আমলের বিভিন্ন সামগ্রী আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ। মিউজিয়ামে সবকিছুই ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণে হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হবার কথা রয়েছে।
Monthly Archives
March 2023
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- অশোকা অষ্টমী মেলা উপলক্ষে কৈলাসহর ভগবাননগরে বসেছে বিরাট মেলা আর মেলার বিভিন্ন দিক পরিদর্শন করতে বুধবার কৈলাশহর ভগবাননগরে গেলেন মন্ত্রী টিংকু রায়। সঙ্গে ছিলেন কৈলাশহরের মহকুমা শাসক প্রদীপ সরকার বিজেপি প্রদেশ রাজ্য কমিটির সদস্য বিমল কর ঊনকোটি জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি শ্যামল দাস প্রমূখ। মন্ত্রী টিংকু রায় মেলার বিভিন্ন দিক পরিদর্শন করেন। এদিন সকাল থেকেই প্রচুর ক্রেতা বিক্রেতা ভিড় জমিয়েছে ভগবাননগর মেলা প্রাঙ্গণে। মেলাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কুমারঘাটের রেশ কেটে না উঠতেই আবারও বজ্রপাতে মর্মান্তিক মৃত্যু এক রাবার শ্রমিকের। মৃত শ্রমিকের নাম অমল কৃষ্ণ ত্রিপুরা। বয়স ২৩ বছর। ঘটনা বিলোনিয়া থানাধীন মোহিনী নগর এডিসি ভিলেজের রাজবন পাড়ায়। বুধবার সকালে রাবার বাগানে কাজ করার সময় বাজ পড়ে ঝলসে যায় অমল কৃষ্ণ ত্রিপুরার দেহের কিছুটা অংশ। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তার। পরিবারের লোকজন তাকে মতাই প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পরে মৃতদেহ ময়না তদন্তের পর পরিবারের লোকজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক কর্তব্য হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে এবার রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন আগরতলা স্বস্তি বাজারের ব্যবসায়ীরা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার বাসন্তী পূজার মহা অষ্টমীর পূণ্য তিথিতে স্বস্তি বাজার মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল এক স্বেচ্ছা রক্তদান শিবির। এদিন সকালে মহতী এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রক্তদাতাদের উৎসাহিত করলেন আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। এছাড়াও ছিলেন পুর নিগমের উত্তর জোনালের চেয়ারম্যান প্রদীপ চন্দ সহ আরও বিশিষ্টজনেরা। এই রক্তদান শিবিরকে ঘিরে স্বস্তি বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে লক্ষ্য করা গেল ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা।
নেশার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার: মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার নেশার বিরুদ্ধে অভিযানে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। রাজ্যের জনমানসে বিশেষত ছাত্র ও যুব সমাজে নেশার ক্ষতিকর প্রভাব লক্ষ্য করে রাজ্য সরকার নেশা বিরোধী অভিযান অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শুরু করেছে এবং নেশার কু প্রভাব থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আজ বিধানসভায় বিধায়ক বৃষকেতু দেববর্মার জনস্বার্থে আনা একটি দৃষ্টি আকর্ষনী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। তিনি জানান, নরসিংগড়ের আধুনিক সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট ড্রাগ ডিএডিকশান সেন্টার চালু করা হয়েছে। ঐ হাসপাতালে এডিকশান ক্লিনিক ওপিডি চালু করা হয়েছে এবং সেখান থেকে বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ করা হচ্ছে। এই ধরণের সুবিধা যাতে অন্যান্য জেলাগুলিতেও দ্রুত চালু করা যায় সরকার তা খতিয়ে দেখছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের স্কুল-কলেজগুলিতে নেশর ক্ষতিকর প্রভাব সম্বন্ধে প্রতিনিয়ত সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। চিকিৎসক, নার্স, কমিউনিটি হেলথ অর্গানাইজার এবং অন্যান্য প্যারামেডিক্যাল স্টাফদেরও নেশার কুপ্রভাব সম্বন্ধে নিয়মিত ট্রেনিং প্রোগ্রাম ও ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নেশমুক্ত ত্রিপুরা গড়ার প্রচারের পাশাপাশি নিয়মিত ভাবে নেশর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়ে থাকে এবং সেইসঙ্গে অভিযুক্তদেরও গ্রেপ্তার করা হয়ে থাকে। আগরতলায় নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) এর একটি শখা স্থাপনের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, গাজা গাছ ধ্বংসের জন্য নিয়মিত অভিযান চালানো হয়ে থাকে। বিগত তিন বছরে মোট ৩.৬৫,০০,৩৮ ১টি গাঁজার চারা ধ্বংস করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একটি ফুল বডি স্কেনার ক্রয় করার প্রস্তাব বিবেচনাধীন আছে যাতে নেশাসামগ্রী বহনকারী গাড়ির স্ক্যান করে নেশাদ্রব্য সনাক্ত করা যায়।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, এনডিপিএস কেইস এর তদন্ত কাজে দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশে বিগত দুই বছরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সোসাল ডিফেন্স (এনআইএসডি) এবং নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) এর যৌথ সহযোগিতায় পুলিশ ট্রেইনিং অ্যাকাডেমি (পিটিএ) তে ৭টি ট্রেনিং কোর্স করানো হয়েছে। নিয়মিত প্রয়াস কর্মসূচির মাধ্যমে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের এবং জেলা পুলিশের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেশাবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা জারি রয়েছে। তিনি বলেন, জেলা পুলিশ রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকায় ফুটবল, ক্রিকেট ইত্যাদি খেলার কর্মসূচির মাধ্যমে নেশাদ্রব্য ব্যবহারের ক্ষতিকারক দিকগুলি সম্বন্ধে যুবক-যুবতীদের সচেতন করে থাকে। নেশাসক্ত যুবকদের অভিভাবকরা যাতে তাদের ছেলেমেয়েদের নেশামুক্ত কেন্দ্রে পাঠান তার জন্য উৎসাহিত করা হয়ে থাকে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাজেয়াপ্ত নেশাদ্রব্যগুলি নিয়মিতভাবে ধুংস করা হচ্ছে। বর্তমানে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ৬টি স্নাইপার কুকুর নেশা বিরোধী অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আরও কিছু স্নাইপার কুকুর কেনার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে। এই সব ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নেশমুক্ত সুস্থ ত্রিপুরা গঠন করা যাবে বলে মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা সুষ্ঠুভাবে প্রদানের লক্ষ্যে রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে : মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
রাজ্যের জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে। সরকারের আন্তরিকতায় কোনও ঘাটতি নেই। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে যতটা সম্ভব স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌছানোর লক্ষ্যে রাজ্যের সর্বত্র চালু রয়েছে কর্মযজ্ঞ। আজ রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক রঞ্জিত দাসের আনা একটি দৃষ্টি আকর্ষনী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মাধ্যমে রাজ্যের দুর্গম অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবার সুফল পৌঁছে দিতে অভিনব প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। সকল অংশের মানুষের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার সুনির্দিষ্ট কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, কুলাই, উদয়পুর এবং শান্তিরবাজার এই তিনটি জেলা হাসপাতালে তিনটি ট্রমা কেয়ার সেন্টার চালু করা হয়েছে। এছাড়া ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টারের নির্মাণ কাজ চলছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনটি কমিউনিটি হেলথ সেন্টারকে মহকুমা হাসপাতালে উন্নীত করা হয়েছে। এগুলি হচ্ছে পানিসাগর, কুমারঘাট এবং করবুক হাসপাতাল। ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য আপগ্রেডেশনের কাজ এগিয়ে চলেছে। ঊনকোটি জেলা হাসপাতাল চত্বরে মেডিক্যাল স্টোর নির্মাণ এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ চলছে। এছাড়া গন্ডাছড়া মহকুমা হাসপাতালেরও আপগ্রেডেশনের জন্য নির্মাণ কাজ চলছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, জনজাতি এলাকার উন্নয়নের অংশ হিসেবে ২০ শয্যাবিশিষ্ট লংত্তরাইভ্যালি উপবিভাগীয় হাসপাতাল ভবনের সম্প্রসারণের কাজ প্রায় শেষের পথে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, ন্যাশনাল হেলথ মিশনের অধীনে গোমতী জেলা হাসপাতাল, উত্তর জেলা হাসপাতাল, দক্ষিণ জেলা হাসপাতাল এবং ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে ৬টি মর্চুয়ারির নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ণ হচ্ছে। তিনি জানান, সুবর্ণ জয়ন্তী ত্রিপুরা নির্মাণ যোজনা প্রকল্পের অধীনে কাঞ্চনপুর মহকুমা হাসপাতাল কমপ্লেক্সে ১৬টি স্টাফ কোয়ার্টার ভবন এবং অমরপুর মহকুমা হাসপাতাল কমপ্লেক্সে ১৬টি স্টাফ কোয়ার্টার ভবন নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি জানান, আইজিএম, জিবিপি হাসপাতাল, দক্ষিণ জেলা হাসপাতাল, উত্তর জেলা হাসপাতাল, খোয়াই জেলা হাসপাতাল এবং ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে মাতৃত্বকালীন আইসিইউ কার্যকর করা হবে। ইমারজেন্সি কোভিড রেসপন্স প্ল্যান্ট (ইসিআরপি-২) এর অধীনে সমস্ত জেলা হাসপাতালে পেডিয়াট্রিক কেয়ার ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। তিনি জানান, জেলা ও মহকুমা হাসপাতালের জন্য ১৬টি ইউএসজি মেশিন এবং ২২টি এক্সরে মেশিন কেনা হয়েছে। গোমতী ও ধলাই জেলা হাসপাতালে কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিট চালু করা হবে। রাজ্যের জনগণের স্বার্থে আগরতলা গভর্ণমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ এবং আইজিএম হাসপাতাল ছাড়াও প্রত্যেকটি জেলা হাসপাতালে ডায়ালাইসিস পরিষেবা এবং সিটি স্ক্যান পরিষেবা চালু রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষনী নোটিশের জবাবে আরও বলেন, মেলাঘর মহকুমা হাসপাতালকে ফার্স্ট রেফারেল ইউনিট হিসাবে আপগ্রেডেশন করা হচ্ছে। তেলিয়ামুড়া, অমরপুর, সাব্রুম, কাঞ্চনপুর, গন্ডাছড়া এবং ছৈলেংটা মহকুমা হাসপাতালকে ফার্স্ট রেফারেল ইউনিট হিসাবে কার্যকারি করার জন্য ভারত সরকারের অনুমোদন পাওয়া গেছে। তিনি জানান, আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ এবং আইজিএম হাসপাতাল সহ প্রত্যেকটি জেলা হাসপাতালে ফার্স্ট রেফারেল ইউনিট চালু রয়েছে। তাছাড়া মেলাঘর, বিলোনীয়া, বিশালগড়, কমলপুর মহকুমা হাসপাতাল এবং খেরেংবার কমিউনিটি হেলথ সেন্টারকে ফার্স্ট রেফারেল ইউনিট হিসেবে চালু
করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে ব্লাড ব্যাঙ্ক পরিষেবা চালু করা হয়েছে। তাছাড়া পর্যায়ক্রমে সমস্ত মহকুমা হাসপাতালে ওটি পরিষেবা শুরু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, রাজ্যে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা তাদের হারানো মনোবল ফিরে পেয়েছেন। এখন জটিল অস্ত্রোপচার রাজ্যেই সম্ভবপর হচ্ছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যকর্মী ও আশাকর্মীরা নিরন্তর প্রয়াস জারি রেখেছেন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মহকুমা হাসপাতাল ও জেলা হাসপাতালগুলিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অন্যান্য চিকিৎসক পোস্টিং দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা সুষ্ঠুভাবে প্রদানের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে নার্স পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী যেমন ফার্মাসিস্ট, লেবোরেটরি টেকনিশিয়ান, রেডিওগ্রাফার, অপথালমিক অ্যাসিসটেন্ট, ইসিজি টেকনিশিয়ান ও মাল্টিপারপাস ওয়ার্কার পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জনজাতি কল্যানে রাজ্য সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। চলতি আর্থিক বছরে শুধুমাত্র ধলাই জেলায় জনজাতি এলাকাগুলিতে ২১৪ টি অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার খোলা হবে। যেখানে গোটা রাজ্যে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের সংখ্যা রয়েছে ৯৯১১ টি। সবকটি কেন্দ্রে লোক নিয়োগ করা হবে সরকারি গাইডলাইন মেনেই। এ ছাড়াও জনজাতি এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নে সমস্ত রাস্তাঘাট সংস্কার করা হবে। বিধানসভার শেষ দিনে তিপ্রা মথার বিধায়কের আনীত প্রশ্নের উত্তরে এই তথ্য জানান রাজ্য সরকারের সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের বিশিষ্ট কবি তথা ভাষা সাহিত্যিক চন্দ্রকান্ত মুড়াসিংয়ের প্রয়াণে রাজ্য বিধানসভায় আজ শোক জ্ঞাপন করা হয়েছে। অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন প্রয়াত করি জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি চন্দ্রকান্ত মুড়াসিং এর পরিবার পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সদস্য-সদস্যারা এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন। উল্লেখ্য, গতকাল সকালে রাজ্যের বিশিষ্ট এই কবি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।
ত্রয়োদশ রাজ্য বিধানসভার উপাধ্যক্ষ হিসাবে নির্বাচিত হলেন বিধায়ক রামপ্রসাদ পাল
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিজেপি বিধায়ক রামপ্রসাদ পাল ত্রয়োদশ রাজ্য বিধানসভার উপাধ্যক্ষ হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন৷ আজ রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলে অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন ঘোষণা করেন যে উপাধ্যক্ষ হিসাবে রামপ্রসাদ পালের নাম প্রস্তাব করে দুটি প্রস্তাব জমা পড়েছে। এর একটির প্রস্তাবক হলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এবং তা সমর্থন করেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। দ্বিতীয়টির প্রস্তাবক হলেন যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিঙ্কু রায় এবং তা সমর্থন করেন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা। উপাধ্যক্ষ হিসাবে অন্য কারোর নাম প্রস্তাব না করায় অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন রামপ্রসাদ পালকে উপাধ্যক্ষ হিসাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। উপাধ্যক্ষ হিসাবে নির্বাচিত হবার পর মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা, জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা, সমবায় মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া, বিরোধী দলনেতা অনিমেষ দেববর্মা, সিপিআই (এম) পরিষদীয় দলনেতা জীতেন্দ্র চৌধুরী রামপ্রসাদ পালকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শহর আগরতলার নাগরিকদের একটা বড় অংশ বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব, মশার মাত্রাতিরিক্ত উৎপাত, নেশাখোরদের তাণ্ডব, যানজট, রাজনৈতিক হিংসা প্রতি হিংসাসহ আরো নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় জলন্ত সমস্যা হল যেন মশা। তাই মশার উপদ্রব থেকে শহরবাসীকে মুক্ত করতে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ, পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা করা, পৌর নিগম এলাকায় চুরি ছিল তাই বন্ধ করতে ভ্রাম্যমান পুলিশী প্রহরার ব্যবস্থা জোরদার করা, বর্ষার মৌসুম শুরু হবার আগে জল নিষ্কাশনিক ব্যবস্থাগুলি উপযুক্ত রাখাসহ মোট ৯ দফা দাবিতে এবার সোচ্চার হলো আমরা বাঙালি পশ্চিম জেলা কমিটি। মঙ্গলবার দলের জেলা সচিব অশোক কুমার দাসের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল পৌরনিগমের মেয়রের সাথে দেখা করে তাদের দাবী সনদ সম্বলিত এক স্মারকলিপি তুলে দেন। মেয়র দাবি গুলি খতিয়ে দেখে আগামীদিন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দিলেন প্রতিনিধি দলের সদস্যদের।
