জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের জাতি জনজাতি অংশের যুবক যুবতীদের অনেকের মধ্যেই সাংস্কৃতিক প্রতিভা রয়েছে। প্রতিভা বিকশিত করার জন্য উপযুক্ত মঞ্চ প্রয়োজন। ত্রিপুরা ফিল্ম ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট তাদের সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকশিত করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবে। আজ সন্ধ্যায় নজরুল কলাক্ষেত্রে ত্রিপুরা ফিল্ম ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম এবং সোমবার টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় এই প্রথম রাজ্যে ফিল্ম ইনস্টিটিউট যাত্রা শুরু করলো। এই ইনস্টিটিউটে স্ক্রিন অ্যাকটিং, ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন, প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট এবং নিউজ রিপোর্টিং, অ্যানকরিং, নিউজ রুম অটোমেশন এই ৪টি কোর্স রয়েছে। এই ইনস্টিটিউটে এবছর ৪৭ জন ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়েছে। ফিল্ম ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা বলেন, আমরা কোনোদিন ভাবিনি আমাদের রাজ্যে ফিল্ম ইনস্টিটিউট গড়ে উঠবে। রাজ্য সরকারের চেষ্টায় তা বাস্তব রূপ পেয়েছে। প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী, সুরকার শচীন দেববর্মণ এবং রাহুল দেববর্মণের কথাও আলোচনায় তুলে ধরেন তিনি। তাছাড়া মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই গান, বাজনা, সাংস্কৃতিক চিন্তা ভাবনা লুকিয়ে আছে। তাকে বিকশিত করতে হয়। উপযুক্ত পরিকাঠামো না থাকলে প্রতিভার পরিপূর্ণ বিকাশ সম্ভব হয় না। পাশাপাশি তিনি বলেন, এই ইনস্টিটিউটের জয়যাত্রা ছাত্রছাত্রীদের উপর যেমন নির্ভর করবে, তেমনি শিক্ষক শিক্ষিকারাও তাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন। মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন এই ইনস্টিটিউট ভবিষ্যতে সুনাম অর্জন করবে। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজ্যের তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন এবং তিনি বলেন, আমাদের রাজ্যে সমৃদ্ধ সংস্কৃতি রয়েছে। এই রাজ্যের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অতুলনীয়। এই ফিল্ম ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে রাজ্যের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে আরও বেশি করে তুলে ধরা সম্ভব হবে। রাজ্যের যুবক-যুবতীদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতিতেও এই ফিল্ম ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। রাজ্যের যুবক-যুবতীদের মধ্যে যে মেধা রয়েছে এই ফিল্ম ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে তারা দেশবাসীর কাছে তা তুলে ধরতে সক্ষম হবে। তাছাড়া তিনি আশা প্রকাশ করেন সুন্দর সাবলীলভাবে এই ইনস্টিটিউটটি এগিয়ে যাবে। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা, তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, আগরতলার মেয়র দীপক মজুমদার, বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা ফিরদৌস আহমেদ ও এসআরএফটিআই, কলকাতার অধিকর্তা হিমাংশু শেখর কাথুয়া এবং সংস্কৃতি প্রিয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
Monthly Archives
November 2022
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রোজগার মেলায় ৬৮৬ জনের হাতে চাকরির অফার তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী সহ মন্ত্রিসভার ৪ সদস্য । মুখ্যমন্ত্রী বলেন , ত্রিপুরাকে সারা ভারতবর্ষে এক নম্বর ত্রিপুরা বানানোর লক্ষ্যে কাজ করে চলছে রাজ্য সরকার। তার জন্য প্রয়োজন আপামোর রাজ্যবাসীর সহযোগিতা। বেকারদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে বিজেপি সরকার। শুধু ত্রিপুরা নয় সারাদেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রোজগার মেলার মাধ্যমে বেকারদের হাতে তুলে দিচ্ছে চাকরির অফার। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেক্টরে শূন্যপদ পূরণের মাধ্যমে বেকারদের কর্মসংস্থান দেওয়ার ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে।তারই সুফল ভোগ করছে রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীরা। সরকার প্রতিটি মানুষের কর্মসংস্থানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত দুই আড়াই বছর কঠিন সময় কাটিয়েছে দেশবাসী। বর্তমানে দেশ উন্নয়নের পথে হাঁটছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের মডেলকে কাজে লাগাতে চাইছে সারাদেশে। আমরা চাইছি দেশে এক নাম্বার মডেল হোক ত্রিপুরা। মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা : মানিক সাহার। এদিনের মেলায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য সরকারের তপশিলি জাতি কল্যাণ ও শ্রম দপ্তরের মন্ত্রী ভগবান দাস বলেন , আগে একটা সময় ছিল বেকার যুবক যুবতীরা হতাশায় দিন যাপন করত। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরির আশা করতে পারত না।কেননা আগেকার সরকারের আমলে চাকরি পেতে হলে লাইনে যেতে হতো। বছরের-পর-বছর মিছিলে পা মেলাতে হতো তাদের সঙ্গে। আর এখন চাকরি হচ্ছে যোগ্যতার নিরিখে। রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত চাকুরী মেলায় ট্রান্সফারেন্সি সরকারের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ। বলেন বর্তমান রাজ্য সরকারের স্বচ্ছতা প্রকাশ পেয়েছে। চাকরির অফারেই। রাজ্যে এমন দৃষ্টান্ত রয়েছে একই বেকারের হাতে চার-চারটি অফার। শেষ পর্যন্ত জয়েন করেছে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী সান্তনা চাকমা বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার চাইছে আত্মনির্ভর ভারত আত্মনির্ভর ত্রিপুরা করতে। আর সেই আত্মনির্ভর ত্রিপুরার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হচ্ছে রোজগার মেলা। এদিনের অনুষ্ঠানে রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক , রাজ্য সরকারের মুখ্য সচিব সহ অন্যান্য বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। শুধু চাকরির অফার নয়, এদিন বেকার যুবক-যুবতীদের স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে ঋণও তুলে দেওয়া হয় তাদের হাতে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ছয় মাস আগে বাড়ি থেকে পরকিয়ার হাত ধরে পাড়ি দিয়েছিল মঙ্গলখালীর লক্ষী। শেষ পর্যন্ত উদ্ধার হল বাড়ি থেকে ২০০ মিটার দূরে তার অর্ধনগ্ন মৃতদেহ। মাস ছয়েক আগে উপযুক্ত তিন সন্তানের জননী ৪৩ বছর বয়স্কা লক্ষ্মী দাস বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। ধর্মনগর থানার অন্তর্গত মঙ্গলখালী গ্রামের তিন নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা লক্ষীর স্বামী পেশায় ছিল দিনমজুর। উপযুক্ত দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে তার। বিবাহিত মেয়ে ও ছেলেদের রেখে স্বামীর সংসার থেকে একদিন স্বামীর অলক্ষ্যেই বাড়ি থেকে পাড়ি দিয়েছিল পরকীয়ার হাত ধরে। ইতিমধ্যেই অসহায় স্বামী ধর্মনগর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিল। পুলিশ কি তদন্ত করেছিল সে বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে সোমবার। গ্রামের বাড়ি থেকে 200 মিটার দূরে সকালে এলাকাবাসী দেখতে পায় লক্ষ্মী দাস এর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ। নিখোঁজ হওয়ার পর স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়েছিল বাড়িতে। থানা পুলিশে বেশি খোঁজখবর করতে পারেনি।তারপরেও দু-তিনবার খোঁজ করেছিল। পুলিশ ছিল ঠুঁটো জগন্নাথ। স্ত্রীর পরকীয়ার কিছুই মালুম করতে পারেনি দিনমজুর স্বামী। হতবাক হয়ে পড়ে মৃতদেহ উদ্ধারে। প্রশ্নোত্তরে স্বামী কিছুটা আমতা আমতা ভাবে স্বীকার করেছে। যে নাগরের হাত ধরে পালিয়ে ছিল লক্ষ্মী, সে নাগরের ফোন নাম্বারও দেওয়া হয়েছিল পুলিশকে। পুলিশ নাগরের টিকির নাগাল না পেলেও , জনগণের সহায়তায় উদ্ধার করতে পেরেছে লক্ষ্মীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ। বাকরুদ্ধ লক্ষীর স্বামী। এলাকাবাসীর বক্তব্য সঠিক সময়ে পুলিশ তদন্ত করলে হয়তো আজ এই পরিণতি হতো না লক্ষীর। সন্তানরা হারাতো না তার মাকে আর স্বামী হারাতো না তার স্ত্রীকে। প্রশ্ন উঠছে আদু তদন্ত হবে কিনা এ অপমৃত্যুর। ধরা পড়বে কিনা আসামি। এসব প্রশ্নের উত্তর সময় একদিন দেবে হয়তো।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রস্তুতি চূড়ান্ত , ডেন্টাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার ছাড়পত্র পেলে ডিসেম্বরেই শুরু হয়ে যাবে রাজ্যের একমাত্র ডেন্টাল কলেজের যাত্রা। সোমবার সকালেই প্রস্তুতিপর্ব খতিয়ে দেখলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা: মানিক সাহা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন অনুমোদন পেলে এ মাসেই ডেন্টাল কলেজের যাত্রা শুরু করার ইচ্ছে ছিল।ইতিমধ্যে একবার ডেন্টাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার লোকজন এসে দেখেও গিয়েছিল। তখন প্রস্তুতিপর্ব চূড়ান্ত ছিল না। বর্তমানে প্রস্তুতিপর্ব শেষ করে সেজেগুজে বসে আছে ডেন্টাল কলেজের পরিকাঠামো। ডিসেম্বরেই চালু হওয়ার ১০০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে |রাজ্যের আইজিএম হাসপাতালের নতুন বিল্ডিং এর শুরু হবে ডেন্টাল কলেজ।
মার্কসবাদ লেনিনবাদই হচ্ছে বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম বৈজ্ঞানিক মতবাদ যার কখনো ধ্বংস হতে পারে না : নারায়ণ কর
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের অন্যতম স্থপতি ফ্রেডরিক অ্যাঙ্গেলসের জন্মজয়ন্তী বিগত দিনের মতোই আবারো যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে উদযাপন করলো রাজ্য সিপিআইএম নেতৃত্ব। এবছর অ্যাঙ্গেলসের ২০৩ তম জন্মদিন। সোমবার সকালে রাজ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে মূল অনুষ্ঠানটি হয় আগরতলায় দলের রাজ্য দপ্তর দশরথ দেব স্মৃতি ভবনে। সেখানে অ্যাঙ্গেলসের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান উপস্থিত নেতৃত্ব। অ্যাঙ্গেলসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এদিন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর অন্যতম সদস্য নারায়ণ কর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, কমিউনিস্ট মেনুফেস্টু রচিয়তা ছিলেন কার্ল মার্কস ও অ্যাঙ্গেলস। মার্কসবাদ যুগ যুগ ধরে প্রাসঙ্গিক। যারা মনে করতেন সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরে মার্কসবাদ লেনিনবাদ মৃত, তারা এখন বুঝতে পারছেন যে মার্কসবাদ লেনিনবাদই হচ্ছে বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম বৈজ্ঞানিক মতবাদ যার কখনো ধ্বংস হতে পারে না।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা রাজ্যের অর্থনীতির প্রধান ভীত হল গ্রামীণ ব্যাংক, সেটা অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই, গ্রামীণ ব্যাংকের ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করে বললেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা। সোমবার ডাঃ: সাহা সরকারি আবাসে বসে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের ১০১ টি করেসপন্ডেন্ট শাখার ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করে বলেন , গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে দারুন ভূমিকা রয়েছে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের। বিশেষ করে মহিলাদের সেলফ- হেল্প গ্রুপ তৈরি ও তাদের উপার্জনশীল করে তোলার ক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংকের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। ১৯৭৬ সাল থেকে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক রাজ্যের অর্থনৈতিক বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান সত্যেন্দ্র সিংহ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ১০-মজলিশপুর নিজ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত জিরানীয়ার দাসপাড়া এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ নারী পুরুষ এবং যুবক যুবতীদের সাথে বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী’র মন কী বাত অনুষ্ঠান শুনেছে তথ্য সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। শ্রী চৌধুরী বলেন,প্রধানমন্ত্রী মনকি বাতে দেশবাসীর অন্তর্নিহিত ধারণাকে ইতিবাচক চিন্তাধারায় উদ্ভাসিত করেছে। দেশের জনগণ মনকিবাত-এর মাধ্যমে পরস্পরের অভিজ্ঞতার বিনিময় করছেন তার সঙ্গে স্ব- ইচ্ছায় গঠনমূলক ও ইতিবাচক কিছু করার ভাবনা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটা এমনই একটা সুষ্ঠ পরিবর্তন যাতে মানুষ সমাজসেবার জন্য অনেক বেশি এগিয়ে আসছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা ধরনের পরামর্শে মনকি বাত অনুষ্ঠানটি প্রতিটি পর্বে ঋদ্ধ হচ্ছে, যার ফলে আমাদের সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হচ্ছে। মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী আরও বলেন , রবিবার মনকি_বাত এর মাধ্যমে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য আমাদের মতো জনপ্রতিনিধিদের চলার পথে জনকল্যাণমূলক কাজ করতে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা জোগাবে। দেশের সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি যে প্রেরণাদায়ক ও ইতিবাচক কিছু বার্তা দিয়েছেন তা জনপ্রতিনিধিদের কর্মক্ষেত্রে কাজ করার জন্য মার্গ দর্শনের কাজ করবে। পাশাপাশি এদিন “মন কি বাত” শুনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে তাঁদের নানা সমস্যা সম্পর্কে অবগত হই এবং এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে সেগুলোর অতিদ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রদান করি॥
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ঘরে ঘরে বিজেপি অভিযানের মাঝে পেশায় রিক্সা-চালক সুনীল দাসের আপ্যায়নে তাদের ঘরে মধ্যাহ্নভোজন করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব l মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে ঘরে ঘরে বিজেপি কর্মসূচি সেরে জনসম্পর্ক অভিযানের মাঝে, হঠাৎ সাক্ষাৎ হয় মুড়াপাড়া নিবাসী শ্রী দাসের সাথে l ছাত্র জীবনে বিপ্লব কুমার দেবকে বিদ্যালয়ে নেওয়া আসা সহ পারিবারিক স্থানীয় যাতায়াতের মাধ্যম ছিল সুনীল দাসের রিক্সা l আচমকা তার সাক্ষাৎ পেয়ে, তাঁদের পরিবারের আপ্যায়নে রান্না ঘরে বসেই ভাত খেলেন l প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগে আপ্লুত রিক্সা চালক সুনীল দাসের পরিবার l একেবারে ঘরের সন্তানের মতোই মাটিতে বসে ভাত খেলেন l সুনীল দাস বলেন, ছাত্র জীবনে বিপ্লব কুমার দেবকে নিজের রিক্সায় স্কুলে নিয়ে যেতেন l বর্তমানে এতটা উচ্চ শিখরে পৌঁছেও, রিক্সা চালক কাকার কথা ভুলে যাননি l তাঁদের আপ্যায়নে সারা দেওয়ারও, প্রশংসা করলেন l সুনীল দাস বলেন, বিপ্লব দেবের বাবা, হিরোধন দেব, মানুষের সাহায্যার্থে ছিলেন সর্বদা নিবেদিত l স্থানীয় চিকিৎসক রূপে পরিচিত ছিলেন l অর্থনৈতিক অসচ্ছলদের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়তেন l সাধারণের চিকিৎসা করতেন l জনসংঘ করা কালীন যে কোনো প্রয়োজনেই মানুষের পাশে থাকতেন l বিপ্লব কুমার দেবও বাবার মতোই পরোপকারী ভাবনায় নিঃস্বার্থে মানুষের সেবা করছেন l অন্যদিকে বিপ্লব কুমার দেবও তাঁদের আতিথেয়তায় খুশি প্রকাশ করেন l সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানান, উনার পরিবারের মাঝে এই মূল্যবান মুহূর্ত কাটাতে পেরে এনং তাঁদের সহজ জীবনশৈলী ও আতিথেয়তায় তিনি অত্যন্ত আপ্লুত।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সিপিআইএম নেতারা এখন দেওলিয়া হয়ে গিয়েছে। পুরো দুনিয়া থেকে মুছে গেছে সিপিআইএম এর নাম। আর কংগ্রেস দল যে দলটা এতদিন গান্ধী পরিবার আগলে রেখেছিল , তাওতো গান্ধী উপাধিটা ধার করা। এটাতো নেহেরু পরিবার , এখন সেই পরিবার থেকেও কংগ্রেসের সভাপতির পদ চলে গিয়েছে খারগের হাতে। এই কংগ্রেসও এখন মুছে যাবে। রবিবার মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের ঘরে ঘরে বিজেপি অভিযানে গিয়ে মুড়াপাড়ায় আয়োজিত এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। এদিনের সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিপ্লব কুমার ঘোষ। বিজেপি গোমতী জেলার সভাপতি অভিষেক দেব রায় প্রমূখ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগামী ভোট প্রচারের দলীয় রণকৌশল নিয়ে রবিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ল শাসকদল বিজেপি। হর ঘর বিজেপি কর্মসুচী নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিটি ঘরে দলীয় বার্তা পৌঁছে যাওয়ার দিশা নিয়েই রবিবার থেকে শুরু হল এই কর্মসূচী। রাজধানীর বড়দোয়ালী বিধানসভা কেন্দ্রের এই হরঘর বিজেপি কর্মসূচীর সূচনা লগ্নে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা। যদিও এই কেন্দ্র থেকেই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কূর্শিতে বসেছিলেন।তাই নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের এই দলীয় কর্মসূচীতে সম্পুর্ন ভাবেই একটা আলাদা মাত্রা থাকবে তা তো বলাই বাহুল্য। এই কর্মসূচীতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গত করতে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদারকেও। এছাড়াও এদিনের এই কর্মসূচীতে দলীয় ভাবে মণ্ডল স্তর থেকে বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্বদেরও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।রাজধানীর নেতাজী সুভাষ বিদ্যানিকেতনের সামনে থেকে এদিনের এই কর্মসূচীর সূচনা করার পর একটি বিশাল সুসজ্জিত শোভাযাত্রা রাজধানী শহরের নানা পথ পরিক্রমা করে।কর্মসুচী নিয়ে সমবেত দলীয় কর্মীদের ভোট লড়াইয়ের মার্গ দর্শন দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা বলেন, রাজ্য সরকারের সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান নিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে যাওয়া হবে।বিরোধীরা যতই ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ করুক না কেন বিজেপি কর্মীরা যেন তাদের এই উস্কানীমূলক প্ররোচনার ফাঁদে পা না দেন সেই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে বিজেপি একটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। অন্য আর পাঁচটা দলের মত নয় এই দল।
