জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- খাস কল্যাণপুরে দীর্ঘদিন পর উড়ল লাল পতাকা।দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা। রবিবার সকালে এক সভার মধ্য দিয়ে কল্যাণপুর থানা এলাকার সি পি আই এম বাগানবাজার অঞ্চল কমিটির অধীন খাস কল্যাণপুর শাখা কমিটির অফিস ঘড় খোলা হল। দীর্ঘ সাড়ে চার বছর এই দলীয় অফিসটি বন্ধ ছিল। রবিবার এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দলীয় অফিসটি খোলা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ছিলেন সিপিআইএম খোয়াই জেলা কমিটির সম্পাদক রঞ্জিত দেববর্মা, সিপিআইএম খোয়াই মহকুমা কমিটির সম্পাদক পদ্ম কুমার দেববর্মা, তেলিয়ামুড়া মহকুমা সম্পাদক হেমন্ত কুমার জমাতিয়া, খোয়াই কেন্দ্রের বিধায়ক নির্মল বিশ্বাস, প্রাক্তন বিধায়ক মনিন্দ্র চন্দ্র দাস, এবং সিপিআইএম নেতা সুভাষ নাথ, প্রমূখ।
Monthly Archives
October 2022
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আমবাসায় আবারও উদ্ধার গাজা। আমবাসা বেতবাগান পুলিশ নাকা চেকিং পয়েন্টে গোপন খবরের ভিত্তিতে একটি ছোট গাড়ি থেকে গাজা উদ্ধার করে। গোপন কেবিন থেকে গাজার পেকেট গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। এই অভিযানে পুলিশ প্রায় ১১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। রবিবার বারটা নাগদ নাকা চেকিং পয়েন্টে গাড়িটি আসা মাত্রই পুলিশ গাড়িটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালায়। আর এই অভিযানে উদ্ধার হয় গাজা। গাড়িটি আগরতলা থেকে বহিরাজ্যের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল বলে জানান। এই অভিযানে পুলিশ গাড়ীর চালক মোহন জমাতিয়াকে আটক করে। জানা যায় গাড়ির চালকের বাড়ি তেলিয়ামুড়া এলাকায়। গাঁজা উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে আমবাসা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুমন মজুমদার।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতন ,ধর্ষণ এবং গন ধর্ষনের মত ঘটনাগুলি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। যার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে বিরোধী দলের মত সবকটি সংগঠন। রবিবার রাজধানীর সিটি সেন্টারের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে সামিল হয়েছে সারা ভারত যুব ফেডারেশন ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি। তিনটি যুব সংগঠনের ডাকে এদিন এক বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। সমাবেশে যুব নেতৃবৃন্দ বর্তমান শাসকদলকে এই ধর্ষণকাণ্ড গুলোর জন্য দায়ী করছে। অভিযোগ দুটি ধর্ষণের ঘটনায় শাসকদলীয় জড়িত। এদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। তার জন্য রাজ্যব্যাপী গণআন্দোলন গড়ে তুলবে যুব সংগঠন গুলি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- গণধোলাইয়ে মৃত্যুমুখী এক চোর। ঘটনা জিবি বাজার এলাকায়। সংবাদে প্রকাশ, দুই বন্ধু মিলে এক ব্যক্তির কাছ থেকে মানিব্যাগ চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় এক বন্ধু । জানা যায় ওই এলাকাতে সুজিত দাস এবং তার বন্ধু এক ব্যক্তির মানিব্যাগ ছিনতাই করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে ধরে ফেলে। তারপর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় সুজিত দাসের সঙ্গে থাকা অপর চোর।পরে এলাকাবাসীরা সুজিত দাস নামে ২২ বছরের ওই চোরকে আটক করে গণপিটুনি দেয়।এতেই আহত হন ওই চোর সুজিত দাস। তাকে আটক করার পর এলাকাবাসীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে। পরে তারে নিকটবর্তী আত্মীয়রা উদ্ধার করে জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসে চিকিৎসার জন্য। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সুজিত দাস নামে ২২ বছরের চোর।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ইন্দ্রনগর হরিজন কলোনিতে নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় জিবি আউট পোস্টে ডেপুটেশন প্রধান করল সারা ভারত গণতান্ত্রিক নারী সমিতির। তাদের দাবি অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর গণআন্দোলন যাবে নারী সমিতি। এদিনের ডেপুটেশন শেষে নারীনেত্রী মিতালী ভট্টাচার্য জানান , ফারি থানার ওসি জানিয়েছে অবিলম্বে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ।
আগামী কিছুদিনের মধ্যে মফঃস্বলের সাংবাদিকদেরও ব্যপক সংখ্যায় সরকারি সীকৃতি প্রদান করা হবে : সাংবাদিক বান্ধব তথ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগামী কিছুদিনের মধ্যে মফঃস্বলের সাংবাদিকদেরও ব্যপক সংখ্যায় সরকারি সীকৃতি প্রদান করা হবে। আসন্ন প্রেস ডে-তে সেই এক্রিডিটেশন কার্ড গুলি তুলে দেওয়া হবে সাংবাদিকদের হাতে। এর পরই সীকৃতি প্রাপ্ত সমস্ত সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য বিমার আওতায় আনা হবে। আগরতলার ভগৎসিং যুব আবাসে অনুঠিত হচ্ছে ত্রিপুরা ওয়ার্কিং জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের ২ দিন ব্যাপী বাৎসরিক সাধারণ সভা ও সাংবাদিকদের কর্মশালা।সরকারি সীকৃতি ,বেতন কাঠমো, নিয়োগ পাত্র প্রদান সহ সাংবাদিকদের একাধিক দাবি নিয়ে জোরালো আলোচনা করছেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সাংবাদিকরা। কর্মসূচির প্রধান অতিথি তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী ভাষণ রাখতে গিয়ে বলেন আগামী কিছু দিনের মধ্যে মফঃস্বলের সাংবাদিকদের ব্যাপক সংখ্যায় সরকারি সীকৃতি তথা এক্রিডিটেশন প্রদান করা হবে। আগামী প্রেস ডে -তে সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে এক্রিডিটেশন কার্ড। এরপরই সমস্ত সরকারি সীকৃতি প্রাপ্ত সাংবাদিকদের আনা হবে স্বাস্থ্য বিমার আওতায়। সাংবাদিকদের একাধিক সংগঠন রাজ্যে কাজ করছে। দাবিদাবার প্রশ্নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আবেদন জানান অনুষ্ঠানের অপর অতিথি পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। রবিবার দিনব্যাপী হবে শিক্ষামূলক কর্মশালা। প্রশিক্ষক হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট সাংবাদিক।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- নতুন বাড়ির চাবি পেয়ে কেঁদে ফেললেন দরিদ্র বিধায়ক। ভাইরাল ভিডিওতে মশগুল সারা দুনিয়া। উপার্জন ও ব্যয়ের পরিসংখ্যানে বিহারের দরিদ্রতম বিধায়ক হলেন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের রামবৃক্ষ সদা৷ সম্প্রতি তাঁকে পটনায় একটি সরকারি বাড়ি দেওয়া হল৷ মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের হাত থেকে নিজের নতুন বাড়ির চাবি নিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি প্রথম বারের বিধায়ক রামবৃক্ষ৷ তাঁর দু’চোখে আনন্দাশ্রুর ভিডিও এখন ভাইরাল সামাজিক মাধ্যমে৷ ভাইরাল ভিডিওয় বিধায়ক রামবৃক্ষ বলেছেন, ‘‘আমি বিহারের দরিদ্রতম বিধায়ক৷ একজন দরিদ্র যখনই কিছু পান, সেটা তাঁর কাছে দীপাবলির উপহার৷ এখন মুখ্যমন্ত্রী আমার হাতে নতুন বাড়ির চাবি তুলে দিলেন৷ জীবনে এরকম কোনওদিন স্বপ্নই দেখিনি৷ তাই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছি৷’’ আপ্লুত বিধায়কের আরও সংযোজন, ‘‘আমি মুশহর সম্প্রদায়ের৷ লালুপ্রসাদ যাদব আমাকে প্রথমে নেতা এবং পরে বিধায়ক তৈরি করেছেন৷’’ আলাউলির এই বিধায়ক এখনও খাগারিয়া এলাকায় তাঁর গ্রাম রউনে দু’ কামরার বাড়িতে থাকেন৷ এই বাড়ি তৈরি হয়েছিল ২০০৪ সালে ইন্দিরা আবাস যোজনায়৷ তফশিলি জাতির এই বিধায়ককে এ বার দেওয়া হল পটনার বীর চাঁদ পটেল পথে তিলতলা বাড়ি৷ রামবৃক্ষের মতো মোট আট বিধায়কের হাতে এই অনুষ্ঠানে নতুন বাড়ির চাবি তুলে দেওয়া হয়৷ পাঁচ পুত্র ও এক কন্যার বাবা ৪৭ বছর বয়সি এই বিধায়ক জানিয়েছেন তিনি ১৯৯৫ সালে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন৷ তখন তিনি ইটভাটার শ্রমিক ছিলেন৷ এক নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত লালুপ্রসাদ যাদবের সঙ্গে তিনি দেখা করে কথা বলেন৷ আরজেডি-র টিকিটে একাধিকবার পরাজয়ের পর অবশেষে তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন ২০২০-তে
রোগীর চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে নিয়ে গেল নার্স। ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে গেল সব দিকে। মহিলা রোগীর চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছেন এক নার্স। পিছনে দেখা গেল আরও কয়েক জন নার্সকে। মহিলাকে টেনে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালের বিছানায় ঠেলে শুইয়েও দেওয়া হল। দাবি করা হচ্ছে, ভিডিয়োটি উত্তরপ্রদেশের সীতাপুর জেলা হাসপাতালের। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার অনলাইন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই রোগীর সঙ্গে কোনও অভব্য আচরণ করা হয়নি। ইঞ্জেকশন নিতে অস্বীকার করছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গেও নাকি খারাপ আচরণ করেন। সীতাপুরের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (সিএমও) চিকিৎসক আর কে সিংহ ভিডিয়োটি দেখার পর দাবি করেছেন, ঘটনাটি ১৮ অক্টোবর রাতের। মহিলাকে ভর্তি করিয়ে দিয়েই তাঁর বাড়ির লোকেরা হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান। রাত ১২টা নাগাদ হঠাৎই ওই রোগী হিংস্র হয়ে ওঠেন। শৌচালয়ের সামনে তাণ্ডব শুরু করেন। সিএমওর কথায়, “রোগিণী তাঁর চুড়ি ভাঙা শুরু করেন। পরনের শা়ড়ি ছিঁড়ে ফেলছিলেন। মহিলার এই মূর্তি দেখে ওয়ার্ডের অন্য রোগীরা ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। রোগীকে শান্ত করতে শেষমেশ নার্সরা ছুটে আসেন। পুলিশকেও খবর দেওয়া হয়।” তবে মহিলার সঙ্গে কোনও দুর্ব্যবহার করা হয়নি বলেও দাবি সিএমওর। তাঁর আরও দাবি, মহিলাকে শান্ত করার জন্য ইঞ্জেকশন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি পাল্টা নার্সদের উপরই ঝাঁপিয়ে পড়েন। যদিও পরে তাঁকে ইঞ্জেকশন দিয়ে শান্ত করানো হয়েছিল। তার পর পরিবারের লোকজনকে ডেকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়।”
জনতার কলম ত্রিপুরা বক্সনগর প্রতিনিধি :- ভারতীয় জনতা পাটির বক্সনগর মন্ডল সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যাগে শনিবার বক্সনগর ব্লকের কুলুবাড়ি সুকান্ত কমিউনিটি হলে সংখ্যালঘু উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংখ্যালঘু মোর্চার বক্সনগর মন্ডল সভাপতি নজরুল ইসলাম এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংখ্যালঘু উন্নয়ন নিগমে চেয়ারম্যান তাপস ভট্টাচার্য প্রদেশ সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি শাহআলম মজুমদার ভারতীয় জনতা পাটি সিপাহীজলা জেলা দক্ষিণ অংশের সহ সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন বক্সনগর মন্ডল সভাপতি সুভাষ চন্দ্র সাহা প্রমূখ ।সভায় সিপিএম ছেড়ে 14 জন ভোটার বিজেপি দলে যোগদান করেছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মন্ত্রী ভগবান দাসকে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ করা না হলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলো প্রদেশ যুব কংগ্রেস। মন্ত্রীপুত্রের ধর্ষণকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগকে হাতিয়ার করে যুব কংগ্রেস শনিবার শহরে এক বিক্ষোভ মিছিল করে এবং মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে গিয়ে মন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এখানে পুলিশ বাধা দিলে দু’পক্ষের মধ্যে কিছুক্ষন ধস্তা-ধস্তি হয়। যুব কংগ্রেস সভাপতি রাখু দাস সাংবাদিকদের জানান ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। মন্ত্রিসভা থেকে ভগবান দাসকে অপসারণ করা হোক অন্যথায় মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করুন।
