জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- সদ্যসমাপ্ত হওয়া আগরতলা পুরনিগম ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে বলে দাবি করা তৃণমূল কংগ্রেস কে এক প্রকার তুলোধুনো করল তথ্যসহিত রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ। সোমবার রাজ্যের মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে তথ্য তুলে ধরেন রাজ্যের শিক্ষা ও আইন মন্ত্রী রতন লাল নাথ। এদিন তিনি যে সব বহিরাগতরা ত্রিপুরায় এসে বলছেন ৩ মাসে ২০% ভোট পেয়েছেন তাদের স্মরণ করে দিতে চাই আজ থেকে ২২ বছর আগে তৃণমূল ২৬.৪% ভোট পেয়েছিলো এরপরেও ত্রিপুরায় ক্ষমতায় আসা তো দূরের কথা প্রার্থী খোঁজে পায়নি । আর এখন বলছে আসল খেলা হবে ।ত্রিপুরার মানুষ আগেও এদের প্রত্যাখ্যান করেছে আর ভবিষ্যতেও করবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।
Monthly Archives
November 2021
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- খেলাধুলার দিক দিয়ে ছেলেদের চাইতে কোন অংশে কম নন মেয়েরা তা বার বার প্রমানিত হয়েছে, তার প্রকৃত উদাহরণস্বরুপ রয়েছে দীপা কর্মকার, তানিশা দাসের মত তারকারা। রাজ্যের মেয়ে দেশের হয়ে খেলে রাজ্যের মুখ উজ্জ্বল করছেন এবং সারা দেশের মধ্যে রাজ্যকে অন্যতম স্থান দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এবার আরও একটি সুসংবাদ পেল রাজ্যবাসী রাজ্যের মেয়ে ক্রিকেটার রিজু সাহা ভারতীয় মহিলা ‘সি’ দলে সুযোগ পেলো। তারই পরিপ্রেক্ষিতে টি.সি.এ সচিব তিমির চন্দ রাজ্যের মেয়ে রিজু সাহাকে শুভেচ্ছা জানান এবং সে যেন নিজের খেলাধূলার মানকে আরও উন্নত করে আগামীদিনে নিজেকে যেন প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন তার আশা রাখেন।
বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত তেলিয়ামুড়া মহাকুমার কৃষ্ণমণি রিয়াং চৌধুরীর পাড়া নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধিঃ- আর্থিকভাবে দুর্বল তাই স্কুলপড়ুয়া ছেলে মেয়ের স্কুলের পোশাক টুকু কিনে নিতে পারেনি। ফলে স্কুল পোশাক ছাড়াই প্রতিনিয়ত স্কুলে আসা-যাওয়া করছে ছাত্রছাত্রীরা। এমন কি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত তেলিয়ামুড়া মহাকুমার মুঙ্গিয়াকামী বিদ্যালয় পরিদর্শকের অন্তর্গত কৃষ্ণমণি রিয়াং চৌধুরীর পাড়া নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়টি। এই বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা নেহাত কম নয়। কিন্তু এই বিদ্যালয়টিতে রয়েছে পানীয় জলের সমস্যা। বিদ্যালয়ে কোমলমতি ছাত্র ছাত্রীরা পঠন-পাঠন করার জন্য বিদ্যালয়মুখী হয়, কিন্তু সেখানে এসে বিশুদ্ধ পানীয় জল তাদের কপালে জোটে না। অসহায় কোমলমতি ছাত্র ছাত্রীরা ছড়া কিংবা নালা সহ পাথর চোষা অপরিশোধিত জল পান করেই নিজেদের তৃষ্ণা নিবারণ করে আসছে। তাছাড়া এই নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়টিতে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পোশাক তৈরির টাকা প্রদান না করায় ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল পোশাক ছাড়াই প্রতিনিয়ত বিদ্যালয়মুখী হতে হচ্ছে। ফলে ছাত্রছাত্রীরা বর্তমানে বিদ্যালয়। পঠন-পাঠন করতে এসে বেগ পেতে হচ্ছে। এদিকে আরো অভিযোগ স্কুলের শৌচালয় এর ব্যবস্থা না থাকায় প্রাকৃতিক কাজকর্ম করতে হচ্ছে জঙ্গলের মধ্যে।বারবার স্কুলে বিভিন্ন সমস্যার কথা মুঙ্গিয়াকামি বিদ্যালয় পরিদর্শক এর কাছে জানিয়েও কাজের কাজ কিছু না হওয়াতে সমস্যা যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। এখন দেখার বিষয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ স্কুল এর দুরবস্থা দূরীকরণে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- লোকসভা এবং রাজ্যসভায় সোমবার 2020 সালে প্রণীত তিনটি বিতর্কিত খামার আইন বাতিল করতে “খামার আইন বাতিল বিল 2021” পাস করেছে, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন খামার সংগঠনগুলি গত এক বছর ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ চালিয়ে আসছে। বিলটি, যা কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর দ্বারা পেশ করা হয়েছিল, তিনটি খামার আইন বাতিল করতে চায় – (1) কৃষকের উৎপাদন বাণিজ্য ও বাণিজ্য (উন্নতি এবং সুবিধা) আইন, 2020; (2) অপরিহার্য পণ্য (সংশোধন) আইন, 2020; এবং (3) কৃষক (ক্ষমতায়ন এবং সুরক্ষা) মূল্যের নিশ্চয়তা এবং খামার পরিষেবা আইন, 2020-এ চুক্তি৷ কণ্ঠভোটের মাধ্যমে বিলটি পাস হয়। কংগ্রেস, টিএমসি এবং ডিএমকে-র বিরোধী সাংসদরা আলোচনার দাবি জানালেও, কোনও আলোচনা ছাড়াই বিলটি পাস হয়ে যায়। খামার আইন প্রত্যাহার বিলের অবজেক্ট এবং কারণগুলির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে “যদিও শুধুমাত্র কৃষকদের একটি দল এই আইনগুলির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে, সরকার খামার আইনগুলির গুরুত্ব সম্পর্কে কৃষকদের সংবেদনশীল করার এবং বেশ কয়েকটি মাধ্যমে এর যোগ্যতা ব্যাখ্যা করার জন্য কঠোর চেষ্টা করেছে। মিটিং এবং অন্যান্য ফোরাম।” 2020 সালের সেপ্টেম্বরে সংসদ কর্তৃক প্রণীত এই আইনগুলির বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন কঠোরভাবে বিরোধিতা করেছে। দেশ জুড়ে বেশ কয়েকটি কৃষক গোষ্ঠী এই আইনগুলি বাতিলের দাবিতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ ও আন্দোলন করে আসছে। 19 নভেম্বর, জাতির উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ ভাষণে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন যে কেন্দ্র সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে তিনটি খামার আইন বাতিল করার পদক্ষেপ নেবে। “আমরা তিনটি খামার আইন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আসন্ন সংসদ অধিবেশনে আমরা আইনটি বাতিল করার সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শেষ করব”, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন। 2021 সালের জানুয়ারিতে, কেন্দ্র এবং প্রতিবাদী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে আলোচনার প্রক্রিয়াকে সহজতর করার জন্য সুপ্রিম কোর্ট পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আইনগুলির বাস্তবায়ন স্থগিত করেছিল। আলোচনার জন্য সুপ্রিম কোর্ট একটি কমিটিও গঠন করেছিল। তবে কমিটি বয়কট করেছেন কৃষক ইউনিয়নের নেতারা। কৃষকদের দ্বারা উত্থাপিত প্রধান অভিযোগ হল যে আইনগুলি রাষ্ট্র-চালিত কৃষি উৎপাদন বিপণন কমিটিগুলিকে ভেঙে ফেলবে এবং ন্যূনতম সমর্থন মূল্য ব্যবস্থাকে ব্যাহত করবে। বিক্ষোভকারী কৃষকরা আশঙ্কা করছেন যে আইনগুলি কর্পোরেট শোষণের পথ তৈরি করবে। এই খামার আইনগুলির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং এটি কার্যকর করার ক্ষেত্রে সংসদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশনের একটি ব্যাচ দাখিল করা হয়েছে।
বিনম্রতার সহিত, অহংকারহীন বীরত্বপূর্ণ কর্মদক্ষতা রাজ্যের সার্বিক বিকাশকের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে- মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- আগরতলা পুর নিগম ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছেন শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা। ৫১ টি আসনের ৫১টিতেই জয় পেয়েছেন তারা। সেই সুবাদে জয়ী প্রার্থীরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সহিত আজ উদয়পুর মা ত্রিপুরেশ্বরীর মন্দিরে যান এবং মার আশীর্বাদ নিয়ে আগামীদিনে জনসাধারণকে সুষ্ঠ পরিষেবা দেওয়ার সংকল্প নেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন দুর্নীতিমুক্ত নগর পরিষেবা ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিনম্রতার সহিত, অহংকারহীন বীরত্বপূর্ণ কর্মদক্ষতা রাজ্যের সার্বিক বিকাশকের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে। আজ পুর ও নগর নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি মনোনীত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগন ত্রিপুরাসুন্দরী মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে জনকল্যাণের সংকল্পে পথ চলার সূচনা করলেন। তাছাড়া নাগরিক সমস্যা নিরসনে ও কেন্দ্র রাজ্য গুচ্ছ প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন-সহ উন্নত নগর পরিষেবার মাধ্যমে নাগরিক প্রত্যাশা পূরণে নগর সংস্থাগুলি ইতিবাচক নজির স্থাপন করবে বলে আশা ব্যাক্ত করেন। এদিন অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডঃ মানিক সাহা ও বিধায়ক রামপদ জমাতিয়াসহ রাজ্য মন্ত্রীসভার নেতৃত্বরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- ৭ রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের দেবতুল্য বিধায়ক সুরজিৎ দত্তের ভাইপু অভিষেক দত্ত কাকার দেখানে পথকে পাথেয় করে জনসেবায় নিয়োজিত হয়েছিলেন এবং এলাকার জনগনের আশীর্বাদ নিয়ে আগরতলা পুর নিগম ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৭ রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ১৮ নং ওয়ার্ড থেকে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন যুদ্ধে নেমে পড়েন এবং এই যুদ্ধে তিনি জনগনের রায়ে ব্যাপক সংখ্যক ভোট নিয়ে উনার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছ থেকে ৬৫৪ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। উনার জয়ে খুশীর জোয়ার আসে রামনগর এলাকাজুড়ে। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এদিন তিনি এই জয় গনতন্ত্রের জয় এবং উনার এই সফলতার পেছনে উনার কাকা বিধায়ক সুরজিৎ দত্তের অবদান রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- আগরতলা পুর নিগম ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হবার পর প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। এদিন তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জি-এর নেতৃত্বের প্রতি অগাধ আস্থা দেখানোর জন্য রাজ্যের সমস্ত জনগণের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা, তাঁর নির্দেশনায় আমরা রাজ্যের 37 লক্ষ মানুষের উন্নতির জন্য ক্রমাগত কাজ করছি।
আগরতলা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন নির্বাচনে বিজেপি4 ত্রিপুরার জন্য এটি একটি অসাধারণ জয়, বিজেপি 4 ত্রিপুরা 51টি আসনের মধ্যে 51টি জিতেছে। আগরতলার মানুষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির নেতৃত্বাধীন ডাবল ইঞ্জিন সরকারের প্রতি প্রচুর আস্থা দেখিয়েছে। ত্রিপুরার সকল জনগণকে এবং বিজেপি4 ত্রিপুরার দেব তুল্য কর্মকর্তাদের প্রতি তাদের স্নেহ ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তাছাড়া তিনি বিজেপি4 ত্রিপুরার কাছে এই ভোটকে আশীর্বাদ হিসাবে বিবেচনা করেন এবং এই আশীর্বাদগুলি রাজ্যের 37 লক্ষ মানুষের উন্নয়নের জন্য আরও কঠোর পরিশ্রম করতে অনুপ্রাণিত করে বলে জানান এবং আজ ঘোষিত ত্রিপুরার নগর স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনের গণভোট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জির উন্নয়নমূলক নীতিতে ত্রিপুরার জনগণের বিশ্বাসকে দেখায় ও এটি তার সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাসের নীতিতে তাদের বিশ্বাসও দেখায় বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি : তেলিয়ামুড়া পৌর পরিষদের অন্তর্গত 15 টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই বিজেপির জয় হয়, জয়ের উল্লাসে উৎসবের মেজাজে মাতোয়ারা তেলিয়ামুড়া বাসি। যে জায়গায় রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল সিপিআইএম এর ভোটের অঙ্ক একপ্রকার নিশ্চিহ্নের পথে, অন্যদিকে রাজ্যে নতুন গজিয়ে উঠা তৃণমূল কংগ্রেস ভোটের ময়দানে বিজেপির সঙ্গে লড়াইয়ে কিছুটা এগিয়ে । তেলিয়ামুড়াতে শাসক বিজেপির জয়ের তালিকা নিম্নরুপ- ১/২/৩/৪/৫/৬/৭/৮/৯/১০/১১/১২/১৩/১৪/১৫ নং আসনে বিজেপি জয়ী ।
১ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ১০৬৬ টি । বিজেপি পেয়েছে ৫৯৪ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১৬৪ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৩০৮ টি ।।
২ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ৯০৩ টি । বিজেপি পেয়েছে ৫০৯ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১০৬ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ২৭৯ টি ।।
৩ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ৭৬৫ টি । বিজেপি পেয়েছে ৩৫৯ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১১৫ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ২৮২ টি ।।
৪ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ৯৪৪ টি । বিজেপি পেয়েছে ৫৪৯ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১৫৩ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ২৩৩ টি ।।
৫ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ১১৮১ টি । বিজেপি পেয়েছে ৬৭৩ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১৬৯ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৩২১ টি ।।
৬ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ১০১৮ টি । বিজেপি পেয়েছে ৫৩৯ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১৯৬ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ২৫৭ টি ।।
৭ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ৬৪৪ টি । বিজেপি পেয়েছে ৩৬৩ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১১৮ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ১৪৪ টি ।।
৮ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ১১৫০ টি । বিজেপি পেয়েছে ৬৭৯ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ৩১৬ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ১৪০ টি ।।
৯ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ১১৫৪ টি । বিজেপি পেয়েছে ৬২০ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ৩৩৬ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ১৬২ টি ।।
১০ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ৫৬২ টি । বিজেপি পেয়েছে ২৬০ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ৪৬ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ২৫২ টি ।।
১১ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ৬৯৬ টি । বিজেপি পেয়েছে ৪৬০ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১০৫ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ১০৭ টি ।।
১২ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে টি । বিজেপি পেয়েছে ৪০৫ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১৪০ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৩২৫ টি ।।
১৩ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ৭৪৭ টি । বিজেপি পেয়েছে ৩৯৩ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১১০ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৩৩৪ টি ।।
১৪ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ৭৩৮ টি । বিজেপি পেয়েছে ৩২৭ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১৩৪ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ২৮৭ টি ।।
১৫ নং আসন :- মোট ভোট পড়েছে ১৫৫৯ টি । বিজেপি পেয়েছে ৫৮০ টি । সিপিআইএম পেয়েছে ১৭২ টি । তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৩৬৪ টি, আমরা বাঙ্গালি ৪৩।
এই জয়ের পর তেলিয়ামুড়া পৌর পরিষদের অন্তর্গত 15 টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই শাসক দলের জয়ের খুশিতে তেলিয়ামুড়া বিজেপির সুবিশাল বিজয় মিছিল বের করা হয়। এই বিজয় মিছিলে দলীয় কার্যকর্তাদের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বহু প্রতীক্ষিত আগরতলা পুর নিগম ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হল রবিবার। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয়েছে শাসক দল বিজেপি তা বলাই চলে। মোট ৫১ টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
আগরতলা পুর নিগম নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দেখা যায় মোট ৫১ টি আসনের মধ্যে সবগুলি আসনে জয়ী হয়েছেন ভারতের জনতা পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা। ভারতীয় জনতা পার্টির ভোটের হার ৫৭.৬৭ শতাংশ, তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটের হার ২০.২২ শতাংশ, বামফ্রন্টের ভোটের হার ১৮.১৪ শতাংশ এবং কংগ্রেসের ভোটের হার ১.৭৬ শতাংশ। লড়াই ময়দানের বিরোধীরা অস্তিত্বহীন। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান এই জয় জনগনের জয়, বিরোধীদের মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সত্যের জয়। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের অস্তিত্ব প্রায় শূন্য, এদিকে নতুন মাঠে নামা জোড়াফুল উঠে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে।
শহীদ অফিসার সত্যজিৎ মল্লিকের মরদেহে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- শহীদ খোয়াই থানার সেকেন্ড অফিসার সত্যজিৎ মল্লিকের ইন্দ্রনগরের বাড়িতে গিয়ে তার মরদেহে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শেষ শ্রদ্ধা জানান শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। তিনি তার শোকাহত পরিবার পরিজনদের প্রতিও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন, পরবর্তী সময়ে আরও সাহায্যের কথা সরকারের বিবেচনাধীন বলে তিনি জানান জানান। পাশাপাশি নিহত সমস্ত পরিবারের জন্য এক লক্ষ টাকা করে আপৎকালীন সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সত্যজিতের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার কথাও বলেন তিনি এবং তার শিশুসন্তানের পড়ালেখার ব্যয়ভার বহনের কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তিনি আরও বলেন আমি অত্যন্ত মর্মাহত এবং নিন্দা জানানোর ভাষা নেই বলে।
