জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- করোণা মহামারীর প্রধান মূল অস্ত্র হল অক্সিজেন। আর এই অক্সিজেনের অভাব যেন রাজ্যে না হয় তার জন্য রাজ্য সরকার এবং স্বাস্থ্য দপ্তর একজোট হয়ে কাজ করে চলছে। তাছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন জেলা এবং জেলা হাসপাতাল গুলোতে যেন অক্সিজেনের অভাব না হয় তার ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে ও রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতাল জি বি তে অক্সিজেন উৎপাদন কেন্দ্র দু-তিন মাসের মধ্যে চালু হয়ে যাবে এবং টিএমসি তে যে অক্সিজেন উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে তা দু-তিন দিনের মধ্যে চালু হয়ে যাবে শনিবার বোধজং নগর অক্সিজেন উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। তাছাড়া তিনি এদিন আরো বলেন এই মুহূর্তে ত্রিপুরায় যা সংক্রমণের হার সেই অনুপাতে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের যোগান রয়েছে। সাড়ে চার হাজার অক্সিজেন সিলিন্ডার, সাড়ে সাতশ অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ও সাড়ে সাতশ এ টাইপ সিলিন্ডার আমাদের হাতে রয়েছে। আরও অক্সিজেন প্লান্ট বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জেলা ও মহকুমা হাসপাতালেও অক্সিজেন পরিকাঠামো সুদৃঢ় করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ত্রিপুরায় সুস্থ হয়ে ওঠার হার ৯২ শতাংশ বলে জানানোর পাশাপাশি করোনা টিকাকরণে আরও গতি সঞ্চারিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং কম সময়ে বেশি টিকাকরণই উদ্দেশ্য বলে মন্তব্য করেন ও জনস্বার্থে কাজ করার বিষয়ে সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতার আহবান রাখেন।
Monthly Archives
May 2021
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ-বর্তমানে রাজ্যে করোনা সংক্রমনের হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, পাশাপাশি লাফ দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। এরূপ পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণকে এই মহামারী থেকে রক্ষার্থে এগিয়ে আসছেন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সংগঠন। বিতরণ করা হচ্ছে সুরক্ষা সামগ্রীও, এখন তাদের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছেন বিধায়ক সুরজিৎ দত্ত ও। বিগত দিনে মহামারী পরিস্থিতিতে রাজ্যের যেকোনো প্রান্ত থেকে সাহায্যের আবেদন শুনামাত্রই ছুটে গিয়েছেন বিধায়ক। নিজ কেন্দ্রের মানুষের পাশাপাশি রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের অসুবিধা সময় পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন বাজারগুলিতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিধায়ক সুরজিৎ দত্ত। তারই অঙ্গ হিসেবে আজ আখাউড়া রোডস্থিত আগরতলা বর্ডার গোলচক্কর বাজার এলাকায় জনগণের মধ্যে জন সচেতনামূলক কর্মসূচি হাতে নেয়, এর মধ্যে মাস্ক এবং সেনিটাইজার বিতরণ করে কোভিদ পরিস্থিতিতে কিভাবে জনগণকে মোকাবেলা করতে হবে এই বিষয়ে আলোচনা করেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- শুক্রবার সকালে রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কালিকাপুর, লঙ্কামুড়া রোডের বেইলি ব্রীজের উদ্ভোধন করেন এলাকার বিধায়ক সূরজিৎ দত্ত, উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য আধিকারিকরাও এলাকার জনগণ। বিগত 25 বছর ধরে এই ব্রিজ দিয়ে এলাকার জনগণ অনেক কষ্ট সহ্য করে চলাফেরা করছিলেন। এলাকার জনসাধারণ ব্রিজের কারণে যোগাযোগের মাধ্যম পর্যন্ত হারিয়ে ফেলেছিলেন তাই ব্রিজ নতুন করে নির্মাণ করার জন্য সেই সময়ে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারংবার গিয়েছিলেন, কিন্তু হবে হচ্ছে বলে কাটিয়ে দিলেন 25 বছর কিন্তু এলাকার জনসাধারণ ব্রিজ পেলেন না। বর্ডার গোল চক্কর এলাকার মধ্য দিয়ে এই ব্রীজের যোগাযোগ ছিল লঙ্কামুরা, কালিকাপুর, সানৃুমুড়া, উষা বাজার, জয়পুর, এসব এলাকার জনগণ এই ব্রিজের মধ্য দিয়ে যোগাযোগ করতে পারতেন কিন্তু ব্রিজ না থাকাতে তাদের অনেক সমস্যা সম্মুখীন হতে হয়েছে। রাজ্যে নতুন সরকার আসার পর এলাকার জনসাধারণ সবাই মিলে এলাকার বিধায়ক এর কাছে ব্রিজের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ জানান তখন বিধায়ক এই ব্রিজ করে দেবেন বলে এলাকার জনসাধারণকে আশ্বাস দিয়েছিলেন। শুক্রবার সকালে জনগণের সেই আশ্বাস পূরণ করলেন এলাকার বিধায়ক সুরজিৎ দত্ত তিনি সহ অন্যান্য আধিকারিকরা মিলে ফিতা কেটে ব্রিজের উদ্বোধন করেন। ব্রিজ উদ্বোধন হবার পর এলাকার জনগণের মধ্যে খুশির আভাস দেখা দেয় তারা সংবাদমাধ্যমের সামনে বলতে গিয়ে জানান বিগত অনেক বছরের সমস্যা পূরণ করল এলাকার বিধায়ক তাই ওনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান। আগে এই জায়গাতে কাঠের ব্রিজ ছিল সেখানে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত কিন্তু বর্তমানে এই ব্রিজ অন্য জায়গা থেকে এখানে এনে বসিয়েছেন জনগণের কোনো সমস্যা হবে না বলে জানান ব্রিজের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক। বর্ডার গোল চক্কর সহ জয়পুর,সানমুড়া, সহ উষা বাজার এলাকার সাথে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এলাকার বিধায়ক।
রাজ্যের প্রতিটি জেলা হাসপাতালগুলিতে করোনা চিকিৎসার সুবন্দোবস্ত করা হয়েছে- মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- করোনা মহামারীর দরুন চারদিকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আর এই পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে রাজ্য সরকার এবং প্রশাসন প্রাণপণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজ্যে করোনা সংক্রমনের হার ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়ে চলছে আর এই রোগের চিকিৎসা ক্ষেত্রে যেন কোন প্রকার খামতি না থাকে তারজন্যে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে রাজধানীর হাপানিয়াস্থিত হাসপাতালে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট কোভিড কেয়ার সেন্টারের আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এই 300 শয্যা বিশিষ্ট কোভিড কেয়ার সেন্টার পরিদর্শনে যান এবং সমস্ত রকমের ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখেন। এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন পশ্চিম জেলার করোণা সংক্রমিত রোগের জন্য এই কোভিদ কেয়ার সেন্টারের ব্যবস্থাপনা, তাছাড়া রয়েছে অক্সিজেন সহ অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রীর পর্যাপ্ত পরিমাণ এর ব্যবস্থাও। পাশাপাশি তিনি এদিন আরো বলেন রাজ্যের প্রতিটি জেলার জেলা হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসা সামগ্রী পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা রয়েছে বিগতদিনের ন্যায় কারোর কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবেনা বলে এবং যেহেতু প্রতিটি জেলায় চিকিৎসার সুবন্দোবস্ত করা হয়েছে তাই এই জেলার রোগীদের অন্য জেলায় যেতে হবেনা বলেও জানান তিনি। তাছাড়া যারা অন্যান্য চিকিৎসার জন্য করোনার কারনে জিবি হাসপাতালে যেতে ভয় পাচ্ছেন তাদেরকে নির্ভয়ে যাওয়ার জন্য বললেন মুখ্যমন্ত্রী।
নির্বাচন কমিশনকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের,সংবাদমাধ্যমকে দোষারোপ করা বন্ধ করুন
by prasenjit
written by prasenjit
জনতার কলম ,নিজস্ব প্রতিনিধি নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। কিছুদিন আগে মাদ্রাজ হাই কোর্ট করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য কমিশনকে দায়ী করেছিল। তার বিরোধিতা করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কমিশন। কিন্তু সেখানেও ধাক্কা খেল তারা। এই মন্তব্য যাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম না দেখানো হয়, নির্বাচন কমিশনের সেই আবেদনও খারিজ করে দিল আদালত। কমিশনের দাবি নস্যাৎ করে দিয়ে শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল সংবাদমাধ্যমকে খবর প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখা যাবে না।
সুপ্রিম কোর্টের তরফে এদিন বলা হয়, আর্টিকেল ১৯-এ শুধু জনগণের বাকস্বাধীনতা ও মত প্রকাশের অধিকার দেওয়া হয়নি। গণমাধ্যমকেও কাছে এই অধিকার দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমেক কণ্টরোধ করা সুপ্রিম কোর্টের পক্ষে পশ্চাদপসরণ হবে। সংবাদমাধ্যমকে আদালতের কার্যক্রমের রিপোর্ট করা থেকে বিরত রাখতে কমিশন যে দাবি তুলেছে তার এদিন এভাবেই জবাব দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। এর পাশাপাশি দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের বিভিন্ন হাই কোর্টগুলি যেভাবে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, তারও এদিন ভূয়সী প্রশংসা করে বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ।
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে তুলোধনা করে মাদ্রাজ হাই কোর্ট। আদালত বলে, “করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বৃদ্ধির জন্য দায়ী একমাত্র নির্বাচন কমিশনই। কমিশনের অফিসারদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু হওয়া উচিত”। মাদ্রাজ হাইকোর্ট ভোটার প্রচার প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও উষ্মা প্রকাশ করে বলে, “ভোট প্রচার যখন চলছিল, তখন আপনারা কি অন্য গ্রহে ছিলেন! আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও কোভিড প্রোটোকল নিশ্চিত করতে পারেনি কমিশন।” আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, তাদের গাফিলতির জন্যই দেশে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। নির্বাচন কমিশনকে এই বলে তীব্র ভর্ৎসনা করেন মাদ্রাজ হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়।
মাদ্রাজ হাই কোর্টের এই বক্তব্যের পর মাদ্রাজ হাই কোর্টের কাছেই কমিশনের তরফে আবেদন করে জানানো হয় , সংবাদমাধ্যম যেন আদালতের শুনানির সময় বিচারপতির মৌখিক পর্যবেক্ষণ দেখে মন্তব্য না করে। লিখিত রিপোর্টের রেকর্ডের উপর ভিত্তি করেই খবর করা উচিত। এই প্রসঙ্গে কমিশনের বক্তব্য, “স্বাধীন সাংবিধানিক এজেন্সি হিসেবে দেশে নির্বাচন করানোর গুরু দায়িত্ব থাকে কমিশেনর উপর রয়েছে । মিডিয়ার খবর সেই কমিশনের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।” নিজেদের কাঁধ থেকে কার্যত দায় ঝেড়ে ফেলতে তাদের কমিশনের আরও দাবি, রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা নিজেদের কর্তব্য পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। কিন্তু মাদ্রাজ হাই কোর্ট কমিশনের কমিশনের বক্তব্যকে প্রাধান্য দেয়নি। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু আজ সেখানেও ধাক্কা খায় তারা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি-তেলিয়ামুড়ার কর্মরত সাংবাদিক রাহুল দাসের উপর একটি রাজনৈতিক দল আশ্রিত দুঃস্কৃতিদের দ্বারা বর্বরচিত হামলা ও অপর একটি রাজনৈতিক দলের সিম্বল তার পিঠে আঘাতের চিহ্ন স্বরূপ একে দেওয়ার মত বর্বরোচিত ও নজিরবিহীন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আজ আগরতলা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন সংগঠিত করে ফোরাম ফর ডেভেলপমেন্ট এন্ড প্রটেকশন অব মিডিয়া কমিউনিটি (FDPMC) ।
গত ৩ রা মে তারিখে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সাংবাদিক রাহুল দাসের উপর হত্যার উদ্দেশে নৃশংস হামলা চালায় রাজনৈতিক দল আশ্রিত কতিপয় দুঃস্কৃতি। ধারালো অস্র দিয়ে তার মাথায় ও পিঠে আঘাত করে দুঃস্কৃতিরা। সাথে সাথেই তেলিয়ামুড়ার কর্মরত সাংবাদিকরা রাহুল দাসের চিকিৎসার উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে থানার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারণে ৫ ই মে দুপুর পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেপ্তার না হাওয়ায় রাজ্য কেন্দ্র থেকে প্রতিবাদী সাংবাদিকদের এক প্রতিনিধি দল বরাবরের মতই তেলিয়ামুড়ায় ছুটে যান এবং আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে থানার সামনে গণঅবস্থানে বসেন। চাপে পড়ে তেলিয়ামুড়ার থানার পুলিশ ঐদিন সন্ধ্যার আগেই ছয়জন আসামীকে গ্রেপ্তার করে।
গুরুতর আহত রাহুল দাসের উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তেলিয়ামুড়ার সাংবাদিকরা আগরতলায় নিয়ে আসলে জি বি হাসপাতাল যাবার পথে রাহুল দাসকে সাথে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে মিলিত হন FDPMC নেতৃবৃন্দ।
আহত সাংবাদিক রাহুল দাস সাংবাদিকদের সামনে বলেন আক্রমণকারী দুর্বৃত্তরা কংগ্রেস দল আশ্রিত এবং আক্রমণ চালিয়ে তার পিঠে কাস্তে হাতুড়ি তাঁরা সিম্বল ক্ষতচিহ্ন হিসেবে বসিয়ে দিয়ে তাকে রক্তাক্ত করেছে এবং তার মাথায় ধাঁরালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছে দুর্বৃত্তরা।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে FDPMC এর পক্ষ থেকে দুটি দাবী উত্থাপন করা হয়েছে। (এক), যেহেতু গণতন্ত্রের কথিত চতুর্থস্তম্ভের একজন কর্মরত সাংবাদিকের উপর নজীরবিহীন আক্রমণ সংগঠিত হয়েছে, তাই এফ.আই.আর ভুক্ত আসামীদের কাস্ট্রোডিয়াল ট্রায়ালের মাধ্যমে বিচার করে রাজ্যের মধ্যে নজির সৃষ্টি করতে হবে, অন্যথা দুর্বৃত্তরা হুমকি দিয়ে মামলা দুর্বল করার অপকৌশল নিতে পারে, যা বর্তমানেও করে চলছে। (দুই), যেহেতু গণতন্ত্রের চতুর্থস্তম্ভের এক সৈনিকের উপর নজিরবিহীন ও বর্বরোচিত হামলা সংগঠিত হয়েছে যা রাজ্য ও দেশের পক্ষে বিপদজনক, সেই কারণে ‘নাসা’ প্রয়োগের দাবী জানাচ্ছে ফোরাম।
এছাড়াও সাংবাদিকদের উপর দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা আক্রমণ প্রতিহত করতে অর্থাৎ গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার জন্য প্রতিটি মহকুমায় চিন্তাশীল ব্যক্তিত্ব , শিল্পী বুদ্ধিজীবী, তরুণ প্রজন্ম সহ সকল অংশের মানুষের কাছে ব্যপক জনমত গড়ে তুলতে আহ্বান জানিয়েছে FDPMC -এর নেতৃবৃন্দ।
আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন FDPMC -এর সভাপতি জয়ন্ত ভট্টাচাৰ্য, আগরতলা প্রেস ক্লাবের সম্পাদক প্রণব সরকার, FDPMC -এর সাধারণ সম্পাদক সেবক ভট্টাচাৰ্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক রমাকান্ত দে ।
এ পরিস্থিতিতে লড়াই না করে জনস্বার্থে একত্রে থাকা দরকার – লক্ষী নাগ
by prasenjit
written by prasenjit
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের আবহাওয়া কায়েম রয়েছে। একদিকে পশ্চিমবাংলায় তৃণমূল পুনরায় সরকারে প্রতিষ্ঠিত হবার পর বিরোধী দলগুলির উপর হামলা হুজ্জুতি চালাচ্ছে। আর অন্যদিকে আমাদের রাজ্য ত্রিপুরায় শাসক দল বিজেপির হিংসা আছড়ে পড়ছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম এবং কংগ্রেসের উপর। জানা যায় তেলিয়ামুড়ায় যুব কংগ্রেস কর্মী এক যুবকের উপর প্রাণঘাতী আক্রমণ চালায় শাসক দলের দুস্কৃতিকারীরা , তারই প্রতিবাদে রাজধানীতে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে মিলিত হন প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। এদিনের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস নেত্রী লক্ষী নাগ বলেন বর্তমানে মহামারীর পরিস্থিতিতে দল মত নির্বিশেষে সকলকে একত্রে রাজ্যের জনসাধারণের পাশে দাঁড়ানো উচিত তা না করে েকে ওপরের উপর হামলা চালিয়ে সন্ত্রাস কায়েম করার চেষ্টা চলছে বলে , তাছাড়া এদিনের ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি প্রদান এবং এধরণের ঘটনা যেন বন্ধ করা হয় তার আহবান রাখেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পশ্চিমবাংলা বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর সারা রাজ্যব্যাপী তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা ব্যাপক সন্ত্রাস চালাচ্ছে। এই সন্ত্রাস আছড়ে পড়ছে বিরোধী দলগুলির উপর , যার মধ্যে ব্যাপক সন্ত্রাস সংগঠিত হচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যকর্তাদের উপর। এর মধ্যে অনেকেই বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং বাড়ি ঘরের বৃদ্ধ মা বাবা এবং নারীদের উপর ও নির্যাতন সংগঠিত হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কর্মীদের দ্বারা এরূপ সন্ত্রাসের তীব্র প্রীতিবাদ জানিয়ে রাজ্যে বিজেপি দলের পক্ষ নানান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। তারই অঙ্গ হিসাবে রাজধানীর বোধজং চৌমুহনী এলাকায় এক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের উপস্থিতিতে। এদিনের কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন পশ্চিমবঙ্গের এ পরিস্থিতির ফলে সেখানে মানব সমাজের একটি নিন্দনীয় সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে বলে এবং তিনি এই পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে এই সমাজ ব্যাবস্থাকে দ্রুত সমাপ্ত করার দাবি রাখেন। এদিনের কর্মসূচিতে অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিআরটিসি চেয়ারম্যান দীপক মজুমদারসহ দলীয় অন্যান্য কার্যকর্তারা।
Older Posts
