জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি- রাজ্যে গণবণ্টন অবস্থায় খাদ্য মজুদ আছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোগের সময়ে সরকার একটি টিম গঠন করে তার মধ্য দিয়ে খাদ্য সামগ্রী সঠিকভাবে বন্টন করা হচ্ছে কিনা সেই বিষয়গুলো দেখাশোনা করেছিলেন। রাজ্যে চাল, গম, চিনি, লবণ মজুদ আছে, চিনি দুদিনের জন্য মজুদ করা আছে কোন চিন্তার বিষয় নয়, রাস্তায় চিনির গাড়ি আছে বলে জানান রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব। মঙ্গলবার আগরতলার মহাকরণে নিজ কক্ষে সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান রাজ্যে বর্তমানে কোভিড পরিস্থিতিতে খাদ্য সামগ্রী গণবণ্টন অবস্থায় মজুদ করা আছে আর তার জন্য খাদ্য দপ্তর ও লিগেল মেট্রলজিও, সদর মহকুমা শাসকের একটি টিম গঠন করা হয়েছে তারা এই বিষয়গুলো বিশেষভাবে দেখবেন বলে জানান। তিনি আরো বলেন ভোজ্যতেলের দাম অতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পেয়েছে তার জন্য রাজ্যের বাজারগুলোতে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রি করছেন। কিন্তু খাদ্যমন্ত্রী খবর নিয়ে দেখেছেন রাজস্থানে ভোজ্যতেলের উৎপাদন করা হয় সেখানে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে রাজ্যে তেলের দাম বৃদ্ধি হয়েছে। তাই রাজ্যের বিভিন্ন বাজারগুলোতে প্রতিনিয়ত অভিযান চলছে যে সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ীরা ভোজ্য তেল বেশি দামে বিক্রি করবে তাদেরকে সরকার ব্যবস্থা নিবে। এমনকি গত এক দিন আগে 2টি দোকানে ভোজ্য তেল বেশি দামে বিক্রি করাতে দোকান সিল করে দেওয়া হয়েছে। আগরতলা সহ রাজ্যের বিভিন্ন বাজার গুলোতে এই ধরনের অভিযান প্রতিনিয়ত জারি থাকবে। করোনা পরিস্থিতিতে জনগণকে ঠকিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে বেশি দামে কোন কিছু বিক্রি করতে না পারে তার জন্য যে টিম গঠন করা হয়েছে সেটি প্রতিনিয়ত রাজ্যের কোথাও-না-কোথাও প্রত্যেকটি বাজারে অভিযান চালিয়ে রাখবে বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব।
Monthly Archives
May 2021
পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসা সামগ্রী মজুদ রয়েছে – রতন চক্রবর্তী
by prasenjit
written by prasenjit
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- সারা বিশ্বে বর্তমানে মহামারীর দ্বিতীয় পর্যায়ের পরিস্থিতিতে দেশের অবস্থা খুবই সংকটজনক। বিভিন্ন রাজ্যে খুবই করুন পরিস্থিতি। আমাদের এখানে আগাম প্রস্তুতি হিসাবে রাজ্যের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র কিংবা হাসপাতালের চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রকার চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে সাজানো হচ্ছে যেকোন পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য। মঙ্গলবার রাজ্যের অটল বিহারি বাজপেয়ী রিজিওনাল ক্যান্সার হাপাতালে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট কোভিড কেয়ার সেন্টারে পরিদর্শনে গিয়ে কথাগুলি বললেন বিধায়ক রতন চক্রবর্তী। তাছাড়া তিনি আরো বলেন রাজ্যে সুষ্ঠ চিকিৎসা ব্যবস্থা দরকার কেননা করোনা মহামারীর প্রথম পর্যায়ে কোন প্রস্তুতি না থাকায় ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে , এধরনে সমস্যার সম্মুখীন যেন বর্তমানে না হতে হয় তার জন্যে এই পরিস্থিতিতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি তিনি এদিন কোভিদ সেন্টারে পর্যাপ্ত পরিমাণে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের দাবি জানান। এদিনের পরিদর্শনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালে এম এস সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- আজ থেকে আগরতলার ৫,১২,২১,৪৫,৪৬ নম্বর ওয়ার্ড গুলিতে মিনিউসিপাল কর্পোরেশন এরিয়ায় আবার নতুন করে এন্টিজেন টেস্ট শুরু হয়েছে। কয়েকটি ওয়ার্ডে এই এন্টিজেন টেস্ট চালু করা হয়। কোভিড ১৯ পজেটিভিটি হার কতটা রয়েছে তা খতিয়ে দেখার জন্যই এই এন্টিজেন টেস্ট চালু করা হয়েছে। রাজ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হার ক্রমাগত দ্বিতীয় ঢেউ যেভাবে রাজ্যে আছড়ে পড়েছে তাই আগরতলা পৌর নিগমের পক্ষ থেকে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে করুণা টেস্ট করানো হবে এর মধ্য দিয়ে পজিটিভ এর সংখ্যা কত তা স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছে পাঠানো হবে। বর্তমানে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোগ থেকে রাজ্যের প্রত্যেকটি জনগণকে করোনা টেস্ট করানোর জন্য রাজ্য সরকার ও পৌর নিগমের পক্ষ থেকে মাইকিং করে জানানো হয়েছে তাতে করে কোন কোন ওয়ার্ডে কত সংখ্যক করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা আছে সেগুলো কে চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে ভালো করে তুলবেন এবং তার সাথে সাথে সংক্রমণ রোগ যাতে আর বাঁচতে না পারে তার জন্য এই করোনা টেস্ট এর ব্যবস্থা করেছেন বলে জানান সদর মহকুমা সহ শাসক বিনয় ভূষণ দাস্ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোগ প্রতিরোধ করতে গেলে এই ধরনের ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে করা যাবে বলে মনে করছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর ও সরকার।
কোন রোগী যেন অক্সিজেনের অভাবে না মারা যায় তার জন্য অক্সিজেন প্লান্টের ব্যবস্থাপনা – দীলিপ দাস
by prasenjit
written by prasenjit
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- মঙ্গলবার বিধায়ক দিলীপ কুমার দাস আগরতলার আই জি এম হাসপাতালে নির্মীয়মান অক্সিজেন প্লেনট পরিদর্শন করেন। তিনি জানান যে কাজ করতে কিছু অসুবিধা হচ্ছে বৃষ্টির জন্য আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে। আরো অক্সিজেন প্লেনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। আইজিএম হাসপাতালে অক্সিজেন প্লেন বসানোর মূল লক্ষ্য হলো যাতে করে রোগীরা অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু না হয় এবং হাসপাতালের সবসময় অক্সিজেনের যোগান থাকে তার কারণে আগরতলার আইজিএম হাসপাতালসহ রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালগুলোতেও এ ধরনের ব্যবস্থা করছেন রাজ্যের সরকার। করোনা পরিস্থিতিতে রোগীরা যেভাবে অক্সিজেনের জন্য কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে এবং অক্সিজেনের কারণে অনেক লোক মারা গিয়েছেন তাই ওই দিক দিয়ে যাতে জনগণ অসুবিধার সম্মুখিন হতে না হতে হয় তার কারণে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। বর্তমানে আগরতলার আইজিএম হাসপাতালে অক্সিজেন প্লানেট বসানো আছে তা দুই সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে এবং জনগণের সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রেই এই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর বলে জানান আইজিএম হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক দিলীপ দাস বাইট ্ আইজিএম যেই অক্সিজেন প্লানেট বসানো হচ্ছে তা খুবই ক্ষমতা সম্পন্ন এবং রোগীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্লেনেট অতি প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক ডক্টর দিলীপ দাস।
চেসবক্সিং খেলার জন্মদাতা ‘ইপে রুবিং’ এর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা
by prasenjit
written by prasenjit
জনতার কলম, ত্রিপুরা, উদয়পুর প্রতিনিধি :- 8 ই মে রোজ শনিবার কোভিড 19 মহামারির কথা মাথায় রেখে, স্বাস্থ্য বিধি মেনে ত্রিপুরা চেস বক্সিং এসোসিয়েশন এর তত্ত্বাবধানে, উদয়পুর কেবিআই মাঠে, চেসবক্সিং খেলার জন্মদাতা ‘ইপে রুবিং’ এর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণ সভার আয়োজন করাহয়। স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন উদয়পুর পৌর পরিষদের প্রাক্তন পৌর পিতা শীতল চন্দ্র মজুমদার, বিশিষ্ট সমাজসেবী প্রবীর দাস সহ এসোসিয়েশনের সম্পাদক অমিত পোদ্দার ও রাজ্যের কিছুসংখ্যক খেলোয়াররা। ‘ইপি রুবিং এর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান,পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও এক মিনিট নিরবতা পালনের মধ্যদিয়ে এদিন ওনার প্রতি শ্রদ্ধঞ্জলি জানানো হয়। এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রাক্তন পৌর পিতা শীতল চন্দ্র মজুমদারের মুখে ফুটে উঠে এ খেলায় রাজ্যের তথা উদয়পুরের গৌরবউজ্জ্বল খেলোয়াড় দের কৃতিত্বের কথা। উনি আরও বলেন ভবিষ্যতেও এই খেলায় রাজ্যের খেলোয়াড়রা ইতিহাস গড়বে, কারন এখনো পর্যন্ত তিনবারের বিশ্ব চেসবক্সিং প্রতিযোগিতায় স্বর্ন পদক জয়ী খেলোয়াড় সিমন্তিনী এরাজ্যের -ই মেয়ে। রয়েছে আরো অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগরতলার গোবিন্দ বল্লভ পন্থ হাসপাতালের,কোভিড রোগীদের রাখার জন্য যে ব্যবস্থা করা হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে আটো সাটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে যাতে কোনো অভিযোগই ডেডিকেটেড কোভিদ কেয়ার সেন্টার থেকে বের হতে না পারে। শনিবার পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার মানিক দাসও জেলাশাসক সহ এনসিসি এসডিপিও পরিদর্শনে যান। হাসপাতালে কোভিড কেয়ার সেন্টার এ সব সময় পুলিশ ও টি এস আর এর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে দিয়ে থাকবে তাতে কোনো ডেডিকেটেড হাসপাতাল থেকে কবিড এর রোগী রা জাতে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যেতে না পারে তার জন্য এই জোরদার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পশ্চিম জেলার এসপি মানিক দাস জানান কোভিড কেয়ার হাসপাতলে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে এবং বর্তমানে যেভাবে নির্মাণ করা আছে সব ব্যবস্থা আছে বলে জানান।
সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ভোজ্য তেলের মূল্য, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মূল্য কমবে কিনা প্রশ্ন জনসাধারণের
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দৈনন্দিন আমাদের রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয় ভোজ্য তেল। আর এই তেল বাজারে মিলতে এখন নুন আন্তে পান্তা ফুরোয় অবস্থায় পরিণত হয়েছে। কেননা রান্নার তেলের দাম দিন পর দিন বৃদ্ধি পেয়েই চলছে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে ভোজ্য তেলের মূল্য। বিগত দিনগুলিতে রান্নার তেলের দাম স্বাভাবিক থাকলেও বর্তমানে করোনা মহামারীর পরিস্থিতিতে ভোজ্য তেলের মূল্য বর্তমানে আকাশছোয়া। তেলের দাম স্বাভাবিক মূল্যের থেকে বেড়ে দ্বিগুন হয়ে যাচ্ছে। এরূপ অবস্থায় বাজারে দেখা দিয়েছে তেলের সংকট , যতটুকু পরিমান বাজারে রয়েছে তাও কিনতে হচ্ছে নির্ধারিত আকাশছোয়া মূল্য দিয়েই। সাধারণ মানুষের ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন এলাকার দোকানিরা এসে ভিড় জমাচ্ছেন মহারাজগঞ্জ বাজারের পাইকারি দোকানগুলোতে। তেলের চাহিদা নিয়ে ক্রেতাদেরকে জিজ্ঞেস করা হলে এরা জানান বাজারে তেলের সংকটের ফলে মূল্যবৃদ্ধি ঘটেই চলছে ফলে মূল্য আকাশছোয়া হলেও সাধারণ মানুষের চাহিদার যোগান দিতে এই তেল ক্রয় করছেন বলে অভিমত ব্যাক্ত করেন। এদিকে করোনা মহামারীর ফলে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউন চলার ফলে মালপত্র পর্যাপ্ত পরিমানে না আসায় সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানান বিক্রেতারা। তাছাড়া ভোজ্য তেলের মূল্য মহামারীর পরিস্থিতিতে বৃদ্ধি পেলেও আগামীদিনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তেলের মূল্য কমে আসবে কিনা তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন জনমনে এবং তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরকার কোন পদক্ষেপ নেবেন কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে গাড়ির চালকরা অসহায়, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হলেও এখনো পর্যন্ত তারা সেই আর্থিক সাহায্য পাননি এমনই অভিযোগ করলেন চন্দ্রপুর আই এস বি টি গাড়ির চালকরা। বিগত অনেকদিন ধরে গাড়ির চালকরা খুবই অসুবিধার মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন তারা যেভাবে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন তাতে করে তেলের টাকা পর্যন্ত যোগান করতে পারছেন না। একদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোগ অপরদিকে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে নৈশ কারফিউ থাকার কারণে গাড়ি চালকরা যাত্রী পাচ্ছেন না আর যাত্রী পেলেও সময়মতো যথাস্থানে পৌঁছেতে পারছেন না বলে জানান। গাড়িচালকদের একমাত্র ভরসা তাদের এই আর্থিক উপার্জনের মধ্য দিয়ে সংসার পরিচালনা করতে হয় কিন্তু বর্তমানে যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে সংসারের খরচ বহন করা অত্যন্ত কষ্টকর বলে গাড়ি চালকরা সংবাদমাধ্যমকে জানান। রাজ্যের প্রথম করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোগ ধরা পড়ার সময় সরকারের পক্ষ থেকে গাড়িচালকদের কে আর্থিক ভাতা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন এমনকি তাদের কাছ থেকে কাগজপত্র পর্যন্ত নিয়ে গেছেন কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই টাকা তারা আর পাননি তাই তারা সরকারের কাছে আবেদন রাখছেন সরকার যদি তাদেরকে কোন রকমের ব্যবস্থা করে দেন তাহলে তারা কোনক্রমে সংসার পরিচালনা করতে পারবেন। রাজ্যে ক্রমাগত করোনাভাইরাস সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে আর তাতে করে গাড়ির চালকরা যাত্রী হীন অবস্থায় গাড়ি স্ট্যান্ডে বসে দিন কাটাচ্ছেন তারা চাইছেন একেবারে সারা দিনের জন্য লকডাউন দিলেই ভালো তাহলে তারা বাড়িতে অন্য কাজ করবেন। গাড়িচালকদের এরকম অসহনীয় কষ্ট দেখে রাজ্য সরকার যদি তাদের জন্য আর্থিক ভাতার ব্যবস্থা করেন তাহলে মনে হয় চালকরা কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবেন সংসারও পরিচালনা করতে পারবেন। এখন তারা বসে আছে শুধু সেই আশায়, এখন দেখার বিষয় গাড়িচালকদের আশা আদতে কি রাজ্য সরকার পূরণ করবেন সেই দিকে তাকিয়ে আছে গাড়ি চালকরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শনিবার পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয়বারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে এক সাংবাদিক সম্মেলনে আয়োজন করা হয় সেই সাংবাদিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে একগুচ্ছ ব্যবস্থা নিতে চলেছে রাজ্যে সরকার। বুধবার শপথ নেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন থেকে আগেই সে ব্যাপারে ঘোষণা করেন। তিনি জানান, সরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ হাজিরা নিয়ে কাজ হবে। বেসরকারি জায়গাতেও তাই। তিনি আরও জানান, আমাদের অক্সিজেন নিয়ে যাচ্ছে অন্য রাজ্য। অনেক বেড বাড়ানো হয়েছে। সকলকে টিকা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি। ৩ হাজার আইসিসিইউ বেড বাড়ানো হয়েছে। মৃতদেহ একটাও ফেলে রাখতে চাই না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২.৭৪ লক্ষ কোয়াক ডাক্তার রয়েছেন। আশা, আইসিডিএস যেমন কাজ করে, তেমন ওঁরা-ও করবেন। কী করা উচিত, তা জানাবেন। দেড় কোটি টিকা দিয়েছি। ৩ কোটি চেয়েছি। পরিবহণ কর্মী, সাংবাদিক এবং হকার- এঁদের আগে টিকা দেব। এদিন তিনি জানান, অতিরিক্ত বিধি। কেউ ভুল বুঝবেন না। আগের বার ঝড় থামিয়ে দিয়েছিলাম। তাই এবার কিছু অ্যাকশন নিতে হচ্ছে। মাস্ক পরার জন্য অনুরোধ করছি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, মাস্ক না ব্যবহার করলে কঠোর হতে হবে। রাজ্য সরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ উপস্থিতি। বাজার করেই বাড়িতে জিনিস নিয়ে ঘরে ঢুকবেন না
মমতা বলেন, সোশ্যাল, কালচারাল, আকাদেমিক জমায়েত নিষিদ্ধ। যতক্ষণ না পরিস্থিতির উন্নতি হয়। কোনও অনুষ্ঠান করতে হবে ৫০ জনের মধ্যে। ছোট ছোট অনুষ্ঠান হবে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বর্তমানে রাজ্যে করোণা মহামারীর পরিস্থিতি ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে এই পরিস্থিতিতে জনগণের উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকার এবং প্রশাসন করোণা বিধিনিষেধ মেনে চলার জন্য জোরালো আবেদন রাখছেন কিন্তু তাসত্ত্বেও একটি শ্রেণীর মানুষ হয়েছে যারা সরকার এবং প্রশাসনের এই বিধিনিষেধের কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে চলছেন। করুণা বিধিনিষেধের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জনবহুল স্থান পরিত্যাগ করা এবং দূরত্ব বজায় রাখা। কিন্তু নিত্যদিনের খাদ্যের চাহিদা জন্য বাজার হাটে যাওয়া অত্যন্ত জরুরী তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার রাজ্যের বাজার হাট গুলিতেও মাস্ক পরে বাজারে আসা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাবেচা করার মত বিধি গেঁথে দিয়েছিলেন, কিন্তু তা সত্বেও বিধি নিষেধ লঙ্ঘনের মত চিত্র বারংবার ধরা পড়েছে বাজার হাট গুলিতে। তাই নিজেদের সামাজিক কর্মসূচীর অঙ্গ হিসেবে জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে মাঠে নামল স্টেট এন এস এস সেল। রাজধানীর লেইক চৌমুহনী বাজার, মহারাজ গঞ্জ বাজার, বটতলা বাজার সহ বিভিন্ন বাজার গুলির মধ্যে এন.এস.এস সেল এর উদ্যোগে ৬ জন করে টীম বানিয়ে ভলান্টিয়ার দেওয়া হয়েছে, যাতে করে বাজারে আসা ক্রেতা- বিক্রেতা সকলে মাস্ক ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখে ও বিধিনিষেধ মেনে চলেন , আর যারা সামাজিক দুরত্ব ও মাস্ক না পরে আসছেনা তাদের কে সচেতন করা। তাছাড়া স্টেট এন এস এস শুধু করোনা মহামারীতেই নই বিভিন্ন রকম অসুবিধার সময় রাজ্যবাসীর সাহার্যাথ্যে মাঠে নেমে পড়েন। স্টেট এন এস এস এর এই উদ্যোগে খুশী সচেতন নাগরিক মহল।
