জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মহামারীর এই পরিস্থিতিতে জনগণের সুরক্ষার্থে সরকার এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনা কার্ফু জারি করা হয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া মানুষদের অবস্থা কি সেদিকে অন্য কেউ নজর না দিলেও ত্রাতার ভূমিকায় এই গরিব অংশের মানুষদের পাশে এসে দাঁড়ালেন ওমাং সামাজিক সংস্থা। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ওমাঙ্গ সেচ্ছা শিবির সংস্থা করোনা কার্ফিও চলাকালীন ফুটপাত বাসিদের জন্য আগরতলা পুরনিগমের গেইটের অপরদিকে বিনামূল্যে প্রত্যেক দিন দুপুরের খাবার ব্যাবস্থা করেন। এদিন এই শুভ উদ্যোগটির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় আগরতলা প্রেস ক্লাবের সম্পাদক প্রণব সরকারের হাত ধরে , তাছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্যান্দন পত্রিকার এমডি অভিষেক দে। এদিন প্রেস ক্লাবের সম্পাদক প্রণব সরকার ওমাঙ্গ সংস্থার এই উদ্যোগকে ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং আগামীদিনে যদি সংস্থার কোন প্রকার সহযোগিতার দরকার হয় তাহলে তিনি সংস্থাটিকে সাহায্য করবেন বলে জানান । এদিনের কর্মসূচিটিকে কেন্দ্র ফুটপাথবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
Monthly Archives
May 2021
কল্যাণী দে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের মধ্যে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ
by prasenjit
written by prasenjit
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের চিত্র সাংবাদিকরা এই মহামারী পরিস্থিতিতেও নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনগণের স্বার্থে সঠিক খবর পরিবেশনার উদ্দেশ্যে নিজেদের কর্তব্যে সচল রয়েছেন। তাই সাংবাদিকদের সুস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে বুধবার রাজধানী আগরতলা প্রেস ক্লাবে কল্যাণী দে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ত্রিপুরা ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাংবাদিকদের মধ্যে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়। এদিনের কর্মসূচিতে স্যান্দন পত্রিকার এম ডি অভিষেক দে বলেন সাংবাদিকরা যেভাবে জনস্বার্থে কাজ করে চলছে তা প্রশংসনীয় এবং তাদের সুস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই আজকের এই কর্মসূচি বলে জানানোর পাশাপাশি টিপিজিএ এর সদস্য ছাড়াও আরো যারা সাংবাদিক ভাইয়েরা রয়েছেন তাদের যদি মাস্ক ও স্যানিটাইজার প্রয়োজন হয় তাহলে কল্যাণী দে ফাউন্ডটিনের সাথে যোগাযোগ করার আহবান রাখেন তিনি। এদিনের কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্যান্দন পত্রিকার এম ডি অভিষেক দে এবং টিপিজিএ সাধারণ সম্পাদক রমাকান্ত দেসহ ফাউন্ডেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শিশুদের নিমোনিয়া রোগ নিবারণের জন্য চলে এলো নিমো কংকাল টিকা। এই টিকার মধ্য দিয়ে শিশুদের মরণব্যাধি নিমোনিয়া থেকে রক্ষা করে যাবে। তাই রাজধানীর অন্যতম প্রধান রেফারেল হাসপাতাল আইজিএমে শিশুদের মধ্যে নিমো কংকাল টিকা দেওয়া হয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান বিধায়ক ডাঃ দিলীপ দাস এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিন বিধায়ক ডাঃ দিলীপ দাস সংবাদ মাধ্যমকে জানান এতদিন শুধু এই টিকা দেশের দুটি রাজ্যেই শুধু প্রদান করা হত, আজ থেকে প্রত্যেকটি রাজ্যেই এই টিকা প্রদান করা হয়েছে বলে জানান এবং টিকার মাধ্যমে শিশুদের ডায়রিয়া কিছুটা নিবারণ হয়েছে আগামীদিনে নিমোনিয়াও নিবারণ হবে বলে আশা ব্যাক্ত করেন তিনি।
পানীয় জল এবং বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটারের দাবিতে গ্রাম পঞ্চায়েত ঘেরাও এলাকার মহিলাদের
by prasenjit
written by prasenjit
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা রাজ্যে কাঠফাটা রোদে কিছু বৃষ্টি হলেও মানুষের পানীয় জলের সমস্যা এখনো ঠিক ভাবে স্বাভাবিক হয়নি। এদিকে ডুকলি আর ডি ব্লকের অন্তর্গত কাঞ্চনমালা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে পাল কলোনিতে বিগত দের দুই বছর ধরে পানীয় জল এবং বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার এর সমস্যায় ভুগছিল। পাল কলোনির স্থানীয় মানুষ এই সমস্যাগুলো নিয়ে কাঞ্চনমালা গ্রাম পঞ্চায়েতে একাধিকবার জানানোর পরেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এদিকে সেকের কোট বিদ্যুৎ অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার আশিস নন্দী পাল কলোনির স্থানীয় মানুষদের বলেছিল তাদের এলাকায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার বাঁচাতে হলে 20 থেকে 25 হাজার টাকা প্রনামী দিতে হবে সেকেরকোট বিদ্যুৎ অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার আশিস নন্দী কে। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর পাল কলোনির স্থানীয় বাসীরা তাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে আজ পাল কলোনির স্থানীয় মহিলারা স্থানীয় কাঞ্চনমালা গ্রাম পঞ্চায়েত ঘেরাও করে পানীয় জল এবং বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার বসানোর দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো বিক্ষুব্ধ মহিলারা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রদীপ কুমার মজুমদার কে তাদের সমস্যার কথা জানালে মাননীয় প্রধান বিক্ষুব্ধ মহিলাদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন উনি নাকি এই ব্যাপারে কিছুই জানেন না শুধু তাই নয় উনি আরো বলেছেন প্রয়োজন হলে মহিলারা প্রধান প্রদীপ কুমার মজুমদার কে উনার এই পদ থেকে বের করে অন্য আরেকজন প্রধান বানাতে বলেন। এতে বিক্ষুব্ধ মহিলারা হারু তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠে। পঞ্চায়েতে বসে প্রধানসহ পঞ্চায়েত সদস্যরা সেকের কোট বিদ্যুৎ অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার আশিস নন্দী কে পঞ্চায়েতে আসার জন্য বললে উনি সাফ জানিয়ে দেন উনি নাকি আসতে পারবেন না। এদিকে মহিলাদের এই সমস্যার কথা জানানোর জন্য সিনিয়র ম্যানেজার আশিস নন্দী কে আবার ফোন করলে উনি ফোন রিসিভ করার দরকার টুকু মনে করেননি। বিক্ষুব্ধ মহিলাদের শুধু দাবি তাদের এলাকাতে একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার বসানোসহ এলাকায় পানীয় জলের সুবন্দোবস্ত শীঘ্রই যেন করা হয়। শেষ পর্যন্ত বিদ্যুৎ দপ্তর এর ডিজিএম কাঞ্চনমালা গ্রাম পঞ্চায়েতে ছুটে এসে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানসহ বিক্ষুব্ধ মহিলাদের আশ্বাস দিয়েছেন যে তাদের এই সমস্যা গুলোর সমাধান করার জন্য অবশ্যই চেষ্টা করা হবে। এখন দেখার বিষয় হলো বিক্ষুব্ধ মহিলাদেরকে শুধু সান্ত্বনা দেবার জন্য এই কথাগুলো বলেছেন? নাকি দপ্তর সত্যি সত্যিই তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করার চিন্তা-ভাবনা করবে।
আজ থেকে পথ চলা শুরু হল শিক্ষা দপ্তরের বৈদ্যুতিন চ্যানেল ‘বন্দে ত্রিপুরা
by prasenjit
written by prasenjit
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মহামারীর পরিস্থিতিতে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর। ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা দপ্তর। কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকলে ছাত্রছাত্রীরা কিভাবে নিজেদের শিক্ষা উন্নত করবে এবং ভালো ফল করে নিজের ভবিষ্যৎকে সুন্দর করবে , সেদিকে লক্ষ রেখে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর করোনা পরিস্থিতিতে যাতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ক্ষেত্রে অন্তরায় না হয় সেই লক্ষ্যে আজ থেকে পথ চলা শুরু করল শিক্ষা দপ্তরের বৈদ্যুতিন চ্যানেল ‘বন্দে ত্রিপুরা।’ সোমবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের হাত দিয়ে এই চ্যানেলটির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এই মহামারী পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়গুলি বন্ধ রয়েছে। অনলাইন ক্লাস সহ রাজ্যের ছাত্র ছাত্রীদের সুবিধার্থে এই চ্যানেলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন এই চ্যানেলের মাধ্যমে অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীদের কাছে তাদের পাঠক্রম পৌঁছনো সম্ভব হবে। বাড়িতে থেকেও এই চ্যানেলের সরাসরি বা অফলাইন ক্লাসের মাধ্যমে ছাত্রীরা পঠনপাঠনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত থাকার সুযোগ পাবে। এর জন্য রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী শ্রী রতন লাল নাথ মহোদয় ও সমগ্র শিক্ষা দপ্তরকে আমি ধন্যবাদ জানাই। তাছাড়া রাজ্যে বর্তমান সরকার শিক্ষার সর্বাঙ্গীন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এনসিইআরটি সিলেবাস, সুপার ৩০, সেন্ট্রালাইজড প্রশ্নপত্র, শিক্ষাবর্ষের সময় পরিবর্তন, সিবিএসই-তে উন্নীতকরণ, ইংরেজিমাধ্যম বিদ্যালয়ে রূপান্তর, নবম শ্রেণীর ছাত্রীদের বাই সাইকেল প্রদান, বছর বাঁচাও, নতুন দিশার মত ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে শিক্ষা দপ্তর আগামীদিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা ব্যাক্ত করেন তিনি। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথসহ শিক্ষা দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকরা।
জনতার কলম,ত্রিপুরা,তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি :- সাত সকালে তেলিয়ামুড়ার বনদপ্তরের অধীন নেতাজীনগর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় উদ্ধার হলো একটি বিশাল আকৃতি বিশিষ্ট অজগর সাপ । ঘটনা আজ রবিবার সকাল আনুমানিক ৭ টা নাগাদ । গোটা নেতাজীনগর এলাকায় চাঞ্চল্য । ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রত্যেক দিনের মতো আজকেও তেলিয়ামুড়ার নেতাজীনগর এলাকায় স্থানীয় জনগণ প্রাতঃভ্রমণে বের হয় । কিন্তু প্রাতঃভ্রমণ সেরে নিজ ঘরে পৌঁছানোর মুহূর্তেই হঠাৎ কয়েকজন সাধারণ জনগণ দেখতে পায় নেতাজীনগর স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার পাশে একটি বালুর স্তূপে একটি অজগর সাপ পড়ে আছে । এই দৃশ্য দেখে আঁতকে উঠে স্থানীয় জনগণ । আর এই অজগর সাপটি প্রকাশ্যে — এই খবর চাউর হতেই গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য পরিস্থিতি বিরাজ করছে । সঙ্গে সঙ্গেই খবর দেওয়া হয় তেলিয়ামুড়া বনদপ্তরে । খবর পেয়ে তেলিয়ামুড়া বনদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে প্রত্যক্ষ করে যে এই অজগর সাপটি মৃত । তৎক্ষণাৎ সঙ্গে সঙ্গে বনদপ্তরের কর্মীরা এই অজগর সাপটিকে সেখান থেকে উদ্ধার করে তেলিয়ামুড়ার বন দপ্তরের অফিসে নিয়ে আসে । তবে উল্লেখ্য, হয়তো কে বা কারা হয়তো এই অজগর সাপটিকে প্রকাশ্যে দেখতে পেয়েই মেরে ফেলেছে— এই বিষয়টি আমাদের জানায় বন দপ্তরের এক কর্মী । এইদিকে এই গোটা ঘটনাকে ঘিরে যেমন চাঞ্চল্য পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে ঠিক তেমনি এই বিষয়টি বনদপ্তরের সঠিক তদন্তেরও দাবি জানাচ্ছে গোটা এলাকাবাসী ।।
জনতার কলম,ত্রিপুরা,তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি :- নেশামুক্ত ত্রিপুরা গড়ার লক্ষ্যে নেশা বিরোধী অভিযানে নেমে ফের একবার বিরাট সাফল্য অর্জন করে তেলিয়ামুড়া থানার ট্রাফিক পুলিশ । ঘটনা আজ রবিবার সকাল আনুমানিক ৯ টা ১০ মিনিট নাগাদ তেলিয়ামুড়ার হাওয়াইবাড়ি নাকা পয়েন্ট এলাকায় । একটি মালবাহী গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ তথা ৪৭৮ কেজি অবৈধ শুকনো গাঁজার প্যাকেট । যার বাজার মূল্য প্রায় ২৫ লক্ষাধিক টাকা হবে । ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আজ সকালে নিত্যদিনের মতো তেলিয়ামুড়া থানার ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষ হাওয়াইবাড়ির নাকা পয়েন্ট এলাকায় ভেহিকেল চেকিং করতে বসে । আর ঠিক এমন সময়ই আগরতলা থেকে বহিঃরাজ্যের উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য একটি ৬ চাকার এলিভেন জিরো মডেলের মালবাহী গাড়ি যার নম্বর MH 04 JK 8349 আগরতলা থেকে রওনা হলে তেলিয়ামুড়া থানাধীন হাওয়াইবাড়ির নাকা পয়েন্ট এলাকায় আসতেই ট্রাফিক পুলিশ এই গাড়িটিকে আটকায় ও গাড়িটিতে জোরকদমে তল্লাশি চালায় । তল্লাশি চলাকালে এই গাড়িটি থেকে উদ্ধার হয় ২১ পেকেট তথা ৪৭৮ কেজি শুকনো অবৈধ গাঁজার প্যাকেট । যার বাজারমূল্য প্রায় ২৫ লক্ষাধিক টাকা হবে বলে পুলিশের প্রাথমিকভাবে অনুমান । এইদিকে এই ঘটনায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনাচরণ জমাতিয়া ও খোয়াই জেলার ট্রাফিক DSP বিক্রম জীত শুক্ল দাস সহ তেলিয়ামুড়া থানার বিশাল পুলিশবাহিনী । এইদিকে এই ঘটনায় তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ গাড়ির চালক ও সহ চালক সহ ৩ জনকে আটক করে তেলিয়ামুড়া থানায় নিয়ে আসে । জানা যায় এই তিনজন— রামবিনয় শর্মা (বাড়ি উত্তরপ্রদেশ),
সন্তোষ মারিয়াদ
(বাড়ি উত্তরপ্রদেশ),
কপিল কুমার কর
(বিহার) । এইদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই অবৈধ গাঁজাগুলো রাজধানী আগরতলা বাইপাসের L & T Jio Structure Pvt. Ltd. সংলগ্ন স্থান থেকে গাড়িতে লোডিং করা হয় । আর এই অবৈধ গাঁজাগুলো নিয়ে বহিঃরাজ্য পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার উদ্দেশ্যেই পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল । এখন প্রশ্ন হলো, যদি আগরতলা থেকেই এই অবৈধ গাঁজাগুলো গাড়িতে লোডিং হয়ে থাকে তাহলে আগরতলা থেকে এতগুলো থানা ও ফাঁড়ির নাকের ডগা দিয়ে কিভাবে গাড়িটি পেরিয়ে আসলো ??? তাহলে কী সরষ্যেতেই ভূত লুকিয়ে আছে ! তাহলে কী আগরতলার বেশ কিছু থানা ও ফাঁড়ির পুলিশ বাবুদের সাথেই নেশা মাফিয়াদের এখনও রফা চলছে ??? এই নিয়ে কিন্তু ইতিমধ্যেই তেলিয়ামুড়ার শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মহলে এক বিরাট প্রশ্নের উঁকি দিতে শুরু করেছে ???
তবে এইদিকে আবার তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনাচরন জমাতিয়ার নেতৃত্বে বারংবার নেশাবিরোধী অভিযানে নেমে সাফল্যে তেলিয়ামুড়া জুড়ে খুশির বাতাবরণ বিরাজ করছে !!
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- রবিবার রাজ্যের কৃষি ও পর্যটন মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় উদয়পুর ছাতারিয়ায় কৃষকদের ধান কাটা পরিদর্শনের যান এবং সেখানে কৃষকদের সাথে মতবিনিময় করার পাশাপাশি ধান কাটায় অংশগ্রহণ করেন। এদিন তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন কৃষক আমাদের অন্নদাতা। বর্তমান অতিমারী পরিস্থিতিতেও তারা পরিশ্রম করে খাদ্যের যোগান নিশ্চিত করছে। আমাদের সরকার বরাবরই তাদের পাশে একেবারে বন্ধুর মত দাঁড়িয়ে থাকবে। তাছাড়া সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজি পিএম কিষান প্রকল্পে ত্রিপুরা রাজ্যের ২ লক্ষ ২৯ হাজার ৯১৫ জন কৃষক অষ্টম কিস্তিতে ৪২.৩৬ কোটি টাকা প্রদান করেন। এ পর্যন্ত ত্রিপুরার কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে ৩১৫.২৭ কোটি টাকা বলে জানান তিনি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বর্তমানে রাজ্যে মহামারীর পরিস্থিতিতে নেশা কারবারীদের রমরমা কারবার চলছে। মহামারীর পরিস্থিতিতে জনগণকে সচেতন করতে যে জায়গায় ব্যস্ত প্রশাসন সেই সময়কে কাজে লাগিয়ে নিজেদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিল নেশা কারবারীরা। আজ গোপন খবরের ভিত্তিতে আগরতলা পশ্চিম থানার এস ডি পিও এবং পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে দশমীঘাট জয়পুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রচুর পরিমাণে ইয়াবা ট্যাবলেট, হিরোইন, কোওটা, উদ্ধার করা হয় এবং নগদ অর্থসহ ২জন কে আটক করে। আটক ব্যাক্তিদের নিয়ে আসা হয় নিয়ে পশ্চিম আগরতলা থানায়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ আধিকারিক জানান তাদের সাথে জড়িত রয়েছে এমন কিছু ব্যাক্তিদের নামও আছে বলে তাদেরকে আজ রাতের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হবে এবং এধরনের অভিযান আগামীদিনেও জারী থাকবে বলে জানান তিনি। তাছাড়া নেশার কারবারকে গুড়ি থেকে উঠিয়ে রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর নেশামুক্ত রাজ্য গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবেন বলেও জানান।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- রাজ্যে করোনা সংক্রমণ রোধ করতে প্রতিনিয়ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য সরকার। মহামারী পরিস্থিতিতে যেন লড়াই করা যায় তার প্রস্তুতি নেওয়া হয়ে গেছে, এবং প্রস্তুতিগুলো স্বয়ং পরিদর্শন করছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। তারই পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সিপাহীজলা জেলার লালসিংমুড়া কোভিড কেয়ার সেন্টার পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী। এই সেন্টারে ১০০টি বেড রয়েছে। যার মধ্যে ৮০টি অক্সিজেন বেড। এই মুহূর্তে এখানে ১৬ জন রোগী রয়েছেন। এখানে কয়েকজন সংশোধনাগারের বন্দী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই কোভিড সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো রাখার বিষয়ে প্রশাসনকে নির্দেশও দেন। এদিন তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান কোভিড মোকাবিলার জন্য রাজ্য সরকার প্রস্তুত। জেলায় জেলায় বিকেন্দ্রীকৃত চিকিৎসা পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। সকেলের উদ্দেশে আবেদন, আপনারা কোভিড বিধি মেনে চলুন। তবেই আমরা এই মহামারীকে প্রতিহত করতে সফল হব বলে অভিমত ব্যাক্ত করলেন। তাছাড়া এদিন তিনি মেলাঘর ডেডিকেটেড কোভিড কেয়ার সেন্টার পরিদর্শন করেন। সেখানে ২৫টি বেড রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। যার মধ্যে চারটি ভেন্টিলেটর বেড। ১৫ দিনের মধ্যেই এটি প্রস্তুত হয়ে যাবে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তার কাজ চলছে এবং ডেডিকেটেড সেন্টার সংলগ্ন জায়গাতেই বসবে অক্সিজেন প্ল্যান্ট। তারও কাজ পরিদর্শন করেন।
