জনতার কলম, এিপুরা, বিশালগড় প্রতিনিধি :- বিশালগড় মৎস্য বাজারে নবনির্মিত দ্বিতল ভবনের শ্যড ঘরের ভিট বন্টন নিয়ে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মারপিট ও ব্যাপক সংঘর্ষে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাজারে। মুহূর্তের মধ্যেই ভয় ও আতঙ্কে মৎস্য বাজার ছেড়ে দৌড়ে পালাতে থাকে ক্রেতা-বিক্রেতা। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার সাতসকালে। ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, 2016 সালে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের আমলে দৃষ্টিনন্দিত বিশালগড় বাজারের দ্বিতল ভবনের কাজ শুরু হয়।লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ভবনটি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে গতকাল এর শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের মাননীয় মন্ত্রী এনসি দেববর্মা,এবং ত্রিপুরা রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মা মহোদয় । উদ্বোধন শেষে ভিট বন্টন নিয়ে শুরু হয় লড়াই। অভিযোগ যারা প্রকৃত মৎস্য ব্যবসায়ী এবং ভিট পাওয়ার অগ্রাধিকার তারা বঞ্চিত। বিরোধীদের কথা না হয় ছেড়ে দেওয়া হল। কিন্তু এই ভিট বন্টন নিয়ে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দেখা দেয় লড়াই। দ্বিতল ভবনের মধ্যে নিচ তলায় মোট 32 টি ভিট রয়েছে। এদের মধ্যে যারা কোনদিনও আড়বদার ছিলেন না এরকম ব্যক্তি ও আরদের গদি হিসাবে পছন্দসই হাতিয়ে নেয়। অভিযোগ বাজার সেক্রেটারি শ্যামল ও রিঙ্কু, এরা কোনদিনও আড়বদার ছিলেন না। টাকার বিনিময়ে প্রকৃত দের বঞ্চিত করে ভিট বণ্টনের অভিযোগ এনে মঙ্গলবার সকাল বেলা শাসক দলেরই সমর্থক মৎস্য ব্যবসায়ী কালু দাস সাধন দাস ও হরি বল দাসরা মৎস্যবাজার সেক্রেটারি শ্যামল দাসের ওপর আক্রমণ শুরু করেন। যদিও কালো দাসের পিতা জহরলাল দাসের নামে একটি ভিট বন্টন করা হয়। কালো দাসদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই বাবার মতই এ বাজারে ব্যবসা করছেন কিন্তু যারা ব্যবসা করেনি অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে বিলি করে দিয়েছে শ্যামল দাস এবং অপু দাস। কালো দাসদের মতো আরো অনেক প্রকৃত ব্যবসায়ী কে বঞ্চিত করা হয়েছে। শ্যামল দাস কে মারধর শুরু করলে শ্যামল দাসের গোষ্ঠীর লোক ও পাল্টা মারমুখী হয় কালো, সাধন দাস হরি বল দাসদের বিরুদ্ধে। মাছ কাটার দা থেকে শুরু করে লাঠিসোটা মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে। যে যার মতো করে প্রাণ ভয়ে দৌড়ে পালাতে শুরু করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বিশালগড় মন্ডল সভাপতি সহ দুই গোষ্ঠীর তাবড় তাবড় নেতারা। শ্যামল দাসের গুষ্টির লোকেরা পাল্টা আক্রমণ শুরু করলে সাধন, কাল হরি বল, দাসদের গ্রুপের পালিয়ে যায় কিন্তু সাধন দাস তাদের হাতে আটক হয়ে যায়। এই খবর পেয়ে বিশালগড় থানা থেকে বিশালগড় থানা থেকে প্রচুর পরিমাণ পুলিশ ও টিএসআর বাহিনী ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ও সমগ্র মৎস্য বাজার ঘিরে ফেলে। তাছাড়া বিশালগড় মৎস্য বাজারের আড়তদার অপু দাস নিজে ব্যক্তিগত আরতগল নিয়েছেন পাশাপাশি নতুন ভবনের একটি বিট হাতিয়ে নেন। জানা যায় অপু দাস কখনো মাছ বাজারের মধ্যে পুত্র মাছ নিয়ে কখনো বসেন না। তাহলে কেন অপু দাস একবার আরতদার ঘর এবং অন্যদিকে কচুর বিক্রি করার জন্য নতুন শেট্টির নিচ্ছেন।তাছাড়া মৎস্যবাজার সেক্রেটারি শ্যামল দাস মাংস বিক্রি করা বিট বন্টন নিয়ে উঠেছে বিভিন্ন অভিযোগ। উনি উনার বাড়ির পাশে নির্মল সাহা পিতা পুলিন সাহা বাড়ি রাউৎখলা বাজারে বাজারে বিভিন্ন রকম পাঠা মুরগি বাজার থেকে কিনে এনে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেন উনাকেও একটি বিট সেখান থেকে পাইয়ে দেন। আর যিনি 25 বছর যাবৎ সরকারের সমর্থন থেকেও বিট পাইনি অথচ মাংস বাজারে গেলে প্রথমেই তার নাম উঠে আসে রাজেশ সাহা যিনি রামু সাহার সঙ্গে সঙ্গী হিসেবে ব্যবসা করে যাচ্ছেন। উনার কপালে একটি বিট জুটে নাই। তাছাড়া নতুন ভবনের প্রবেশদ্বার দুই দিকে দুটি সিঁড়ির নিচে ঘর রয়েছে যেগুলি অর্থের বিনিময়ে এই কমিটির লোকেরা দুজন চা বিক্রেতার নিকট দিয়ে দেন এমনটাই অভিযোগ করেন বঞ্চিত ব্যবসায়ীরা। তাই আজ দুই পক্ষের সংঘর্ষের ফলে যখন সমস্যা সমাধানের জন্য দুই পক্ষকে নিয়ে মিটিং করার আহ্বান করা হয়েছিল উক্ত মিটিংয়ে সাধন গ্রুপের লোকেরা অনুপস্থিত থেকে যান। এবং বিভিন্ন আলাপ-আলোচনা এবং অভিযোগের মূলেই উৎশৃংখল হয় মৎস্য ব্যবসায়ী সেক্রেটারি শ্যামল দাস নিজের বাড়িঘরের বাজার মনে করে সমস্ত মৎস্য বাজার অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেন।প্রসঙ্গত উল্লেখ দীর্ঘদিন ধরেই বিশালগড়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে অঘোষিতভাবে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বেশ ঠান্ডা লড়াই চলছে। ইতিপূর্বে রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি হিসাবে নবাদ বণিক নির্বাচিত হওয়ার পরে ঠান্ডা লড়াই একপ্রকার গরম জলের দিকে ধাবমান হচ্ছে।আজকের এই ঘটনায় বিশালগড় বাজারের নিত্যদিনের ক্রেতা-বিক্রেতা থেকে শুরু করে যারা প্রতিদিন ভোর বেলা বিভিন্ন গ্রামীন এলাকা থেকে মাছ সবজি নিয়ে বিশালগড় বাজারে যায় তারা আতঙ্কিত হয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেয় এই সমস্ত নেতাদের প্রতি। নিন্দুকেরা বলছেন বাম আমলে তৈরি দৃষ্টিনন্দিত সম্পত্তি নিয়ে সঠিক বন্টন পর্যন্ত করতে ব্যর্থ হয়ে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ আগামীদিনের কিসের ইঙ্গিত বহন করে।তবে এই ঘটনার পর বিশালগড়ের মৎস্য বাজারের থমথমে পরিস্থিতি কবে কোন সময় কাটবে তা নিয়ে চিন্তিত মৎস্য ব্যবসায়ীরা।
Monthly Archives
October 2020
জনতার কলম, এিপুরা,উদয়পুর প্রতিনিধি:- বুধবার ধ্বজনগর এবং পূর্ব ধ্বজনগর এলাকায় দরিদ্র ও অসহায় মহিলাদের মধ্যে নিজ উদ্যোগে শাড়ি বিতরন করেন কৃষি পরিবহন ও পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়। এদিন দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শতাধিক মহিলাদের মধ্যে শাড়ি বিতরন করা হয়। সাথে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য সমীর চক্রবর্তী, বিজেপি রাধাকিশোরপুর মন্ডল সভাপতি প্রবীর দাস প্রমুখ । এদিকে এদিন ছাতারিয়া এলাকায় সেবা সহায়তা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত বস্তরদান অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন কৃষি পরিবহন ও পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়। দিন ছাতারিয়া এলাকার দরিদ্র মহিলাদের মধ্যে শাড়ি বিতরন করা হয় ।
জনতার কলম , ত্রিপুরা ,উদয়পুর প্রতিনিধি:- উদয়পুরে রাকেশ শর্মা হত্যা কাণ্ডে দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক l তিনি আজ প্রতিবেশীর মারে খুন হওয়া রাকেশ শর্মার বাড়িতে যান l তার স্ত্রীর, ছয় বছরের কন্যা ও মা বাবার সাথেও কথা বলেন l তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি l বি জে পি কার্য কর্তার হত্যা কাণ্ডে দলের পক্ষ্যে থেকে তার পরিবারকে এক কালীন দুই লক্ষ্য টাকা দেওয়া হবে বলে এদিনসাংসদ জানান l উল্লেখ্য,রবিবার রাতে উদয়পুরের চন্দ্রপুর গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় মীমাংসার নামে একই পরিবারের তিন জনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারে প্রতিবেশী মিহির লাল দাসের সাঙ্গপাঙ্গরা l মুখে কালো কাপড় বেঁধে এই ঘটনা ঘটায় বলে জানিয়েছে মৃতের পরিবার l এই ঘটনার জেরে আজ সংসদ প্রতিমা ভৌমিক প্রয়াত রাকেশ শর্মার বাড়িতে যান l সেখানে তাদের সাথে কথা বলেল l জানান সমবেদনা l কথা প্রসঙ্গে সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমের বলেন, রাকেশ শর্মা হত্যা কান্ড রাজ্যের বিরোধী দলের আসল পরিচয় দিয়েছে l তিনি বলেন এই হত্যা কাণ্ডের সাথে যারা যুক্ত তাদের মানুষবলা যাবে না l বিজেপি সন্ত্রাসের রাজনীতি করে না l সাংসদ বলেন মারের বদলে মার l এই সন্ত্রাসের প্রতিবাদ করব না l সব কার্যকর্তাদের এক জোট হয়ে কাজ করার আহব্বান নানান l আজকে সংসদের সঙ্গে অন্যান্য দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক বিপ্লব কুমার ঘোষ l
জনতার কলম, এিপুরা,উদয়পুর প্রতিনিধি :- মাতাবাড়িতে পূজো দিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল রমেশ বৈশ। এদিন সকাল আনুমানিক সোয়া এগারোটায় মাতাবাড়িতে আসেন রাজ্যপাল। মাতাবাড়িতে আসলে উনাকে স্বাগত জানান গোমতী জেলা শাসক ডঃ তরুণ কান্তি দেবনাথ। এদিন রাজ্যপাল মাতাবাড়িতে এসে কিছুক্ষন ভিআইপি রুমে বসে সোজা মায়ের মন্দিরে গিয়ে মাতা ত্রিপুরা সুন্দরীকে পূজো দেন রাজ্যপাল। এরপর কল্যান সাগরে যান রাজ্যপাল। এদিন রাজ্যপালের সফরকে কেন্দ্র করে মাতাবাড়িতে ছিলো জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
পুর্বোদয়া সামাজিক সংস্থার হার্ট অফ হিমিউনিটির উদ্দ্যোগে রিক্সা শ্রমিকদের মধ্যে ত্রান বিতরণ
written by janatar kalam
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- বুধবার হার্ট অফ হিউম্যানিটি উদ্যোগে রাধানগর এলাকায় রিক্সা শ্রমিকদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রেবতী মোহন দাস ও পূরবোদয়া সামাজিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদিকা নিতি দেব। তিনি এদিন আসন্ন শারদ উৎসবে শুভেচ্ছা জানান রাজ্যবাসীকে। শারদ উৎসবে জনগণ মুখে মাক্স লাগিয়ে পুজো দেখতে যান এবং অন্যান্যদেরকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোগ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য তিনি আহ্বান জানান। তার সাথে সাথে তিনি আরও জানান যে সমস্ত রিস্কা চালক ভাইরা খুব কষ্ট করে লকডাউনের সময়ে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেছেন তার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানান তিনি আরো বলেন রিস্কা চালক ভাইরা লোকদেরকে সঠিক ঠিকানা নিয়ে পৌঁছান তাদের যে দায়িত্বটা সেই দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করছেন বলে উনার বক্তব্য তুলে ধরেন। এদিন আগরতলার রাধানগর এলাকায় হার্ট অফ হিউম্যানিটি পূর্বদয় সামাজিক সংস্থা পক্ষ থেকে 100 জন রিকশাচালক দের হাতে ট্রান সমগ্রি তুলে দেন অনুষ্ঠানের অতিথিরা।
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- রাজ্যে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর শুরু হল এসপিও নিয়োগ প্রক্রিয়া। গত ১৬ থেকে ২০ তারিখ অবধি চলেছে ছেলেদের নিয়োগ প্রক্রিয়া, আজ ও আগামীকাল চলবে মেয়েদের নিয়োগ প্রক্রিয়া। এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বেকার যুবক যুবতীদের মধ্যে ব্যপক উৎসাহ লক্ষ করা গেছে। কিন্তু তথ্যসুত্রে খবর এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্য থেকে সর্বমোট ১১০০ লোক নিয়োগ করা হবে বলে। যেহেতু সরকার গঠনের পর থেকে রাজ্যে কর্মসংস্থার এই প্রথম ব্যবস্থাপনা তাই এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে চলছে ব্যপক প্রস্তুতি বেকারদের মধ্যে। এসপিও নিয়োগের মধ্য দিয়ে শুধুমাত্র কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাই নই, রাজ্যের নানা সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের সাথে সমাজে জনসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষে নিজেদের নিয়োজিত করাই হল মূল উদ্দেশ্য।
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- রাজধানী আগরতলা এডি নগর এমআর দেববর্মা স্টেডিয়ামে পুলিশ স্মরণ দিবস অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে বীর শহীদ পুলিশকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এবং শহীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হন তিনি। এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যারা শহিদ হয়েছেন তাদের রক্ত ভারতবর্ষের শক্তি সামর্থকে আরও সুদৃড় করবে বলে জানান তিনি এবং যারা দেশমাতৃকার কাজে নিয়োজিত হয়ে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের শহিদ হওয়াটা ব্যর্থ যাবেনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জনজাতি দের আরো কিভাবে উন্নতি করা যায় সে বিষয়ে রাজ্যের বর্তমান সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার নজর রেখে চলছেন- রেবতী মোহন ত্রিপুরা
written by janatar kalam
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- গতকাল ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার রাজ্য কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় আমবাসায়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রী পূর্ব ত্রিপুরা আসনের সাংসদ রেবতী মোহন ত্রিপুরাসহ 9 জন জনজাতি মোর্চার বিধায়করা। বিশেষ করে এডিসি এলাকায় উন্নয়ন কিভাবে সম্ভব তা নিয়ে কার্যকরেনি সভায় আলোচনা করা হয়। এডিসি নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি সরকার বিশেষভাবে এডিসি কে কিভাবে নিজেদের ক্ষমতায় নিয়ে আসা যায় তৎসঙ্গে জনজাতি দের আরো কিভাবে উন্নতি করা যায় সে বিষয়ে রাজ্যের বর্তমান সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার নজর রেখে চলছেন বলে জানান পূর্ব ত্রিপুরা সাংসদ রেবতী মোহন ত্রিপুরা। সোমবার আগরতলার কৃষ্ণনগর স্থিত বিজেপি দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ রেবতী মোহন ত্রিপুরা জনজাতি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ দেববর্মা সহ অন্যান্যরা। রাজ্যের বর্তমান সরকার এর এডিসি কে আরো কিভাবে উন্নয়ন করা যায় সে বিষয়ে সাংসদ রেবতী মোহন ত্রিপুরা দিল্লিতে গিয়ে কথা বলে এসেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে এডিসি এলাকার জনজাতির ভালোভাবে বসবাস করছে তাদেরকে আরো কিভাবে সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য করা যায় সে বিষয়ে রাজ্য সরকার দেখছেন। রাজ্য সরকারের স্ট্যান্ডিং কমিটির দুটি বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণ করেছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না তার মধ্যে আরো অনেকগুলো কর্মসূচি রয়ে গেছে সেগুলো হলো ফেন্সিং সম্পন্ন করা ষষ্ঠ তপশিলী জাতি নিয়ে আলোচনা করা। বিগত বাম সরকারের আমলে এ ডি সি কে সরাসরি আর্থিক রাশি প্রদান করা হত না কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় সরকার এডিসিকে সরাসরি আর্থিক রাশি প্রদান করেছে বলে জানান সাংসদ রেবতী মোহন ত্রিপুরা। তাছাড়া বিগত বাম সরকারের আমলে এডিসি উন্নয়নের নামে বাম সরকার খালি ঢাক ঢোল পিটিয়ে গেছেন উন্নয়নের নামে কোন কাজেই করেননি যার কারণে বর্তমানে জনজাতির অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এখন বর্তমান সরকার সেই সব লোকদের কে বঞ্চনার নিরিখে দেখবেন না তৎসঙ্গে তাদেরকে এডিসি এলাকায় কিভাবে পুরো কাউন্সিল রূপে তৈরি করা যায় সেই দিক দিয়ে বিশেষভাবে রাজ্য সরকার দৃষ্টি রেখে চলছেন বলে জানান তিনি। পাশাপাশি বর্তমান সরকার আসার পর এডি সি এলাকায় উন্নয়নের কাজ খুব ভালোভাবেই চলছে, বিগত বাম আমলে সেরকমভাবে কাজ হয়নি বলে জানান পূর্ব ত্রিপুরার সাংসদ রেবতী মোহন ত্রিপুরা। তিনি আরো জানান এ ডিসিতে বিজেপি আইপিএফটি একসাথে নির্বাচনে লড়বে কিনা তা নিয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেননি বলেন যা কিছু করবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কিন্তু উনার কথায় বোঝা গেল এডিসি নির্বাচনে বিজেপি একা লড়াই করার মতই প্রস্তুতি নিচ্ছেন এরকম হয় বুঝা গেল উনার বক্তব্যে।
আঞ্চলিক দলগুলিতে ভাংগন অব্যাহত, কংগ্রেস ও আইপিএফটি দল ছেড়ে যোগদান আইএনপিটিতে
written by janatar kalam
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- রাজনৈতিক পারদ ক্রমশ চড়াও হয়ে উঠছে এডিসি নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দলত্যাগের হিড়িক লেগে রয়েছে কিভাবে এডিসি কে দখল করা যায়। সোমবার আগরতলার প্রগতি রোড স্থিত বিএনপির দলীয় কার্যালয় আইপিএফটি ও কংগ্রেস দল ট্যাগ করে দুজন প্রতিনিধি আইএমপিটি দলে যোগদান করেন বাকি আরো 70 পরিবার পুজোর পরে রসিয়াবাড়ি এলাকায় সমাবেশ করে বাকিরা যোগদান করবেন বলে জানান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে সেই জায়গায় গ্রাম পাহাড়ের বিভিন্ন আঞ্চলিক দলগুলো তাদের ক্ষমতা জাহির করার জন্য বৈঠক সভা মিটিং মিছিল করে যাচ্ছেন কিন্তু সে ক্ষেত্রে আইএমপিটি তাদের তুলনায় এখনো অনেক ব্যাকফুটে রয়ে গেছেন তারপরও তাদের বিশ্বাস এবার এডিসি নির্বাচনে কারো সঙ্গে আঁতাত না করলো একেই 28 টি আসনে প্রার্থী দিতে পারবেন। বর্তমানে রাজ্য রাজনীতিতে বর্তমান সরকার যেভাবে গ্রাম পাহাড়ে কাজ করে চলছেন সেই জায়গায় অন্য কোন রাজনৈতিক দল এবিসি কে দখল করা অসম্ভব বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল এখন দেখার বিষয় নির্বাচন আসলেই কোন দল কার সাথে আঁতাত করে এডিসিকে তাদের ক্ষমতায় নিয়ে আসেন। সোমবার আগরতলার প্রগতি রোড স্থিত দলীয় কার্যালয় দলত্যগ সবার শেষে সংবাদমাধ্যমকে আইএনটিপি টির সাধারণ সম্পাদক জগদীশ দেব্বর্মা। এদিকে দল ত্যাগ করে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বরা সংবাদমাধ্যমকে জানান বিজিপি আইপিএফটি জোট সরকারের আমলে রাজ্যের জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা একটাও বাস্তবে পরিণত করেননি বলে জানান। এডিসি নির্বাচন শুরুর আগেই গ্রাম পাহাড়ে রাজনৈতিক পারদ ক্রমশ চাঙ্গা হয়ে উঠছে এখন দেখার বিষয় নির্বাচনে কোন দল তার ক্ষমতা বলে এডিসি কে দখল করতে পারে তা একমাত্র জনগণের ভোটের মাধ্যমে বুঝা যাবে।
জনতার কলম প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলাঃ- রাজ্যে ক্রমাগতভাবে যেভাবে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমনের সংখ্যা তা থেকে জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে এক সচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নেই রেডক্রস সোসাইটি। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী নীতি দেব। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই মহামারী করোনা ভাইরাসকে প্রতিহত করার ক্ষেত্রে মাস্ক, সেনিটাইজার ও সাবান এর গুরুত্ব তুলে ধরে পথচলতি রিক্সা শ্রমিক, অটো শ্রমিক ও ছোট ছোট দোকানের মধ্যে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়। মহামারী করোনা ভাইরাস কে প্রতিহত করার ক্ষেত্রে জনগণের সচেতনতা অতি আবশ্যক। তাই মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে জনগণের সচেতনতা বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলো যে পদক্ষেপ নিয়েছেন বা নিচ্ছেন সেগুলো প্রশংসার দাবি রাখে।
