এই বিপন্ন মুহূর্তে রাজধানীর রামনগর ৪ নাম্বার শেষ প্রান্তে রাম ঠাকুর সেবা মন্দিরের উদ্যোগে ষষ্ঠ বারের মতো সামাজিক দূরত্বকে মান্যতা দিয়ে এলাকার দুস্থ ও গরিবদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়. এ দিনের কর্মসূচি থেকে মন্দির কমিটির কার্যকর্তা আশিস পাল বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই এলাকায় যেহেতু হিন্দু-মুসলিম উভয়ের বসবাস এবং আগামীকাল যেহেতু মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব ঈদ, তারই পরিপেক্ষিতে আজকের এই দান কর্মসূচি বলে জানান তিনি. এদিকে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ডালিয়া সিংহ মহোদয়া সহ মন্দির কমিটির অন্যান্য কর্মকর্তারা.
Monthly Archives
May 2020
গরিব কৃষকদের সাহায্যার্থে ধানের জমিতে কৃষিমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়
by prasenjit
written by prasenjit
লক ডাউনের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কৃষকদের সুবিধার্থে ও উৎসাহ প্রদানে ধানের জমিতে কৃষকদের সাথে ধান কাটলেন কৃষি মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়। রবিবার সকালে উদয়পুর রাধাকিশোরপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীন পশ্চিম ছাতারিয়া তে পিন্টু মজুমদারের এক কানি ধানের জমিতে নবীন ধান কেটে কৃষক দের সহযোগিতা ও উৎসাহ দিলেন মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়। এদিন উনার সাথে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাধাকিশোরপুর মন্ডল সভাপতি প্রবীর দাস, কৃষান মোর্চার গোমতী জেলা সভাপতি তাপস দাস সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মন্ত্রীর এই উদ্যোগে এদিন খুশি কৃষকরা। এদিন মন্ত্রী সহ বিজেপির কর্মীরা পাকা ধানের ফসল কেটে দেওয়াই অনেকটাই সুবিধা হয়েছে বলে জানান চাষী পিন্টু মজুমদার।
বহিরাজ্য মুম্বাই থেকে নিজ বাড়িতে ফিরে আসা ১৬ জনের মধ্যে করুণা সংক্রমনের খবর পাওয়া যায় এই ১৬ জনের মধ্যে দুজনকে গতকাল রাতে উদ্ধার করে নিয়ে যায় রাজ্যের করুণা রিকভারি টিম কিন্তু রাজধানী আগরতলার মধ্যে মন্ত্রী বাড়ি রোড এলাকা এমএল প্লাজার বিপরীত গলিতে নিজ বাড়িতে ফিরে আসা এক ব্যক্তিকে নিয়ে যায়নি বলে বিক্ষোভ প্রদর্শনের বসে এলাকাবাসীরা. এলাকাবাসীর অভিযোগ ওই ব্যক্তির যদি করুণা সংক্রমিত হয়ে থাকে তাহলে পরিবারের সকলেরই সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান, তারই পরিপেক্ষিতে রাজধানী আগরতলা নেতাজি চৌমুনীস্থিত এম এল প্লাজার বিপরীত গলিতে বিক্ষোভ প্রদর্শনের বসে এলাকাবাসীরা. এলাকাবাসীর দাবি অতিসত্বর এলাকার গলিকে সেনেটাইজ করা এবং মহকুমা শাসক ও সদর মহকুমা শাসকের কাছে অনুরোধ জানান সংক্রমিত ওই ব্যক্তির পাশাপাশি পরিবারের লোকজনদের উদ্ধার করে নিয়ে গিয়ে তাদের কোয়ারান্টিনে রাখার জন্য, তা না হলে এই মহামারী এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এরা এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভে ফুটছে এলাকাবাসীরা.
চাষীদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়ের উপস্থিতিতে ঋণ প্রদান
by prasenjit
written by prasenjit
শনিবার উদয়পুর মহকুমাধীন হদ্রা গ্রাম পঞ্চায়েতে পাঞ্জাব ন্যাশানাল ব্যাঙ্ক, নাবার্ড এবং এফ পি ও এর যৌথ উদ্যোগে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন চাষীদের মধ্যে কে.সি.সি এবং জে.এল.জি ঋণ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি পরিবহন ও পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়, বিশিষ্ট সমাজসেবী অভিষেক দেবরায় , জীতেন মজুমদার সহ নাবার্ড, পাঞ্জাব ন্যাশানাল ব্যাঙ্ক এবং এফ পি ও এর কর্মকর্তারা। মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন উনার দৃঢ বিশ্বাস শনিবার যে সকল কৃষক ও কৃষক দলগুলি ঋণ নিয়েছেন তারা আগামীদিনে সফল হবেন এবং আগামীদিনে তারা সঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারবে এবং আবারও ঋণ নিয়ে ব্যবসায় প্রসার ঘটাতে পারবে। এদিন ঋণ পেয়ে বেজায় খুশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীরা।
ব্যবসার উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যে আসা ফেরিওয়ালা বাড়ি ফেরার ব্যবস্থার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিনম্র অনুরোধ রাখেন
by prasenjit
written by prasenjit
লক ডাউনের পূর্বে ত্রিপুরা রাজ্যে চৈত্র মাসে ব্যবসার উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কিছু ফেরিওয়ালা আসে, কিন্তু লক ডাউনের ফলে রাজ্যে এবছর চৈত্র সেলের ব্যবসা বাতিল হয়ে যায় এবং এরা বাণিজ্যের জন্য বেরোতে পারছেন না ঘর থেকে এবং বিভিন্ন সমাজসেবী সংস্থার পাশাপাশি রাজ্য সরকারের এএমসি দপ্তর থেকে দেওয়া খাদ্য সামগ্রী পেয়েছি চলেছে কিছুদিনের , আর এদিকে আম্ফান ঝড়ের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত তাঁদের বাড়িঘর তাই রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাদের একমাত্র বিনম্র অনুরোধ তাঁদের বাড়ি ফেরার জন্য ব্যবস্থা করে দেওয়া.
ভারত ও বাংলাদেশ দু দেশের মধ্যে নদীপথ ব্যবহারের মাধ্যমে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ার যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তার দরুন ত্রিপুরাবাসী যে উপকৃত হবে এবং দু দেশের মধ্যে যে মৈত্রীর বন্ধন আরো শক্তিশালী হবে তা বলাই বাহুল্য এবং রাজ্যের সোনামুড়ার দাউদ কান্দি রোডকে প্রোটোকল রোড হিসাবে মান্যতা দেওয়ার পর রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বিপ্লব কুমার দেবের স্বপ্ন পূরণ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আজ রাজ্যব্যাপী ৩০০০ বোথের অন্তর্গত এবং প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ড: মানিক সাহার উদ্যোগে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে ধন্যবাদ জ্ঞাপন কর্মসূচি. কেননা দু দেশের প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তাধারার ফলেই এই সুফল পেয়েছে রাজ্যবাসী বলে জানান তিনি .
আমফানের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পশ্চিমবাংলার বিপর্যস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পারফরম্যান্স দেখে খুশি প্রধানমন্ত্রী
by prasenjit
written by prasenjit
করোনা ভাইরাসের সংকটের মধ্যেও আমফান মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পারফরম্যান্স দেখে খুশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার হেলিকপ্টারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে নিয়ে দুই ২৪ পরগনার বিপর্যস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন মোদী। সঙ্গে ছিলেন আরও চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এর পরে বসিরহাট কলেজে বৈঠক করেন। সেখানেই রাজ্যকে এক হাজার কোটি টাকা অর্থ সাহায্য ঘোষণার পাশাপাশি মোদী বলেন, “কোভিডের সঙ্গে লড়াই করতে গেলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আবার আমফানের সঙ্গে লড়াই করতে গেলে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এরকম কঠিন পরিস্থিতিতে মমতাজির নেতৃত্ব পশ্চিমবঙ্গ খুব ভালো লড়াই করছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা সবাই ওঁদের সঙ্গে রয়েছি।”প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে ঘূর্ণঝড়ের দাপটে কমপক্ষে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের পরিবারবর্গকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তরফে আমি সমবেদনা জানাচ্ছি।”তিনি আরও বলেন, “এটা বড় সংকটের সময় রাজ্যের কাছে। আমি মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের সঙ্গে অনেকটা এলাকা ঘুরে দেখলাম। এখন বাংলার পুনর্গঠন দরকার। আশা করব খুব তাড়াতাড়ি সেই লড়াইয়ে জয় পাবে রাজ্য।”সেইসঙ্গে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনদের বলছি, এই কঠিন সময়ে কেন্দ্র আপনাদের পাশে রয়েছে।” এদিন রাজা রামমোহন রায়ের জন্মদিন। সেকথা উল্লেখ করে মোদী বলেন, “এমন মহান মানুষের জন্মদিনে বাংলায় আসতে পেরে আমি গর্বিত। এখন আশা করি রামমোহন রায়ের আশীর্বাদে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে বাংলা।”
করোনা স্টেটাস রিভিউ এবং পরবর্তীতে করোনা সংক্রমন বৃদ্ধিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে রিভিউ মিটিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী
by prasenjit
written by prasenjit
শুক্রবার আগরতলা জেলা শাসকের কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথের উপস্থিতিতে একটা রিভিউ মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়, এদিনের মিটিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী রাজ্য স্তরে, জেলা স্তরে, ব্লক স্তরে, এএমসি স্তরে, পৌরসভা স্তরে, নগর পঞ্চায়েত স্তরে, ওয়ার্ড স্তরে, জেলা শাসক, সদর মহকুমা শাসক, বিধায়ক রতন চক্রবর্তী, বিধায়ক সুরজিৎ দত্ত ও জেলা সভাধিপতি দের নিয়ে ” করোনা মনিটরিং এন্ড আয়ার্নেস কমিটি” গঠন করা হয়েছে বলে জানান. এদিনের মিটিংয়ের মূলত রাজ্যের করোনা স্টেটাস রিভিউ সংক্রান্ত বিষয়ে ও রাজ্যে যদি করোনা সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ে তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়. তাছাড়া করোনা সংক্রমণ রোধ শুধু প্রশাসন নয় জনসাধারণকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেন তিনি এবং বহিঃরাজ্য থেকে রাজ্যের ছেলেমেয়েরা যারা আসছেন ও যাদেরকে হোম কোয়ারান্টিনে রাখা হচ্ছে তারা যদি ফোনের মাধ্যমে সরকারি সাহায্য চায় রাজ্য সরকার তাঁদের সাহাযার্থে অবশ্যই এগিয়ে আসবে বলে জানান তিনি.
আজ আগরতলা এয়ারপোর্টে দেশের রাজধানী দিল্লি ও বাণিজ্য নগরী মুম্বাই থেকে দুটি ফ্লাইট আসবে এবং এই দুটি ফ্লাইটেই ওএনজিসি কর্মচারীদের নিয়ে আসা হয় জানান বিমান দপ্তরের আধিকারিক. পাশাপাশি এই দুটি ফ্লাইট আগরতলা থেকে কিছু যাত্রী নিয়ে দিল্লি ও মুম্বাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পথে ডিব্ৰুগড় বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন এবং সেখান থেকেও কিছু যাত্রী নিয়ে উল্লেখিত লক্ষের উদ্দেশ্যে রওনা হবে বলে জানান তিনি.
১০৩২৩ শিক্ষকদের চাকুরীচ্যূতির পর তাদের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এক কর্মসূচির আয়োজন করেছে. এই কর্মসূচি মূলত সরকার আমাদের চাকরি ফিরিয়ে দাও এবং প্রতিশ্রতি পালন করো এই দুটি দাবির ভিত্তিতে করা হয়েছে. এই কর্মসূচিতে ১০৩২৩ এর শিক্ষকরা নিজে বাড়িতেই সামাজিক দূরত্ব বজায়ের মাধ্যমে পরিবারের লোকজনদের নিয়ে নিজের বর্তমান অবস্থা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রকাশ করে নিজ নিজ সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট এ পোস্ট করবেন এবং আজকের এই কর্মসূচি থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে এরা বলেন যে এই লক ডাউনে খোলামেলাভাবে আন্দোলনে জড়ো হতে না পারলেও আমরা কিন্তু বসে নেই প্রতিনিয়তই লক ডাউনের নিয়মনীতি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি
