রাজ্য সরকার গৃহহীন রিকশাও শ্রমিক ও ভবঘুরুদের জন্য দিনে দুবার খাবারের বেবস্থা করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হলো। বৃহস্পতিবার আগরতলা পুরো নিগমের কমিশনার শৈলেশ কুমার যাদবের তত্ত্বাবধানে একটি দল গৃহহীন মানুষদের মাঝে রাতের খাবার তুলে দিলো।পাশাপাশি প্রতিবেশী রাজ্যের পশ্চিম বাংলা সরকার জনগণের স্বার্থে যে যে পদক্ষেপ নিচ্ছেন তদ্রুপ আমাদের ছুট্ট রাজ্য ত্রিপুরার সরকার ওহ জনগণের স্বার্থে এবং গরিব মানুষদের পাশে থাকার ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা দেখে যেমন খুশি গৃহহীনরা তেমনই খুশি রাজ্যের শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষরা ।
Monthly Archives
March 2020
রাজ্যে করোনা আতঙ্কের মাঝে রানীর বাজার পিএস এলাকার স্টেট ব্যাঙ্কের এটিএম এ টাকা ফেলতে আসা এটিএম কর্মীদের উপর স্থানীয় যুবকদের আক্রমণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ দেখাচ্ছে এটিএম কর্মীরা। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে লক ডাউনে কর্মরত আরক্ষা কর্মী যখন পেট্রোলিং করছিলেন তখন তাদেরকে দেখে ঘটনার কারণ জানতে চাইলে তাদের দেওয়া বক্তব্যের পর পুলিশ সর্ব প্রথম এনিয়ে ঐ যুবকদের বিরুদ্ধে রানীবাজার পুলিশ স্টেশনে মামলা করার জন্য বলেন তারপর পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের আশ্বাস দেন ।
আগরতলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মকর্তারা মাস্ক তুলে দেয় রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের হাতে ।
by prasenjit
written by prasenjit
মহামারী করোনা ভাইরাসের আতংকে গোটা বিশ্ব। এরফলে দেশের প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে লক ডাউন ঘোষনা দেয়, বৃহস্পতিবার লক ডাউনের তৃতীয় দিনে এক অন্য চিত্র দেখা গেলো রাজধানীতে । এই প্রথম কুনো ডায়াগনস্টিক সেন্টার তথা আগরতলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্যোগে রাজ্য প্রশাসনের সি আই ডি ব্রাঞ্চ ও পুলিশ সুপারের আধিকারিকদের হাতে তুলে দেয় মাস্ক। এসময়ের মধ্যে প্রশাসন যেভাবে কাজ করে চলেছে আগামীতেও এই ভাবেই যেন কাজ করে ও সুস্থ থাকে তার আশা প্রত্যাশা রেখে আজকে এই উদ্যোগ বলে জানায় আগরতলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মকর্তারা।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সাহায্যার্থে হাত বাড়ালেন সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক
by prasenjit
written by prasenjit
মহামারী করোনা ভাইরাস আতংকে যখন রাজ্যের মানুষের অবস্থা নাজেহাল, ঠিক তখনি মানুষের উদ্যেশে কিছুটা সস্তির বার্তা দিলো সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক। উল্লেখ্য সাংসদের তত্ত্বাবধানে ৪টি জেলা রয়েছে সেই ৪টা জেলাতে মহকুমা শাসকের হাত দিয়ে সাংসদ উন্নয়ন তহবিল থেকে ৫০লক্ষ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষনা দেন। যথাক্রমে সদর ডিস্ট্রিক্ট ২৫লক্ষ , সাউথ ডিস্ট্রিক্ট ৫লক্ষ , গোমতী ডিস্ট্রিক্ট ৬লক্ষ , সিপাহীজলা ডিস্ট্রিক্ট ১৪লক্ষ , করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে নিজ কেন্দ্রের মানুষের রক্ষার জন্য এই অনুদান বলে জানিয়েছেন সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক ।
করোনা ভাইরাস নিয়ে জনসচেতনতা বারাতে দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রশাসনিক স্তরের কর্মকর্তারা চেষ্টা করে চললেও মানুষের মধ্যে যেন কুনো আক্কেলই নেই । ঘটনার বিবরনে জানা যায় গতকাল লক ডাউনের দ্বিতীয় দিনে পুলিশের ভূমিকা হিংসাত্মক ছিল, তা সত্ত্বেও আজ লক ডাউনের তৃতীয় দিনে পুলিশের ভূমিকা ছিল নম্রণীয় ও লক্ষনীয় পুলিশ মাঠে নেমে লক ডাউন নিয়ে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করলেও কুনো হেলদোল পরিলক্ষিত হলোনা জনগণের মাঝে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেলো জনগণের ভিড়।
২১দিনের লক ডাউন চলা কালীন রাজ্য সরকার গৃহহীন, শ্রমিক, রিকশাচালক, এবং গরিব জনগণকে রান্না করা খাবার বিতরণ করবে। রাজ্যের বিভিন্ন স্থানের নির্দিষ্ট জায়গায় সেই খাদ্য রান্না করার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং চারটি গাড়ির মাধ্যমে এই খাদ্যের পেকেটগুলো দিনে দুইবার করে প্রত্যেকদিন বিতরন করা হবে। মহিলা স্বসহায়ক দলের সদস্যরা এই রান্না করার কাজ করবেন। লক ডাউনের নিয়ম মেনেই খাদ্য বিতরন করা হবে।
করোনা মোকাবেলায় অৰ্থ সাহায্য করলেন ত্রিপুরা হাই কোর্টের বিচারপতি অরিন্দম লোধ। নিজের ১মাসের বেতন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিল ও টি এম সিতে বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয় করার জন্য এই অৰ্থ সাহায্য প্রদান করেন। তিনি এইধরণের সহায়তার হাত বাড়িয়ে বিভিন্ন স্বেচ্ছা সেবী সংঘটন ও ব্যক্তিবর্গ এগিয়ে আসোক চাইছেন শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ।
২১দিনের লক ডাউন ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর রাজপথে অকারণে বের হওয়া অতি উৎসাহীদের উপরে ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করে পুলিশ। পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন এলাকায় লক ডাউন ভঙ্গ কারীদের ঘর মুখো করতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে পুলিশ, টি এস আর,এবং সি আর পি এফ বাহিনী ।
যে জাগায় রাজ্য সরকার ১০৩২৩ শিক্ষকদের নিয়ে মানবিক দিক দিয়ে কিছু একটা করার জন্য ভাবছিলো , ঠিক তখনই আন্দালনমুখী হলো আমরা ১০৩২৩ শিক্ষক সংগঠনের । গতকালই তাদের আন্দোলনের কর্মসূচি অনুযায়ী গন-বস্থানে বসার কথা ছিল কিন্তু তাদেরই আরেকটি সংগঠনের কর্মসূচি চলায় গত কাল তারা বসতে পারেনি তাই আজকে গণ-বস্থান করতে গেলে তাদের প্রশাসনের তরফে উচ্ছেদ করে তাদেরকে গন-বস্থান স্থল থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে । পাশাপাশি গোপন সূত্রের খবর আন্দোলনকারী শিক্ষকদের মেলারমাঠের ছাত্র যুব ভবন থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছিলো বলেও জানা যায় ।
করোনা ভাইরাস নিয়ে একদিকে যখন মুখ্যমন্ত্রী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে অন্য দিকে পিছিয়ে নেই বিজেপি সদর জেলাও
by prasenjit
written by prasenjit
মহামারী করোনা ভাইরাসকে কেন্দ্র করে ৯বনমালিপুর বিধানসভা এলাকার ৩১নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত এলাকাবাসীদের সচেতনতার জন্য সদর বিজেপি জেলার উদ্যোগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বার্তাপত্র বিলি করেন। এদিন এই সচেতনতামূলক শিবিরে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা, সদর আরবান জেলা সভাপতি ডঃ অলক ভট্টাচার্য্য ও পার্টির অন্যান্য কার্য্য কর্তারা, মূলত এই শিবিরের মূলউদ্দেশ্য এক ত্রিপুরা সুস্থ ত্রিপুরা ও শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা ঘটান করা।
