Connect with us

প্রধানমন্ত্রীর মার্গদর্শনে প্রবর্তিত জাতীয় শিক্ষানীতির মাধ্যমে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রেও আমূল পরিবর্তন এসেছে: মুখ্যমন্ত্রী

Published

on

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত ছাত্রছাত্রীরাই আগামীদিনে দেশের মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে। তাই পড়াশোনার কোন বিকল্প নেই। আজ বিশালগড় মহকুমার পূর্ব গোকুলনগরস্থিত লিপিকা দাসগুপ্ত মেমোরিয়াল স্কুলের (ইংরেজি মাধ্যম) চতুর্থ প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মার্গদর্শনে প্রবর্তিত জাতীয় শিক্ষানীতির মাধ্যমে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রেও আমূল পরিবর্তন এসেছে। এছাড়াও রাজ্য সরকার সুপার ৩০ প্রকল্প, আরক্ষা দপ্তরের ছেলেমেয়েদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মেধা পুরস্কার, ট্যালেন্ট সার্চ প্রোগ্রাম, বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন বৃত্তিমূলক শিক্ষা, স্মার্ট ক্লাস, বিভিন্ন জায়গায় ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয় স্থাপন, বন্দে ত্রিপুরা চ্যানেল, পিএম-জনমন প্রকল্প, বিনামূল্যে ছাত্রীদের মধ্যে বাইসাইকেল বিতরণ সহ বহুবিধ কর্মসূচি চালু করেছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের ঐতিহ্য ও পরম্পরাকে সামনে রেখে লিপিকা দাসগুপ্ত মেমোরিয়াল বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে ইংরেজি ও বাংলা ভাষার পাশাপাশি ককবরক ভাষার সংযোজনে ছাত্রছাত্রীরা তিনটি ভাষাই শিখতে পারবে এবং জাতি-জনজাতির সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা বলেন, এই বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে ককবরক ভাষার সংযোজন অবশ্যই সাধুবাদযোগ্য। তিনি বলেন, ককবরক ভাষার পাশাপাশি বাংলা এবং ইংরেজি ভাষার সংমিশ্রণে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে একদিকে যেমন সুসম্পর্ক তৈরি হবে অন্যদিকে ছাত্রছাত্রীরা তিনটি ভাষা শিখতে পারবে। তিনি এই বিদ্যালয়ের আরও গৌরবোজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সার্থকতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লিপিকা দাসগুপ্ত মেমোরিয়াল স্কুলের ট্রাস্টি ডা. গৌরব দাসগুপ্ত। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিপাহীজলা জিলা পরিষদের সভাধিপতি সুপ্রিয়া দাস (দত্ত), বিধায়ক অন্তরা সরকার দেব, বিধায়ক সুশান্ত দেব, লিপিকা দাসগুপ্ত মেমোরিয়াল স্কুলের এমডি ডা. আলেখ্য দাসগুপ্ত প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন লিপিকা দাসগুপ্ত মেমোরিয়াল স্কুলের ট্রাস্টি ডা. অলিভিয়া দাসগুপ্ত।