Connect with us

Uncategorized

রাজ্যে সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে ককবরক ও অন্যান্য ৭টি সংখ্যালঘু ভাষা বিষয় হিসেবে পড়ানো হয় : মুখ্যমন্ত্রী

Published

on

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
রাজ্যের সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে ককবরক, চাকমা, হালাম, মগ, গারো, কুকি, মিজো, মণিপুরী ও বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের ভাষা একটি বিষয় হিসেবে পড়ানো হয়। আজ বিধানসভা অধিবেশনে উল্লেখ পর্বে জনস্বার্থে আনা বিধায়ক প্রমোদ রিয়াংয়ের একটি নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা জানান। বিধায়ক প্রমোদ রিয়াংয়ের মূল নোটিশটি ছিল ত্রিপুরায় সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে ব্লু ভাষাভাষী ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে ব্লু ভাষায় পাঠ্যক্রম চালু করার সুবিধা সম্পর্কে।
বিধায়কের নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে ককবরক ও অন্যান্য ৭টি সংখ্যালঘু ভাষা যেমন চাকমা, হালাম, মগ, গারো, কুকিমিজো, মণিপুরী, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী একটি বিষয় হিসেবে পড়ানো হয়ে থাকে। এই সকল ভাষার প্রথম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তক রাজ্য স্টেট কাউন্সিল অব এডুকেশন্যাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং থেকে প্রদান করা হয়। তাছাড়া, নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তক (বর্তমানে ককবরক ও কুকি-মিজো ভাষার) ককবরক ও অন্যান্য সংখ্যালগু ভাষা দপ্তর থেকে বিনামূল্যে ছাত্রছাত্রীদের প্রদান করা হয়।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের ৯টি জনজাতি গোষ্ঠী রয়েছে, যারা ককবরক ভাষার ৯টি ভিন্ন উপভাষার অন্তর্গত। এরা হলো দেববর্মা, রিয়াহ্ জমাতিয়া, ত্রিপুরী, রূপিণী, মুড়াসিং, উচই, নোয়াতিয়া, কলই। এই বিষয়ে উল্লেখযোগ্য যে ককবরক ও অন্যানা সংখ্যালঘু ভাষা দপ্তরের অধীনে একটি ককবরক উপভাষা সমার্থকোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে ককবরক ভাষার অন্তর্গত প্রতিটি গোষ্ঠীর উপভাষা পার্থক্য পৃথক শব্দ ধরে ধরে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উপরে উল্লেখিত প্রতিটি জনজাতি গোষ্ঠীর ভাষা যেহেতু ককবরক ভাষার উপভাষা হিসেবে পরিগণিত তাই ব্লু ভাষাকে আলাদা ভাষা হিসেবে ত্রিপুরায় সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে এখন পর্যন্ত চালু করার পরিকল্পনা করা হয়নি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্লু ভাষার পৃথক স্বীকৃতির উত্থাপিত দাবিমূলে শিক্ষা দপ্তরের অধীনে ব্লু ভাষার পৃথক স্বীকৃতি প্রদান ও পৃথক ভাষা হিসেবে সরক বিদ্যালয়ে চালু
করার যৌক্তিকতা বিচার বিবেচনা করে দেখার জন্য শিক্ষা দপ্তর থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই কমিটি উক্ত বিষয়ে কোনও রিপোর্ট প্রদান করেনি এবং এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।