Connect with us

Uncategorized

পুলিশের উর্দি পরে বেলাল্লাপনা মাথা ফাটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিয়েছে দুই মহিলার

Published

on

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পুলিশের উর্দি পড়ে এক গাড়িচালকের গুন্ডাগিরি।শ্লীলতাহানি করে মাথা ফাটিয়ে দিল মহিলার। হাত ভেঙ্গে দিয়েছে দুই জনের। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইছে সাধারণ মানুষ। দেখার বিষয় কি ভূমিকা নেয় আমতলী থানার পুলিশ। পুলিশের গাড়ির ড্রাইভার নিজের প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় ত্রাস চালাচ্ছে হর লাল সাহা নামে এক ব্যক্তি। এলাকায় সবাই তাকে হারু সাহা নামে চেনে। ঘটনার বিবরণে জানা গেছে ২৫ অক্টোবর সাইক্লোনের ফলে নিজের বাড়ির কাজ নিজের বাড়ির গাড়ীর উপর ভেঙ্গে পড়েছিল এই গাছগুলো কেটেছিলেন জায়গার মালিক অঞ্জনা ধর নামে এক মহিলা। কেন এই গাছ কেটেছে সেই বিষয় নিয়ে পুলিশের ড্রাইভার হারু লাল সাহা মহিলাকে শ্লীলতাহানি করে মাথা ফাটিয়ে হাত ভেঙ্গে দেয়। সঙ্গে মহিলার মায়ের হাত ভেঙ্গে দেয়। আক্রমণ করে মহিলার এক নাবালক ছেলের উপর। এই আক্রমণে হারুলাল সাহা সহ তার ছেলে দেবযান সাহা ও ভাই অমৃত সাহা জড়িত। পাষণ্ড পুলিশ ড্রাইভার আক্রমণ করেছে 18 বছরের এক ছেলের উপর। বেধড়ক মারে হতভম্ব হয়ে পড়ে ছেলেটি
হারু লাল সাহার নামে আরও অভিযোগ, এলাকায় কোনো ঘটনা ঘটলেই সে পুলিশের ড্রেস পড়ে গিয়ে দাদাগিরি করে। সাধারন মানুষদের পুলিশের ভয় দেখিয়ে নিজেকে বীরপুরুষ বলে পরিচয় দেয়। আক্রান্ত মহিলা বর্তমানে পুলিশের কাছে সুবিচার প্রার্থনা করেছে। তার বক্তব্য সে যাতে আর কোনও অবলা মহিলার উপর আক্রমণ সংঘটিত করার সাহস না দেখায়। বর্তমানে সম্মিলিত এলাকাবাসী পুলিশের ভূমিকার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। এই মামলায় পুলিশ কি ধরনের ভূমিকা গ্রহণ করে তার উপর নির্ভর করে এলাকার সাধারণ মানুষ পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানা যায়। পুলিশের উর্দি পড়ে এ ধরনের বেলাল্লাপনার বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে সেটাই এখন দেখার।