Connect with us

Uncategorized

২০২৩ নির্বাচনে আবারো ফিরছে বিজেপি, জোটের ইঙ্গিত প্রদ্যুৎ এর,…বিস্তারিত পড়ুন

Published

on

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কোন জুমলা বাজির ফাঁদে পড়তে রাজি নই। এতটা বেয়াকুব নয় তিপরা মথা। গ্রেটার তিপরা ল্যান্ড পাওয়া যাবে, এমন লিখিত সুনিশ্চিত কাগজ পেলে তবেই সমঝোতা। মথা কখনো সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি রাখেনা। আমরা চাই তিপ্রাসার সাংবিধানিক অধিকার, বাঁচা এবং অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম এটা। আগামী নির্বাচনেও লড়বো এই লক্ষ্যেই। শনিবার উত্তর গেট মানিক্য কোর্টে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এভাবেই নিজের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে আবারও স্পষ্টীকরণ দিলেন মথার চেয়ারম্যান প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মা। 2023 সালে নির্বাচন 20/25 জন প্রার্থীর জন্য নির্বাচন নয়। এই নির্বাচন হবে 13 লাখ তিপ্রাসার সাংবিধানিক অধিকারের জন্য। এটা কোন প্রার্থীর লড়াই নয়। এই ফাইট হবে বেঁচে থাকা এবং অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামের জন্য। তিপ্রাসা পাবলিক কিছু ডিমান্ড করছে। সেটাকে আগে রাখা হচ্ছে। প্রার্থীকে নয়। আমি নিজেও এই নির্বাচনে লড়াই করছি না। সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন মথার চেয়ারম্যান প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মা। তিপরা মথার সঙ্গে গ্রেটার তিপরা ল্যান্ড নিয়ে শুধু রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কথা বললে হবে না। কথা বলতে হবে জনজাতিদের বিভিন্ন কমিউনিটির প্রধানদের সঙ্গে , ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে যেমনটি নাগাল্যান্ডে নাগা হো হো-র সঙ্গে সরকার কথা বলে থাকে। আমি এটা হবে দীর্ঘ সময় টেনে নিয়ে যেতে পারবো না আর আমার লোকেদের সাথে প্রতারণা করতে পারবোনা। আমরা চাই এর চূড়ান্ত সমাধান। দৃঢ়তার এ মন্তব্য করেন মথার চেয়ারম্যান প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মা।এটা ঠিক যে দুই দফায় বামফ্রন্ট রাজ্যের ক্ষমতায় ছিল 35 বছর। এ ডি সি নিয়ে সবচেয়ে বেশি সরব ছিল সি পি আই এম। শক্তপোক্ত একটা ভোট কলোনি সেখানে তারাই তৈরি করেছিল। এ ডি সি-তেও বামফ্রন্ট বেশ কয়েকবার ক্ষমতায় ছিল। সি পি আই এম নেতারা আজও জনজাতি দরদে বিগলিত প্রাণ। তাহলে তাদেরকেই বঞ্চনার অভিযোগের জবাব দিতে হবে এ ডি সি-র উন্নয়নের বিষয়ে।