জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কুমারঘাট মহকুমার অন্তর্গত ফটিকরয় বিধানসভা এলাকায় সাম্প্রতিক হিংসা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাল ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র প্রবীর চক্রবর্তী অভিযোগ করেন, ওই এলাকায় একটি নির্দিষ্ট সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষই মূলত সহিংসতার শিকার হয়েছেন।
প্রবীর চক্রবর্তীর দাবি, ঘটনার সূত্রপাত হয় স্থানীয় এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে। দরিদ্র কাঠমিস্ত্রি মোসাব্বির আলিকে নির্দিষ্ট অঙ্কের চাঁদা দিতে বলা হলে তিনি আর্থিক অক্ষমতার কথা জানিয়ে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তবে আয়োজক কমিটির এক স্বেচ্ছাসেবক তা গ্রহণে অস্বীকার করলে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
কংগ্রেস মুখপাত্রের অভিযোগ, ওই ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রং দেওয়া হয় এবং এরপরই উন্মত্ত জনতা এলাকায় তাণ্ডব চালায়। মোসাব্বির আলি, লিয়াকত আলি-সহ তাঁদের প্রতিবেশীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এমনকি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি ধর্মীয় স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের চেষ্টাও চালানো হয় বলে অভিযোগ।
এই ধরনের হামলাকে রাজ্যে ‘ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েমের সুপরিকল্পিত চক্রান্ত’ বলে মন্তব্য করেন প্রবীর চক্রবর্তী।
এদিকে, এমজিএনরেগা প্রকল্প নিয়েও রাজ্য বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য কার্যালয় ও সচিবালয়ে পরপর দুটি সাংবাদিক সম্মেলনে আইনের কেবল আংশিক দিক তুলে ধরা হয়েছে, অথচ মূল বিষয়গুলি আড়াল করা হয়েছে।
প্রবীর চক্রবর্তীর বক্তব্য, এমজিএনরেগা প্রকল্পে কাজের আইনি নিশ্চয়তা থাকলেও তার বিকল্প হিসেবে যে ব্যবস্থা আনা হয়েছে, তা সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের প্রয়োজন পূরণে ব্যর্থ। পাশাপাশি বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এমজিএনরেগা খাতে বরাদ্দ ধারাবাহিকভাবে কমছে বলেও তিনি দাবি করেন।


Leave feedback about this