জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- স্বামী ও তার বন্ধুদের দ্বারা গনধর্ষনের শিকার ৭৫ শতাংশ বিকলাঙ্গ স্ত্রী। আমতলী থানায় ৬জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের। গ্রেপ্তার বর্বরোচিত ঘটনার মূল অভিযুক্ত স্বামী। ঘটনা আমতলীর চৌমুহনী বাজার এলাকায়। তবে গনধর্ষনের কাণ্ডের দুইমাস পর কেন মামলা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আধুনিক তথা কথিত সমাজে বর্বরোচিত ঘটনা সামনে এলো। স্বামী দ্বারা গনধর্ষনের শিকার ৭৫ শতাংশ বিকলাঙ্গ স্ত্রী।
এই অভিযোগে ৬জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের। তবে ঘটনার দুই মাস পর মামলা দায়ের নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। দিব্যাঙ্গ স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় স্বামীকে। আগরতলা শহরতলির যোগেন্দ্রনগর এলাকার রঞ্জিত দে’র ছেলে সুব্রত দে আমতলীর চৌমুহনী বাজার এলাকার এক মেয়েকে বিয়ে করে শ্বশুর বাড়িতে ঘর জামাই হিসাবে বসবাস করত। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ৫ তারিখ সুব্রত দে তার বেশ কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে মদের আসর জমায়।
সুব্রত দে সহ তার বন্ধুরা আকণ্ঠ মন্ত্যপান করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দীব্যাঙ্গ গৃহবধুর উপর জোরপূর্বক ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পরিবার ও স্ত্রীর। গত ১৪ মার্চ ধর্ষিতা গৃহবধূর পিতা অভিযুক্ত সুব্রত দে সহ সাতজনের বিরুদ্ধে আমতলী থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করে। আমতলী থানার পুলিশ মামলা নিয়ে তদন্তে নামে। আমতলী থানার সাব-ইন্সপেক্টর সুস্মিতা দেবনাথ এই মামলার তদন্ত শুরু করে। এই ধর্ষণের মামলার তদন্তক্রমে পুলিশ মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত স্বামী সুব্রত দেকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনার সাথে জড়িত বাকি ছয় জন পলাতক বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
বুধবার আগরতলা পুর নিগম থেকে ফরম দেওয়া হয়। দাবিদার অনেক বেশি সংখ্যায় থাকায় অধিকাংশ বেবসায়ীরাই টোকেন পাননি। তাই যারা পাননি তাদের একটি অংশ এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে যান। উদ্দেশ্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানানো। যদিও পুলিশের তৎপরতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। ক্ষুদ্র বেবসায়ীরা সেখানেই বিক্ষোভ দেখান।
Leave feedback about this