জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগরতলা শহরের লাইট হাউস প্রকল্প নিয়ে বড় ধরণের অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। ২০২২ সালের অক্টোবর মাসের মধ্যে বেনিফিসিয়ারিরা ফ্ল্যাট পাওয়ার কথা।
কিন্তু আজ পর্যন্ত ৪০ শতাংস কাজও এগোয়নি। শেষ পর্যন্ত গ্রাহকরা মঙ্গলবার ত্রিপুরা আরবান প্লানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির অফিস ঘেরাও করেন। আগরতলা শহরের বর্ডার গোল চাক্কার এলাকায় বেশ ঘটা করে লাইট হাউস প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। প্রায় ১ হাজার পরিবারকে সেখানে জায়গা দেওয়ার কথা।
কমকরেও প্রায় পাঁচশো পরিবার অনেক আগেই টাকা জমা দিয়েছে। তাদের বলা হয়েছিল ২০২২ সালের অক্টোবর মাসের মধ্যে ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। কিন্তু আশ্চরে্যর বিষয় হচ্ছে এখন পর্যন্ত লাইট হাউস প্রকল্পে ৪০ শতাংস কাজও এগোয়নি বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় মহা ফাঁপরে পড়েছেন বেনিফিসিয়ারিরা।
কবে নাগাদ তারা ফ্ল্যাট হাতে পাবেন তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। শেষ পর্যন্ত গ্রাহকরা মঙ্গলবার ত্রিপুরা আরবান প্লানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির অফিস ঘেরাও করেন। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের কাছে তারা জানতে চান কেন লাইট হাউসের কাজ এগোচ্ছে না ?কোথায় সমস্যা? তারা এখন কি করবেন? অনেক গ্রাহক লাইট হাউসের জন্যে টাকা দিয়েও এখন ভাড়া বাড়িতে থাকছেন।
এই প্রকল্পের কাজ ঝুলে থাকায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তাদের কপালে। এদিকে ত্রিপুরা আরবান প্লানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির এক আধিকারিক জানান, ত্বদ্রস্তুত্ম এর কারণে অনেকটা সময় নষ্ট হয়েছে। তা ছাড়া যে খানে এই প্রকল্পের কাজ হচ্ছে সেখানে জায়গার কারণে খরচ অনেকটা বেডে গেছে। তাই নতুন করে অর্থ বরাদ্দের জন্যে চাওয়া হয়েছে।
চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি। একটি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের যদি এই হাল হয় তাহলে কি আর বলার আছে। এখন কবে নাগাদ এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয় সেটাই বড় বিষয়।
গ্রাহকদের অনেকে এই প্রকল্পে বড়সড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন। তাদের বক্তব্য, দেশের ছয়টি রাজ্যের মধ্যে পাঁচটি রাজ্যেই বেনিফিসারীদের হাতে লাইট হাউসের ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হয়েছে। তাহলে ত্রিপুরায় কেন নির্দিষ্ট মেয়াদের প্রায় তিন বছর পরও প্রকল্পের কাজ শেষ হচ্ছে না।
Leave feedback about this