2025-04-04
Ramnagar, Agartala,Tripura
রাজনৈতিক রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার জমি কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ প্রদেশ কংগ্রেসের

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার জমি কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একটি জমি সংক্রান্ত মামলার মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। ঘটনাটি ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর। ওই দিন তৎকালীন সিপাহীজলার জেলা শাসক ডক্টর বিশাল কুমার একটি জমি সংক্রান্ত কেলেঙ্কারির ঘটনায় উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে রাজস্ব দপ্তরের উপসচিবকে জানিয়েছিলেন।

এই রাজস্ব দপ্তর রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। আশ্চরে‍্যর বিষয় হলো এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তর কোনো ব্যবস্থা নেয় নি। উল্টো দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকদের পদোন্নতি দেওয়া হয়। আর ওই জেলা শাসককে বদলি করে দেওয়া হয়। এই অভিযোগ তুলেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা। তিনি এই ঘটনার জন্যে মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করে প্রশ্ন তুলেন কেন মুখ্যমন্ত্রী কোনো ব্যবস্থা নিলেন না ?কেন বিষয়টি চেপে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন ? একের জমি অন্যের নামে হস্তান্তরের এত বড় দুর্নীতি কিভাবে তিনি চেপে গেলেন গতাই প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয় এই জমি কেলেঙ্কারির ঘটনায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যে।

অন্যথায় দল বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বলে হুঁশিয়ারি দেন পিসিসি সভাপতি। বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রী বিধায়করা বরাবরই দাবি করে থাকেন রাজ্যে স্বচ্ছতা সরকার চলছে। কোনো রকম দুর্নীতিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। তাদের কথায় ট্রান্সপারেন্ট সরকার। অথচ দেখা যাচ্ছে জেলা শাসক লিখিত দিয়ে রাজস্ব দপ্তরকে জমি কেলেঙ্কারির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা সত্বেও দফতর নীরব। রাজস্ব দপ্তরের দায়িত্বে রয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। ইদানিং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি বিভিন্ন দপ্তরে দুর্নীতির অভিযোগ তুলছে।

আর এক্ষেত্রে তাদের আরও অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকা দপ্তরগুলিতেই সবচাইতে বেশি দুর্নীতি হচ্ছে। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জমির দালালি, মাফিয়া সংস্কৃতি বন্ধ করার কথা বলেন, সেখানে তার দপ্তরই জমি মাফিয়াদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে রেখেছে বলে কংগ্রেসের এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে জানা গিয়েছে। এর পেছনে কী রহস্য, কেন অভিযুক্ত জমি মাফিয়াদের বিরদ্ধেব্যবস্থা নেওয়া হল না তা মুখ্যমন্ত্রী হয়তো বলতে পারবেন। কংগ্রেসের এই অভিযোগের পর তিনি এখন কোনো পারাহাগ দেন কি না সেটাই দেখার বিষয়।

    Leave feedback about this

    • Quality
    • Price
    • Service