Tag:
রাজনৈতিক
রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটেছে, জিডিপি বেড়েছে, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে: মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের সামগ্রিক বিকাশই বর্তমান সরকারের সর্বাধিক অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র। রাজ্যের সর্বত্র উন্নয়নের কাজ ধারাবাহিকভাবে চলছে। জাতি, জনজাতি, মহিলা, শিশু, প্রবীণ ব্যক্তিদের কল্যাণে এই সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্গদর্শনেই রাজ্যের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলছে বর্তমান সরকার ও প্রশাসন। বর্তমান রাজ্য সরকারের ২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আজ রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ড.) মানিক সাহা একথা বলেন।
বর্তমান সরকারের দু’বছর পূর্তির অনুষ্ঠান মঞ্চে মন্ত্রিসভার সদস্য কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ, অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহরায়, পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা মন্ত্রী টিংকু রায়, জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা, বনমন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা, সমবায় মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া, সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, সাংসদ কৃতিদেবী দেববর্মণ এবং রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক অমিতাভ রঞ্জন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিগণ জনকল্যাণমুখী রাজ্য সরকারের গত ২ বছরের সাফল্য সম্বলিত ১টি পুস্তিকা ও ফোল্ডারের আবরণ উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানের তাৎপর্য বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা, বর্তমান সরকারের গত দু’বছরের সফলতার জন্য সকলস্তরের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক আধিকারিক ও সাধারণ জনগণকে অভিনন্দিত করেন। বর্তমান রাজ্য সরকারের সাফল্যের খতিয়ান সমগ্র রাজ্যবাসীর কাছে উত্থাপন করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা বলেন, রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটেছে, জিডিপি বেড়েছে, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাজ্যের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু গড় আয় বেড়ে হয়েছে ১,৭৭,৭২৩ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৮২৮২ হাজার কোটি টাকা। সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস’র ক্ষেত্রে ত্রিপুরা ফ্রন্ট রানার স্টেট হিসাবে এগিয়ে যাচ্ছে। গত ৭ বছরে রাজ্যে নতুন ২০-২২টি প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে। ৩০টি জনমুখী নীতি প্রণয়ন ও সংশোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, পিএম কিষাণ সম্মান নিধি, পিএম উজ্জ্বলা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারতের মত কেন্দ্রীয় ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচিগুলির সঠিক ও সফল বাস্তবায়ণে রাজ্যের অনগ্রসর অঞ্চলগুলিতে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং দায়বদ্ধতাকে প্রযুক্তি নির্ভর করে প্রশাসন পরিচালনার মাধ্যমে রাজ্যে নতুন যুগের সূচনা করেছে।
২০১৮-১৯ থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দপ্তরে (জানুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত) ১৬,৮৫১ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। ৫,৭৭১ জনকে আউটসোর্সিং ও চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়েছে। ত্রিপুরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন সহ অন্যান্য মাধ্যমেও অনেকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। বর্তমানে রাজ্যে বেকারত্বের হার জাতীয় গড় থেকে কম।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রশাসনিক বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে চালু করা প্রতি ঘরে সুশাসন কার্যক্রমে রাজ্যের প্রায় ২৩ লক্ষ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। জনগণের অভাব অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য ‘আমার সরকার’ পোর্টাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিভিন্ন রাজ্য সরকার প্রশংসা করেছে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা অনেকটা উন্নত হয়েছে। ফলে রাজ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত ইনভেস্টারস মীটে ৭৮৭ জন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে প্রায় ৩,৭০০ কোটি টাকার মৌ স্বাক্ষরিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় ৪ লক্ষ ৩০ হাজার জন উপকৃত হয়েছেন। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী জাতীয় সড়ক, জনজাতি কল্যাণ, পর্যটন, কৃষি, সামাজিক ভাতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজ্যের মহিলাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সরকার মহিলাদের ক্ষমতায়ণে সর্বদা সচেষ্ট। মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বর্তমানে রাজ্যে ৫৩,৬২৩টি স্বসহায়ক দল রয়েছে। যার সদস্য সংখ্যা ৪ লক্ষ ৮৪ হাজার। রাজ্যে বর্তমানে ৯১,৮৭১ জন লাখপতি দিদি রয়েছেন। ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার স্ব-সহায়ক দলের সদস্যার প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনা এবং ৩ লক্ষ ১৪ হাজার সদস্যা প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনার সুফল পাচ্ছেন। তাছাড়া মহিলাদের জন্য সরকারি চাকরিতে ৩৩ শতাংশ, সরকারি স্টল বিতরণে ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ, হোস্টেল নির্মাণ, পিঙ্ক টয়লেট নির্মাণ, উজ্জ্বলা যোজনায় ৩ লক্ষ ১২ হাজার গ্যাসের সংযোগ, প্রায় ১.২২লক্ষ নবম শ্রেণিতে পাঠরত ছাত্রীদের বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যের মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে বর্তমান সরকার যেসকল রাজ্য প্রকল্প বাস্তবায়িত করছে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, মুখ্যমন্ত্রী নগর উন্নয়ন প্রকল্প, মুখ্যমন্ত্রী ক্রীড়া উন্নয়ন প্রকল্প, মুখ্যমন্ত্রী স্টেট ট্যালেন্ট সার্চ প্রোগ্রাম, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিভাশালী পুরস্কার, মুখ্যমন্ত্রী প্রাণীসম্পদ বিকাশ যোজনা, মুখ্যমন্ত্রী মৎস্য বিকাশ যোজনা, মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক সহায়তা প্রকল্প ইত্যাদি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলনে, এনইসি প্ল্যানারী বৈঠক, জি-২০ এর মত কর্মসূচির সফল আয়োজন করা হয়েছে। রাজ্যের সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি থেকে কাটিয়ে উঠতে সরকার, প্রশাসন সর্বোপরি সাধারণ জনগণ মিশন মুডে কাজ করার ফলেই সামগ্রিক সফলতা এসেছে। উল্লেখ্য, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সরকারের উন্নয়নের রূপরেখা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র দেখানো হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যসচিব জে কে সিনহা বলেন, বর্তমান মন্ত্রিসভার প্রগতিশীল মার্গদর্শনে প্রশাসন কাজ করে চলেছে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনেকটা সহজতর করার ফলে রাজ্যে বর্তমানে বিনিয়োগ বেড়েছে। সরকার এবং প্রশাসন ঐক্যবদ্ধ মনোভাব নিয়ে কর্মপরিকল্পনা করার ফলে রাজ্য ও রাজ্যবাসীর কল্যাণে দ্রুত অনেক সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভবপর হচ্ছে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব ড. পিকে চক্রবর্তী।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- শনিবার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে নব নিযুক্ত পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে এক সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে নব নিযুক্ত পর্যবেক্ষকের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশিস কুমার সাহা এবং কংগ্রেস বিধায়ক সুদিপ রায় বর্মণ। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেস বিধায়ক শ্রী বর্মণ বর্তমান রাজ্য সরকারের দ্বীতিয় বর্ষপূর্তি উদযাপন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে তিনি বলেন বিজেপি বুঝে গেছে জনসমাবেশে ঘিরে জনগণের আগ্রহ কম তাই আহূত জনসমাবেশে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং চাপ সৃষ্টি করে জড়ো করার চেষ্টা করছে ।
পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য, বিরোধীরা উন্নয়ন নিয়ে অন্ধ হয়ে গেছে, এর পাল্টা জবাবে তিনি বলেন, দেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছে এবং জনগণ বিজেপি সরকারের প্রতি আরও আস্থা হারাচ্ছে। তাছাড়া বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শুধু দেশের ইতিহাস নিয়ে ব্যস্ত যে জায়গায় রাহুল গান্ধী দেশের ভবিষ্যতের দিকে চিন্তা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাসকে হাতিয়ার করে জয় লাভের চেষ্টা করছে শাসক দল বলে মন্তব্য করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেস বিধায়কের এহেন মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতির পারদ যে চরমে পৌছাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
জে পি নাড্ডা আসছেন আগামীকাল, সিপিএমের সমর্থকদেরও মাঠে আসার আহ্বান বিজেপি মুখোপাত্রের
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজধানীর স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে বিজেপির দ্বিতীয় সরকারের দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে যে সমাবেশ হতে চলেছে তা ঐতিহাসিক রূপ নেবে। কারণ ৭ বছরের উন্নয়নের কর্মযজ্ঞের ফল রাজ্যের প্রতিটি কোনায় কোনায় মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এই দাবি করলেন প্রদেশ বিজেপির মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী। সমাবেশের আগের দিন শনিবার দলের প্রদেশ কার্য্যলয়ে এই বিষয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি।
সকাল ১০ টায় সমাবেশ শুরু হবে। থাকবেন দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা সহ অন্যান্যরা। ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মাঠে স্বেচ্ছাসেবকরা থাকবেন। প্রতিটি বুথ থেকে কার্যকর্তারা আসবেন। যারাই সমাবেশে আসবেন তাদের কাছে তিনি দলের পক্ষ থেকে একটাই বার্তা দেন যেন সুশৃঙ্খল ভাবে নিরাপদে জনসভায় আসতে পারেন এবং পুনরায় বাড়িতে পৌঁছতে পারেন। তিনি এদিন বিরোধী সিপিএমের সমালোচনা করতেও ছাড়েননি।
তবে জেপি নাড্ডা আসবেন বলে সিপিএম যে প্রচার করছে তাকে অবশ্য ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে স্বাগত জানান। সিপিএমের সমর্থকদেরও মাঠে আসার আহ্বান জানান সুব্রত বাবু। এদিকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সকল অংশের মাতৃ শক্তিকে দলের পক্ষ থেকে এদিন শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস পালন করলো সিটু অনুমোদিত সারা ভারত শ্রমজীবী নারী সমন্বয় কমিটি
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ১৯১০ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়। তার পরের বছর ১৯১১ সালের ৮ মার্চ থেকে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বলেছেন বামপন্থী নারী নেত্রী পাঞ্চালি ভট্টাচার্য। শনিবার আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস পালন করলো সিটু অনুমোদিত সারা ভারত শ্রমজীবী নারী সমন্বয় কমিটি। এই উপলক্ষে অনুষ্ঠান হয় সিটুর রাজ্য কার্যালয়ে।
তাতে উপস্থিত ছিলেন সিটুর রাজ্য সম্পাদক শঙ্কর প্রাসাদ দত্ত, রাজ্য সভাপতি মানিক দে, নারী নেত্রী পাঞ্চালি ভট্টাচার্য সহ অন্নান্নরা। পাঞ্চালি ভট্টাচার্য তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস উদযাপনের প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, আমেরিকার নিউয়র্ক শহরে পোশাকের কারখানার মেয়েরা ৮ ঘন্টাকাজ ৮ ঘন্টা বিনোদন ও ৮ ঘন্টা বিশ্রামের দাবিতে ও মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন শুরু করে ছিলেন। তখন জার্মানের সমাজতান্ত্রিক এক নেত্রী প্রথম প্রস্তাব দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস কিংবা আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের। এদিনের এই কর্মসূচিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সারা ভারত শ্রমজীবী নারী সমন্বয় কমিটির প্রতিনিধিরা আসেন।
মুখ্যমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে দ্রুত বিকাশের দিশায় এগিয়ে চলছে ত্রিপুরা রাজ্য
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্গদর্শনে এবং মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহার সুযোগ্য নেতৃত্বে দ্রুত বিকাশের দিশায় এগিয়ে চলছে ত্রিপুরা রাজ্য। ২০২৩ সাল থেকে মুখ্যমন্ত্রীর নিরলস প্রচেষ্টায় ত্রিপুরা অভূতপূর্ব উন্নয়নের সাক্ষী হয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার রাজ্যকে সামগ্রিক উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন জনমুখী নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি স্তরকে উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
সমাজের সকল অংশের মানুষের উন্নয়নকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যেমন – প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনার মাধ্যমে ৬.০৮ লক্ষ পরিবারকে ৩.০৮ লক্ষ মেট্রিক টন রেশন বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে ১,৮৩,৪৬১ দরিদ্র পরিবারকে পাকা ঘর প্রদান করা হয়েছে। জল জীবন মিশন প্রকল্পের মাধ্যমে ১,৮১,১৭৭ বাড়িতে নলের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানীয়জল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি যোজনার মাধ্যমে ২,৩৯,৮৭৫ কৃষককে ২৮৭.১৬ কোটি টাকা সরাসরি আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে ৮১,৩৪৪ পরিবারকে বিনামূল্যে এলপিজি সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
আয়ুষ্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা ও মুখ্যমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় ২০.৫৬ লক্ষ লাভার্থী নিবন্ধীকৃত হয়েছে। যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৪.৩০ লক্ষ লাভার্থীকে স্বাস্থ্যবিমা সুরক্ষা প্রদান করা হয়েছে।ন্যূনতম সহায়কমূল্যে ৫৩,৯০৮ মেট্রিক টন ধান কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় করা হয়েছে। ৪২৫১২ টি বাড়িতে শৌচালয় নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৪৩৬টি কমিউনিটি শৌচালয়ও নির্মাণ করা হয়েছে। ৪২,৩৯৩ বাড়িতে বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। দীনদয়াল অন্ত্যোদয় যোজনা, জাতীয় জীবিকা মিশনে ১,১৯,৯৮৬ মহিলাকে নিয়ে ৯,০৬৬ টি স্ব-সহায়ক দল গঠনের মাধ্যমে স্ব-রোজগারি করে তোলা হয়েছে। (২০১৮ থেকে এ পর্যন্ত ৫৩,৬২৩ টি স্ব-সহায়ক দলে ৪.৮৪ লক্ষ জনকে যুক্ত করা হয়েছে)।
এর পাশাপাশি জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে একাধিক জনমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। গত বছরের ২১ ডিসেম্বর আগরতলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহের সভাপতিত্বে উত্তর-পূর্বাঞ্চল পর্ষদের ৭২তম প্লেনারি অধিবেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়। নাগরিকদের সমস্যা সমাধানে ২০২৩ সালের ১২ এপ্রিল মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচির সূচনা হয়। যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন হয়েছে ত্রিপুরায়। নতুন ৫১ কি.মি. (২০১৮ থেকে এ পর্যন্ত ৪০৯ কি.মি.) জাতীয় সড়ক, উন্নততর রেল পরিষেবার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের সাথে যোগাযোগ স্থাপন, মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দরের উন্নীতকরণ ও বিমান চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বচ্ছ নিয়োগ-নীতির মাধ্যমে ৫,৯৭২টি সরকারি চাকরিতে নিয়মিত পদে নিযুক্তি করা হয়েছে (২০১৮ থেকে এ পর্যন্ত ১৭,৬৪৫ টি নিয়মিত পদে নিয়োগ করা হয়েছে)। তাছাড়া এবছর আরো ৮,২৫২টি বিভিন্ন পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তথ্য দিয়ে জানানো হয়েছে যুবাদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে নতুন স্টার্ট-আপ পলিসি-২০২৪ প্রণয়ন করা হয়েছে। শিল্পক্ষেত্রকে উৎসাহিত করতে ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নতুন শিল্পনীতি চালু করা হয়। গুণগত শিক্ষার বিকাশে জাতীয় শিক্ষানীতির বাস্তবায়ন করা হয়। বুনিয়াদী শিক্ষা স্তর থেকে শুরু করে উচ্চ শিক্ষাস্তর পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক বিকাশ সাধন করা হয়েছে। মহিলাদের শিক্ষার বিকাশে কলেজ ছাত্রীদের বিনামূল্যে স্কুটি প্রদান করা হবে। স্বাস্থ্য শিক্ষার ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়।
রাজ্যের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সমূহ উন্নতি সাধনের ফলে পর্যটকদের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তপশিলি জনজাতি, তপশিলি জাতি, ওবিসি ও সংখ্যালঘুদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প ও পরিষেবা রূপায়ণ করা হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের কল্যাণে প্রদেয় স্কলারশিপ অর্থমূল্যের দ্বিগুনেরও বেশি বৃদ্ধি করা হয়েছে। চতুর্পাক্ষিক চুক্তির অধীনে পুনর্বাসিত ব্রু পরিবারকে গৃহ নির্মাণ, কর্মসংস্থান, বিনামূল্যে রেশন সহ সমস্ত ধরনের পরিষেবা প্রদান করা হয়।
রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রেও অভুতপূর্ব সাফল্য পাওয়া গেছে। নেশা মুক্তি অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। দিব্যাঙ্গজন ক্ষমতায়ন নীতি চালু হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ভাতা প্রকল্পে সুবিধাভোগীদের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে রাজ্যের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্টেট লোগো প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থ বর্ষে মাথাপিছু গড় আয় হয়েছে ১,৭৭,৭২৩ টাকা, যা ২০১৮-১৯ অর্থ বর্ষে ছিল ১,১৩,০১৬ টাকা। ক্রীড়া পরিকাঠামোর সার্বিক উন্নয়নের ফলে বিভিন্ন জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার সফল আয়োজন সম্ভব হয়েছে। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
উন্নয়নমূলক কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় স্তরে বিভিন্ন ক্ষেত্রেও ধারাবাহিকভাবে পুরস্কার অর্জন করে যাচ্ছে ত্রিপুরা। এক্ষেত্রে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহার অবদান ও নিরলস প্রচেষ্টা অনস্বীকার্য। বরাবরই তিনি এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী যথা যোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করলো টিপরা মথার মহিলা সেল ত্বিপ্রা ওমেন ফেডারেশন। শনিবার সকল থেকে আগরতলা টাউন হলে তাদের অনুষ্ঠান শুরু হয়। বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়িকা স্বপ্না দেববর্মা, সংগঠনের সভানেত্রী মনিহার দেববর্মা সহ অন্যান্যরা। গোটা রাজ্য থেকে আসেন মহিলা প্রতিনিধিরা। 
মহারাজা বীরবিক্রম কিশোরে মাণিক্যের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে অনুষ্ঠান শুরু হয়। মহিলাদের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে তারা যেন সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে সেই লক্ষেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানানো হয়। মনিহার দেববর্মা বলেন, মহিলাদের অনেক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অধিকার আছে। কিন্তু সেই সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। তবেই মহিলাদের এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচির ৩৮-তম পর্বে আজ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাহায্য প্রত্যাশী জনগণ মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা’র সাথে সাক্ষাৎ করেন। মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে জনগণ সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে তাদের অভাব, অভিযোগ ও সমস্যা সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে অবগত করেন। চিকিৎসা, সামাজিক ভাতা, কর্মসংস্থান, জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী সমস্যা পীড়িতদের তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি প্রত্যেকের সমস্যা সমাধানের জন্য উপস্থিত সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন। 
আগরতলার পূর্ব থানা লেনের ক্যান্সার আক্রান্ত শঙ্কর চক্রবর্তী অসুস্থতার জন্য বর্তমানে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তিনি হার্নিয়া রোগেও ভুগছেন। চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র কেনা সহ ২ মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে তার সংসার প্রতিপালন কষ্টকর হয়ে পড়েছে বলে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে জানান। মুখ্যমন্ত্রী সাথে সাথে অটল বিহারী বাজপেয়ী আঞ্চলিক ক্যান্সার হাসপাতালের সুপারের সাথে কথা বলে তার চিকিৎসায় বিনামূল্যে ঔষধপত্র সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। জন্মগত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত আগরতলার মাস্টার পাড়ার রূপা সাহা চিকিৎসার জন্য সাহায্যের দাবি জানালে মুখ্যমন্ত্রী জিবি হাসপাতালের ডেপুটি মেডিক্যাল সুপারের সাথে কথা বলে বিনামূল্যে তার ঔষধপত্র ও ফিজিওথেরাপির ব্যবস্থা করে দেন। মেলারমাঠের শিপ্রা রায় সাহা তার স্বামীর চিকিৎসার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্য চাইলে তিনি চিকিৎসায় সহায়তার আশ্বাস দেন।
ধলেশ্বরের মন্তোষ চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলে তার সমস্যা সমাধানের আশ্বাস পেয়েছেন। আগরতলার ইন্দ্রনগরের বাসিন্দা বিপ্লব পালের ছেলে বাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনায় শ্রীপালের ছেলের ডান হাত ভেঙে যায় এবং ডান পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সম্প্রতি আইএলএস হাসপাতালে তার অপারেশন করা হয়েছে। বিপ্লব পাল তার ছেলের চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আর্জি জানালে মুখ্যমন্ত্রী জিবি হাসপাতালের ডেপুটি মেডিক্যাল সুপারের সাথে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় সাহায্যের আশ্বাস দেন।
মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচিতে আজ আগরতলার ভাটি অভয়নগরের সন্ধ্যা দাস, ভট্ট পুকুরের শঙ্কর চন্দ্র দাস, দক্ষিণ রামনগরের জয় সরকার, টাকারজলার পাঠালিয়াবাড়ির মনীষ দেব বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার সাহায্যের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান। মুখ্যমন্ত্রী তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখে জিবি হাসপাতালের ডেপুটি সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তাছাড়াও জমি সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে এসেছিলেন সূর্যমণিনগরের তানিয়া দাস, নলছড়ের অরুণ চন্দ্র দাস। মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলার পর তারাও তাদের সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে পেয়ে আশ্বস্ত হন।
আজ মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রীর সচিব ড. পি কে চক্রবর্তী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব রাজীব দত্ত, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা তপন কুমার দাস, অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওন্যাল ক্যান্সার হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার ডা. শিরোমণি দেববর্মা, জিবি হাসপাতালের ডেপুটি মেডিক্যাল সুপার ডা. কনক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
জোট সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে জনসমাবেশে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা : রাজীব
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগামী ৯ই মার্চ রাজ্য বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানী আগরতলার স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে অনুষ্ঠিত হতে চলা মহাজনসভা ও রেলিকে সামনে রেখে প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশের সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য সাধারণ সম্পাদক ভগবান চন্দ্র দাস, কৃষি মন্ত্রী রতন লাল নাথ সহ অন্যান্যরা।
উল্লেখিত মহাজনসভায় উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হলো বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের খতিয়ান জনতার সামনে তুলে ধরা যার জন্য জেলা মন্ডল ও বুথ স্তরের সমস্ত কার্যকর্তাদের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। আগামী ৯ই মার্চ জনসভা কে কেন্দ্র করে ৯ জনের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে যার নেতৃত্বে রয়েছেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ। বলা চলে রাজ্যের উত্তর থেকে শুরু করে দক্ষিণের সর্বত্র বিজেপি নানা ধরণের সাংগঠনিক কর্মসূচী চালিয়ে যাচ্ছে।
এর মধ্যে আগামী ৯ই মার্চ রাজধানী শহর আগরতলার স্বামী বিবেকানন্দ ময়দনে শাসক দলের বড় শরিক ভারতীয় জনতা পার্টি তথা বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বিশাল জনসমাবেশ। আর জনসমাবেশকে ঐতিহাসিক রূপ দিতে ময়দানে অবতীর্ণ নেতা, মন্ত্রী, বিধায়ক থেকে শুরু করে দলের শীর্ষ নেতারা।



