Monthly Archives
March 2025
মহিলাদের স্বরোজগারী ও সশক্তিকরণ ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয় : অর্থমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মহিলাদের স্বরোজগারী ও সশক্তিকরণ ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী মহিলাদের সশক্তিকরণে গুরুত্বারোপ করেছেন। রাজ্যে স্বসহায়ক দলের কর্মকান্ড আজ আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আজ আগরতলা টাউনহলে স্বসহায়ক দলের মহিলাদের সশক্তিকরণের লক্ষ্যে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের এগ্রি আউটরিচ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহরায় একথা বলেন। 
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০৪৭ সালের মধ্যে আমাদের দেশকে বিকশিত ভারত হিসেবে গড়ার প্রচেষ্টা নিয়েছেন। বর্তমানে ভারত বিশ্ব অর্থনীতিতে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী ফরমেশন অব মাইক্রো ফুড প্রসেসিং এন্টারপ্রাইজেস প্রকল্পে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে ৩৫টি মহিলা স্বসহায়ক দলকে ২.৩ কোটি টাকার চেক দেওয়া হয়। আজ দেশের ১৩৮টি স্থানে এরূপ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। 
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় আরও বলেন, ২০১৮ সালের আগে এরাজ্যে স্বসহায়ক দলের সংখ্যা ছিল ৪১৫০টি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত স্বসহায়ক দলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৩৫৫টি। এতে ৪ লক্ষ ৭৭ হাজার সদস্য ও সদস্যা যুক্ত রয়েছেন। লাখপতি দিদি হয়েছেন ৯১ হাজার। আমরা চাই সকল মহিলা স্বসহায়ক দলের সাথে যুক্ত হোক। কৃষি ও কৃষক কল্যাণের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো কৃষি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র। এলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের ১০০টি জেলায় পিএম ধনধান্য কৃষি যোজনা চালু করেছেন।
আগে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কেসিসি লোন দেওয়া হতো। দেশে এবারের বাজেটে কেসিসি লোন ৫ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। উপকৃত হবেন ৭ কোটি ৭০ লক্ষ কৃষক। পিএম মুদ্রা লোন ১০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ২০২৮ সাল পর্যন্ত দেশের ৮০ কোটি লোককে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেবার ব্যবস্থা করেছেন। রাজ্যের কৃষকদের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দিন দিন রাজ্যে কৃষি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের উন্নয়ন হচ্ছে। আজ রাজ্যে জিএসডিপি ও মাথা পিছু গড় আয় বাড়ছে। আগে রাজ্যে একজন কৃষকের মাসিক আয় ছিল ৬৫৫০ টাকা। এখন হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার টাকা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের এমডি এবং সিইও অশোক চন্দ্রা, আরবিআই-র জিএম সুরেন্দ্র নিদার এবং নাবার্ড এর জিএম অনিল এস কোটমেরে। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের জোনাল ম্যানেজার চিত্তরঞ্জন পুস্ত। উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান সত্যেন্দ্র সিং ও টিআরএলএম-র সিইও অজিত শুক্লদাস। অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী সহ অতিথিগণ স্বসহায়ক দলের হাতে ঋণের চেক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের অধীন স্বসহায়ক দল ও এগ্রি ইনফ্রা ফান্ড বিষয়ে ভিডিও শো প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদজ্ঞাপন করেন পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ডিজিএম ঋতুরাজ কৃষ্ণ।
অনুষ্ঠানের পর অর্থমন্ত্রী সহ অতিথিগণ বিভিন্ন স্বসহায়ক দলের স্টল পরিদর্শন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের এমডি ও সিইও টাউনহলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক গত ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি দেশের ১৫০টি জায়গায় হাউজিং লোন এবং পিএম সূর্যঘর মুফত বিজলী যোজনা কার্যক্রমের বিষয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এক্ষেত্রে ১০ হাজার কোটি টাকা হাউজিং লোন ও ১০০০টি পিএম সূর্যঘর মুফত বিজলী যোজনার জন্য আবেদন পত্র গ্রহণ করা হয়।
Global trade wars have become a defining feature of modern international relations, with countries imposing tariffs and counter-tariffs in a bid to protect their economies. But who really wins and who loses in this economic tug-of-war?
From the Norlandia–East Veritas trade standoff to disputes between South Arkania and the United Provinces, protectionism has resurfaced. While the goal is often to safeguard domestic industries, the ripple effects are felt far and wide, especially by consumers and small businesses.
In the global economy, when one country sneezes, others catch a cold.
Anonymous Economist
Higher tariffs often mean higher prices for consumers. Supply chains are disrupted, companies delay investments, and uncertainty reigns. While some sectors see short-term gains, others suffer long-term losses.
Winners in Trade Wars
Industries protected by tariffs, such as steel in Norlandia or grain farming in Estavia, may experience a temporary boom. Some domestic manufacturers may benefit from reduced competition and increased government support.
But such advantages often come at a price. Governments may offer subsidies, paid for by taxpayers. Furthermore, businesses facing fewer global competitors may lack motivation to innovate.
- Short-term industry protection
- Increase in domestic job creation (temporarily)
- Growth in local supply chains and production
Short-term gain doesn’t guarantee long-term stability. Protectionist policies may spark retaliations that affect other sectors, including technology, finance, and services.
Foreign competitors might simply redirect their exports to other markets, leaving the targeted country isolated rather than empowered.
It’s a strategic game where every move has consequences, intended or not.
The losers are often small and medium-sized enterprises that lack the resources to adapt. Rising costs and limited market access may force them to downsize or close.
Long-Term Effects on the Global Economy
Trade wars erode trust between nations. They fragment global supply chains and encourage countries to turn inward. This trend, known as de-globalization, threatens decades of economic integration.
Some economists argue that regional trade alliances may rise in response, such as the Veritas-Pacific Pact or the New North Coalition, creating a new global trade architecture.
However, the risk of economic nationalism remains. Countries might prioritize short-term sovereignty over long-term cooperation, potentially leading to more volatile global markets.
- Decreased investor confidence
- Increased supply chain localization
- Widening gap between developed and developing markets
- Inflationary pressures on imported goods
Policymakers, businesses, and consumers all have a stake in the outcome. Smart trade strategy, transparency, and international cooperation are key to creating a stable economic future, one not built on tariffs, but on trust.
What Can Be Done Moving Forward?
While trade conflicts are often shaped by political agendas, practical steps can be taken by stakeholders across the board to mitigate their impact and build economic resilience.
- Diversify Trade Partners: Countries and companies can reduce vulnerability by expanding their network of trade partners beyond traditional allies.
- Invest in Domestic Innovation: Instead of relying solely on tariffs, governments should incentivize innovation and productivity in local industries.
- Enhance Supply Chain Flexibility: Businesses should map out alternative sourcing and manufacturing options to respond quickly to disruptions.
- Strengthen Trade Institutions: Reforming international trade organizations like the World Trade Consortium (WTC), the fictional counterpart to WTO, can help mediate conflicts effectively.
Consumers also play a part. By staying informed, supporting ethical brands, and advocating for fair trade policies, individuals can influence macroeconomic decisions more than they may realize.
Ultimately, cooperation, not confrontation, is the path forward. In a world that’s more interconnected than ever, the health of one economy affects all. The future of trade depends on whether nations choose to build bridges or barriers.
Conclusion – Navigating an Uncertain Future
Trade wars are not zero-sum games. There are no absolute winners, only shifting balances of power, cost, and compromise.
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নলছর বিধানসভা কেন্দ্রের মেলাঘর পোয়াংবাড়ি এলাকার দিন মজুর মানিক বর্মনের ২৫ বছর বয়সি ছেলে দীপ্তনু বর্মন স্নাতক উত্তীর্ণ হয়ে অর্থ উপার্জনের জন্য বাবার সাথে কাজে যোগদান করে। তার ইচ্ছা ছিল ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার কিন্তু তা আর হলো না। আজ থেকে বেশ কয়েক মাস আগে দীপ্তনু বর্মনের মাথায় একটা যুক্তি আসে নিজে হেলিকপ্টার তৈরি করে আকাশে উড়ার।
সেই থেকে দীপ্তনু বর্মন নিজের পরিশ্রমের কাজের টাকা দিয়ে হেলিকপ্টার তৈরির সমস্ত সরঞ্জাম ক্রয় করতে শুরু করেন এবং সে নিজে বাড়িতে বসে আকাশে উড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হেলিকপ্টার তৈরি করার কাজ শুরু করে। হেলিকপ্টার আকাশে উড়তে গেলে যতটুকু টেকনিক্যাল কাজের প্রয়োজন হয় তার বেশিরভাগই লাগিয়েছে সে।
পাখা, ইঞ্জিন প্রায় সব কিছুই ঠিকঠাক ভাবে লাগানো হয়েছে তবে আগামী কিছুদিনের মধ্যেই বাকি কাজগুলি সেরে আকাশে উড়ার ট্রায়েল দেবে দীপ্তনু।সে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সম্ভবত তার এই চেষ্টা সফলতার মুখ দেখবে। হ্যাঁ আরো জানিয়েছে অর্থের অভাবে বাকি কাজগুলি করা সম্ভব হচ্ছে না যার ফলে সরকার যদি সামান্য কিছু সাহায্য করতো তাহলে খুব শীঘ্রই সেই কাজগুলি সম্পন্ন করা যেত।
স্থানীয় এলাকাবাসীরা হেলিকপ্টার দেখতে প্রায় প্রতিনিয়তই বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছে। তবে এলাকাবাসীদের মতে সম্ভবত ত্রিপুরায় এই প্রথম দীপ্তনু বর্মন নিজ হাতে হেলিকপ্টার তৈরি করেন আকাশে উড়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে দীপ্তনুর চেষ্টার ফল হেলিকপ্টার কবে আকাশে সফলভাবে ট্রায়াল দেবে সেই অপেক্ষায় এলাকার লোকজন।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণীর পর আক্রান্ত IIT বাবা! সংবাদ চ্যানেলে ঢুকে লাঠিপেটা দুষ্কৃতীকারীদের
written by janatar kalam
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মহাকুম্ভ থেকে ভাইরাল হওয়া ফের শিরোনামে আইআইটি বাবা। এবার নয়ডার এক স্টুডিওয় ঢুকে তাঁকে লাঠিপেটা করেছে দুষ্কৃতীরা। পরে থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসে পড়েন আইআইটি বাবা উড়ফে অভয় সিং গ্রেওয়াল। পরে অবশ্য পুলিশের পদক্ষেপে আশ্বাস পাওয়ায় বিক্ষোভ তুলেও নেন তিনি। আইআইটি বাবা বলেন, এদিন গেরুয়া পোশাক পরা একদল লোক তাঁকে স্টুডিওতে ঢুকে হেনস্থা করেন, গায়ে হাত তোলেন।
সম্প্রতি তিনি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করতে। পাকিস্তানই ম্যাচ জিতবে বলেছিলেন তিনি। কিন্তু বাস্তবে হয় ঠিক উলটো। গোটা ম্যাচে দাপট দেখিয়ে পাকিস্তানকে হারায় ভারত।
তবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী গোটা দেশ মোটেও ভালভাবে নেয়নি। তার পরে তুমুল হেনস্থার মুখে পড়তে হল আইআইটি বাবাকে। ফলে অনেকেই বলছেন, তাঁকে আসলে শায়েস্তা করেছেন কয়েকজনে মিলে। তবে আরকদল লোক বলছেন, কোনওভাবেই হিংসার পথ কাম্য নয়।
বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের মা-বোনেদের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর : মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মহিলা স্বশক্তিকরণ কিংবা রাজ্যের মহিলাদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্য দিয়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই প্রচেষ্টা কে সাফল্য করার লক্ষ্যে শুক্রবার বড়দোয়ালী মন্ডলের অন্তর্গত ৩৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা স্বশক্তিকরন কমিটি কর্তৃক আয়োজিত “স্বাবলম্বী নারী, সাবলম্বী ত্রিপুরা” নামক এক সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা। 
এদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, প্রদেশ বিজেপি সদর শহর জেলা সভাপতি অসীম ভট্টাচার্য, ৮ নং টাউন বড়দোয়ালী মন্ডল সভাপতি শ্যামল কুমার দেব, মার্ক ফেডারেশনের ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জয় সাহা, ৩৯ নং ওয়ার্ডের কর্পোরেটর অলক রায়, ৩৩ নং ওয়ার্ডের কর্পোরেটর তথা দক্ষিণ জোনের চেয়ারম্যান অভিজিৎ মল্লিক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 
এদিনের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন মহিলাদের জন্য ৩২. এ ৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে সেখান থেকে আমরা 7. 14 কোটি টাকা দিয়ে দিয়েছি, কেননা এটা দেখাতে হবে যে রাজ্যের মা বোনেদের জন্যে রাজ্য সরকার কি করছে, এছাড়া ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার এস এইচ জি গ্রুপের যে মহিলারা রয়েছেন তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনায় কভারেজ রাখা হয়েছে এর মধ্যে আবার ৩ লক্ষ ১৪ হাজার যে মহিলারা জীবন জ্যোতি বীমা যোজনা আওতায় রয়েছেন এরাও সুফল পাবেন এরকম ভাবেই বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের মহিলাদের সুরক্ষিত রাখার জন্য কাজ করে চলছে রাজ্য সরকার বলে জানান তিনি। 
অন্যদিকে প্রদেশ বিজেপি সভাপতি তথা সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য বলেন আমাদের সমাজের মহিলারা লাখপতি হবেন সেটা কোনদিনও কল্পনা করা যায়নি, কিন্তু আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কল্যাণে সেটা বাস্তবায়িত হচ্ছে। এছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে নারীদের অধিকার নারীদের আত্মসম্মান ফিরিয়ে দেওয়ার স্লোগান শুধু শুনেই আসছি, কিন্তু কোনদিন কোন সরকার সরকারি এজেন্ডাতে নারীদের সুরক্ষা কিংবা সর্বক্ষেত্রে নারীদের অধিকার নিয়ে কোন বিষয় স্থান দেয়নি, তাও একমাত্র দেশের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির কল্যাণে সর্বক্ষেত্রে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ রিজার্ভেশন জারি করে নারীদের অধিকার সুরক্ষিত করেছেন। এদিনের সভায় এলাকার মা বোনেদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
Older Posts







